Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো

প্রথম বন্ধু : এই শ্রবণ যন্ত্রটি দিয়ে আমি কয়েক মাইল দূরের শব্দও স্পষ্ট শুনতে পারি।
দ্বিতীয় বন্ধু : চমৎকার! তা এটা কত দিয়ে কিনলে?
প্রথম বন্ধু : ও, এখন বাজে সাড়ে এগারোটা।
সংগ্রহে : বিন রফিক
খিলগাঁও, ঢাকা

হাসান : আমি সবার কাজকে বড় করে দেখতে চাই।
সাকিব : তা সমস্যা কী? প্রজেক্টর লাগিয়ে বড় স্ক্রিনে দেখ।
সংগ্রহে : মিজানুর রহমান রায়হান
সুবর্ণচর, নোয়াখালী

ভীষণ উত্তেজিত অবস্থায় দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন
প্রথম বন্ধু : তুই জানিস আমার নাম কী?
দ্বিতীয় বন্ধু : সে কী! তুই তোর নিজের নাম জানিস না?
সংগ্রহে : রশি বিল্লাহ
কোতয়ালী, রংপুর

মামা ও ভাগ্নের মধ্যে কথা হচ্ছে-
মামা : বলতো, পাখির দৃষ্টিশক্তি কম না বেশি?
ভাগ্নে : বেশি।
মামা : কীভাবে বুঝলি?
ভাগ্নে : এ তো সহজ মামা। আমি এ পর্যন্ত কোনো পাখিকে চশমা পরতে দেখিনি।
সংগ্রহে : আলাউদ্দিন আল আজাদ
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা

ছোট মেয়ে ও মায়ের মধ্যে কথা হচ্ছে
মেয়ে : আচ্ছা মা, কলমের কালি কি বেশি দামি?
মা : কেন মামণি, কী হয়েছে?
মেয়ে : ভাইয়ার ডায়েরিতে আঁকাআঁকি করেছি বলে ভাইয়া আমাকে খুব বকেছে। হুঁ-উ-উ-উ-উ-
সংগ্রহে : কামরুল ইসলাম
বিজয়নগর, বি-বাড়িয়া

শিক্ষক : হাতির চামড়া দেখেছো কেউ তোমাদের মধ্যে?
শাহিন : আমি দেখেছি স্যার।
শিক্ষক : কোথায় দেখেছো?
শাহিন : হাতির শরীরে স্যার!
সংগ্রহে : আতাউর রহমান
ভেড়াপোড়া আদর্শ মহাবিদ্যালয়, রাজশাহী

শিক্ষক : বলতো আনন্দ, একজন বাড়িওয়ালার কী থাকাটা স্বাভাবিক?
আনন্দ উত্তর দিতে না পারায় শিক্ষক তাকে বেত্রাঘাত করলেন এবং বললেন, বাড়ি থাকাটা স্বাভাবিক।
পরদিন-
শিক্ষক : এই যে আনন্দ, আজ বলতো একজন ফেরিওয়ালার কী থাকাটা স্বাভাবিক?
আনন্দ : ফেরি থাকাটা স্বাভাবিক স্যার!
সংগ্রহে : আসিফ আহমদ
ইছাকাঠি, কাশিপুর, বরিশাল

ট্রেনে এক ব্যক্তি উচ্চস্বরে পত্রিকা পড়ছিল, তা দেখে বিরক্ত হয়ে পাশের জন বললেন,
আপনি এত জোরে পত্রিকা পড়ছেন কেন?
এই প্রশ্ন শুনে সেই যাত্রী বললেন :
আমি কানে কম শুনি তো তাই।
সংগ্রহে : আসাদুজ্জামান আসাদ রানা
হরিমোহন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

SHARE

3 COMMENTS

  1. আমি তখন আমার জিহ্বা দিয়ে সোনাটা চাটা শুরু করলাম। তখন আপু মনে হচ্ছিল পুরা বেডটা নিয়ে উপরে উঠে যাবে আর শুধু আহহহ আহহহহ ওহহহ আওওওও ওউচ, জোরে জোরে, আরো জোরে চোষ, এসব বলতেসিল। ওরপর আপু কোমর উপরের দিকে উঠিয়ে আমার মাথাটা ওর সোনার মধ্যে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলো। আমার নাক, ঠোঁট সবকিছুতে আপুর মাল লেগে গেল। আমি খুব জোরে জোরে ২টা আঙুল ঢুকাচ্ছিলাম আর আমার জিহ্বাটা যতটুকু যায়, ভিতরে ঢুকাচ্ছিলাম। আপুর পুরা শরীর কাঁপতে শুরু করলো। দুই পা দিয়ে আমার মাথাকে সোনার মধ্যে চেপে ধরলো। তারপর সোনার সব

    • valo hoite poisa lage na, sobar moron ase ja teke feraun o baste pare nai, so brother give up this may Allah give you hidayah

Leave a Reply