Home সাক্ষাৎকার কথা তো সব মুইছা গ্যাছে বাজান

কথা তো সব মুইছা গ্যাছে বাজান

কিশোরকণ্ঠ : তুমি কেমন আছো?
অনিন্দ্য : ভালো আছি।

নাম : মাহ্মুদুর রহমান অনিন্দ্য বাবা : সুলতান মাহমুদ মা : জামিলা ইকবাল মাহমুদ স্কুল : মেথোডিস ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল শাখা : ডেফোডিল শ্রেণী : পঞ্চম, বয়স : ১০ বছর

কিশোরকণ্ঠ : আচ্ছা, এবারের ঈদ তুমি কিভাবে কাটাবে? ঈদের দিনের কোন্ কাজটি তোমার সবচেয়ে প্রিয়?
অনিন্দ্য : ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে গোসল করবো, পায়েস খাবো, আব্বার সাথে মাঠে নামাজ পড়তে যাবো, নামাজ শেষে বন্ধুদের নিয়ে সবার বাড়িতে যাবো, মুরব্বিদের সালাম করবো, তাদের কাছ থেকে দোয়া নেবো। তারপর বাড়িতে এসে আম্মা, আব্বা, আপুÑ তাদের সবাইকে নিয়ে খাবো। তারপর বন্ধুদের নিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল খেলবো। ক্রিকেট খেলা আমার বেশি প্রিয়। এরপর বাসায় এসে আমার অভিনয় করা নাটক দেখবো। আমার নাটক খুব পছন্দ, বিশেষ করে আমার অভিনয় করা নাটক।
কিশোরকণ্ঠ : তোমার আশপাশের গরিব-দুঃখী বন্ধুদের জন্য এবারের ঈদে তুমি কী আয়োজন করেছো?
অনিন্দ্য : আশপাশের গবির-দুঃখী বন্ধুদের জন্য এবারের ঈদে তাদেরকে নতুন জামা-কাপড় ও খাবার কিনে দেবো।
কিশোরকণ্ঠ : গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনটির কথা বলো। কিভাবে এবং কার প্রেরণায় মডেলিংয়ে অংশ নিয়েছিলে?
অনিন্দ্য : গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনের আগে আমি প্রাণ মিল্ক ক্যান্ডি বিজ্ঞাপনের কাজ করি। সেখানে ‘প্রাণ মিল্ক ক্যান্ডি, প্রাণ মিল্ক ক্যান্ডি’ বলে মাথা বেশি ঝোঁকাচ্ছিলাম তো এটা দেখে তামিম আঙ্কেল আমাকে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনের জন্য ডাক দেন। তখন এই বিজ্ঞাপনটি করি।
কিশোরকণ্ঠ : আর কোনো বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছো কি না?
অনিন্দ্য : প্রাণ ফ্রুটি ক্যান্ডি, প্রাণ অরেঞ্জ জুস, মেরিডিয়ান পটেটো ক্র্যাকার্স, সার্ফএক্সেলের দু’টি- একটি হলো ২০ টাকা ছাড়, প্রাণের জুস, ড্যানো, তারপর হলো গ্রামীণফোন। আর এখন করছি পেপসোডেন্ট।
কিশোরকণ্ঠ : একটি মজার ঘটনা বলবে যা শুনলে কিশোরকণ্ঠের পাঠকেরা বেশ মজা পাবে?
অনিন্দ্য : রাজশাহীতে আমি একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে অনেক মানুষ ঘিরে ধরে বলে, তুমি কি গ্রামীণফোনের মডেল হয়েছো? তখন আমাকে সবাই দোয়া করে দিয়েছে, অনেকে আমাকে কাছে নিয়ে ছবি তুলেছে। একজন বৃদ্ধলোক এসে জিজ্ঞেস করলেন, গ্রামীণফোনের ছেলেটি কোথায়? কোথায় থাকে? অনেকে অটোগ্রাফ নিয়ে গেল।
কিশোরকণ্ঠ : তোমার লেখাপড়া সম্পর্কে বলো। কোন্ ক্লাসে পড়ছ? লেখাপড়ার বাইরে আর কী কী কর?
অনিন্দ্য : আলহামদুলিল্লাহ, ভালো। আমি সাধারণত ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষ করে ফেলতে চেষ্টা করি। কোনোটা না পারলে স্যারদের সাহায্য নিই। ক্লাসে যদি শেষ করতে না পারি, বাসায় এসে খাওয়া সেরে বিকেলের মধ্যে ক্লাসের পড়া শেষ করার চেষ্টা করি। আমি পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি। লেখাপড়ার বাইরে আমি খেলাধুলা করি, বন্ধুদের নিয়ে সাইকেল চালায়। আমি সাধারণত ক্রিকেট খেলি।
কিশোরকণ্ঠ : কোন্টি বেশি ভালোবাসো- কবিতা, গল্প, ভ্রমণ কাহিনী, নাকি সায়েন্স ফিকশন?
অনিন্দ্য : গল্প ও ভ্রমণ কাহিনী।
কিশোরকণ্ঠ : কিশোরকণ্ঠের পাঠক-পাঠিকাদের জন্য তুমি কি কিছু বলবে?
অনিন্দ্য : হ্যাঁ, কিশোরকণ্ঠের পাঠক-পাঠিকাদের জন্য আমি বলবো- লেখাপড়া বেশি করে করবে, আম্মা, আব্বার কথামতো চলবে। ভাই, বোন, আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের সাথে ভালোভাবে কথা বলবে। সবাইকে সালাম দিয়ে কথা শুরু করবে, বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করবে। আবারো বলছি- আম্মা, আব্বার কথামতো চলবে, বেশি বেশি করে লেখাপড়া করবে।
কিশোরকণ্ঠ : তোমাকে ধন্যবাদ।
অনিন্দ্য : আপনাকে ও কিশোরকণ্ঠকেও অনেক ধন্যবাদ।

SHARE

Leave a Reply