সম্পাদক
মোশাররফ হোসেন খান
নির্বাহী সম্পাদক
সাইদুল ইসলাম
সহকারী সম্পাদক
খন্দকার নূর হোসাইন
গ্রাফিক্স
মনিরুজ্জামান মনির
বিপণন ব্যবস্থাপক
আতিকুর রহমান
বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক
আশিকুর রহমান নয়ন
তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপক
নাহিদ হাসান
কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ৬০/সি, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং হক প্রিন্টার্স, ২১০ ফকিরাপুল, মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
বাংলাদেশ! আমাদের প্রিয় জন্মভূমি। মাথার ওপর নীল ছামিয়ানা উঁচিয়ে সদা দণ্ডায়মান আসমান। দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠে দোল দিয়ে যায় ঝিরিঝিরি বাতাস, অন্তরে বুলিয়ে দেয় প্রশান্তির ছোঁয়া। কুলুকুলু রব তুলে বহমান পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অজস্র নদী-নালার বুকে বয়ে চলে নৌকা। বাংলার দক্ষিণ অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন। এতো এতো রূপ-রস-গন্ধে ভরা এই অনিন্দ্য সুন্দর দেশটির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে শীতের মৌসুমে অতিথি পাখিরা এসে ভিড় জমায়। কার না ভালো লাগে এই দেশ! তাইতো একেক সময় একেক দেশ তাদের কুনজর নিয়ে শাসন করতে এসেছিল এদেশকে। কিন্তু শাসনের নামে তাদের সেই শোষণকে মেনে নিতে পারেনি দেশপ্রেমিক মানুষ। বাংলামায়ের দামাল ছেলেরা তাদেরকে রুখে দিয়েছে। তথাপি এখনও থেমে নেই বিদেশীদের লোলুপ দৃষ্টি। তাই এই সুজলা-সুফলা-শস্যশ্যামলা বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার সম্ভারকে রক্ষা ও তার পরিচর্যার জন্য প্রয়োজন একদল সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক মানুষের এবং সেই সাথে প্রয়োজন আমাদের গৌরবময় ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার মতো নির্ভিক কলমসৈনিক।
জাতির সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য ১৯৮৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রকাশিত হয় কিশোরকণ্ঠ নামক শিশু-কিশোর মাসিক পত্রিকাটি। প্রকাশের পর থেকেই পরিণত হয় দেশের অগণন শিশু-কিশোরদের প্রিয় পত্রিকায়। ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সার্কভুক্তদেশ তথা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান, আফগানিস্তানসহ সমগ্র এশিয়া মহাদেশ এবং আফ্রিকা, ইউরোপ, ওশেনিয়া ও আমেরিকা মহাদেশে। একটি পত্রিকার এতো দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে প্রয়োজন হয়ে পড়ে একটি ফাউন্ডেশনের ভিত রচনার। তারই ফলশ্রুতিতে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ২০০২ সালে সরকারি রেজিস্ট্রিভুক্ত হয় কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন। আর পত্রিকার রেজিস্ট্রেশন হয় ২০০৪ সালের মার্চ মাসে। তবে পত্রিকাটির অফিসিয়াল নাম হয়ে যায় “নতুন কিশোরকণ্ঠ”। কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন থেকে ২০০৮ সালে সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক মাসিক পত্রিকা “কারেন্ট ইস্যু” ও কার্টুন মাসিক “নয়া চাবুক” বের করা হয়। পত্রিকা দু’টির প্রকাশনা আপাতত বন্ধ আছে।
