Home ফিচার চেনা-অচেনা দেশ

চেনা-অচেনা দেশ

মো: রেজাউল হক..

পৃথিবীর এমন  অনেক দেশ আছে যাদের নাম অনেকেই শোনেনি। এখনো পর্যন্ত যতগুলো দেশের নামের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তোমরা চাইলে সেখান থেকে এই দেশগুলির নাম বের করতে পারো। তাহলে চলো, চেনা অচেনা সেই দেশগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ভানুয়াতু (Vanuatu) : দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু। সেই ১৮৮০ সাল থেকে ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বন্ধ চলে আসল এই দ্বীপটি নিয়ে। ফ্রান্সের দাবি ছিল এটি তাদের দ্বীপ আবার যুক্তরাজ্যের দাবি ছিল এটি তাদের দ্বীপ। শেষ পর্যন্ত ১৯৭০ সালে তারা স্বাধীনতা দাবি করে এবং ১৯৮০ সালে ভানুয়াতু স্বাধীন হয়।
এখানকার শতকরা ৯০ ভাগ লোক স্থানীয়। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা সেখানে নিজ বাড়িতে বসবাস করে। মাছ শিকার করা তাদের প্রধান পেশা। সেখানকার শতকরা ৮০ ভাগ লোক গ্রামে বসবাস করে। বড় বড় বাগান এবং শস্য ক্ষেতের সীমানার মাধ্যমে তাদের গ্রামগুলি আলাদা। স্কুবা ডিভাইন বা অক্সিজেনের সিলিন্ডার পিঠে নিয়ে সাগর তলে সাঁতার কাটার জন্য এই দেশটি খুব জনপ্রিয়। পর্যটকরা মুলত এই স্কুবা ডিভাইনের জন্য এখানে বেশি বেশি আসে। এখানে ঘন ঘন সুনামি এবং ভূমিকম্প হয়, যে জন্য আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় এদের।
ভানুয়াতুর লোক সংখ্যা ২৪৩,৩০০ জন। প্রতি বর্গমাইলে লোক বাস করে মাত্র ৫১ জন।   দেশটির আয়তন ৪৯০৬ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম পোর্টভিলা। এদের মাথাপিছু আয় ৩,০৩৬ মার্কিন ডলার এবং  মুদ্রার নাম ভানুয়াতু ভাতু

নাউরু (Nauru) : সাবেক জার্মানের রাজার উপনিবেশ ছিল নাউরু। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের এক শান্তিময় দ্বীপ নাউরু। পৃথিবীর তৃতীয় ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র এই দেশটি। দেশটির চারিপাশ দিয়ে রাস্তা বানানো আছে। এই রাস্তাটিকে রিংরোড বলে। রিংরোড ধরে হেঁটে রওনা দিলে প্রায় দুই ঘণ্টার মতো সময় লাগে পুরো দেশটি ঘুরে আসতে। এই দেশে একটি মাত্র ট্রাফিক সিগনাল আছে। তবে সিগনালটি সম সময় ব্যবহার করা হয় না। রানওয়েতে বিমান চলাচল করার সময় শুধু রিংরোডের ট্রাফিক সিগনালটি দিয়ে গাড়িগুলো থামানো হয়। বিমান উঠানামা শেষ হলে তা আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।
এখানে খাবার পানির খুব অভাব। তাই নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে যে মৌসুমী বৃষ্টিপাত হয় সে পানি ধরে রাখে এরা এবং সারা বছর সে পানি তারা খাবার জন্য ব্যবহার করে থাকে। এদের প্রধান খেলা ফুটবল। এই দেশে ৭টি ফুটবল দল আছে যারা নিয়মিত লিগ খেলে।
আমাদের ঢাকা শহরের চেয়ে নাউরু দেশটির আয়তন ছোট। অথচ ঢাকায় বাস করে প্রায় দেড়কোটি লোক আর নাউরুতে বাস করে মাত্র  ১৮,০১৯ জন লোক। দেশটির আয়তন ৮.১ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম ইয়ারিন।
টুভালু (Tuvalu ) : প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ এই টুভালু। এর প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির মধ্যে আছে ফিজি, নাউরু এবং ভানুয়াতু। ১৯৭৮ সালে এরা স্বাধীন হল। তার আগে এর নাম ছিল এলিস দ্বীপ। আমাদের দেশের একটি গ্রামের মতো হবে এর আয়তন।  এটি রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের একটি সাংবিধানিক রাজ্য এবং বর্তমানে তিনি সেখানকার রানী । এদের নিজস্ব কোনো সেনাবাহিনী নেই। প্রতিরক্ষা খাতে এরা কোনো ব্যয় করে না। টুভালু পৃথিবীর চতুর্থ ক্ষুদ্রতম দেশ। এই দেশটিতে প্রথম যারা বাস করত তাদের বলা হয় পলিনেশিয়ান পিপল।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা সবচেয়ে কম। পৃথিবীর পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে যে সব দেশ ক্ষতিগ্রস্ত তাদের মধ্যে বাংলাদেশ এবং টুভালু অন্যতম। তাপমাত্র বেড়ে যাওয়ার কারণে সাগরের পানির উচ্চতা বেড়ে গিয়ে ঘনঘন বন্যা, জলোচ্ছ্বাস হয়ে থাকে এসব দেশে।
এদের লোক সংখ্যা ১২,৩৭৩ জন। দেশটির আয়তন ১০ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম ফুনাফুতি।

