Home দেশ-মহাদেশ রেড ক্রসের জন্মস্থান সুইজারল্যান্ড -মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম

রেড ক্রসের জন্মস্থান সুইজারল্যান্ড -মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম

সুইজারল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশের একটি ভূমিপরিবেষ্টিত রাষ্ট্র। পশ্চিম, মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপের মিলনস্থলে এর অবস্থান। সরকারি নাম সুইস কনফেডারেশন। এটা ২৬টি ক্যান্টন নিয়ে গঠিত একটি ফেডারেল প্রজাতন্ত্র। এদেশের কেন্দ্রীয় ক্ষমতা রাজধানী বার্নভিত্তিক। সুইজারল্যান্ডের সীমান্তে রয়েছে দক্ষিণে ইতালি, পশ্চিমে ফ্রান্স, উত্তরে জার্মানি এবং পূর্বে অস্ট্রিয়া ও লিচেনস্টেইন। সুইজারল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে সুইস মালভূমি, আল্পস পর্বতমালা ও জুরায় বিভক্ত। আল্পস পর্বতমালা মোট ভূমির বৃহত্তর অংশজুড়ে থাকলেও সুইস জনগণ মালভূমিতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় বসবাস করে। এখানেই বৃহত্তম নগরীগুলো ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলো অবস্থিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জুরিখ, জেনেভা ও বাসেল। এই নগরীগুলোতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বেশ কয়েকটি অফিস রয়েছে। যেমন ডব্লিউটিও, ডব্লিউএইচও, দ্য আইএলও, ফিফার সদর দফতর, জাতিসংঘের দ্বিতীয় বৃহত্তম অফিস এবং আন্তর্জাতিক সেটেলমেন্টস ব্যাংকের প্রধান ভবন। সুইজারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো এই নগরীগুলোতে অবস্থিত।

সুইজারল্যান্ডের আয়তন ৪১ হাজার ২৮৫ বর্গকিলোমিটার (১৫ হাজার ৯৪০ বর্গমাইল)। জনসংখ্যা ৮৫ লাখ ৭০ হাজার ১৪৬ জন। জাতিগত গ্রুপের মধ্যে রয়েছে সুইস ৭৪.৭ শতাংশ এবং বিদেশী নাগরিক ২৫.৩ শতাংশ। প্রধান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে রয়েছে খ্রিষ্টান ৬৫.৫ শতাংশ, অধার্মিক ২৬.৩ শতাংশ, মুসলিম ৫.৩ শতাংশ, অন্যান্য ১.৬ শতাংশ এবং অজ্ঞাত ১.৩ শতাংশ। সুইজারল্যান্ডের জাতীয় বা সরকারি ভাষা চারটি : জার্মান (৬২.৮%), ফরাসি (২২.৯%), ইতালিয়ান (৮.২) ও রোমানশ (০.৫%)।

অস্ট্রিয়া ও বুরগুন্ডির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সামরিক সাফল্যের প্রেক্ষিতে মধ্যযুগের শেষ দিকে পুরাতন সুইস কনফেডারেসি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফালিয়া শান্তি সম্মেলনে হলি রোমান সা¤্রাজ্য থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সুইস স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১২৯১ সালের ফেডারেল চার্টার সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠার দলিল হিসেবে গণ্য করা হয় যা সুইস জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। ষোড়শ শতাব্দীর পুনর্গঠনের পর থেকে সুইজারল্যান্ড সশস্ত্র নিরপেক্ষতার কঠোর নীতি বজায় রেখে চলেছে। ১৮১৫ সালের পর থেকে সুইজারল্যান্ড কোনো আন্তর্জাতিক যুদ্ধ করেনি এবং ২০০২ সালের আগ পর্যন্ত জাতিসংঘে যোগদান করেনি। তথাপি, দেশটি সক্রিয় বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করে চলেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি-প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় বারবার জড়িত হয়েছে। সুইজারল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে প্রাচীন ও সুপরিচিত মানবকল্যাণমূলক সংস্থা রেড ক্রসের জন্মস্থান। দেশটি ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কিন্তু লক্ষণীয়ভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়া বা ইউজোনের সদস্য নয়। তবে, দেশটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে শেনজেন এরিয়া এবং ইউরোপিয়ান সিঙ্গল মার্কেটে অংশগ্রহণ করে।