কিশোরকণ্ঠ আজ শুধু একটি পত্রিকার নাম নয়, এটি একটি প্রতিষ্ঠানে রূপ লাভ করেছে। কালের পরিক্রমায় আজ এক মহীরুহ রূপ ধারণ করেছে।
কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম
ক) সাহিত্য আসর
আগামী প্রজন্মের জন্য একঝাঁক সাহসী ও দেশপ্রেমিক লেখক-কবি ও সাহিত্যিক তৈরির উদ্দেশে খুদে কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে আয়োজন করে নিয়মিত সাহিত্য আসরের। সেখানে স্বরচিত লেখা পাঠ ও আলোচনার মাধ্যমে শুদ্ধ ধারার সাহিত্য চর্চায় উৎসাহিত করা হয়। দিক-নির্দেশনা দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় প্রথিতযথা কবি-সাহিত্যিকদের।
খ) পাঠক ফোরাম গঠন
কিশোরকণ্ঠ পাঠকদেরকে নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়-উপজেলায় এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে “কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম” গঠন করে নতুন ছাত্রদেরকে পাঠ্যসূচির পাশাপাশি নৈতিক জ্ঞানার্জনে উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। এই ফাউন্ডেশন। মেধা ও মননের বিকাশ এবং দেশপ্রেম ও চারিত্রিক মূল্যবোধ সৃষ্টি, শৃঙ্খলাবোধ, সময়ানুবর্তিতা ও কর্তব্যবোধে উজ্জীবিতকরণ পাঠক ফোরামের নিয়মিত কাজ।
গ) সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ
কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ফ্রি কোচিং কাস, দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রদেরকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং বৃক্ষরোপণ ও স্কুল আঙিনা পরিষ্কার অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহ প্রদান করা হয়।
ঘ) মেধাবীদের স্বীকৃতি প্রদান
মেধাবীরাই পারে আগামীর বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে পরিচয় করিয়ে দিতে, তাই তারাই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশার আলোকবর্তিকা। তারাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে উত্তরোত্তর সফলতার দিকে। কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন তাদেরকে আরো আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী হওয়ার জন্য প্রতি বছর জেএসসি-জেডিসি ও এসএসসি-দাখিল জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের কৃতী এবং মেধাবী সংবর্ধনার আয়োজন করে থাকে।
ঙ) ক্রীড়া কার্যক্রম
এতো এতো কাজের মধ্যেও কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন ছাত্রদেরকে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় উৎসাহ প্রদান করে থাকে। কেননা, সুস্থ দেহে সুস্থ মন- এ কথা সর্বজনস্বীকৃত। আন্তঃস্কুল ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন তারই বহিঃপ্রকাশ।
চ) প্রতিযোগিতার আয়োজন
পড়ালেখার পাশাপাশি জ্ঞানের ভাণ্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করতে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসকে সামনে রেখে নানাবিধ প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে। কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা, সাধারণ জ্ঞানের আসর, কুইজ, বিতর্ক, গল্প লেখা ও রচনা প্রতিযোগিতা এর মধ্যে অন্যতম।
ছ) শিক্ষা কার্যক্রম
