Home গল্প আলকীদের চড়ুই পাখি

আলকীদের চড়ুই পাখি

এ কে আজাদ #

বর্ষা এসে গেছে। আষাঢ় মাস প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু বৃষ্টি নেই বড়। আকাশে গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ থাকলেও বৃষ্টির কোন লক্ষণ নেই। একটা দোয়েল পাখি প্রতিদিন সকালে এসে বসে আলকীদের বারান্দায়। পুচ্ছ নাড়ে। গান গায়। দোয়েলের কিচির মিচির গান শুনে প্রতিদিন ঘুম ভাঙে আলকারীব ও জিশান মণির। ওরা ভাইবোন। দোয়েল পাখিটা যখন মনের সুখে গান গায়, তখনই ঘরের জানালা দিয়ে ভোরের রাঙা রবি এসে উঁকি দেয় আলকীদের বিছানায়। কিন্তু আজকে সেই দোয়েল পাখিটার গান শোনা হয়নি আলকীর। একটু দেরিতেই ঘুম ভাঙে ওর। উঠেই স্কুলের তাড়া। মায়ের তাড়াহুড়া, তবুও মনটা যেন কেমন আজকে। স্কুলে যে আজ মডেল টেস্ট পরীক্ষা। নতুন কুঁড়ি স্কুলের প্লে শ্রেণীর ছাত্র আলকারীব। আজ স্কুলে যেতেই হবে তার। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা সামনেই। রেডি হওয়ার আগেই মনে পড়ে- চড়ুই পাখিটা আছে তো? দৌড়ে যায় ড্রইং রুমে। দেখে কার্নিশের ওপর বসে আছে চড়ুই পাখিটা। ড্রইং রুমের ভেন্টিলেটারে বাসা বেঁধেছে একটা চড়ুই পাখি। ওখানে সে ডিমও পেড়েছিল। আর বাচ্চাও ফুটেছে। ক’টা বাচ্চা হয়েছে দেখা হয়নি কারও। একটা? না দুইটা? প্রতিদিন মা পাখিটা মুখে করে খাবার নিয়ে আসে। বাচ্চাকে খাওয়ায়। পাখিটা ঘরের কার্নিশে বসে, বেলকোনিতে বসে, জানালায় বসে। কখনো দরজায়, আবার কখনো ডিশের তারের ওপর। পাখিটা ফুরুত করে আসে। আবার ফুরুত করে উড়ে যায়। দেখতে মজাই লাগে। পাখিটার সাথে কথা বলে আলকারীব ও জিশান। পাখিটা বোধ হয় ওদের দু’ভাইবোনকে বেশ চিনে ফেলেছে। আর ভয় করে না। খানিকটা সখ্যও গড়ে উঠেছে। নইলে কি আর নির্ভয়ে ওদের ঘরের মধ্যে থাকে? পরিবারের সদস্যের মতই পাখিটা ঘরের মধ্যে ওড়াউড়ি করে। ডাইনিং চেয়ারে বসে। সোফার কোনায় বসে। ফুরুত করে উড়ে যায়। আবার আসে।
