Home নিবন্ধ আবু লাহাবের চরম পরিণতি -মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ্

আবু লাহাবের চরম পরিণতি -মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ্

সুবহে সাদেকের ক্ষীণ আঁধার অপসারিত করে প্রভাতি সূর্য দৃষ্টি মেলেছে। জমজম ক‚পের পাশে ভিড় জমেছে নারী-পুরুষ, শিশু ও ভিস্তিওয়ালাদের। লাত-উজ্জার উপাসনা সেরে অগ্নি উপাসকরা ফিরছে নিজ নিজ গৃহে। শামদেশ সিরিয়া অভিমুখে যাত্রা করেছে বনু হাশেমের বাণিজ্য কাফেলা। ঠিক সে সময়ে কাবাঘরের অনতিদূরে, সাফা পর্বত শিখর থেকে বারবার ধ্বনিত হলো : ইয়া সাবাহা! ইয়া সাবাহা…। হায়; সকাল বেলার বিপদ! শোন! সকাল বেলার বিপদ…। সুউচ্চ কণ্ঠের এ ঘোষণা ধ্বনির প্রতিধ্বনি কাবার দেয়ালে, মক্কার অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়লো।
কে ডাকছে? কেন ডাকছে? এই সাতসকালে কীসের বিপদ? সাজ সাজ রব পড়ে গেল মক্কা নগরীতে। যে যার হাতের কাজ ফেলে ছুটে এলো সাফার পাদদেশে। সমবেত জনতার উদ্দেশে আহŸায়ক গম্ভীর অথচ সাবলীল ভাষায় সুদৃঢ় কণ্ঠে বললেন : “হে বনু আবদুল মুত্তালিব, হে বনু হাশেম, হে বনু আবদে মনাফ, হে বনু ফহর! আমি যদি তোমাদের বলি, এ পাহাড়ের পেছনে এক বিশাল বাহিনী তোমাদের ওপর আক্রমণ চালাতে প্রস্তুত হয়ে আছে, তোমরা কি আমার এ কথায় বিশ্বাস করবে না?”
আলবত, আলবত- নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই, তুমি যে আল-আমিন, তোমার কথায় বিশ্বাস করবে না এমন মিথ্যাবাদী কি এ পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে? বলো, মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ্, কোন্ সে বিপদ আমাদের ওপর আপতিত হচ্ছে? সমবেত জনতা সমস্বরে জানতে চাইলো।
আল-আমিন (বিশ্বস্ত মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা) এবার সমবেত জনতাকে আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে বললেন : “তাই যদি হয় তবে বিশ্বাস করো তোমরা এক মহাবিপদের সম্মুখীন। সত্যিই, একদল শয়তানি ফৌজ তোমাদের গ্রাস করার জন্য সশস্ত্র অবস্থায় তৈরি হয়ে আছে। মহান আল্লাহকে ভুলে ঐ প্রতিমা-প্রীতি, মিথ্যা, হঠকারিতা, উৎপীড়ন, ব্যভিচার ও শত মলিনতা তোমাদের ঘিরে ফেলেছে। মনে রেখো, এ পাপের ফলে তোমাদের ধ্বংস অনিবার্য। যদি আসন্ন বিপদ থেকে বাঁচতে চাও তবে এক আল্লাহর বন্দেগি করো। আর আমাকে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল হিসেবে মেনে নাও। এতে তোমাদের অশেষ কল্যাণ হবে।”
তাব্বালাকা, আলিহা’জা জামাতানা- ধ্বংস হোক তোমার! এ কথা বলার জন্যই কি আমাদের জড়ো করেছো?
