Home স্বাস্থ্য কথা ভিটামিন-এ অভাবজনিত রোগসমূহ -ডা. এহসানুল কবীর

ভিটামিন-এ অভাবজনিত রোগসমূহ -ডা. এহসানুল কবীর

আমাদের শরীরে ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা অনেক বেশি। মূলত ভিটামিন আমাদের শরীরে খুবই অল্প পরিমাণে লাগে, কিন্তু এর কার্যকারিতা হয় অনেক বেশি এবং সুদূরপ্রসারী। অনেক রকমের ভিটামিন রয়েছে। তার মধ্যে প্রধানতম ভিটামিন হচ্ছে ভিটামিন-এ। এই ভিটামিন-এ আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান, যা ছাড়া আসলে বেঁচে থাকাই দায়। তাই আজকে ভিটামিন-এর বিভিন্ন কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা করবো।

ভিটামিন-এ’র উৎস কী কী?
১. মিষ্টি কুমড়া
২. মিষ্টি আলু
৩. গাজর
৪. টমেটো
৫. পালং শাক
৬. দুধ
৭. কলিজা

ভিটামিন-এ’র অভাবে কী কী রোগ হতে পারে?
১. রাতকানা, অন্ধত্ব
২. রোগ-প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যাওয়া
৩. চর্মরোগ
৪. শিশুমৃত্যু, ভ্রƒণমৃত্যু, অকালমৃত্যু
৫. মাতৃমৃত্যু, প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ
৬. ব্রণ সমস্যা
৭. মুখের ভেতরে ঘা
৮. লিভারের সমস্যা
৯. চুল পড়া, অকালপক্বতা
১০. হাম, ডায়রিয়া
১১. রক্তশূন্যতা
ভিটামিন-এ অভাবজনিত রোগ কীভাবে নির্ণয় করা যাবে?
১. রোগের ইতিহাস- খাদ্যাভ্যাস, জীবনাচার
২. শারীরিক পরীক্ষা ও লক্ষণসমূহ
৩. ল্যাবরেটরিস টেস্ট। যেমন- S. Ratinol level
৪. চক্ষু পরীক্ষা
৫. Therapeutic trial: অর্থাৎ ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে টেস্ট করা যেতে পারে যে অবস্থার উন্নতি হচ্ছে কি না।

চিকিৎসা কী?
১. ভিটামিন-এ ক্যাপসুল অথবা ইঞ্জেকশন
২. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবারসমূহ
৩. অপুষ্টি দূর করা
৪. শরীরের অন্যান্য রোগের চিকিৎসা

মনে রাখতে হবে যে…
১. অত্যধিক মাত্রায় ভিটামিন-এ গ্রহণ করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
২. এর ফলে দেহে ভিটামিনের টক্সিসিটি বা বিষক্রিয়া হতে পারে। একে হাইপারভিটামিনোসিস বলে।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ভিটামিনই গ্রহণ করা উচিত নয়।

SHARE

Leave a Reply