খোলা ডাক
খোলা ডাক কিশোরকণ্ঠ ডেস্ক মে ২০২৫
প্রিয় পত্রিকা
কিশোরকণ্ঠের সাথে প্রথম সাক্ষাৎ ২০২৩ সালে। সেদিন বিকেলে আমি মাঠে খেলতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ পথে এক ভাইয়ের সাথে দেখা হলে তিনি কিশোরকণ্ঠ উপহার দেন। পত্রিকা হাতে পেয়ে প্রথমে হাসির বাকসো পড়লাম। এরপর আস্তে আস্তে কিশোরকণ্ঠের সব বিভাগ পড়ে ফেললাম। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত কিশোরকণ্ঠ আমার প্রিয় পত্রিকা।
মোহাম্মদ, মাইজদীকোর্ট, নোয়াখালী
প্রাণপ্রিয় কিশোরকণ্ঠের প্রতি
কিশোরকণ্ঠ আমার অত্যন্ত প্রিয় পত্রিকা। এর সঙ্গে আমার পথচলা শুরু ২০১৯ সালে, যখন আমি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি। আমার বড়ো বোন প্রথমবার আমাকে কিশোরকণ্ঠ পড়তে দিয়েছিলেন। প্রথমবার পড়েই ভালো লেগে যায়, এরপর থেকে আমি নিয়মিত পাঠক। কিশোরকণ্ঠ আমাকে নতুনভাবে চিন্তা করতে শিখিয়েছে, অনুপ্রাণিত করেছে জীবনের গতিপথ বদলাতে। আমার পড়ালেখার পাশাপাশি সৃজনশীলতার প্রতিও আগ্রহ বাড়িয়েছে। এজন্য কিশোরকণ্ঠের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
প্রিয় কিশোরকণ্ঠ, তোমাকে আমি অন্তর থেকে ভালোবাসি, যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে মহান রবের কাছে দোয়া করি, তোমার পথচলা দীর্ঘ হোক। যুগের পর যুগ তুমি বেঁচে থাকো, পাঠকদের মনে আলো ছড়িয়ে দাও।
জান্নাতুল ফেরদাউস (নাদিয়া), ছাতিয়ানী, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
অনুপ্রেরণার আলোকবর্তিকা
তুমি আমার জ্ঞানের দ্বার খুলে দেওয়া এক অফুরন্ত অনুপ্রেরণা। মাসের শেষ প্রান্তে এলেই মনে দোলা লাগে কবে হাতে পাবো তোমাকে! তোমার পাতায় পাতায় থাকে নতুন জ্ঞানের আলো, কিশোর মনে জাগিয়ে তোলো অনুসন্ধানের আগুন। বৈচিত্র্যময় লেখা-গল্প, ইতিহাস আর বিজ্ঞানের বিস্ময়-সবই তো তুমি এনে দাও আমাদের সামনে। তুমি শুধু একটি পত্রিকা নও, তুমি আমাদের নিঃসঙ্গ মুহূর্তের সঙ্গী, ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। শহর থেকে গ্রাম-সর্বত্র তুমি ছড়িয়ে দাও জ্ঞানের আলো। শুভ কামনা তোমার জন্য, প্রিয় কিশোরকণ্ঠ!
মাহমুদ হাসান, চরবাটা, সুবর্ণচর, নোয়াখালী
শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে কিশোরকণ্ঠ
২৪-এর ক্রান্তিলগ্নে কিশোরকণ্ঠের সাথে পরিচয়। প্রথম দেখাতেই চোখ আটকে যায় প্রচ্ছদে। “রাসূল আমার জোছনানদীর চাঁদ।” কী সুন্দর কথা! হাতে নিয়েই পৃষ্ঠা ওল্টাতে থাকি। যতই পড়ি ততই বিমোহিত হই। মনটা ভালো হয়ে যায়। হাসির বাকসো পড়ে মনের অজান্তেই মিটিমিটি হেসে ফেলি। আর এত্ত মজার মজার গল্প ও ছড়া! আমার মতো শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে কিশোরকণ্ঠ এক অনন্য ভূমিকা রাখছে।
শাকিরা আলজারিয়া নুবা, নিশ্চিন্তপুর ডি.এস. ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা, চাঁদপুর
প্রাণপ্রিয় পত্রিকা
প্রিয় পত্রিকা কিশোরকণ্ঠ। খুব অল্প সময়ে হয়ে ওঠে আমার পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পড়ার সাথী। মাস শেষ না হতেই এর জন্য অপেক্ষায় থাকি। তাইতো বিগত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সংখ্যাগুলো সংগ্রহ করে পড়ছি। আমি যখনই সুযোগ পাই তখনই কিশোরকণ্ঠ পড়ি। এর প্রতিটি বিভাগ আমার ভালো লাগে।
ইয়ামিন খান সাদ, মনিরামপুর, যশোর
আরও পড়ুন...