মনে মনে নিশ্চিন্ত হয় আলকারীব। সুবোধ বালকের মত স্কুল ড্রেস পরে তৈরি হয়। স্কুলে যায়। সকাল পৌনে সাতটায় জিশান মণিও স্কুলে গিয়েছিল। জিশান ও আলকারীবের প্রায় কাছাকাছি সময়েই স্কুল ছুটি হয়। প্রতিদিন বাবার সাথে স্কুলে যায়, আর দু’জন একসাথে মায়ের সাথে স্কুল থেকে ফিরে আসে। বাসায় ফিরেই আলকারীব ছুটে  যায় ড্রইং রুমে। দেখে, মা পাখিটা বসে আছে ভ্যান্টিলেটারের বাসার কাছে। মনে মনে তৃপ্ত হয়। মা স্কুল ড্রেস খুলতে বলেন। তারপর ফ্রেশ হয়ে কিছু নাশতা করে দুই ভাই বোন। তারপর ড্রইং রুমে বসে কার্র্টুন দেখেÑ ডরিমন। দুই ভাইবোনের খুব ফেভারিট কার্টুন ওটা। আলকারীব জিশানকে আদর করে ডরিমন বলে ডাকে, আর জিশান ওকে নবিতা বলে ডাকে। দু’জনের মধ্যে বেশ ভাব। মাঝে মধ্যে এটা ওটা নিয়ে ঝগড়াও লাগে দু’জন। আবার মিটমাট করে নেয় দু’জনেই।
কয়েকদিন ধরে আলকারীবের কেমন যেন মনে হচ্ছে। পাখিটা আর তার বাচ্চার জন্য মনটা ছটফট করে। বারবার পাখিটাকে দেখে। খুব মনোযোগ দিয়ে বাচ্চাটার চিঁউ চিঁউ শব্দ শোনে। বাচ্চাটাও কেমন যেন বেশি বেশি করে চিঁউ চিঁউ করে। মনে হয় বাচ্চাটা কাঁদে। কিন্তু কেন? ওর কি মন খারাপ? ও কি ভ্যান্টিলেটারের বাসায় কষ্ট পাচ্ছে? নাকি ক্ষুধায় খেতে পাচ্ছে না? নানা প্রশ্ন এসে উঁকি দেয় আলকারীবের সবুজ ঘাসের মতন কচি মনে। উত্তর মেলে না। শুধু পাখির বাচ্চাটার জন্য শিশু মন আনচান করে।
বিকাল ৪টায় টিচারের বাসায় পড়তে যেতে হবে। মা দু’জনকেই একসাথে নিয়ে যান টিচারের বাসায়। দু’জনেই রেডি হতে থাকে। আকাশে মেঘ জমেছে। যে কোন সময় বৃষ্টি আসতে পারে। তাই দরজা জানালা বন্ধ করে বাইরে যাওয়াই ভালো। আলকারীব চড়ুই পাখিটাকে দেখতে থাকে। ওটা বসে আছে ওর বাসার কাছেই ভ্যান্টিলেটারের পাশে। মায়ের কথা মত জিশান মণি জানালা লাগাতে যায়। দেখে ঝিম লেগে বসে আছে পাখিটা। কি যেন ভাবছে চড়ুইটা। কেমন যেন আনমনা। কচি মন জিশানের। বুঝতে পারে না কিছুই। কি যেন ভেবে জানালা লাগাতে গিয়ে পাখিটাকে ভয় দেখায় জিশান মণি। আচমকা পাখিটা উড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ড্রইং রুমের ফ্যানটা ঘুরছে তখনো। উড়ে যেতেই ফ্যানের পাখার সাথে বারি খায় ওটা। ধপ করে সোফার ওপর পড়ে যায় পাখিটা। কী হলো?  শব্দ কিসের? সোফার দিকে তাকাতেই চিৎকার দিয়ে ওঠে আলকারীবÑ আম্মু! পাখি ফ্যানের সাথে বারি খেয়ে পড়ে গেছে। রক্ত বের হচ্ছে!
