Home আইটি কর্নার চীনের আকাশে স্থাপিত হবে কৃত্রিম চাঁদ । তানভীর তাজওয়ার

চীনের আকাশে স্থাপিত হবে কৃত্রিম চাঁদ । তানভীর তাজওয়ার

আয়-আয়-চাঁদ-মামা-টিপ-দিয়ে-যা,-চাঁদের-কপালে-চাঁদ-টিপ-দিয়ে-যা‘আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা, চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা…।’

শৈশবে মায়ের কোলে চড়ে জোছনা রাতে এ ছড়া শোনেনি এমন কেউ বোধ হয় নেই! বলা যায়- সেই ছোটবেলা থেকেই চাঁদের প্রতি আকর্ষণ সবার। কিন্তু সবদিন তো আর চাঁদের দেখা পাওয়া যায় না। তবে ২০২০ সালের মধ্যেই রাতের শহর আলোকিত করতে আকাশে কৃত্রিম চাঁদ স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইম-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা যায়।
আয়-আয়-চাঁদ-মামা-টিপ-দিয়ে-যা,-চাঁদের-কপালে-চাঁদ-টিপ-দিয়ে-যাচীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে টাইম জানায়, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংডু শহরের আকাশে মানবসৃষ্ট ওই চাঁদ স্থাপন করা হবে বলে বিজ্ঞানীরা পরিকল্পনা করছেন। কৃত্রিম চাঁদটিতে এমন বহিরাবরণ ব্যবহার করা হবে যা আসল চাঁদের মতোই সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে রাতের পৃথিবীকে আলোকিত করবে। ওই চাঁদটি মূলত একটি স্যাটেলাইট। কৃত্রিম চাঁদটি স্থাপন করা হলে রাতের বেলা চেংডু শহরে আর সড়কবাতি জ্বালানোর প্রয়োজন পড়বে না। বিজ্ঞানীদের মতে সাধারণ মানুষের চোখে মূল চাঁদের চেয়ে ওটি হবে আটগুণ বেশি উজ্জ্বল। আর সড়ক বাতির চেয়ে উজ্জ্বল হবে পাঁচগুণ কম। পৃথিবীর খুব কাছে মাত্র পাঁচশত কিলোমিটার দূরত্বে এটি আবর্তিত হবে। যেখানে মূল চাঁদ অবস্থিত পৃথিবী থেকে তিন লাখ ৮০ হাজার কিলোমিটার দূরে।
তিয়ান ফু এরিয়া সায়েন্স সোসাইটির প্রধান বিজ্ঞানী য়ু চানফেং চীনা সংবাদমাধ্যম চায়না ডেইলিকে জানান, উচ্চাভিলাষী এ প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্ত রাতের আকাশ আলোকিত করা সম্ভব হবে না। এমনকি পুরো চীনও নয়। এর আওতায় থাকবে কেবল মাত্র চেংডু শহর। কৃত্রিম ওই চাঁদ স্থাপন করা হলে বার্ষিক হিসাব অনুসারে ১৭ কোটিরও অধিক মার্কিন ডলার বিদ্যুৎ ব্যয় বেঁচে যাবে চেংডু শহরের। শুধু তা-ই নয়, অন্ধকারে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে এটি খুব দ্রুত কাজে আসবে বলেও জানান তিনি। এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা গেলে ২০২২ সালের মধ্যে আকাশে আরো তিনটি কৃত্রিম চাঁদ স্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি। সফলভাবে কাজটি তুলে আনা ও যাতে প্রকৃতির ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে এ ব্যাপারে আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে জানান চানফেং। ‘আমরা আমাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো চালাব বসতিহীন একটি মরুভূমিতে। যাতে কৃত্রিম চাঁদের আলো মানুষ কিংবা কোনো কিছুর ক্ষতি না করতে পারে’- বলেন বিজ্ঞানী।আয়-আয়-চাঁদ-মামা-টিপ-দিয়ে-যা,-চাঁদের-কপালে-চাঁদ-টিপ-দিয়ে-যা

SHARE

Leave a Reply