বিকট চিৎকারে ফেটে পড়লো আবু লাহাব। নবীজির প্রতি ছুড়ে মারলো পাথর খণ্ড।
আবু লাহাব! আবদুল মুত্তালিবের পুত্র! নবীজির আপন চাচা! মক্কার নামি-দামি মানুষ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আত্মীয়-স্বজনের কাছে সত্য দীন প্রচারের নির্দেশ এলে রাসূলে পাক (সা) কুরাইশদের ডাকলেন সত্যের দিকে, একত্ববাদের দিকে। কিন্তু অন্য কেউ বাধা দেওয়ার পূর্বেই তিনি সর্বপ্রথম লাঞ্ছিত হলেন আপন চাচা আবু লাহাবের হাতে।
নবীজির প্রতি আবু লাহাব এবং তার পরিবারের অসংখ্য নির্যাতন, অপমানের কাহিনি বিধৃত হয়েছে পবিত্র কুরআন, হাদিস, সিরাত ও ঐতিহাসিক গ্রন্থসমূহে।
মক্কার একটি বাজার। নাম- সুল মাজাজ। এই বাজারে বিক্রি হতো দেশি-বিদেশি পণ্য। অভিজাত শ্রেণির আনাগোনা এ বাজারে বেশি। মহানবী (সা) সেই বাজারে গিয়ে লোকদের উদ্দেশে বললেন : ‘হে লোকসকল! বলো আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই। মুহাম্মদ তাঁর প্রেরিত রাসূল। এ কথায় যারা ঈমান আনবে, তারা অফুরন্ত কল্যাণের ভাগী হবে। তাদের দুনিয়া ও আখিরাত হবে প্রশস্ত।’
– তোমরা এ পাগলের কথায় কান দিও না। এ চরম মিথ্যাবাদী।
নবীজির বক্তব্য শেষ হতে না হতেই আবু লাহাব তাঁর কথায় বাধা দিলো। পাষণ্ড লাহাব ছুড়ে মারলো প্রস্তরখণ্ড। নবীজির পায়ের গোড়ালি দিয়ে রক্তের ধারা গড়িয়ে পড়লো। তবুও তিনি বলে চলেছেন বিশ্ব নিয়ন্তার করুণার বাণী।
লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, এ দু’জনের মাঝে সম্পর্ক কী? পরিচিত জনেরা উত্তর দিলো, চাচা-ভাতিজা। সমবেত ক্রেতা-বিক্রেতারা একে অন্যের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করলো। কেউ কেউ টিপ্পনী কেটে বললো, চাচা মুরুব্বি যখন বলেছেন লোকটি পাগল, তবে সত্যিও হতে পারে। ঘরের খবর তো ও-ই বেশি জানবে। নবীজি খোঁড়াতে খোঁড়াতে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলেন।
একদিন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখা গেল কোনো এক গোত্রের তাঁবুতে নারী-পুরুষ-শিশু দ্বারা পরিবেষ্টিত। তিনি তাদের কাছে হৃদয় উজাড় করে আহŸান জানালেন, হে অমুক বংশের লোকেরা! আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে পথপ্রদর্শক হিসেবে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহর দীনের প্রচার করাই আমার কাজ। তোমরা দুনিয়ার সব নকল খোদাকে বাদ দিয়ে এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে মেনে নাও। যদি তোমরা আমাকে রাসূল হিসেবে মেনে নিয়ে আল্লাহর পথে চলো, তবে তোমাদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রয়েছে।
নবীজির এ আহŸান শেষ না হতেই আজাজিলের মতো আবু লাহাব এসে হাজির। চিৎকার করে বললো, এই জাদুকর তোমাদের ‘লাত-উজ্জার’ উপাসনা ছেড়ে দিয়ে তার নিজের গোলামি করাতে চায়। আমাদের বাপ-দাদার আদি ধর্ম থেকে ফিরিয়ে নিতে চায়। তোমরা পাগলের কথায় আদৌ কান দিও না।
আবু লাহাব চক্রের শত অত্যাচার আর বাধা সত্তে¡ও ধীরে ধীরে ইসলামের আলোক শিখা প্রজ্বলিত হতে থাকে সত্যসন্ধানী মুমিনের হৃদয়ে। হজরত খাদিজা, আলী, আবু বকর, উসমান, বিলাল, হামজা (রা) প্রমুখ ইসলাম কবুল করে সৌভাগ্যশালী হন। তাঁরাও অত্যাচার-উৎপীড়ন উপেক্ষা করে দীন প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন।
আবু লাহাব নবীজির বিরুদ্ধে আরো সক্রিয় হয়ে উঠলো। নানা ফন্দি এঁটে প্রিয় রাসূলকে ঘায়েল করার জন্য উঠে পড়ে লাগলো। একদিন আবু লাহাব নিজেই নবীজির ঘরে এলো। একদিকে চাচা, অন্য দিকে আপন দু’মেয়ের শ্বশুর; নবীজি তাই সাধ্যমতো আবু লাহাবকে আদর-আপ্যায়ন করলেন। আদর-আপ্যায়ন শেষে আবু লাহাব নবীজিকে কাছে ডেকে বললো, মুহাম্মদ! যদি তোমার নতুন ধর্মে দীক্ষিত হই, তাহলে আমি কী পাবো?
– সব লোকেরা যা পায়, আপনিও তাই পাবেন।
– আমার জন্য কী কোনো বাড়তি মর্যাদা হবে না?