ওই ঘর থেকে ছুটে আসেন আম্মু। তাই তো! পাখিটার বাম পাখা কেটে পড়ে গেছে মেঝের উপর। আর পাখিটা সোফার ওপরে পড়ে জবেহ করা মুরগির মত ছটফট করছে। রক্তে ভিজে যাচ্ছে সোফার খানিকটা। আলকারীব তার আম্মুকে পাখিটা ধরতে বলে। মা-ছেলে মিলে পাখিটার শুশ্রƒষা করে। একবার চিন্তা করে – কেটে পড়ে যাওয়া পাখাটা দেহের সাথে লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেবে ওরা। যদি পাখাটা লেগে যায়! পাখিটাকে হাতের মধ্যে তুলে নেন আম্মু। রক্তে ভিজে যায় শরীরের সমস্ত পালক। হাতের মধ্যে র্থ থ্র করে কাঁপতে থাকে চড়–ই পাখির ছোট্ট দেহ। সে কাঁপন যেন ছোট্ট হৃদয়ে কম্পন জাগায়। হার্টবিট বেড়ে যায় আলকারীবেরও। কিন্তু মায়ের হাতের  মধ্যে আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসে ছোট্ট চড়ুই পাখিটার নরম দেহ। হতবাক হয়ে পড়ে জিশান মণি। নিজের ওপর তার বড় রাগ হয়। বড় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে ওর কচি অন্তর। অপরাধের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যায় নিজে নিজেই। কিন্তু কী করবে সে এখন? কী করা উচিত তার? জানে না কিছুই। বড় বিমর্ষ হয়ে পড়ে শিশুর পবিত্র মুখ। ওদিকে আলকারীব  ছোটাছুটি করে ব্যান্ডেজ, পানি ইত্যাদি নিয়ে আসে মায়ের কাছে। কিন্তু তাদের সকল চেষ্টাকে নিরর্থক করে মায়ের হাতের মধ্যে পাখিটার মাথা টলে পড়ে। সবাই বুঝতে পারে আর চেষ্টা করে লাভ নেই। এতক্ষণে চড়ুই পাখির ভেতরে বাসা বেঁধে বসে থাকা প্রাণ পাখিটা উড়ে গেছে মহান প্রভুর প্রাণ-বাগিচায়। সবার চোখেই পানি। আর পৃথিবীর পুঞ্জীভূত যত রাগ তা যেন জমা হয় জিশান মণির ওপরে। ব্যথায় এবং ক্ষোভে আম্মুটা চড় তোলেন জিশান মণির দিকে। কিন্তু লাভ কী? সেও তো সমব্যথী! ওর চোখেও বেদনার অশ্র“! আর বেদনার্ত হবেই না বা কেন। ইট পাথর আর কলকব্জায় গড়ে ওঠা শহুরে জীবনে যেখানে পাখিদের খুঁজে পাওয়া দায়, যেখানে পাখিদের কলকাকলিতে ভরে ওঠে না সকাল কিংবা সন্ধ্যার প্রকৃতি, সেখানে একটা চড়ুই পাখি এসে যখন বাসা বেঁধেছে তাদের বাসায়, তখন সে পাখিটা তো তাদের কাছে প্রাণাধিক প্রিয়! গ্রামীণ জীবনের ছন্দ যেন খুঁজে পেত ওরা ঐ ছোট্ট পাখিটার ভেতরে। প্রাণের স্পন্দনে নেচে উঠতো ওদের কচি বুকের নরম পলল! নিজের উড়ন্ত মনের বাড়ন্ত স্বপ্ন যেন বাসা বেঁধেছিল চড়ুই পাখিটার ভেতরে। আজ তাদের সেই স্বপ্ন পাখিটার বিদায় হলো। এ তো বড় কষ্টের! বড় বেদনার! সে বেদনা যেন অশ্র“ হয়ে ঝড়ে পড়ে আলকারীব ও জিশান মণির তুলতুলে নরম দু’টি গন্ড বেয়ে। এর চেয়ে বড় কষ্টের কোনো ভাষা নেই! এর চেয়ে বড় বেদনার কোন প্রকাশ নেই!
