Home প্রচ্ছদ রচনা ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক উৎসব -ড. মুহা. রফিকুল ইসলাম

ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক উৎসব -ড. মুহা. রফিকুল ইসলাম

বছর ঘুরে আবারও এলো ঈদুল আজহা। আজ থেকে প্রায় ৩৯০০ বছর আগে অনুষ্ঠিত এক মহান কাজের সাক্ষী ছিলেন মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহিম আ. ও তাঁর সন্তান বিশুদ্ধ আরবি ভাষার প্রথম ইলহামপ্রাপ্ত ব্যক্তি ইসমাইল আ.। তাঁদের ত্যাগের সুমহান দৃষ্টান্তকে মুসলিম জাতির জন্য আনন্দের অনুষঙ্গ করা হয়েছে। সেদিন যদি ইসমাইল আ. কুরবানি হয়ে যেতেন, তাহলে আজ ঈদ উৎসব না হয়ে শোকের দিন হয়ে যেত। মহান আল্লাহর পরিকল্পনা ভিন্ন থাকায় আজ পর্যন্ত ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে মানুষের পরিবর্তে গরু, মহিষ, ছাগল, উট বা দুম্বা দিয়ে। কিয়ামত পর্যন্ত এভাবে চলমান থাকবে। এ উত্তম ঘটনার স্বীকৃতি ও বর্ণনা আল কুরআনে সূরা আস সাফফাতের ১০০—১০৮ নম্বর আয়াতে প্রদান করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন:
(ইবরাহিম আ. যখন আমার কাছে দোয়া করল) হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে এক সৎকর্মশীল পুত্রসন্তান দান কর। অতঃপর আমি তাকে এক অতি ধৈর্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দিলাম। অতঃপর সে যখন তার পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পেঁৗছল, তখন ইবরাহিম বলল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে জবেহ করছি, এখন বল, তোমার অভিমত কী? সে বলল, ‘হে পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে আপনি তাই করুন, আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীলই পাবেন। দু’জনেই যখন আনুগত্যে মাথা নুইয়ে দিল আর ইবরাহিম তাকে কাত করে শুইয়ে দিল। তখন আমি তাকে ডাক দিলাম, ‘হে ইবরাহিম! স্বপ্নে দেওয়া আদেশ তুমি সত্যে পরিণত করেই ছাড়লে। এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। অবশ্যই এটা ছিল একটি সুস্পষ্ট পরীক্ষা। আমি এক মহান কুরবানির বিনিময়ে পুত্রটিকে ছাড়িয়ে নিলাম। আর আমি তাঁকে পরবর্তীদের মাঝে স্মরণীয় করে রাখলাম।

ঈদুল আজহার আনন্দ—বেদনা, শিক্ষা ও ত্যাগের ইতিহাস এ আয়াতসমূহে আলোচিত হয়েছে। এ দিবসের পরিপূর্ণ বারাকাহ অর্জন করার জন্য আল কুরআন, আল হাদিস, ইবরাহিম আ. ও ইসমাইল আ.—এর জীবনী সামনে রাখতে হবে। এর পাশাপাশি সে সময়ের ইতিহাস ও পরিবেশ সম্পর্কেও জানতে হবে। কোনো অবসরে বা এখনই এ সংক্রান্ত ইতিহাস ভালো করে অধ্যয়ন করা যায়। তাহলে সঠিকভাবে জানা যাবে পিতা হিসেবে ইবরাহিম আ., মা হিসেবে হাজেরা রা. এবং পুত্র ইসমাইল আ. কত ধরনের ত্যাগের মহান দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন।
এ নিবন্ধে সংক্ষেপে সে সকল ত্যাগের কিছু নমুনা পেশ করার পাশাপাশি এ প্রজন্মের করণীয় কী হতে পারে সে ব্যাপারে কিছু কথা উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হবে। তার পূর্বে খুব সংক্ষেপে তাঁদের ত্যাগ ও কুরবানির কিছু দৃষ্টান্ত দেখে নেয়া যাক।

