Home প্রচ্ছদ রচনা প্রজাপতির মজার কথা -মৃত্যুঞ্জয় রায়

প্রজাপতির মজার কথা -মৃত্যুঞ্জয় রায়

ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা সবাই তো প্রজাপতি ভালোবাসো। প্রজাপতি দেখতে এতো সুন্দর যে তোমরা অনেকেই ওদের পোকা বলে ভাবতেই পারো না। তোমরা না মানলেও প্রজাপতি কিন্তু আসলে পোকা। আর প্রজাপতি দেখতে যত সুন্দর, ওর বাচ্চারা কিন্তু ততই কুৎসিত, এমনকি ভয়ঙ্কর। কোনো কোনো পশমওয়ালা বাচ্চার গায়ে হাত বুলালে তোমার হাতটাই ফুলে যাবে, চুলকাতে চুলকাতে গায়ের চামড়া ছিলে যাবে। তাই সারা বিশ্বের শিশুদের প্রজাপতি নিয়ে কৌতূহলের যেন শেষ নেই। ফুলে ফুলে সুন্দর সুন্দর প্রজাপতি দেখলেই ওদের মনে প্রশ্ন জাগে, ওরা ফুলে বসে কেন, ওরা খায় কী, ওরা থাকে কোথায়, উড়ে উড়ে ওরা কতদূর যেতে পারে ইত্যাদি। প্রজাপতিদের নিয়ে তোমাদের মনেও নিশ্চয়ই এ রকম অনেক জিজ্ঞাসা রয়েছে। এসো, প্রজাপতিদের সেসব মজার কিছু কথা জেনে নিই।
প্রজাপতি কী?
প্রজাপতি লেপিডোপ্টেরা বর্গের অন্তর্গত এক রকমের পোকা। পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতির দেহ, চারটি পাখা ও ছয়টি পা থাকে। দেহ মাথা, ঘাড় ও পেট-এ তিন অংশে বিভক্ত। মাথায় দুটো পুঞ্জাক্ষি, দুটো শুঁড় ও একটা খাদ্যগ্রহণ নল থাকে। শুঁড় দিয়ে ওরা ঘ্রাণ নেয়। প্রজাপতির জীবনে চারটি ধাপ-ডিম, বাচ্চা বা শুককীট, পুত্তলি বা মুককীট এবং পূর্ণাঙ্গ। এ জন্য এদের জীবনচক্র সম্পূর্ণ রূপান্তরের মাধ্যমে শেষ হয়। সব প্রজাপতিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে- মথ, স্কিপার ও প্রকৃত প্রজাপতি। ইংরেজিতে বাটারফ্লাই বলতে আমরা প্রকৃত প্রজাপতিকেই বুঝে থাকি। এরা দিনের বেলায় ওড়ে আর মথ বের হয় রাতে।
প্রজাপতি কী খায়?
প্রজাপতি প্রধানত ফুল থেকে ফুলে ঘুরে ঘুরে মধু সংগ্রহ করে। ওরা সেটাই ফুল থেকে নলের মতো এক ধরনের মুখোপাঙ্গ বা প্রোবোসিস দিয়ে চুষে খায়। কোনো কোনো প্রজাপতি আবার পরাগরেণু খায়। কোনো কোনো প্রজাপতি খায় গাছের রস, পচা ফল এমনকি গোবরের রস, শিশির আর পানি। বালুর মধ্যে আটকে থাকা খনিজ পানি, পাতায় জমে থাকা শিশির, শরবত এমনকি মানুষের শরীরের ঘাম পর্যন্ত খায় প্রজাপতি। তবে যা-ই খাক, সেটা অবশ্যই তরল। ওদের বাচ্চারা একেবারে উল্টো। ওরা খায় কঠিন দ্রব্য, বিশেষ করে গাছের পাতা এমনকি ফল কামড়ে খেয়ে ওরা বড় হয়। পিউপা বা মুককীট দশায় ওরা কিছুই খায় না। তখন কেবল দিনের পর দিন পড়ে পড়ে ঘুমায়।
মানুষের গায়ে প্রজাপতি বসে কেন?