একাডেমিক লেখাপড়ার পাশাপাশি ছাত্রদেরকে যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে তৈরির লক্ষ্যে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ও বাংলাদেশের লোকজ ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখ, নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে শিক্ষা সফর, সামষ্টিক ভোজ, পাঠচক্র ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করে থাকে।
জ) কিশোরকণ্ঠ লেখক সম্মেলন ও সাহিত্য পুরস্কার
২০০২ সাল হতে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন একটি শিশু-কিশোর পত্রিকার মাধ্যমে দেশের কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে লেখক সম্মেলন বাংলাদেশে প্রথম সূচনা করে। সুষ্ঠু ও গঠনমূলক সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন এক যুগান্তকারী আয়োজন। এ সম্মেলন সকল আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক লেখক, কবি ও সাহিত্যিক তৈরির ও প্রেরণার এক বাতিঘর। প্রথম লেখক সম্মেলন থেকেই স্বনামধন্য লেখক, কবি ও সাহিত্যিকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এটিও এদেশের ইতিহাসে প্রথম সংযোজন। ২০০২ সাল হতে আরম্ভ করে ২০১১ সাল পর্যন্ত শিশু-কিশোর সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য যারা কিশোরকণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন :
২০০২ সাল :
১. সানাউল্লাহ নূরী (মরণোত্তর)
২. কবি আল মাহমুদ
৩. অধ্যাপিকা জুবাইদা গুলশান আরা
৪. সাংবাদিক আবুল আসাদ
৫. আবদুল মান্নান তালিব
২০০৩ সাল :
১. সৈয়দ আলী আহসান (মরণোত্তর)
২. অধ্যাপক শাহেদ আলী (মরণোত্তর)
৩. কবি গোলাম মোহাম্মদ (মরণোত্তর)
৪. কবি মতিউর রহমান মল্লিক
৫. কবি মোশাররফ হোসেন খান
২০০৪ সাল :
১. ড. কাজী দীন মুহম্মদ
২. আফজাল চৌধুরী
৩. কবি আসাদ বিন হাফিজ
২০০৫ সালে সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়নি।
২০০৬ সাল :
১. প্রফেসর চেমন আরা
২. কবি আবদুল হাই শিকদার
৩. মাহবুবুল হক
২০০৭ সাল :
১. আবদুল মান্নান সৈয়দ
২. শাহাবুদ্দিন আহমদ (মরণোত্তর)
৩. সাজজাদ হোসাইন খান
২০০৭ সালের পর হতে প্রতি দু’বছর অন্তর সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
২০০৯ সাল :
১. কবি ফররুখ আহমদ (মরণোত্তর)
২. কবি আসাদ চৌধুরী
৩. কবি জাহানারা আরজু
২০১১ সাল :
১. কথাশিল্পী আতা সরকার
২. কথাশিল্পী দিলারা মেসবাহ্
৩. কবি সোলায়মান আহসান
২০১৮ সাল:
১. এবনে গোলাম সামাদ
২. কবি কে জি মোস্তফা
৩. অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান
৪. শাহ আব্দুল হান্নান
২০২২ সাল :
১. সংগীত শিল্পী মুস্তফা জামান আব্বাসী
২. কবি আল মুজাহিদী
৩. চিত্রশিল্পী হামিদুল ইসলাম
৪. কবি বুলবুল সরওয়ার
ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত প্রকাশনাসমূহ
১. মাসিক নতুন কিশোরকণ্ঠ
২. কিশোরকণ্ঠ গল্পসমগ্র-১
৩. কিশোরকণ্ঠ গল্পসমগ্র-২
৪. কিশোরকণ্ঠ গল্পসমগ্র-৩
৫. কিশোরকণ্ঠ উপন্যাসসমগ্র-১
৬. কিশোরকণ্ঠ উপন্যাসসমগ্র-২
৭. কিশোরকণ্ঠ রহস্য উপন্যাসসমগ্র-১
৮. কিশোরকণ্ঠ সায়েন্স ফিকশন-১
৯. কিশোরকণ্ঠ কমিকসসমগ্র-১
১০. পাহাড়ি এক লড়াকু
১১. স্রষ্টার সৃষ্টি : অপার বিস্ময়
১২. দেয়ালিকা, ফোল্ডার, স্টিকার, কাস রুটিন, ক্যালেন্ডার এবং ঈদকার্ড