– না চাচাজান; ইসলামে রাজা-প্রজার স্থান একই সমান। অর্থ, ঐশ্বর্য, বংশ মর্যাদার দাম এখানে নেই, খোদাভীরুতাই শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি।
-তবে তোমার ধর্ম গ্রহণ করে আর কী লাভ?
-আপনি কোন্ লাভ চাচ্ছেন?
– ধ্বংস হোক তোমার ধর্ম, যাতে আমি অন্যদের সমান হয়ে যাবো।
রাগান্বিত হয়ে আবু লাহাব নবীজির মুখের ওপর বাক্যবাণ ছুড়ে দিয়ে গৃহ ত্যাগ করলো। নিজ ঘরে গিয়ে আবু লাহাব তার দুই পুত্র উতবা এবং উতাইবাকে ডেকে বললো : আমি জানি তোমাদের স্ত্রীদের তোমরা খুব ভালোবাস। কিন্তু তোমাদের স্ত্রীরা আমাদের খোদা লাত-উজ্জা-মানাত-হোবলের ঘোর দুশমন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ্র কন্যা। মনে রেখো, আমি তোমাদের জন্মদাতা পিতা। আমার কঠোর নির্দেশ, তোমরা এক্ষুনি তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দিয়ে দাও। পৈতৃক সম্পর্ক এবং আমার বিষয় সম্পত্তি তোমাদের জন্য হারাম, যদি তোমরা মুহাম্মদের কন্যাদ্বয়কে তালাক না দাও।
নাফরমান আবু লাহাবের পুত্ররা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলো। নবুয়তের পূর্বে নবীজি তাঁর প্রিয় কন্যা রোকাইয়াকে উতবা এবং উম্মে কুলসুমকে উতাইবার সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন।
এবার আবু লাহাব সপরিবারে, সম্মিলিতভাবে রাসূলের বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লেগে গেল। রাসূলের (সা) প্রতিবেশীদের মধ্যে ছিল- আবু লাহাব, হাকাম, উকাবা, আদি এবং ইবনে আজাদায়েল প্রমুখ।
এ লোকেরা আবু লাহাবের শয়তানি জালে আবদ্ধ হয়ে রাসূল (সা)-কে নানাভাবে উৎপীড়ন করতো। নবীজি সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করে যেতেন।
একদিন অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবেশীদের ডেকে বললেন, ‘হে বনু আবদে মনাফ! তোমরা তো আমার প্রতিবেশী। সকাল-সন্ধ্যায় ঘর থেকে বের হলেই একে অন্যের মুখ দেখি। তোমাদের সুখে-দুঃখে এগিয়ে যাই। তবে কেন আমার পরিবার-পরিজনের প্রতি এ ব্যবহার?
কিন্তু কার কথা কে শোনে!
আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল। সে তো ডাইনি! ক‚টনী বুড়ি। কার পেছনে কাকে লাগাবে এই তার চিন্তা। স্বামী-স্ত্রী যুক্তি করে ছেলেদের দিয়ে নবীজির মেয়েদের তালাক দিয়েছে। আবু লাহাব পথে-প্রান্তরে নবীজিকে অপমান করেছে। তাতেও কি তারা ক্ষান্ত হয়েছে? না, হয়নি; বরং বেড়েছে শত গুণ।
দীন ইসলামকে কীভাবে ধ্বংস করা যায় এ চিন্তায় আবু লাহাব আরো মরিয়া হয়ে ওঠে। আবু জেহেল, আবু সুফিয়ানের সাথে পরামর্শ করে নতুন নতুন ফন্দি আঁটতে থাকে। নবীজির কোনো দুঃখের কথা শুনলে তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠতো।
নবুয়তের সপ্তম বর্ষ। নবীজি এবং তাঁকে সমর্থনকারী বনু হাশেম ও বনু মুত্তালিব গোত্র হলো নির্বাসিত। আবু জেহেলের নেতৃত্বে বয়কটে সাড়া দিলো আবু লাহাব। আরবের প্রচলিত নীতি উপেক্ষা করে সে নিজ বংশ বনু মুত্তালিবের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে রয়ে গেল কাফিরদের সাথে।