প্রজাপতি শক্তির জন্য খায় মিষ্টি দ্রব্য। মধুর চিনি ওদের চলাফেরা এবং ওড়াউড়ির শক্তি জোগায়। তবে ওদের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য দরকার হয় খনিজদ্রব্য সোডিয়ামের। লবণের মধ্যে সোডিয়াম আছে। কিন্তু সেই লবণ কি আর ফুলে আছে? লবণ তথা সোডিয়াম আছে মানুষের ঘামে। তাই মানুষের ঘাম অনেক সময় প্রজাপতিকে আকৃষ্ট করে। ঘামে ভেজা কাপড় থেকে ওরা ঘামরস শুষে নেয়, শরীর থেকে ঘামবিন্দু পান করে ওরা ওদের প্রয়োজন মেটায়। ফুলের মধুতেও সোডিয়াম আছে। তবে কোনো কোনো প্রজাতির প্রজাপতির চাহিদা তাতে মেটে না। তাই তারা বাধ্য হয়ে মানুষের কাঁধে চড়ে বসে। আর আমরা ভাবি, গায়ে প্রজাপতি যখন বসেছে মানে বিয়ের ফুল ফুটল।
প্রজাপতি কত দিন বাঁচে?
অনেকেরই ধারণা প্রজাপতি খুব কম দিন বাঁচে। ধারণাটা একেবারে মিথ্যে নয়। অধিকাংশ পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতিই এক থেকে দুই সপ্তাহ বাঁচে, কোনো কোনো প্রজাপতি বড়জোর এক বছর বাঁচে। এর বেশি কোনো প্রজাপতিই বাঁচে না। অধিকাংশ প্রজাপতি ২-১০ দিন বাঁচে। তবে পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতির চেয়ে ওদের বাচ্চারা বাঁচে অনেক বেশি সময়। রাজ প্রজাপতিরা গ্রীষ্মে বাঁচে মাসখানেক, কিন্তু ওরাই আবার শীতে বেঁচে থাকে প্রায় ছয় মাস। লেজফোলা প্রজাপতিরও একই অবস্থা। এ দুটি প্রজাপতিই আমাদের দেশে আছে। তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়ন ক্ষুদ্রাকার ইয়ক্কা মথ। গবেষণায় দেখা গেছে, ইয়ক্কা মথ পূর্ণাঙ্গ হওয়ার জন্য পুত্তলি বা পিউপা অবস্থায় ত্রিশ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে।
কত ধরনের প্রজাপতি আছে পৃথিবীতে?
চোখ বন্ধ করে একবার ভেবে দেখো তো, চলার পথে, ঝোপঝাড়ে, ফুলের বাগানে যত প্রজাপতি দেখো সেগুলোর সবই কি একই রকম? নিশ্চয়ই না। কোনোটা কালো, কোনোটা সাদা, কোনোটা আবার নানা রঙে চিত্রিত, কোনোটা পাখা ছোট, কোনোটা বড় অথবা পাখার কিনারায় ঢেউ খেলানো মসৃণ। নানা বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তাই প্রজাপতিকে নানা প্রজাতিতে ফেলা হয়েছে। এ পর্যন্ত পৃথিবীতে ১৫ থেকে ২০ হাজার প্রজাতির প্রজাপতির সন্ধান মিলেছে। উল্লেখযোগ্য হলো সোয়ালোটেইল, বার্ডউইংস, সাদা, হলুদ, নীল, তামাটে ও ফোঁটাযুক্ত প্রজাপতি।
প্রজাপতি কত দূর উড়তে পারে?
কিছু প্রজাতির প্রজাপতি অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে। একটি রাজ প্রজাপতির উড্ডয়ন দূরত্ব রেকর্ড করা হয়েছে ৪০০০ থেকে ৪৮০০ কিলোমিটার। গবেষণার সেই প্রজাপতিটি মেক্সিকো থেকে উড়ে উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ কানাডায় ভ্রমণ করেছিল। সেটাই ছিল কোনো প্রজাপতির সর্বোচ্চ দূরত্বে ওড়ার ঘটনা। তবে পেইন্টেড লেডি ও ডানাইন বাটারফ্লাইও বেশ দূরে যেতে পারে। প্রজাপতির পাখায় ট্যাগ লাগিয়ে এবং স্ট্যাবল হাইড্রোজেন আইসোটোপ ব্যবহার করে প্রজাপতির ওড়াউড়ি গবেষণা করা হয়।

প্রজাপতি উপকারী, না অপকারী?
প্রজাপতির জীবনে চারটি ধাপ-ডিম, কিড়া বা শুককীট, পুত্তলি বা মুককীট এবং পূর্ণাঙ্গ। পুত্তলি হলো ঘুমন্ত দশা। তাই এ অবস্থায় সাধারণত কোনো উপকার বা অপকার হয় না। তবে রেশম পোকার পুত্তলি দশা উপকারী। তা না হলে রেশম সুতাই হতো না। পূর্ণাঙ্গ দশাই হলো প্রজাপতি। এ অবস্থায় অধিকাংশ প্রজাপতি উপকার করে। এমনকি মরা প্রজাপতিও শুকিয়ে কাচের ফ্রেমে বা বোতলে সাজিয়ে বিক্রি করা হয়। প্রজাপতি ফুল থেকে ফুলে মধু আহরণের সময় পরাগায়ন ঘটিয়ে বীজ উৎপাদনে সাহায্য করে। তবে এর কিড়া অবস্থা ক্ষতিকর। কেননা এ দশায় কিড়া বিভিন্ন গাছ তথা ফসলের পাতা খেয়ে ক্ষতি করে।
প্রজাপতি নিয়ে কোনো
কুসংস্কার আছে কি?
