আহমাদ : চব্বিশের মুয়াজ

গল্প এস এম ফরহাদ জুলাই ২০২৫

প্রিয় কিশোর বন্ধুরা, কেমন আছ? আমি, তুমি, আমরা সবাই হয়তো ভালোই আছি। কিন্তু ভাবো তো, আমার কিংবা তোমার যেই কিশোর বন্ধুটি গত বছর জুলাইয়ে হাত হারিয়েছে কিংবা যার গুলিবিদ্ধ পা ডাক্তার কেটে ফেলেছে, অথবা যার চোখের আলো চিরতরে নিভে গেছে ছররা গুলির আঘাতে, সেই বন্ধুটি কেমন আছে? কিংবা চিন্তা করো, তোমার যেই বন্ধুটি মাথায় কিংবা বুকে বুলেটের আঘাত নিয়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে চিরতরে, তার আব্বু-আম্মু, কিংবা ভাই বোন কেমন আছেন?

২. 

ছোট্ট শিশু আহমাদ। বয়স তার সাত বছর। বাসা বনশ্রীতে। কদিন থেকেই পরিবেশটা কেমন যেন উত্তপ্ত, টের পাচ্ছিল সে। কিন্তু ১৯ জুলাই জুমার পর যেন চারপাশে আগুন ধরে গেল। কীসের এত উত্তাপ? এত গণ্ডগোল, হই হট্টগোল কেন রাস্তায়? উত্তর জানে না ছোট্ট আহমাদ। কিন্তু সে জানে নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে পুলিশ, আহত হয়েছে অনেকে। বিদ্রোহী হয়ে ওঠে আহমাদের কিশোর মন। কেন এই গুলি? এ মানুষগুলো তো কিছু একটা বলতে চেয়েছিল সরকারকে। তাদের বলতে দিলে কী এমন সমস্যা হতো? ভেবে পায় না আহমাদ। তবে মনে মনে এক শক্ত প্রতিজ্ঞা করে সে...

৩.

চব্বিশের জুলাইয়ে আন্দোলন মূলত শুরু হয় কোটা আন্দোলন থেকে। মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ বিভিন্ন কোটার কারণে সরকারি চাকরিতে অবমূল্যায়িত হচ্ছিল মেধাবীরা। এ ক্ষোভ থেকেই ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি থেকে শুরু হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ধীরে ধীরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে। কিন্তু জুলাইয়ের ১৪ তারিখ ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করায় আন্দোলন তীব্র গতি পায়। সাধারণ শিক্ষার্থী তীব্র প্রতিবাদে ফেটে পড়ে।  নারী শিক্ষার্থীরাও স্লোগান দিয়ে হল থেকে বের হয়ে আসে রাতেই। পুরো ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রকম্পিত হয় ‘তুমি কে, আমি কে? রাজাকার রাজাকার’ স্লোগানে। এ স্লোগান ছিল মূলত ১৫ বছর ধরে জেঁকে বসা শাহবাগী বয়ানের মূলে এক শক্ত কুঠারাঘাত। ব্যঙ্গাত্মক এই এক স্লোগানেই ধসে পড়ে শাহবাগের হাত ধরে তৈরি হওয়া ট্যাগিং-ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে জুলুমের বৈধতাদানের সিলসিলা। কেঁপে ওঠে ১৫ বছর ধরে জাতির ওপর চেপে বসা জালিমের শাহি তখ্ত। সাথে সাথে ভিত নড়ে যায় বিভিন্ন হলে হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার কেড়ে কণ্ঠরোধ করে রাখা জুলুমশাহির পেয়াদা বাহিনী ছাত্রলীগের। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অবরুদ্ধ কণ্ঠ মুক্ত হয়ে স্লোগান তোলে হলের স্বঘোষিত প্রভুদের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত শক্তির সামনে ভেসে যায় ছাত্রলীগের এতদিনের সাজানো মসনদ। ছাত্রলীগ নেতারা বাধ্য হয় প্রাণ নিয়ে পালাতে।

পরদিন দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাত থেকে ক্যাম্পাস মুক্ত করতে এগিয়ে আসে সরকারের একান্ত অনুগত বাহিনী। হামলা চালানো হয় প্রতিবাদরত শিক্ষার্থীদের ওপর। একই দিন হামলা করা হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়েও।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর এ নির্মম হামলায় এবার ফুঁসে ওঠে সারা দেশ। দীর্ঘ ১৫ বছরের জুলুমে নিষ্পেষিত জাতি ঘুম ভেঙে জেগে ওঠে। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। শহীদ হয় রংপুরে আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও ওয়াসিম, উত্তরায় মীর মুগ্ধসহ সারা দেশে অসংখ্য মানুষ।

শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ যেমন রাস্তায় নামে, তেমনি বড়ো ভাইদের রক্ত দেখে চুপ থাকতে পারেনি স্কুল শিক্ষার্থী কিশোর-কিশোরীরাও। এক অপ্রতিরোধ্য টান তাদেরকেও নিয়ে আসে রাস্তায়। রাস্তায় শহীদ হয় স্কুলছাত্র ফারহান ফাইয়াজ, রাকিব হাসান, তাহমিদ ভূঁইয়া তামিমসহ অসংখ্য শিশু-কিশোর। এমনকি বাড়ির মধ্যেও আর নিরাপদে ছিল না শিশু-কিশোররা। বেলকুনিতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয় মাইলস্টোন কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী নাঈমা সুলতানা, নারায়ণগঞ্জে বাসার ছাদে খেলতে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে ছোঁড়া গুলিতে মারা যায় শিশু রিয়া গোপ। আন্দোলন শিক্ষার্থীদের থেকে শুরু হয়েছিল বটে, কিন্তু এ নির্মম হত্যাযজ্ঞ, শিশুদের লাশ নাড়িয়ে দেয় প্রতিটি বিবেকবান মানুষকে। বিবেকের তাড়নায় পথে নেমে আসে সাধারণ মানুষ। ছাত্রআন্দোলন পরিণত হয় গণআন্দোলনে।

৪.

আহমাদ শক্ত প্রতিজ্ঞা করে, যে অবশ্যই প্রতিবাদ করবে তার চোখের সামনে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের। দিন গড়ায়। এরই মধ্যে খবর আসে, তার বন্ধু বাসিত খান মুসা গতকাল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। মুসার দাদি মারা গিয়েছেন আজ। বন্ধুর হয়ে প্রতিশোধ নেওয়াটা যেন কর্তব্য হয়ে ওঠে আহমাদের। আহমাদের প্রতিজ্ঞা আরও শক্ত হয়। বড়োদের সাথে সেও রাস্তায় নামবে। যুদ্ধ করবে তাদের সাথে, যারা তার বন্ধুকে গুলি করেছে। কিন্তু আম্মু রাজি হন না। বলেন, যখন বড়ো হবে, তখন যেও যুদ্ধে। সব সময় মলিন হয়ে থাকে আম্মুর মুখটা। কখনো-বা মুখ লুকিয়ে কাঁদেন। আম্মুর কান্না দেখে আহমাদেরও কান্না পায়। তারও তো মন চায় বড়োদের মতো মাথায় পতাকা বেঁধে বাইরে যেতে। কিন্তু আম্মু তাকে চোখে চোখে রাখেন। জানালার কাছেও দাঁড়াতে দেন না। একবার মিনমিন করে গিয়েছিল আম্মুকে বলতে, সেও বাইরে যেতে চায়। আম্মু না বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন তখন। বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন তাকে শক্ত করে।

৫.

দেশে এতদিন ভর করে ছিল এক অদ্ভুত নীরবতা। সবাই রোবটের মতো কাজ করত, ঘুরত, খেতো, আবার বাসায় ফিরে এসে ঘুমাত। কিন্তু ছিল না কোনো প্রাণচাঞ্চল্য, ছিল না বলিষ্ঠ ভাষায় সত্য উচ্চারণের কণ্ঠ। কারণ? কারণ, সত্য উচ্চারিত হলেই আশ্রয় হতো জেলখানায়, কিংবা ভাগ্য আরও খারাপ হলে আয়নাঘরে। সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে কতজন যে হারিয়ে গিয়েছেন, তার খোঁজ মেলা ভার। সত্য বলার পরিণতি দেখে বাকিরাও আর সাহস করত না জোরগলায় সত্যটা বলতে। তবে প্রতিবাদী শব্দগুলো যেন গলার কাছে দলা পাকিয়ে থাকত। শুধু এক অগ্নিস্ফুলিঙ্গের অপেক্ষা। এক অগ্নিস্ফুলিঙ্গই পারে মৃত অগ্নিগিরিটা জাগিয়ে দিতে।

অবশেষে জুলাই এলো সেই স্ফুলিঙ্গ হয়ে। স্ফুলিঙ্গটি জ¦ালিয়ে দিলো মৃত অগ্নিগিরিটাকে। বিস্ফোরিত হলো গলার কাছে দলা পাকিয়ে থাকা সত্যগুলো। গ্রাফিতিতে ছেয়ে গেল শহর, নগর, বন্দর। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্তের রঙে লেখা এইসব গ্রাফিতি নিয়ে এলো ফ্যাসিস্টের অন্তিম বার্তা।

৬.