পিতা হিসেবে ইবরাহিম আ.—এর
ত্যাগ ও পরীক্ষা

একজন নিঃসন্তান পিতা। বয়স পঁচাশি বছর পার হয়েছে। সন্তানের প্রতি মায়া—মমতা করা মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা। অন্যরা যখন সন্তানদের আদর করে, তা দেখে পিতা হতে ইচ্ছা জাগে ইবরাহিম আ.—এর। সকল ইচ্ছা পূরণের মালিক মহান আল্লাহর কাছে হাত তুলে আবেদন করলেন, “হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে এক সৎকর্মশীল পুত্রসন্তান দান কর।” মহান আল্লাহ দান করলেন পুত্রসন্তান। এর পর শুরু হলো পরীক্ষা। অসংখ্য পরীক্ষা দিতে হয়েছে ইবরাহিম আ.কে। শুধু ইসমাইল আ.কে কেন্দ্র করে যা কিছু কুরবানি করতে হয়েছে তা হচ্ছে:

ক. মা হাজেরাকে মক্কায় নির্বাসন দেওয়া। মিসর থেকে ফিরে কেনানে আসার এক বছর পর প্রথম সন্তান ইসমাইলের জন্ম হয়। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই তিনি শিশুসন্তান ও তার মা হাজেরাকে মক্কার নির্জন পাহাড়ি উপত্যকায় নিঃসঙ্গভাবে রেখে আসার এলাহি নির্দেশ লাভ করেন। যা ছিল অত্যন্ত কঠোর পরীক্ষা। বৃদ্ধ বয়সে পাওয়া কলিজার টুকরা একমাত্র সন্তান নির্জন মরু প্রান্তরে ফেলে আসা! উহ কল্পনা করা যায়!

খ. খুব খাদ্যসঙ্কট সে সময়। দুটো মানুষের জন্য দু’রকম খাবার দরকার। অন্তত এক মাসের জন্য শিশু এবং তার মায়ের খাবার তো দিতে হবে! বাবা ইবরাহিম আ. পারলেন না। দুই—তিন দিনের মতো চলে এমন এক থলে খেজুর ও এক মশক পানিসহ বর্তমান ফিলিস্তিনের খলিল শহর থেকে কাবার চত্বরে রেখে গেলেন। কেমন অনুভব হবে বলতো আমাদের সাথে যদি বাবারা এমন করেন?

গ. মা হাজেরা বারবার জিজ্ঞাসা করেন কেন রেখে যাচ্ছ? ইবরাহিম আ. কোনো জবাব দেন না। দিতে পারেন না। অসহায় পিতা। কী বলবেন? প্রিয় সন্তান, প্রিয় স্ত্রী সকলকে শূন্য হাতে ফেলে যাচ্ছেন বিরান ভূমিতে! ইবরাহিম আ.—এর কলিজা ছিঁড়ে যাওয়ার মতো বেদনা অনুভূত হয়। কলিজায় পাথর চেপে আড়ালে এসে হাত তোলেন মহান প্রভুর কাছে, আবেদন করেনÑ
“হে আমাদের রব! আমি একটি তৃণ পানিহীন উপত্যকায় নিজের বংশধরদের একটি অংশকে তোমার পবিত্র গৃহের কাছে এনে বসবাস করিয়েছি। পরওয়ারদিগার! এটা আমি এ জন্য করেছি যে, এরা এখানে নামাজ কায়েম করবে। কাজেই তুমি লোকদের মনকে এদের প্রতি আকৃষ্ট করো এবং ফলসমূহ দিয়ে এদের আহারের ব্যবস্থা করো, হয়তো এরা শোকরগুজার হবে।
(সূরা আল ইবরাহিম : ৩৭)

ঘ. ইবরাহিম আ.কে এবার মহা পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। একমাত্র শিশুপুত্র ও তার মাকে মক্কায় রেখে এলেও ইবরাহিম আ. মাঝে—মধ্যে সেখানে যেতেন ও দেখাশোনা করতেন। এভাবে ইসমাইল ১৩—১৪ বছর বয়সে উপনীত হলেন এবং পিতার সঙ্গে চলাফেরা করার উপযুক্ত হলেন। বলা চলে যে, ইসমাইল আ. যখন বৃদ্ধ পিতার সহযোগী হতে চলেছেন এবং পিতৃহৃদয় পুরোপুরি জুড়ে বসেছেন, ঠিক সেই সময় আল্লাহ ইবরাহিম আ.—এর মহব্বতের কুরবানি কামনা করলেন। বৃদ্ধ বয়সের চক্ষুশীতকারী একমাত্র সন্তান ইসমাইলের মহববত ইবরাহিম আ.কে দুর্বল করে ফেলে কি—না, মহান আল্লাহ যেন সেটাই যাচাই করতে চাইলেন।