আমাদের দেশে কারো গায়ে প্রজাপতি বসলে তাকে শুভ মনে করা হয়। প্রজাপতির সঙ্গে প্রেম-পরিণয়ের সম্পর্ক অতি নিবিড়। আবার কেউ কেউ প্রজাপতিকে দুর্ভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করে। এ জন্য ডেভনশায়ারের লোকেরা বছরের প্রথম দিনে প্রথম দেখা প্রজাপতিটিকে হত্যা করবেই। ব্যর্থ হলে তারা মনে করে, সে বছরটা তাদের মন্দ কাটবে। ফিলিপাইনেও প্রজাপতি নিয়ে এক ধরনের কুসংস্কার প্রচলিত আছে। ঘরের মধ্যে কোথাও কোনো কালো রঙের প্রজাপতি এসে বসার অর্থ হয় সে বাড়ির কেউ মরেছে অথবা শিগগিরই মরবে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রজাপতি কোনটি?
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রজাপতির নাম কুইন আলেক্সান্দ্রাস বার্ডউইং। এ প্রজাপতির পাখার বিস্তার প্রায় ১ ফুট বা ৩০ সেন্টিমিটার। পাপুয়া নিউগিনির কদল বনে এদের দেখা যায়। এর বাচ্চারা এক ধরনের বিষাক্ত গাছের পাতা খেয়ে বড় হয়। এ জন্য এসব প্রজাপতিও হয় বিষাক্ত। সে জন্য কোনো পাখিও ওদের খেতে ভয় পায়। দক্ষিণ এশিয়ার জঙ্গলে আর এক ধরনের মথ দেখা যায়, নাম এটলাস মথ। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার জঙ্গলে এদের বসবাস। এরাই বিশ্বের বৃহত্তম মথ। এদের পাখা সাপের মতো খয়েরি, কালো, বাদামি ও সাদা রঙে চিত্রিত। বসা অবস্থায় এ মথেরও ডানার বিস্তার প্রায় ১ ফুট।
প্রজাপতি তার পাখায় রঙ
পেলো কী করে?
এই সুন্দর পৃথিবীতে প্রজাপতি যেন উড়ন্ত ফুল। বাহারি সব ফুলের মতোই ওদের রঙবেরঙের পাখা। রঙিন পাখা মেলে ওরা হাওয়ায় ভাসতে থাকে, ফুলে বসে। প্রজাপতিরা এমন রঙিন পাখা কোথায় পেল বল তো? ওদের পাখা এ যুগে শুধু তোমাদেরই মুগ্ধ করে না, আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগেও মিসরের লোকদের মুগ্ধ করত। তাই তো তাদের আদি হরফের আঁকিবুঁকিতে সেই প্রাচীন যুগেও তারা প্রজাপতির ছবি আঁকত, সঙ্কেত হিসেবে প্রজাপতি দিয়েই তারা বুঝে নিত অনেক কিছু। সেকালে প্রজাপতিদের ওই রঙিন পাখার রহস্য তারা বুঝত না। এ যুগের বিজ্ঞানীরা কিন্তু ঠিকই সে রহস্য খুঁজে পেয়েছেন, বের করেছেন প্রজাপতিদের রঙরহস্য।
সত্যি বলতে কী, গোঁফ দেখে যেমন শিকারি বেড়াল চেনা যায়, তেমনি রঙ দিয়েই চেনা যায় প্রজাপতি। একেক প্রজাপতির একেক রঙ। রঙ মানে পাখায় পাখায় নানা রঙের নকশা। এক জাতের সঙ্গে অন্য জাতের প্রজাপতির রঙ ও নকশা কখনোই মেলে না। এমনকি একই প্রজাপতির মধ্যে পুরুষ ও স্ত্রী প্রজাপতির রঙের মধ্যেও কিছুটা পার্থক্য থাকে। তা না হলে তো স্ত্রী ও পুরুষ চেনাই মুশকিল হয়ে যেত।