সুইজারল্যান্ড জার্মানি ও রোমানশ ইউরোপের মিলনস্থল জুড়ে আছে, যেমনটি তার চার প্রধান ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক অঞ্চলে (জার্মান, ফরাসি, ইতালিয়ান ও রোমানশ) প্রতিফলিত হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা জার্মানভাষী হলেও সুইস জাতীয় পরিচিতি অভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, অংশীদারিত্বের মূল্যবোধ যেমন প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র এবং আলপাইন প্রতীকবাদে প্রথিত। ভাষাগত বৈচিত্র্যের দরুন সুইজারল্যান্ড নানা নামে পরিচিত : শয়েইজ (জার্মান), সুইসে (ফরাসি), সিজেরা (ইতালিয়ান) ও সিজরা (রোমানশ)। অথচ এদেশের মুদ্রা স্ট্যাম্পে চার জাতীয় ভাষার পরিবর্তে ল্যাটিন নাম ‘কনফেডারেশিও হেলভেটিকা’ বা সংক্ষেপে ‘হেলভেশিয়া’ ব্যবহার করা হয়। উন্নত এই দেশটি করমুক্ত দেশ হিসেবেও বিবেচিত। এদেশের নগরীগুলো যেমন জুরিখ, জেনেভা ও বাসেল জীবনযাত্রার মানের দিক দিয়ে বিশ্বে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। তথাপি কয়েকটিতে জীবন যাত্রার ব্যয় বিশ্বের সর্বোচ্চ। সুইজারল্যান্ড পৃথিবীর ধনী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে দেশটি শীর্ষ স্থানে রয়েছে। এর মুদ্রার নাম সুইস ফ্রাংক।
বার্ন শহরটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী। বিখ্যাত অন্য দু’টি শহর হলো জুরিখ এবং জেনেভা। জুরিখের দিকের লোকেরা জার্মান এবং জেনেভার দিকের লোকেরা ফরাসি ভাষায় কথা বলে। আল্পস পর্বতমালা ও প্রশস্ত হ্রদ সুইজারল্যান্ডকে অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভূষিত করেছে। বিশ্বের পর্যটকদের জন্য এটি বিশেষ আকর্ষণীয় একটি দেশ।

সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি, ট্রেন এবং চকোলেটের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। অবশ্য সুইস ব্যাংকগুলো কালো টাকা নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য কুখ্যাত। দেশটির কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনী নেই।
সুইজারল্যান্ডের রাজনৈতিক অবস্থা ভারসাম্যমূলক ও অত্যন্ত সুস্থির। সুইস সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি এর রাষ্ট্রপতি পরিবর্তিত হয়। ছয় বছরের জন্য গঠিত মন্ত্রিপরিষদের একেক জন মন্ত্রী পালাক্রমে এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এদেশের ফেডারেল সংবিধানে কনফেডারেশন ও ক্যান্টনের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দেওয়া আছে। সুইস পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট : উচ্চকক্ষ ৪৬ সদস্যের কাউন্সিল অব স্টেটস এবং নিম্নকক্ষ ২০০ সদস্যের ন্যাশনাল কাউন্সিল। উভয় হাউজের সদস্যরা চার বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন। উভয় হাউজ একসাথে বৈঠকে বসলে তাকে ফেডারেল অ্যাসেম্বলি বলে। ফেডারেল অ্যাসেম্বলি ফেডারেল কাউন্সিল বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের সাত সদস্যকে চার বছর এবং প্রেসিডেন্টকে এক বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচন করে। এদেশের জনগণ ৫০ হাজার স্বাক্ষর সংগ্রহ করে পার্লামেন্টে পাসের পর ১০০ দিনের মধ্যে যে কোনো আইন এবং যেকোনো আটটি ক্যান্টন একত্রিত হয়ে যে কোনো ফেডারেল আইন চ্যালেঞ্জ করতে পারে। সেক্ষেত্রে গণভোট ও সাংবিধানিক গণভোটের মাধ্যমে বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। সুইজারল্যান্ডের এই ধরনের গণতন্ত্রকে প্রত্যক্ষ বা বিশুদ্ধ গণতন্ত্র বলে আখ্যায়িত করা হয়।