কমোরোজ (Comoros ) : এটি একটি আফ্রিকান দ্বীপরাষ্ট্র। মুজাম্বিক এবং মাদাগাস্কার এর মাঝে ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ কমোরোজ। মিওট, সেশেলস এবং মরিশাস হলো এর পাশাপাশি দ্বীপ দেশ।   ফ্রান্সের একটি উপনিবেশ ছিল এটি। বর্তমানে প্রয় ৩ লক্ষ কমোরিয়ান ফ্রান্সে বসবাস করে।  এদের শতকরা ৯৮ ভাগ লোক ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে।  লোক সংখ্যা প্রায় ৭৯৮,০০০ জন। দেশটির আয়তন ৮৬৩ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম হালামরোনি।

গুয়ের্নসি (Guernsey ) : উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ইংলিশ চ্যানেলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এই গুয়ের্নসি। ফ্রান্সের নরমান সমুদ্র উপকূল থেকে ৩০ মাইল এবং ইংল্যান্ডের ওয়েমাউথ থেকে ৭৫ মাইল দক্ষিণে সমুদ্রের মধ্যে দেশটির অবস্থান। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে বিশ্বাসী একটি দেশ গুয়ের্নসি। তারা যুক্তরাজ্যের অংশ নয় আবার ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্তও নয়। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ স্বায়াত্বশাসিত। ব্রিটিশ রাজতন্ত্র থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসার জন্য আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এরা ।
বছরের অধিকাংশ সময়ে এখানকার তাপমাত্রা থাকে কম । ৪ থেকে ২০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে এখানকার তাপমাত্র ওঠানামা করে। জুলাই ও আগস্ট মাস এখানে গ্রীষ্মকাল । ডিসেম্বর নভেম্বর এবং জানুয়ারি মাস বর্ষাকাল। এসময় এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তাছাড়া বছরের অন্যান্য সময়েও বৃষ্টি হয় এবং ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে। বছরের অধিকাংশ সময় এখানে প্রচুর পর্যটক আসাযাওয়া করে। মাছ ধরা এবং কৃষিকাজ এখানকার লোকের প্রধান  পেশা।
এদের লোকসংখ্যা প্রায় ৬৫,৫৭৩ জন। দেশটির আয়তন ৩০ বর্গমাইল, যা আমাদের দেশের একটি ইউনিয়নের সমান হতে পারে।  রাজধানীর নাম সেন্ট পিটার পোর্ট।

