Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো

দুই বন্ধুর কথোপকথন-
ছোটন : বল তো নোমান, ঘড়ি আবিষ্কার না হলে কেমন হতো?
নোমান : ভারি মজা হতো!
ছোটন : (আশ্চর্য হয়ে) ভারি মজা হতো মানে?
নোমান : কেন, যত ইচ্ছা দেরি করে স্কুলে যেতে পারতাম!
সংগ্রহে : মাহ্ফুজুর রহমান খান সাকিব
সদর, নেত্রকাণা

ব্যাকরণ ক্লাস চলছে। স্যার ক্লাসের সবচেয়ে অমনোযোগী ছাত্র রাতুলকে দাঁড় করালেন। জিজ্ঞেস করলেন, বল তো, বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, এটা কোন্ কাল?
রাতুল তো আর পড়াশোনা করে না, কতোক্ষণ মাথা চুলকে শেষে বলল, বর্ষাকাল স্যার!
সংগ্রহে : আশিকুর রহমান
শৈলকুপা, ঝিনাইদহ

একটি লোক সাঁতার জানে না। সে পানিতে ডুবে যাচ্ছে, এমন সময় হাতে একটি মাছ পড়ল। লোকটি মাছটাকে ডাঙায় ফেলে দিয়ে বলল, যা, তুই অন্তত বেঁচে থাক।
সংগ্রহে : রাকিবুল ইসলাম ইমন
বামনপুর টারমাথা, জয়পুরহাট

একদিন ইতিহাস স্যার ক্লাসে ঢুকেই তুলিকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তুলি, বল তো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে হয়েছিল?
তুলি কিন্তু জানে না যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল ১৯৪১-১৯৪৫ সালে। ও কতোক্ষণ ভেবে নিয়ে কাচুকাচু করে বলল, স্যার, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে!
সংগ্রহে : মেহেদী হাসান
ধনুয়া, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর

লং অনের উপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা মেরে ব্যাটসম্যান বোলারকে বলল, বাউন্ডারির বাইরে অনেক কচি ঘাস আছে। যাও, গিয়ে ঘাস খাওগে। বোলিং করে তোমার কাজ নেই।
ছক্কা খেয়েছে তো কী হয়েছে, বোলার কি আর ছেড়ে কথা বলবে? সে উল্টো ব্যাটসম্যানকে পিচ দেখিয়ে বলল, তুমি তো দেখছি নিজের ভাগের ঘাসটুকু আগেই খেয়ে ফেলেছো!
সংগ্রহে : ঠিকানা পাওয়া যায়নি

হোটেল বয় : আপনার ছেলে আমাদের হোটেলে খেয়ে আপনার চেয়ে বেশি বখশিশ দেয়।
ভদ্রলোক : দিতে পারে, তার বড়লোক বাবা আছে। কিন্তু আমার তো নেই।
সংগ্রহে : মোজাম্মেল শিশির অন্তর
সূবর্ণচর, নোয়াখালী

তৌহিদ : জানিস দোস্ত, আমাদের বাড়িতে এমন একটা জায়গা আছে যেখানে দাঁড়ানো যায় না, সাথে সাথে নিচের দিকে যেতে হয়।
মুহিত : তাই নাকি? কোন্ জায়গা?
তৌহিদ : আমাদের পুকুরটা।
সংগ্রহে : মোহাম্মদ মাহবুব আলম
মহিউসুন্নাহ, নড়িয়া, শরীয়তপুর

মাত্র ৭ রানেই আউট হয়ে গেল মিরাজ। মাথা নিচু করে প্যাভিলিয়নে ফিরে এলো ও। সেখানে বসে ছিলেন সাবেক খেলোয়াড় হাবুল। তিনি তো তেড়ে গিয়ে বললেন, কী খেলিস তুই, হ্যাঁ? একদিনও বশি রান করতে পারিস না! আমি যখন খেলতাম, প্রতিদিন আমার নামের পাশে কমসে কম একশ’ রান থাকতো, জানিস?
মিরাজ মুখে একরাশ বিরক্তি নিয়ে বলল, জানি। আর এ-ও জানি, আপনি ব্যাটসম্যান ছিলেন না, ছিলেন বোলার।
সংগ্রহে : ইরফানুল ইব্রাহীম
গভ. মুসলিম হাইস্কুল, চট্টগ্রাম

SHARE

9 COMMENTS

  1. সোনায় মোড়ানো চমৎকার এক ঝলমলে কিশোরবেলা পার হয়ে এসেছি। কি আকাঙ্খা নিয়েই না অপেক্ষার প্রহর কাটত- কখন আসবে প্রিয় কিশোরকণ্ঠ। মনে হত, এতো সুন্দর আর কোন পত্রিকা হয় না। মাঝে মাঝে লিখতাম, কিশোরকণ্ঠ কেন আমার মত একজন আনাড়ি কিশোরের লেখা ছাপত, জানি না!
    এরপর প্রচুর লেখা ছেপেছে প্রথম আলো, যুগান্তর, ইনকিলাব, সংগ্রামসহ দৈনিক, পাক্ষিক, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকাগুলোতে এবং এখনো কর্মব্যস্ততার ফাঁকে লিখি মাঝে মাঝে। কিন্তু কিশোরকণ্ঠে জীবনের প্রথম লেখা ছাপার অক্ষরে দেখে যতটা না আনন্দিত হয়েছিলাম, আর কখনও এতটা আনন্দ পাইনি।
    এখন বুঝি, এবং দেখি, কিশোর কণ্ঠ আমার মতো আনাড়ি কিশোরদের কেন স্নেহ করে লেখা ছাপে।

    লেখক তৈরির কারখানা ‘প্রিয় কিশোরকণ্ঠ’-কে আমার কৃতজ্ঞতা।

    লেখকঃ উপজেলা প্লানিং অফিসার, নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ।

  2. hey,,i m a bangladeshi,, and i m in USA now,, i was a regular customar of ur monthly book kishhor kantha. i love it
    ,,,but unfortunately, I cant read it now, cause in USA i searched ffor it many time, but coudnt find…. akhon amake plz bolben ki,, j ki vabe ami proti mash a kishor kantha pete pari,,plz? i hope u ll reply me as soon as possible.

Leave a Reply