ঙ. পিতা—পুত্র আল্লাহ নির্দেশিত কুরবানির স্থান ‘মিনায়’ উপস্থিত হলেন। সেখানে পেঁৗছে পিতা পুত্রকে তাঁর স্বপ্নের কথা বর্ণনা করলেন এবং পুত্রের অভিমত চাইলেন। পুত্র তার অভিমত ব্যক্ত করার সময় বললেন, ‘ইনশাআল্লাহ আপনি আমাকে সবরকারীদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন।’ এরপর ইবরাহিম আ. চূড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন করলেন।

মাতা হিসেবে হাজেরা রা.—এর
ত্যাগ ও কুরবানি

ক. ইবরাহিম আ. যখন মক্কার মরুপ্রান্তরে রেখে যাচ্ছেন তখন তার একটিই প্রশ্ন ‘আপনি কি মহান আল্লাহর নির্দেশে রেখে যাচ্ছেন? এ মহীয়সী নারী আর কোনো প্রশ্ন করেননি। সন্তানের ভবিষ্যৎ কামনা করে বারবার প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেননি। বরং চরম ধৈর্য অবলম্বন করেছেন।

খ. খুব কম পরিমাণ খাদ্য—পানীয় প্রদান করলেও তা নিয়ে ঝগড়া বিবাদ করেননি। বরং স্বামী ইবরাহিম আ. চলে গেলে কলিজার ধন শিশু ইসমাইলের আহার জোগাড় করার সে কি প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা! একবার সাফা পাহাড়ে দৌড়ান আর প্রিয় পুত্রের দিকে নজর দেন কিছু হলো না তো! আবার মারওয়া পাহাড় অভিমুখে দৌড় দেন কোনো খাবারবাহী কাফেলা আসে নাকি? এভাবে সাতবার করার পর শিশু ইসমাইলের গোড়ালির আঘাতে সেই বরকতময় প্র¯্রবণ আবিষ্কার হয় যাকে বলে ‘জমজম’ কূপ। যার পানি খেয়ে মানুষ ধন্য হয়। পিপাসা মিটায়। মা হাজেরার এ কষ্ট দেখে এবং সন্তানের যে কিছু হবে না সে ব্যাপারে আসমান থেকে ফেরেশতার মাধ্যমে এ নিশ্চয়তা প্রদান করা হলোÑ
“আপনারা ভয় পাবেন না। এখানেই আল্লাহর ঘর। এই সন্তান ও তার পিতা এ ঘর সত্বর পুনর্নির্র্মাণ করবেন। আল্লাহ তাঁর ঘরের বাসিন্দাদের ধ্বংস করবেন না।’ বলেই শব্দ মিলিয়ে গেল’।”

গ. মা হাজেরা অত্যন্ত কষ্ট করে তাকে লালন পালন করেছেন। কোন দিন স্বামীর প্রতি দোষারোপ করেননি। নিত্য—বাজার প্রদান না করার জন্য কোনো অভিযোগ বা অনুযোগ করেননি। এককভাবে মহান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রেখে এমনভাবে ইসমাইল আ.কে গঠন করেছেন যিনি হয়েছেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর বংশের প্রধান ব্যক্তি! তার মাধ্যমে আরব কুরাইশদের সূচনা। তিনিই প্রথম বিশুদ্ধ আরবিভাষী মানুষ। কী ত্যাগ! কী ভালোবাসা! কী ধরনের আস্থা ও বিশ্বাস আল্লাহর প্রতি সেই মায়ের, যে কোন কিছুর তেমন সাহায্য না পেয়েও তার সন্তান কে ‘কাবা ঘরের’ নির্মাণকারী বানাতে সক্ষম হয়েছেন! সশ্রদ্ধ সালাম এবং দোয়া মা হাজেরার প্রতি!

সন্তান হিসেবে ইসমাইল আ.—এর
ত্যাগ ও কুরবানি

ক. পিতা ইবরাহিম আ. ইসমাইলের যেভাবে লালন পালন করেছেন সে ব্যাপারে পিতাকে কিছু বলেননি। পিতার এ রকম না আসার কারণ অথবা নির্জন প্রান্তরে ফেলে যাওয়ার কোনো কৈফিয়ত তলব করেননি।
খ. ইবরাহিম আ. যখন সন্তানকে কুরবানি করার স্বপ্নের কথা শেয়ার করেছেন, তখন তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। বরং আল্লাহর ইচ্ছা বাস্তবায়নে পিতাকে পূর্ণ সাহায্য করেছেন।
গ. ১৪ বা ১৫ বছরের কিশোর। কত কিছুই তো করে! কিন্তু ইসমাইল আ. মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও ঈমানের সাথে পিতা ও নবী ইবরাহিম আ. যাতে ভালো করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেন সে জন্য পূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছেন।

