Home নিয়মিত প্রথম জাতীয় কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

প্রথম জাতীয় কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

কিশোরকণ্ঠ সৎ ও মেধাবী নেতৃত্ব তৈরিতে সহায়তা করছে
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নৈতিকতাসম্পন্ন মেধাবী নেতৃত্ব গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবি। অযুত সম্ভাবনার বাংলাদেশকে আধুনিক মালয়েশিয়ায় রূপান্তরিত করতে হলে সৎ ও মেধাবীদের জাতির নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে। আর সেই সৎ ও মেধাবী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করছে নতুন কিশোরকণ্ঠ। তিনি বলেন, জাতীয় শক্তির মূল হলো ঐক্য। কিন্তু জাতি আজ সব ক্ষেত্রে বিভক্ত। আগামী ২০ বছর পর এই বিভক্তি জাতিকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করবে। জাতীয় ঐক্য গড়তে ব্যর্থ হলে তা হবে আমাদের ব্যর্থতা। তাই নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে। তিনি গত ৯ জুন সকালে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রথম জাতীয় কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন বলেন, তরুণরা যদি একবার মনস্থ করে তাহলে যে কোনো অসম্ভবকেই সম্ভব করা যায়। আমাদের সন্তানরা পৃথিবীর কারো চেয়ে কম নয়। তারা বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুধু পড়াশোনাই নয়, শিক্ষকতাও করছেন। তারা জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। তারাই দেশের ভাগ্য বদলাতে পারে। আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদার বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশকে স্বনির্ভর করা যাবে। এ জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে। যোগ্যতার কোনো ঘাটতি থাকলে তাও পূরণ করতে হবে। তিনি বলেন, জাতিকে যথাযোগ্য ও উত্তম শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ ও পরাজিত হয়েছি। বর্তমান প্রজন্মকে অবশ্যই বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে। তাহলে আমাদের আর কোনো প্রতিপক্ষ থাকবে না। আমরা যেখানে হেরেছি সেখানে তোমরা বিজয়ী হবে। কারণ আমরা হারবার জাতি নই। এ জাতির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।
দেশের সর্বাধিক প্রচারিত শিশু-কিশোর পত্রিকা মাসিক নতুন কিশোরকণ্ঠের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরকণ্ঠের উপদেষ্টা কবি আল মাহমুদ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা গরিব নই, বিভিন্ন চক্রান্ত, কৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। সুজলা-সুফলা বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারলে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ তৈরির জন্যই কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কিশোরকণ্ঠের সম্পাদক কবি মোশাররফ হোসেন খান ও নির্বাহী সম্পাদক নিজামুল হক নাঈম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সম্পাদক জুবায়ের হুসাইন, আনিসুর রহমান, তোফাজ্জল হোসেন, মাসুদ রানা, মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ। উল্লেখ্য কিশোরকণ্ঠের উদ্যোগে এবারই প্রথম জাতীয় কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে প্রথম দশজনকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম পুরস্কার ১টি ল্যাপটপ, দ্বিতীয় পুরস্কার ২৫ হাজার টাকা ও তৃতীয় পুরস্কার ২০ হাজার টাকা বিজয়ীদের প্রদান করা হয়। বাকি সাতজন বিজয়ীকে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হয়। উল্লেখ্য, এখন থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর এই পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

SHARE

5 COMMENTS

  1. assalamu’alaykum,
    2nd national kishorkantha pat proti jogitar,
    20 number question ti ullekhito 3ti sonkha theka ki deoa hoya cha?
    bolla khusi hobo|

  2. সোনায় মোড়ানো চমৎকার এক ঝলমলে কিশোরবেলা পার হয়ে এসেছি। কি আকাঙ্খা নিয়েই না অপেক্ষার প্রহর কাটত- কখন আসবে প্রিয় কিশোরকণ্ঠ। মনে হত, এতো সুন্দর আর কোন পত্রিকা হয় না। মাঝে মাঝে লিখতাম, কিশোরকণ্ঠ কেন আমার মত একজন আনাড়ি কিশোরের লেখা ছাপত, জানি না!
    এরপর প্রচুর লেখা ছেপেছে প্রথম আলো, যুগান্তর, ইনকিলাব, সংগ্রামসহ দৈনিক, পাক্ষিক, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকাগুলোতে এবং এখনো কর্মব্যস্ততার ফাঁকে লিখি মাঝে মাঝে। কিন্তু কিশোরকণ্ঠে জীবনের প্রথম লেখা ছাপার অক্ষরে দেখে যতটা না আনন্দিত হয়েছিলাম, আর কখনও এতটা আনন্দ পাইনি।
    এখন বুঝি, এবং দেখি, কিশোর কণ্ঠ আমার মতো আনাড়ি কিশোরদের কেন স্নেহ করে লেখা ছাপে।

    লেখক তৈরির কারখানা ‘প্রিয় কিশোরকণ্ঠ’-কে আমার কৃতজ্ঞতা।

    লেখকঃ উপজেলা প্লানিং এন্ড মনিটরিং অফিসার, নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ।

  3. আমি মনে করেছিলাম যে ২০ নং এর পড়ে একটা লাইন আছে যেটা আমাকে বের করতে হবে। আর ৩ টা কিশোর কণ্ঠের যে কোন একটার মধ্যেই কোথাও আছে লাইনটা। আমি জানতাম না এটা আমাকেই বানাতে হবে…

Leave a Reply