তবে প্রজাপতিদের রঙের দরকার আছে। পুরুষ ও স্ত্রী প্রজাপতিদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয় ওই রঙ দিয়েই। রঙ দিয়েই একই প্রজাতির প্রজাপতিরা একে অপরকে চিনতে পারে। এমনকি কোনো কোনো প্রজাপতি রঙ দিয়েই শত্রুর হাত থেকে বাঁচার জন্য ছদ্মবেশ ধারণ করে। কিন্তু প্রজাপতিদের পাখার দুই পাশে কি একই রঙ? কখনো কোনো প্রজাপতি ধরে সেটা খেয়াল করে দেখেছ? যদি খেয়াল কর, দেখবে পাখার ওপরের পাখা ও নিচের পাশ কখনো একই রঙের হয় না। ওপরের পাশ হয় চকচকে এবং নিচের পাশ হয় ধূসর বা মলিন।
সব প্রজাপতিরই চারটি পাখা থাকে, কিন্তু তোমরা অনেকেই ছবি আঁকার সময় আঁকো দু’টি পাখা। না না, তোমাদের একটুও দোষ নেই-দোষ তো ওই প্রজাপতিগুলোর। ওরা তো ওদের পেছনের পাতলা পাখা জোড়া সামনের গুলোর সঙ্গে মিলিয়ে রাখে। রঙিন পাখা জোড়ায় তালি বাজিয়ে ওরা মনের আনন্দে উড়ে উড়ে সূর্য আর ফুলের সঙ্গে মিতালি গড়ে খেলা করে। ফুল থেকে ওরা মধু খায়, পানি খায় আর রোদ থেকে পায় চলার প্রেরণা ও সৌন্দর্য। সত্যিকার প্রজাপতি যারা তারা কিন্তু দিনে চলে। এ জন্য ওদের বলে দিবাচর। ওরা রাতে ঘুমোয়। ইংরেজিতেও এদের বলে বাটারফ্লাই। ওদের আরেক দল আছে, যারা দিনে ঘুমোয়, রাত চলে। ওদের বলে নিশাচর। ইংরেজিতে ওদের বলে মথ। সত্যিকারের প্রজাপতির মতো ওদের কিন্তু অত সুন্দর রঙিন পাখা নেই। ওরা যখন কোথাও বসে, তখন পাখা দুটো বইয়ের পাতার মতো ভাঁজ করে বসে না, ছড়িয়ে মেলে বসে। কিন্তু সত্যিকার প্রজাপতিরা ডানা দুটো বসার সময় খাড়া ভাঁজ করে রাখে, যাতে ওদের পাখার রঙ মোটেই নষ্ট না হয়।
পাখার রঙটা আসলে কী, সেটাই তো বলা হলো না। মাছের গায়ে যেমন আঁইশ থাকে, প্রজাপতির পাখায়ও অমন শত-সহস্র আঁইশ থাকে। তবে সেগুলো মাছের মতো শক্ত আর বড় নয়, রেশমের মতো কোমল আর ক্ষুদ্র। খালি চোখে সেসব আঁইশের আকার-আকৃতি সহজে বোঝা যায় না। ইংরেজিতে এসব আঁইশকে বলে স্কেল। প্রজাপতির রঙ-রহস্যের মূলে রয়েছে এসব ক্ষদ্রাতিক্ষুদ্র আঁইশ। এসব আঁইশ মেলানিন নামে এক ধরনের পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ দ্বারা রঞ্জিত থাকায় তা পাখায় কালো ও বাদামি রঙ সৃষ্টি করে। কিন্তু লাল, নীল, সবুজ, হলুদ-এসব রঙ আসে কোথা থেকে? এগুলো কিন্তু কোনো পিগমেন্ট দিয়ে হয় না। আঁইশের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র  অংশই এসব রঙের সৃষ্টি করে থাকে। আঁইশের মধ্যে এক ধরনের আলোক স্ফটিক বা ফোটোনিক ক্রিস্টাল প্রকৃতি আছে। তাই সূর্যের আলো আঁইশে পড়া মাত্রই আঁইশের মাইক্রোস্ট্রাকচারাল প্যাটার্নের অর্থাৎ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিন্যাসের ওপর নির্ভর করে আলোকরশ্মির এক বর্ণিল বিচ্ছুরণ ঘটে। আর তার প্রভাবেই আমরা নানা প্রজাপতিকে দেখি নানা রঙে। এসব আঁইশ এতো সূক্ষ্ম, হালকা ও আলগা যে তুমি প্রজাপতির পাখায় আঙুল ছোঁয়ালেই সেগুলো গুঁড়োর মতো তোমার আঙুলে লেগে যাবে। আর তাতে নষ্ট হয়ে যাবে প্রজাপতির রঙ ও সৌন্দর্য। হয়তো ওকে আর চেনাই যাবে না।

SHARE

1 COMMENT

Leave a Reply to MIZAN Cancel reply