এতক্ষণে নিশ্চয় বোঝা গেছে যে দিনকে আমরা ঈদ হিসেবে পাচ্ছি তার অন্তরালে অসংখ্য ত্যাগের স্মৃতি জড়িত। পশুর গলায় চালানো ঐ ধারালো ছুরি আমাদের গলায় চালানো হতো, যদি না আল্লাহর ইচ্ছায় বেহেশতি প্রাণী কুরবানি না হতো। তাহলে আমরা কি প্রাণী কুরবানি করব, গোশত ভক্ষণ করব আর ফ্রিজবন্দি করব? আমাদের কোনো ত্যাগ বা স্যাক্রিফাইস করতে হবে না? অবশ্যই করতে হবে। ঈদুল আজহার আহবান সেটাই। পিতা—মাতা—সন্তান তিনজন একত্রে মানুষের সামনে ত্যাগের যে অনন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন, সে আলোকে বর্তমানের বাবা—মা—সন্তান হিসেবে আমাদের অনেক দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে। যেমনÑ
– পিতা ইবরাহিম আ.—এর মতো কোনো পিতাকে যদি মহান আল্লাহ পরীক্ষা গ্রহণ করতে চান সে ব্যাপারে প্রস্তুত থাকা।
– ইবরাহিম আ.—এর মতো সব ব্যাপারে মহান আল্লাহর প্রতি নির্ভর করা
– যত কিছু প্রয়োজন সব ব্যাপারে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা। পিতা হিসেবে যত ব্যথা—বেদনা, কষ্ট তা সব আল্লাহর কাছে বলা।
– প্রত্যেক নারী সন্তানকে বড়ো করার জন্য হাজেরা রা.—এর মতো যত ত্যাগ ও কুরবানি করা দরকার তা করার জন্য সচেষ্ট থাকা। সন্তানদেরকে মহান আল্লাহর পথের প্রকৃত সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা।

প্রিয় কিশোর—কিশোরী ভাই—বোনেরা, এখন চিন্তা করো তোমাদের কেমন হওয়া উচিত? ১৪—১৫ বছরের কিশোর ইসমাইল আ.—এর বয়সের মতোই তো তোমাদের বয়স। সুতরাং তোমাদের পিতা—মাতার কাছে কত রকমের চাহিদা আছে? পূরণ না হলে কেমন আচরণ করো? যা করা হয়, তেমন আচরণ কী ইসমাইল আ. করতেন? তাহলে তোমরা আর তিনি কত ব্যবধান? এসো এ ঈদুল আজহায় আমরা কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি যা আমাদের ত্যাগ হিসেবে মহান আল্লাহর কাছে গ্রহণীয় হবে ইনশাআল্লাহ।
– পিতা—মাতার সাধ্যের মধ্যে থাকে না এমন কিছু দাবি না করা।
– বাবা—মায়ের কোনো আদেশ নিষেধের বিরোধিতা না করা (ইসলামবিরোধী না হলে)।
– পিতা—মাতার মতামতকে রেসপেক্ট করা।
– সবসময় ইবলিস শয়তানের কাজের বিরোধিতা করা।
– মনের মাঝে পশুসুলভ যে সব আচরণ আছে, তা পরিহার করা।
– তোমাদের ওপর ইসলামের কোনো আহ্বান এলে সেখানে অবশ্যই সাড়া দেওয়া।
– যে কোন কথা কাজ নিয়ে পিতা—মাতার পরামর্শ গ্রহণ করা।
– সদা সর্বদা আমালে সালিহ বা সৎ কাজ করা এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা।
– পিতা—মাতার ইচ্ছা ও স্বপ্নকে পূরণ করার চেষ্টা করা।
– সর্বাবস্থায় উত্তমভাবে ধৈর্যধারণ (সবরে জামিল) করা।

মহান আল্লাহ করোনাকালীন ঈদুল আজহাকে বরকতময় করুন। এই ত্যাগের উসিলায় মহান আল্লাহ করোনামুক্ত বিশ^ দান করুন এবং আমাদের সকলকে ইবরাহিম ও ইসমাইল আ.—এর মতো আল্লাহ তাআলার রাহে ত্যাগ ও কুরবানি করার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক শক্তি দান করুন।

SHARE

Leave a Reply