সুইজারল্যান্ডে মোট ২৬টি ক্যান্টন রয়েছে। প্রত্যেক ক্যান্টনের নিজস্ব সংবিধান, পার্লামেন্ট, সরকার, পুলিশ বাহিনী ও আদালত রয়েছে। ঐতিহাসিক কনফেডারেশনের সময় এর প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল যাদের পৃথক সীমানা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাও ছিল। বর্তমানে এর সবগুলো সুইজারল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত। ক্যান্টনগুলোর স্থায়ী সাংবিধানিক মর্যাদা রয়েছে। অন্যান্য দেশের পরিস্থিতির তুলনায় ক্যান্টনের উচ্চ মাত্রার স্বাধীনতা রয়েছে। ফেডারেল কনফেডারেশনের অধীনে ছয়টি বাদে ২৬টি ক্যান্টনেরই সমান মর্যাদা রয়েছে। ঐ ৬টি ক্যান্টনকে আধা-ক্যান্টন বলা হয় এবং রাষ্ট্র-পরিষদে তাদের দু’জনের পরিবর্তে একজন করে কাউন্সিলর রয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের আবহাওয়া সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ, তবে অঞ্চলগুলোর মধ্যে পর্বতশীর্ষের হিমবাহ অবস্থা থেকে সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণ প্রান্তের ভূমধ্যসাগরীয় আবহাওয়ার কাছাকাছি আরামদায়ক অবস্থা পর্যন্ত ব্যাপকভাবে ভিন্নরূপ হতে পারে। সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণ অংশে কিছু উপত্যকা এলাকা আছে যেখানে কিছু ঠাণ্ডা-সহিষ্ণু পাম গাছ দেখা যায়। গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও আর্দ্র হয়, মাঝে মাঝে মেয়াদান্তিক বৃষ্টিপাত হয় ফলে এই অঞ্চল গোচারণ ভূমি ও গোচারণের জন্য আদর্শ। পর্বতগুলোতে কম আর্দ্র শীতকাল কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থিতিশীল অবস্থায় দেখা যায়। অথচ নিম্নভূমিতে এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়। সেখানে কয়েক সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা মেলে না।

আল্পসের দক্ষিণ মুখে বৃষ্টিপাতের সময় আল্পসের উত্তরে বছরের যে কোনো সময় ফন নামের এক ধরনের আবহাওয়া অবস্থা দেখা যায়, যার বৈশিষ্ট্য হলো তুলনামূলক খুবই কম আর্দ্রতা নিয়ে অপ্রত্যাশিতভাবে উষ্ণ বাতাস আসে। দক্ষিণ-উত্তর উপত্যকাগুলোতে এই আবহাওয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে। সব অভ্যন্তর আলপাইন উপত্যকায় সবচেয়ে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করে কারণ আগন্ত মেঘ এই এলাকায় আসার আগেই পর্বতগুলো অতিক্রম করার সময় তার পানি হারিয়ে ফেলে, ফলে বৃষ্টিপাত হয় খুব কম।