আইজল অব ম্যান (Isle of Man ) : আইজল অব ম্যান আবার মান নামেও পরিচিত। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের উপর নির্ভরশীল একটি স্বশাসিত রাষ্ট্র এটি। আইরিশ সাগরের গ্রেটব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের মধ্যবর্তী একটি দ্বীপরাষ্ট্র এই আইজল অব ম্যান। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত নয় এরা। অফশোর ব্যাংকিং এবং পর্যটন শিল্প এদের অর্থনীতির প্রধান উৎস। খ্রিষ্টপূর্ব ৬৫০০ সালের আগে থেকে এখানে মানুষ বসবাস করে আসছে। ৬৮৮ মাইল দীর্ঘ রাস্তা আছে এই দেশে। বাস, ট্রেন, নৌকা, লঞ্চ এবং উড়োজাহাজ এখানকার বাহন। একটিমাত্র বিমানবন্দর আছে এদের। নাম আইজেল অব ম্যান বিমানবন্দর। তিনটি সংবাদপত্র প্রকাশিত হয় এখানে। আইজেল অব ম্যান কুরিয়ার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। তাছাড়া আছে আইজেল অব ম্যান এক্সামিনার এবং আইজেল অব ম্যান ইনডিপেনডেন্ট।
এদের জাতীয় প্রতীক হলো তিন পাওয়ালা মানুষ। আমাদের যেখান দুইটা পা সেখানে ওদের জাতীয় প্রতীকের মানুষটির তিনটি পা দেখানো হয়েছে।  তিন পা কেনো সে বিষয়ে তাদের যুক্তি হলো যে কোনো বন্ধুর পথে চলাচলে সুবিধা জন্য এই তিন পা। দেশটি আমাদের ঢাকা শহরের মতো হবে প্রায়।
এদের লোকসংখ্যা ৮০,০৮৫ জন। দেশটির আয়তন ৩৩৯ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম ডগলাস।

টকেল্যু (Tokelau ) : নিউজিল্যান্ডের একটি প্রদেশ টকেল্যু। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে নিউজিল্যান্ড ও হাওয়াই দ্বীপের মধ্যে এই ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটির অবস্থান। আতাফু, নুকুনোনু ও ফাকাওফো তিনটি কোল দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত দ্বীপরাষ্ট্র টকেল্যু।  টকেল্যু নামটি একটি পলিনেশিয়ান শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো নর্থউইন্ড বা উত্তুরে হাওয়া। এদের শতকরা ৯৬ ভাগ লোক খ্রিস্টান এবং ৫৭ ভাগ লোক মহিলা। মাছ ধরা এবং মাছ ধরার স্বত্ব বিক্রি করেও এরা অর্থ উপার্জন করে থাকে।
টকেল্যুতে কোনো বিমান বন্দর নেই। সামোয়া এদের প্রতিবেশী দেশ। সেখানে যেতে নৌপথে প্রায় একদিন সময় লাগে। পৃথিবীর সকল ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের মধ্যে এরা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল। প্রায় সম্পূর্ণভাবে এরা নিউজিল্যান্ডের ভর্তুকির উপর নির্ভর করে চলে।  স্কুবা ডিভাইন এখানকার একটি জনপ্রিয় খেলা।
এদের লোকসংখ্যা প্রায় ১,৪১৬ জন। দেশটির আয়তন ৫ বর্গমাইল, যা প্রায় আমাদের একটি গ্রামের সমান হতে পারে।  টকেল্যুর রাজধানী নান।

কুক আইল্যান্ডস (Cook Islands ) : দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে নিউজিল্যান্ড এবং হাওয়াই দ্বীপের মাঝামাঝি স্থানে এই দেশটির অবস্থান। পনেরটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপের সমষ্টি কুক আইল্যান্ডস। একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এটি। সাগর পাড়ের অপরূপ রূপ দেখা, কর্মক্লান্ত নগরী থেকে দূরে কোথাও গিয়ে বিশুদ্ধ বায়ু সেবন করতে এবং নীল সাগরের পানিতে খেলা করতে প্রতিবছর প্রায় ৯০ হাজার পর্যটক এখানে আসা যাওয়া করে। পর্যটন শিল্প হলো এদের আয়ের প্রধান উৎস। এদের অর্থনৈতিক ভিত্তি বেশ মজবুত। পর্যটন শিল্পের বাইরেও অফশোর ব্যাংকিং, মাছ শিকার, সমুদ্র থেকে মুক্তা আহরণ এবং ফল বিক্রি করে এরা অনেক অর্থ উপার্জন করে।  ব্রিটিশ নাবিক জেমস কুক ১৭৭৩ সালে এই দ্বীপটিতে এসেছিলেন। তার নাম অনুসারে এর নাম হয়েছে কুক আইল্যান্ডস। এই দেশটির আকার প্রায় আমাদের একটি জেলার সমান হতে পারে।
এদের লোকসংখ্যা প্রায় ১৯,৫৬৯ জন। দেশটির আয়তন ৯১০ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম আভারুয়া।