আহমাদের স্মৃতিতে ভাসে সেই ভয়ংকর রাতের কথা। সে আজও জানে না, সেদিন রাতে আসলে কী হয়েছিল। শুধু মনে পড়ে, দেখতে ভয়ংকর কিছু মানুষ বাসায় এসেছিল। তাদের সাথে আম্মুর কথা কাটাকাটির শব্দে ঘুম ভেঙেছিল তার। ঘুম ভেঙেই দেখে, আব্বু এত রাতে কোথায় যেন বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আব্বু সে রাতে একটি কথাও বলেননি। শুধু বের হওয়ার আগে তাকে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছিলেন কপালে। সেই যে আব্বু গেলেন, তারপর সে আর কোনো দিন আব্বুকে দেখেনি। সেদিনের পর থেকে আম্মুর মুখেও আর কোনো দিন হাসি দেখেনি সে। আব্বুর কি এখন তার কথা মনে পড়ে না? আব্বু কীভাবে পারেন তাকে ছেড়ে থাকতে? আব্বু কি আর কোনো দিন ফিরবেন না? আব্বু কি মারা গিয়েছেন? মারা গিয়ে থাকলে আব্বুর কবর কোথায়? আব্বুর সাথে তো মাঝেমধ্যে দাদুর কবরে দোয়া করতে যেত সে। কিন্তু আব্বুর কবরে কে দোয়া করবে? সে তো জানেই না, আব্বুর কবর কোথায়। অবশ্য আম্মু বলেন, আব্বু নাকি ফিরবেন কোনো একদিন। কিন্তু কবে?

৭.

গত ১৫ বছরে গুম ছিল নিপীড়নের এক ভয়াবহ মাধ্যম। ওয়ারেন্ট ছাড়াই সাদা পোশাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো সাধারণ মানুষকে। তারপর? খোঁজ পাওয়া যেত না তার আর। না থানায়, না ডিবি অফিসে, না আদালতে। পরিবার অপেক্ষায় থাকত দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। ভাগ্য ভালো হলে হয়তো মাঝেমধ্যে পাওয়া যেত কারো কারো লাশ। কিন্তু বাকিরা? হারিয়ে যেতেন চিরতরে। যেন দুনিয়াতে সে মানুষটির কোনো অস্তিত্বই নেই। সম্প্রতি আমরা দেখেছি বিভিন্ন আয়নাঘরের দৃশ্য। এগুলোতেই বছরের পর বছর থাকতে হতো এসব হারিয়ে যাওয়া মানুষদের। অবশ্য গুম হওয়া মানুষদের একটা বড়ো অংশকেই ফিরে পাওয়া যায়নি আর। তারা হারিয়ে গেছেন চিরতরে, জীবনের খাতা থেকে মুছে গেছে তাদের নাম। 

৮. নাহ, আহমাদের পক্ষে আর বাসায় বসে থাকা সম্ভব না। তাঁর বন্ধু বাসিত এখনও লড়াই করছে মৃত্যুর সাথে। এখনও স্বার্থপরের মতো সে কীভাবে বাসায় বসে থাকবে? সে তো গল্পের বইয়ে মায়াজ-মুয়াজ নামের দুই কিশোর সাহাবীর গল্প পড়েছে। তাদের বয়স যেন কত ছিল? মনে করতে পারে না আহমাদ। তবে যতই হোক, তারা তো বয়সে তার চেয়ে খুব বেশি বড়ো হবে না। এ দুই কিশোর যদি বদরের ভয়াবহ যুদ্ধে আবু জাহেলের মতো শত্রুকে মেরে ফেলতে পারে, তাহলে সে কেন রাস্তায় নেমে যুদ্ধ করতে পারবে না?