১৩. মাসিক নয়া চাবুক (কার্টুন পত্রিকা, বর্তমানে বন্ধ)
১৪. মাসিক কারেন্ট ইস্যু (সাধারণ জ্ঞান সিরিজ, বর্তমানে বন্ধ)
ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত অন্যান্য প্রকাশনাসমূহ
১. টি-শার্ট
২. নোটবুক
৩. ঘড়ি
৪. মগ
৫. কলম
৬. চাবির রিং
৭. কলমদানি
৮. স্কেল
যুগে যুগে যারা কাণ্ডারির ভূমিকায় ছিলেন (শুধু কিশোরকণ্ঠ)
উপদেষ্টা সম্পাদক
১. মতিউর রহমান আকন্দ (১৯৯৮-১৯৯৯)
২. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (২০০১)
৩. নূরুল ইসলাম বুলবুল (২০০২)
৪. মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন (২০০৪-২০০৫)
৫. ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাসুদ (২০০৬-২০০৭)
৬. কবি সোলায়মান আহসান (১৯৯৮-১৯৯৯)
৭. মোশাররফ হোসেন খান (২০০৭-২০০৯)
৮. কবি আল মাহমুদ (২০১০-২০১৯)
সম্পাদক
১. ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (১৯৮৪-১৯৮৫)
২. আ ন ম শামসুল ইসলাম (১৯৮৬-১৯৮৭)
৩. ডা. আমিনুল ইসলাম মুকুল (১৯৮৮-১৯৮৯)
৪. আ. জ. ম. ওবায়েদুল্লাহ (১৯৯০-১৯৯১)
৫. ব্যারিস্টার হামিদ হোসাইন আজাদ (১৯৯২)
৬. রফিকুল ইসলাম খান (১৯৯৩)
৭. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ আবদুল হালিম (১৯৯৪-১৯৯৫)
৮. মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া (১৯৯৬)
৯. আ স ম মামুন শাহীন (১৯৯৭)
১০. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (১৯৯৮-১৯৯৯)
১১. নূরুল ইসলাম বুলবুল (২০০০)
১২. ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম (২০০১)
১৩. মজিবুর রহমান মন্জু (২০০২)
১৪. মতিউর রহমান আকন্দ (২০০৩-২০০৯, জানুয়ারি পর্যন্ত)
১৫. মোশাররফ হোসেন খান (ফেব্রুয়ারি ২০০৯-বর্তমান)
নির্বাহী সম্পাদক
১. এ কে এম ফখরুদ্দীন খান রাযী (১৯৯২)
২. এ এস এম আলাউদ্দিন (জানুয়ারি ১৯৯৩ — জুন ১৯৯৩)
৩. শফীকুল আলম হেলাল (জুলাই ১৯৯৩ — ডিসেম্বর ১৯৯৩)
৪. মুহাম্মদ রেজাউল করিম (১৯৯৪)
৫. আ স ম মামুন শাহীন (১৯৯৫-১৯৯৬)
৬. মুহাম্মদ আসলাম হাকিম (১৯৯৭)
৭. সিরাজুল ইসলাম শাহীন (১৯৯৮)
৮. নূরুল ইসলাম বুলবুল (১৯৯৯)
৯. এমাজ উদ্দিন মন্ডল (২০০০-২০০১)
১০. এড. মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (২০০২)
১১. হাফেজ আব্দুল্লাহ আল আরিফ (২০০৩)
১২. মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান (২০০৪)
১৩. আলমগীর মুহাম্মদ ইউসুফ (২০০৫)
১৪. মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান (২০০৬)
১৫. ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম (২০০৭)
১৬. এড. শিশির মুহাম্মদ মনির (২০০৮)
১৭. আহমদ জাহেদুল আনোয়ার (জানুয়ারি ২০০৯ — অক্টোবর ২০০৯)
১৮. ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী (নভেম্বর ২০০৯ — মার্চ ২০১০)
১৯. মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন (এপ্রিল ২০১০— ডিসেম্বর ২০১০)
২০. মুহাম্মদ আবদুল জব্বার (জানুয়ারি ২০১১ — জুলাই ২০১১)
২১. এড. আতিকুর রহমান (আগস্ট ২০১১ — জানুয়ারি ২০১২)
২২. নিজামুল হক নাঈম (ফেব্রুয়ারি ২০১২ — জানুয়ারী ২০১৩)
২৩. মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত (ফেব্রুয়ারি ২০১৩ — ২০১৪ডিসেম্বর)
২৪. ড. মো: মোবারক হোসাইন (জানুয়ারী ২০১৫ — ডিসেম্বর ২০১৫)