রাত্রি বেলা আলকারীবের বাবা অফিস থেকে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সে তার বাবাকে সব খুলে বলে। বিকাল থেকে পাখির বাচ্চাটা চিঁউ চিঁউ করে চলেছে। সে-ও বোধ হয় বুঝতে পেরেছে যে তার মা আর বেঁচে নেই। কিংবা তার বাসায় ফিরছে না, তাকে খাওয়াচ্ছে না, তাই বাচ্চাটির বড় কষ্ট হচ্ছে। দুই ভাইবোনের মনে হতে লাগলো তাদের মা যদি মারা যায়, তাদের ছেড়ে চিরজনমের মতো যদি চলে যায়, তাহলে তারাও তো এমন করে কাঁদবে। তারাও তো বাচ্চাটার মতন কষ্ট পাবে। জিশান মণি ও আলকারীবের ছোট্ট হৃদয়ে ঝড় ওঠে। প্রচন্ড সাইক্লোনে লন্ডভন্ড হয়ে যায় বুকের জমিনের তন্ত্রীগুলো। ওদের বাবা সান্ত্বনা দেন। বলেন- দেখ এই পৃথিবী ছেড়ে সবাই একদিন চলে যাবে। কিন্তু প্রত্যেকের ভালো কাজগুলোর প্রতিদান তারা পাবে। সুতরাং তোমরাও ভালো কাজ করতে পারো। এই যে পাখিটার জন্য তোমাদের মনে কষ্ট হচ্ছে, এই কষ্টের জন্য সৃষ্টিকর্তা হয়তো তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আর দেখ- তোমরা পাখিটাকে তো ইচ্ছে করে হত্যা করোনি। ওটা একটা এক্সিডেন্ট ছিল মাত্র। তোমরা সেই অ্যালবাট্রোস পাখিটার গল্প শোনোনি? সেই যে একজন নাবিক সমুদ্রের ভেতরে একটা নিষ্পাপ অ্যালবাট্রোস পাখিকে হত্যা করেছিল। তারপর অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে পড়েছিল তাদের জাহাজ। গভীর সমুদ্রে আটকে গিয়েছিল তারা। সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে শাস্তি দিয়েছিলেন। তারা কোনভাবেই তীরে ফিরতে পারছিল না। পরে তারা পানির ছোট ছোট সাপের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়েছিল, আর সেই সাপগুলোকে তারা খাবার দিয়েছিল। তখন সৃষ্টিকর্তা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তখন একটা বাতাস এসে তাদের জাহাজটাকে তীরে পৌঁছে দিয়েছিল। তোমরাও পাখির বাচ্চাটির প্রতি ভালোবাসা দেখাতে পারো যাতে ওর কষ্ট না হয়।
বাসার ভেতরেই বাচ্চাটাকে খাবার দেয়ার চেষ্টা করলেন আলকারীবের বাবা। কিন্তু চালের খুদ বা কুন যা-ই দেয়া হয় তা তো খড়কুটো দিয়ে  তৈরি বাসার নিচে পড়ে যায়। আর বাচ্চাটা এতই ছোট যে খুঁটে খুঁটে খাবার মতন বয়সও হয়নি ওর। আবার ঐ ভ্যান্টিলেটারে খাবার খাওয়ানোও যায় না। তিনি অনেক কষ্ট করে বাচ্চাকে বের করে নিয়ে এলেন। জিশান মণির একটা প্লাসটিকের ঝুড়ি ছিল। সেই ঝুড়িতে পেপার দিয়ে সাজিয়ে একটা বাসা বানালেন। আর সেই বাসার মধ্যে বাচ্চাটাকে রেখে খাওয়াতে লাগলেন।
কিন্তু প্রায় সারাক্ষণই বাচ্চাটা চিঁউ চিঁউ করে কাঁদে। ওরা জানে না ওর খিদে লাগে না কি মায়ের জন্য কাঁদে? মায়ের প্রয়োজন তো আর কারও দ্বারা পূরণ হয় না। “মায়ের মত আপন কেহ নাই। মা জননী নাই রে যাহার, ত্রিভুবনে তাহার কেহ নাই রে।” তবুও বাচ্চাটা তো ওদের কাছেই থাকে। ওদের শোবার ঘরেই রাখা হয়েছে পাখির নতুন বাসাটা।
আলকারীব তো  মহা খুশি। ওর স্বপ্ন- পাখিাটা একদিন বড় হবে। আকাশে উড়ে বেড়াবে। আর ও যখনই পাখিটাকে ডাকবে তখনই সে ওর কাছে আসবে, ওর হাতের ওপরে বসবে, ওর কাঁধের ওপর বসবে, পড়ার টেবিলে বসবে। ওর সাথে খেলবে। ও যখন স্কুলে যাবে তখন পাখিটা ওর সাথে স্কুলে যাবে। স্কুলের জানালায় বসবে, আর আলকারীব ক্লাস করবে। আবার ক্লাস শেষে ও যখন ফিরে আসবে পাখিটাও তখন ওর সাথে সাথে ফিরে আসবে। ওরা সারাদিন খেলবে, মজা করবে, আরও কত কী!