তার আরও মনে পড়ে আব্বুর মুখে শোনা হযরত আলী (রা)-এর গল্পের কথা। মক্কার সবাই যখন রাসূল (সা)-এর বিরুদ্ধে, তখন মাত্র দশ বছরের বালক আলী (রা) এসে রাসূল (সা)-এর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। আহমাদ তো তাদের মতোই হতে চায়, তাহলে সে কেন যুদ্ধে যাবে না এখন?

হঠাৎ একটা আইডিয়া এলো আহমাদের মাথায়। সে তো চাইলে আম্মুকেই পটিয়ে ফেলতে পারে। একা নয়, বরং আম্মুকে নিয়েই আন্দোলনে যাবে সে। আম্মু এবার কীভাবে না বলবেন?

৯.

আম্মুর হাত ধরে রাস্তায় নেমে এসেছে আহমাদ। অবাক হয়ে সে লক্ষ্য করে, সে শুধু একা নয়, তার মতোই অসংখ্য শিশু-কিশোর আম্মু-আব্বুর সাথে চলে এসেছে আন্দোলনে। পাশের এক পিচ্চি আহমাদকে কানে কানে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার কি ভয় করছে?’ অবাক হয়ে আহমাদ খেয়াল করল, সে আসলেই ভয় পাচ্ছে না। অথচ একটু দূরেই ভয়ংকর রাইফেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পুলিশ। হয়তো এদেরই কারো গুলিতে আহত হয়েছে বাসিত।

প্রতিশোধের আগুন জ¦লে ওঠে আহমাদের মনে। দৌড় দিয়ে সে ছুটে যেতে চায় পুলিশের দিকে। আম্মু শক্ত হাতে থামায় তাকে। আম্মুর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে, আম্মুর মুখ যেন একটু উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। হয়তো তার সাহসিকতা দেখেই।

১০.

এমন অসংখ্য আহমাদের সাহসিকতার গল্পে ভরা আমাদের জুলাই। প্রাণের ভয় তুচ্ছ করে শিশুদের সাথে অভিভাবকদেরও রাস্তায় নেমে আসাটা ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘গণ’ হয়ে উঠতে পারার পেছনের অন্যতম নিয়ামক। ৯ দফা থেকে আন্দোলন ১ দফায় আসা, গণআন্দোলন গণবিপ্লবে রূপ নেওয়া, গণঅভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার হেলিকপ্টারে চড়ে দিল্লিতে পলায়ন, সবকিছুর পেছনে বড়ো নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল শিশু-কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে আসা।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, তোমরাও হয়তো রাস্তায় নেমে এসেছিলে সেই আগুনঝরা দিনগুলোতে। আহমাদের মতো তোমরাও রাস্তায় না নেমে এলে হয়তো ‘গণ’ হয়ে উঠত না আমাদের আন্দোলন। হয়তোবা আজও বাংলাদেশের কণ্ঠ রুদ্ধ থাকত, বুকের ভেতর ডানা ঝাপটাতো এক বন্দি পাখি। স্বাধীনতার আনন্দে মুক্তাকাশে ওড়ার স্বাদ পাখিটা হয়তো কখনোই পেত না। তোমরা যারা হয়ে উঠেছিলে জুলাইয়ের শক্তির উৎস, তোমাদের প্রতি রইল সালাম। সাথে যেসব কিশোর শহীদ তাঁদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে সুন্দর আগামীর জন্য, তাদের জন্য রইল দোয়া। পাখি হয়ে জান্নাতের চিরসবুজ বাগানে শান্তিতে থাকুক তারা।

ফ্যাসিজমের পতনের পর এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আমরা পেয়েছি, যে বাংলাদেশে কারো কণ্ঠ চেপে ধরা হবে না, গুম হবে না আহমাদের আব্বুরা। আর কখনো অধিকারের দাবিতে রক্ত ঝরাতে হবে না আমাদের ভাইবোনদের। এ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব? নাকি আবারও কোনো অপশক্তির হাত ধরে ফিরবে সেই ভয়াল রাত? আমাদের স্বপ্ন কি স্বপ্নই রয়ে যাবে? হ

লেখক : অন্যতম সংগঠক, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়

আপনার মন্তাব্য লিখুন
অনলাইনে কিশোরকন্ঠ অর্ডার করুন
লেখকের আরও লেখা

সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ

আরও পড়ুন...

CART 0

আপনার প্রোডাক্ট সমূহ