দু’টি গোত্র রাসূল (সা)-এর সাথে নির্বাসিত হলো ‘শা’ব’ গিরি গুহায়। দীর্ঘ তিন বছরের নির্বাসিত জীবনে মুসলমানরা ক্ষুধার জ্বালায় গাছের পাতা খেয়েছে। খেয়েছে গাছের ছাল। উটের শুকনো চামড়া ভেজানো পানি। নারী আর শিশুদের কান্নায় আল্লাহর আরশ কেঁপেছে। তবুও কুরাইশদের দিল নরম হয়নি। কোনো বিদেশি ব্যবসায়ী অবরুদ্ধ মুসলমানদের কাছে কিছু বিক্রি করতে এলে আবু লাহাব বেশি দাম দেবে লোভ দেখিয়ে তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যেত। মক্কার কোনো লোক গোপনে মুসলমানদের সাহায্য করতে এসে যদি কখনো ধরা পড়তো, আবু লাহাব তাদের ওপর চালাতো অকথ্য নির্যাতন।
আবু লাহাবের এই দৌরাত্ম্য আল্লাহর সহ্য হলো না। এ পৃথিবীতে মানুষের কৃতকর্মের জন্য হাশরের মাঠে তার বিচার হবে। বের হবে ফল। এর পর যাবে জান্নাত বা জাহান্নামে। কিন্তু আল্লাহ তাঁর দীন এবং রাসূলের (সা) বিরোধিতার চরম শাস্তি এ পৃথিবীতেই ঘোষণা করলেন আবু লাহাবের জন্য। সূরা লাহাবে আল্লাহ সেই শাস্তির কথা উল্লেখ করলেন।
আল্লাহর এ ঘোষণা বাস্তবায়িত হলো মাত্র ৭-৮ বছরের মধ্যে। হিজরি প্রথম সালেই সংঘটিত হলো বদরের যুদ্ধ। এতে নিহত হলো আবু জেহেলসহ কুরাইশদের অনেক বীর নেতা। অনেকে হলো বন্দী। পরাজয়ের গøানি আর স্বজনহারা ব্যথার মাত্র ৭ দিন পরই আবু লাহাব ফুসকুড়ি বা প্লেগ (গুটিবসন্তের চেয়েও মারাত্মক এক সংক্রামক ব্যাধি) রোগে আক্রান্ত হলো। ফুসকুড়ির অসহ্য যন্ত্রণায় আর্ত চিৎকারে কেঁপে উঠলো পুরো বাড়ি। সংক্রামক ব্যাধি থেকে রক্ষা পাবার জন্য স্ত্রী ছেলেমেয়েরা আবু লাহাবকে একা ফেলে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল। মৃত্যুর তিন দিন পরও তার লাশের কোনো সদগতি হলো না। পচা লাশের গন্ধে চারদিকের বাসিন্দারা হাঁফিয়ে উঠলো। পরে প্রতিবেশীদের গালমন্দে বাধ্য হয়ে পরিবারের লোকেরা হাবসি গোলামদের ভাড়া করলো। তারা ঘরের পাশে একটি গর্ত খুঁড়ে আবু লাহাবের গলিত লাশ কাঠ দিয়ে ঠেলে ফেলে মাটি চাপা দিলো। অনেকে বলেন, গোলামেরা শুকনো কাঠের আগুনে লাশটিকে পুড়িয়ে ফেলেছিল।
বিরাট অট্টালিকার মালিক, বুক জুড়ে ছেলেমেয়ে, বৃহৎ বাণিজ্যবহর আর নগদ ৮০ তোলার সেরে ৮ সের ১০ তোলা স্বর্ণ ঘরে মজুদ থাকা সত্তে¡ও চিকিৎসাবিহীন অপমানকর মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করতে হলো আবু লাহাবকে। তার কোনো সম্পদ কাজে এলো না।
এদিকে তার একমাত্র মেয়ে দুররা মদীনায় গিয়ে রাসূল (সা)-এর কাছে ইসলাম কবুল করলেন। মক্কা বিজয়ের সাথে সাথে উতবা ও মুয়াত্তাব নামে দু’ছেলে রাসূলের চাচা হযরত আব্বাস (রা)-এর সহায়তায় নবীজির সামনে হাজির হলো। নবীজির ¯েœহের পরশে তারা ধন্য হলো।
ক‚টনী বুড়ি উম্মে জামিল! সেও জাহান্নামের অগ্নি শিকল পরার জন্য মৃত্যুমুখে পতিত হলো। পাহাড় থেকে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করে আনার সময় পা পিছলে পড়ে গেল। কাঠের বোঝার রশি তার গলায় পেঁচিয়ে গেল। পাহাড়ের পাদদেশে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মরে থাকলো সে।
আল্লাহর রাসূলের (সা) অবমাননার শাস্তি- এমনি ভয়ঙ্কর হয়।

SHARE

Leave a Reply