আলকারীবের বিছানার পাশেই থাকে পাখির বাসাটা। প্রতিদিন যখন সকাল হয়, সূর্যের আলো এসে ঘরে প্রবেশ করে, তখনই চিঁউ চিঁউ করে ডেকে ওঠে চড়ুই পাখির বাচ্চাটা। চড়ুইয়ের ডাকে ভেঙে যায় আলকারীব ও জিশান মণির ঘুম। ঘুম থেকে উঠেই পাখিটাকে খাওয়ানো তাদের বড় দায়িত্ব। তারপর রেডি হয়ে স্কুলে যাওয়া। আবার স্কুল থেকে এসে পাখিটাকে খাওয়ানো। এমনি করে কেটে যায় তিন দিন।
চতুর্থ দিনে সকালবেলা ভোরের আলো ঢুকে গেল আলকারীবদের বিছানায়। কিন্তু সেই ছোট্ট চড়ুই পাখির বাচ্চাটার চিঁউ চিঁউ শব্দ তো শুনা যায় না। আস্তে আস্তে চোখ থেকে সরে যেতে লাগলো ঘুমের পর্দা। কিন্তু নাহ্! পাখির তো কোন সাড়া শব্দ নেই। কী যেন শঙ্কা আলকারীবের মনে। লাফ দিয়ে বিছানা ছাড়ে সে। বাসাটায় হাত দেয়। কিন্তু কোন সাড়া নেই। অন্য দিন খাঁচাটায় হাত দিতেই বাচ্চাটা ঠোঁট বের করে দেয়। হাঁ করে, খেতে চায়। কিন্তু কই আজ তো কোনো সাড়া নেই! তাহলে কি ওর ঘুম ভাঙেনি। আলকারীবের শিশু মন আনচান করে ওঠে। উদ্বিগ্নতার সাথে বাসাটা খুঁজে দেখে। হ্যাঁ ….. হ্যাঁ…. ঐ তো বাচ্চাটা দেখা যায়। কিন্তু নীরব কেন? বেলা হয়ে গেছে যে। কিন্তু ও জাগে না কেন? ও কি বোকা নাকি? এত বেলা অবধি কেউ কি ঘুমায়? তাহলে ওর তো শরীর খারাপ হয়ে যাবে। ও কি ভুলে গেল নাকি সেই ইংরেজি ছড়াটা-
Early to bed
Early to Rise
Makes a man Healthy
Wealthy and wise
পাখিটাকে জাগানোর চেষ্টা করে আল্কারীব। কিন্তু নাহ্, সে তো জাগে না। ও তো উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। আস্তে আস্তে বাচ্চাটার গায়ে হাত দেয় সে । কিন্তু একি! বাচ্চাটার গা তো অনেক ঠান্ডা! শরীরটাও কেমন নিথর! চমকে ওঠে আলকারীব! ওমনি ঘন মেঘে ঢাকা আকাশের বিদ্যুৎ চমকানো দেখে আতঙ্কগ্রস্ত শিশুর মতো চিৎকার দিয়ে ওঠে আলকারীব- বাবা! বাবা!  বাবা!

SHARE

2 COMMENTS

Leave a Reply to mabrur bin masud Cancel reply