Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো


সেদিন রাজীব দেখে কী, রবিন অনেকক্ষণ ধরে একখণ্ড বরফে কী যেন খুঁজছে। রাজীবের খুব কৌতূহল হলো। জিজ্ঞেস করল, কি রে, বরফে কী খুঁজছিস?
রবিন বলল, আর বলিস না। বরফের কোথায় যেন ফুঁটো হয়ে গেছে। সেই কখন থেকে পানি ঝরছে তো ঝরছেই। এতো খুঁজছি, ফুঁটো আর খুঁজে পাচ্ছিনে! একটু দেখবি তুই?
সংগ্রহে : আব্দুল্লাহ আল আহাদ
আলমনগর, রংপুর

শিক্ষক : কী ব্যাপার! আজ এতো দেরি করে এলে?
ছাত্র : স্যার, আমি তো তাড়াতাড়ি-ই আসছিলাম। কিন্তু ওই সাইনবোর্ডের কারণে দেরি হয়ে গেল।
শিক্ষক : (চোখ পাকিয়ে) কোন্ সাইনবোর্ড?
ছাত্র : স্যার, ওই যে, আমাদের স্কুলের কাছেই একটা সাইনবোর্ড আছে নাÑ ‘সামনে স্কুল, ধীরে চলুন’। ওটা দেখে ধীরে চলতে গিয়েই তো দেরি হয়ে গেল!
সংগ্রহে : হাবিব, ঝিনাইদহ

ম্যানেজার : তুমি নাকি আলমিরার চাবি আবারও হারিয়েছ?
কেরানি : জ্বী স্যার।
ম্যানেজার : আগে একটা হারিয়েছিলে তাই এবার তালার সঙ্গে দু’টো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম।
কেরানি : দু’টোই হারাইনি স্যার! একটা মাত্র হারিয়েছি।
ম্যানেজার : তাহলে অন্যটা কোথায়?
কেরানি : হারিয়ে যাবার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম। তাই ওটা আলমিররার মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম।
সংগ্রহে : ইসমাইল হোসেন আদর
সেনবাগ, নোয়াখালী

এক লোক খোড়াতে খোড়াতে এসে ডাক্তারের চেম্বারে প্রবেশ করে।
রোগী : (কাতর স্বরে) ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান। পায়ের অবস্থা খুবই খারাপ।
ডাক্তার : আপনার পা কী করে ভাঙলো?
রোগী : (অস্থির হয়ে) খেলার মাঠে।
ডাক্তার : আচ্ছা আপনি ফুটবলার। তা কোন্ প্লেসে খেলেন আপনি?
রোগী : জি না, খেলি নাই, গ্যালারি থেকে পড়ে গিয়েছিলাম।
সংগ্রহে : আইরিন আক্তার ছবি
খালিশপুর, খুলনা

দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছেÑ
প্রথম বন্ধু : জানিস, এই মাত্র আমি বিশ্ব রেকর্ডের চেয়ে কম সময়ে ৪০০ মিটার দৌড় শেষ করেছি। ব্যাপারটা আগে কাকে জানাব বল্ দেখি?
দ্বিতীয় বন্ধু : মনে হয় ঘড়ি নষ্ট ছিল। এজন্য ঘড়ির মেকানিককে বলবি আগে।
সংগ্রহে : উম্মে আতিয়া তামান্না
চৌমহনী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

হাসিব : বাবলু, পৃথিবী গোল হওয়ার তিনটি প্রমাণ দিতে পারবি?
বাবলু : প্রথম প্রমাণ, স্যার বলেছেন পৃথিবী গোলাকার। দ্বিতীয় আব্বু ওই একই কথা বলেছেন। আর তৃতীয় প্রমাণ, বইয়ে এ কথাই লেখা আছে।
সংগ্রহে : রাকিব হাসান
বাঘারপাড়া, যশোর

শেয়াল : একটা ঘোড়া যদি উত্তরমুখো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে তার লেজটা কোন্ দিকে থাকবে?
কুমিরের ছা : দক্ষিণ দিকে।
শেয়াল : উঁহু, হলো না, মাটির দিকে।
সংগ্রহে : ফজলে রাব্বী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

SHARE

5 COMMENTS

Leave a Reply to Mesbaul Cancel reply