পিচায়ার্ন দ্বীপ (Pitcairn Island ) : মধ্য প্রশান্ত মহাসাগর থেকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে ছোট ছোট প্রায় এক হাজার দ্বীপ রয়েছে। এই দ্বীপগুলিকে একত্রে পলিনেশিয়া বলে। পলিনেশিয়ার অধিবাসীকে বলে পলিনেশিয়ান। তাদের মধ্যে ভাষা, সংস্কৃতি এবং ধর্মবিশ্বাসে মিল আছে। এরা দক্ষ নৌচালক এবং রাতের বেলা আকাশের তারা দেখে এরা নৌযান চালাতে সক্ষম। পলিনেশিয়া শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ফ্রান্সের লেখক চার্লস ডি ব্রোস।
পিচায়ার্ন দ্বীপ একটি পলিনেশিয়া দ্বীপ।  পিচায়ার্ন, হেনডার্সন, ডুসি এবং ওইনো এই চারটি আগ্নেয়গিরির দ্বীপ মিলে হল পিচায়ার্ন দ্বীপ। নানা কারণে মাটির নীচে আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাত ঘটে। আগ্নেয়গিরি থেকে বেরিয়ে আসা আগুনের সাথে সাথে জ্বলন্ত লাভা সাথে করে নিয়ে আসে। পুকুর থেকে মাটি কেটে পাশে রাখলে যেমন পাহাড়ের মতো উঁচু হয়ে যায়, লাভা মাটির নিচ থেকে উপরে উঠে জমা হয়ে ছোট বড় পাহাড়ের সৃষ্টি হয়। ভূ-পৃষ্ঠের শক্ত মাটিতে যেমন লাভা জমে পাহাড় সৃষ্টি হয় সাগরের তলদেশের মাটিতেও তেমন লাভা জমে পাহাড়ের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
পিচায়ার্ন দ্বীপ আগ্নেয়গিরি থেকে সৃষ্টি হওয়া সেই দ্বীপ। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝখানের প্রশান্ত মহাসাগরে আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা বের হয়ে ৩৪০ মিটার উঁচুতে উঠে গিয়েছিল এর চুড়া। তারপর সেখান থেকে ভেঙে পড়ে সাগরে। আস্তে আস্তে বসবাসযোগ্য ভূমিতে পরিনত হয় এই দ্বীপ। দ্বীপগুলি ছিল সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ। যতদূর জানা যায় এখানে মাত্র চারটি পরিবার বসবাস করে। তারা হলো ক্রিস্টিয়ানো, ওয়ারেন, ইয়ং এবং ব্রাউনের পরিবার।  ইংরেজি এবং তাহিতিয়ান দুই ভাষাতেই এদের লোকেরা কথা বলে। এখানে একটি গির্জা ছিল। সম্প্রতি গির্জাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কারণ মাত্র ৮ জন লোক সেখানে নিয়মিত প্রার্থনায় আসত। পুরো দ্বীপে একটি মাত্র ক্যাফে এবং বার আছে। পৃথিবীর সবচেয়ে কম লোক বসবাস করে এই দ্বীপটিতে।
এদের লোক সংখ্যা ৫০ জন। দেশটির আয়তন ১৮.১ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম অ্যাডামসটাউন।

নগর্ন-কারাবাখ প্রজাতন্ত্র (Nogorno-Karabakh Republic) : আরমেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যবর্তী একটি স্বাধীন দেশ এটি।  সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ভিতরে ছিল এরা।  বেশ লড়াকু জাতি এরা। ১৯৮৮-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তারা যুদ্ধ করেছে। যুদ্ধের নাম ছিল নগর্ন-কারাবাখ যুদ্ধ। তারা এখনো কোনো রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পায়নি এমনকি আর্মেনিয়াও তাদের স্বীকৃতি দেয়নি। জাতিগত দ্বন্দ্বের কারণে এদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ ছিল। বর্তমানে দেশটিতে বিদেশী বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে। আরমেনিয়া, রাশিয়া, আমেরিকা, ফ্রান্স , অস্ট্রেলিয়া, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশগুলি এখানে বিনিয়োগে আসছে।
এখানকার শতকরা ৯৫ ভাগ লোক আরমেনিয়ান, অন্যরা গ্রিক এবং কুর্দিস। আর্মেনিয়ার পশ্চিম অঞ্চলের লোকেরা এখানে বেশি পর্যটনে আসে। এদের লোকসংখ্যা প্রায় ১১০,০০০, দেশটির আয়তন ৪৪৫০.১০২ বর্গমাইল এবং রাজধানীর নাম স্টিপানাকার্ত।

 

SHARE

Leave a Reply