উঁচু আল্পগুলোতে এবং টিসিনো ক্যান্টোনে সবচেয়ে ভেজা অবস্থা বিরাজ করে। সেখানে পর্যাপ্ত রোদ পড়ে আবার সময়ে সময়ে ভারী বর্ষণও হয়। গ্রীষ্মের চূড়ান্ত সময়সহ সারা বছর মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। শরৎকাল সবচেয়ে শুষ্ক মৌসুম, শীতকালে গ্রীষ্মকালের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় তবুও সুইজারল্যান্ডের আবহাওয়ার ধরন স্থিতিশীল আবহাওয়া ব্যবস্থা নয় ববং বছর বছর ধরাবাঁধা ও আভাসযোগ্য সময় ছাড়াই পরিবর্তনশীল হতে পারে।

স্কিং, ¯েœাবোডিং, পর্বতারোহণ সুইজারল্যান্ডের জনপ্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশটির প্রকৃতি এরকম কর্মকাণ্ডের জন্য সুবিধাজনক। প্রথম বিশ্ব স্কি চ্যাম্পিয়নশিপ এদেশের মুরেন (১৯৩১) ও সেন্ট মরিৎজ (১৯৩৪) শহরে অনুষ্ঠিত হয়। শেষোক্ত শহরেই ১৯২৮ ও ১৯৪৮ সাথে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও পঞ্চম শীতকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়।
সুইজারল্যান্ডে যেসব খেলাধুলা সবচেয়ে বেশি দেখা হয় সেগুলো হলো ফুটবল, আইস হকি, আলপাইন স্কিং, শোয়িংজেন (স্থানীয় খেলা) ও টেনিস। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ও আইস হকির প্রশাসনিক সংস্থার সদর দফতর, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ফিফা) ও ইন্টারন্যাশনাল হকি ফেডারেশন (আইআইএইচএফ) জুরিখে অবস্থিত। এ ছাড়াও অন্যান্য বহু আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশনের সদর দফতর সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত। ১৯৫৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্বখ্যাত টেনিস তারকা রজার ফেদেরার সুইজারল্যান্ডের নাগরিক। তিনি ৮টি উইম্বলডন শিরোপসহ রেকর্ড ২০টি গ্র্যান্ড স্লাম সিঙ্গেল শিরোপা জিতে এ পর্যন্ত পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে সফল টেনিস খেলোয়াড় হয়ে আছেন। তিনি অন্যতম সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে সমাদৃত। তিনি রেকর্ড ৬টি এটিপি ফাইনালও জিতেছেন। তার সহ সুইস টেনিস তারকা মার্টিনা হিঙ্গিস ও উয়াওরিনকাও একাধিক গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জিতেছেন।

সুইজারল্যান্ডের রন্ধন প্রণালী বহুমুখী। কিছু খাবার যেমন ফনডিউ, রাকলেট্টে বা রোসটি সারাদেশেই বিদ্যমান হলেও, প্রত্যেক অঞ্চল তার আবহাওয়া ও ভাষার ভিন্নতা অনুযায়ী নিজস্ব প্রিয় খাবার বাছাই করে নিয়েছে। ঐতিহ্যবাহী সুইস রন্ধন প্রণালীতে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের মত উপাদানগুলোই ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এদেশের খাবারে দুগ্ধজাত পণ্য ও পনির ব্যবহার করা হয়। সুইজারল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলে ভালো খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোর সংখ্যা অনেক। অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে সুইজারল্যান্ডে চকোলেট তৈরি হয়ে আসছে, তবে আধুনিক কৌশল যেমন কনচিং ও টেম্পারিং আবিষ্কৃত হওয়ার পর ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটি সুনাম অর্জন করে। কেননা এর ফলে এদেশের চকোলেট পণ্য উন্নত মানের পর্যায়ে উঠে যায়।
তাছাড়া ১৮৭৫ সালে ডানিয়েল পিটার যে শক্ত দুধ চকোলেট আবিষ্কার করেন সেটাও একটি বড়ো সাফল্য। সুইসরা বিশ্বের বৃহত্তম চকোলেট সেবনকারী।

SHARE

Leave a Reply