২৫. মো: সিরাজুল ইসলাম (জানুয়ারি ২০১৬ — ডিসেম্বর ২০১৬)
২৬. এড. মাহফুজুল হক চৌধুরী (জানুয়ারি ২০১৭ — ডিসেম্বর ২০১৭)
২৭. সালাহউদ্দিন আইউবী (জানুয়ারি ২০১৮ — ডিসেম্বর ২০১৮)
২৮. মু. রাজিফুল রহমান (জানুয়ারি ২০১৯ — ডিসেম্বর ২০১৯)
২৯. রাজিবুর রহমান (জানুয়ারি ২০২০ — ডিসেম্বর ২০২০)
৩০. মঞ্জুরুল ইসলাম (জানুয়ারি ২০২১ — ডিসেম্বর ২০২১)
৩১. জাহিদুল ইসলাম (জানুয়ারি ২০২২ — ডিসেম্বর ২০২২)
৩২. নূরুল ইসলাম (জানুয়ারি ২০২৩ — ডিসেম্বর ২০২৩)
৩৩. সিবগাতুল্লাহ (জানুয়ারি ২০২৪ — ডিসেম্বর ২০২৪)
৩৪. ডা. মোহাম্মদ নাঈম (জানুয়ারি ২০২৫ — ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
৩৫. সাইদুল ইসলাম (মার্চ ২০২৬ — বর্তমান)
সহকারী সম্পাদক
১. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম (অক্টোবর ১৯৯৮-মার্চ ২০০৪)
২. গাজী মুকিতুল হক (এপ্রিল ২০০৪-২০০৫)
৩. মো: মাসুম বিল্লাহ (২০০৬, আগস্ট পর্যন্ত)
৪. আব্দুর রহমান (আগস্ট ২০০৬-জুলাই ২০১১)
৫. জুবায়ের হুসাইন (জুলাই ২০০৮-ডিসেম্বর ২০১৩)
৬. আনিসুর রহমান (জুলাই ২০১১-আগস্ট ২০১২)
৭. মশিউর রহমান রাজু (জুলাই ২০১২-ডিসেম্বর ২০১৩)
৮. এড. মো: তোফাজ্জল হুসাইন (মে ২০১২-বর্তমান)
৯. ইবনুল ইসলাম পারভেজ (জানুয়ারী ২০১৪-১৬)
১০. হুসনে মোবারক (জানুয়ারী(২০১৪-২০১৬)
১১. তারেক হোসাইন (ফেব্রুয়ারী ২০১৬-এপ্রিল ২০১৬)
১২. মো: মাজেদুল ইলসাম (এপ্রিল ২০১৬-ডিসেম্বর ২০১৬)
১৩. ইমাম হোসেন (জানুয়ারি ২০১৭-ডিসেম্বর ২০১৮)
১৪. মো: মাহবুবুর রহমান (জানুয়ারি ২০১৮- ডিসেম্বর ২০১৯)
১৫. আবু সায়েম (জানুয়ারি ২০২০- জুন ২০২০)
১৬. মুমিনুল করিম (জুলাই ২০২০-জানুয়ারী ২০২১)
১৭. শাহীদুল হাসান তারেক (ফেব্রুয়ারী ২০২১ – ডিসেম্বর ২০২১)
১৮. আব্দুল আলিম (জানুয়ারি ২০২২-জুন ২০২৩)
১৯. মতিউর রহমান মিয়াজী (জুলাই ২০২৩-বর্তমান)
সম্পাদনা সহযোগী
১. শমসের আলী মোল্লা
২. আ.ন.ম যাকিউল হক জাকি
৩. জাকারিয়া খান সৌরভ
৪. শরীফ হোসাইন (২০০৭)
৫. কদরুদ্দিন শিশির (২০০৮, জুলাই পর্যন্ত)
৬. গোলাম মোস্তফা (আগস্ট ২০০৮মার্চ ২০১০)
৭. মাজহারুল ইসলাম (মার্চ ২০১০-ডিসেম্বর ২০১৪)
৮. খন্দকার নূর হোসাইন (ডিসেম্বর ২০২৩ — মার্চ ২০২৪)
কিশোরকণ্ঠ পরিবারের সাথে মিশে আছেন যারা
| নূরুল ইসলাম | চেয়ারম্যান, কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন |
| মোশাররফ হোসেন খান | সম্পাদক, নতুন কিশোরকণ্ঠ |
| সাইদুল ইসলাম | নির্বাহী সম্পাদক, নতুন কিশোরকণ্ঠ |
খন্দকার নূর হোসাইন | সহকারী সম্পাদক, নতুন কিশোরকণ্ঠ |
মোর্তাজুল ইসলাম | সদস্য, প্রশাসন |
ছাইদুল্লাহ সরদার | এডমিন ম্যানেজার |
| হামিদুল ইসলাম | শিল্প নির্দেশক |
| মনিরুজ্জামান মনির | গ্রাফিক্স ডিজাইনার |
| আবুল কালাম খান | অফিস এক্সিকিউটিভ |
| আব্দুল হামিদ | হিসাব রক্ষক |
| আব্দুল বাতেন | প্রিন্টিং ম্যানেজার |
| আশিকুর রহমান | বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক |
| আতিকুর রহমান | বিপণন ব্যবস্থাপক |
| নাহিদ হাসান | তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপক |
| আনিসুর রহমান | সহকারী সার্কুলেশন অফিসার |
| এনামুল হক | মার্কেটিং অফিসার |
| মো: আমিনুল ইসলাম | সহকারী সার্কুলেশন অফিসার |
| মারুফ হাসান | অফিস সহকারী |
সর্বাধিক পঠিত