Home ফিচার বিশ্বসেরা সমুদ্রসৈকত

বিশ্বসেরা সমুদ্রসৈকত

পৃথিবীর চারভাগের তিনভাগই পানি। এ বিশাল জলরাশি ছড়িয়ে আছে মহাসাগর, সাগর, হ্রদ, লেক আর নদ-নদীতে। সাগর-মহাসাগরের বিশাল জলরাশির তীরে আছড়ে পড়ার দৃশ্য দেখতে কার না ভালো লাগে! আর এ দৃশ্য আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে দেখে পুলকিত হই, সেই জায়গাকেই বলা হয় সমুদ্রসৈকত। বইয়ের ভাষায় বলতে গেলে সমুদ্রসৈকত বা সৈকত হচ্ছে একপ্রকার ভূতাত্ত্বিক স্থলভাগ, যা কোনো জলভাগের পাশে গড়ে ওঠে। তবে এ জলভাগ হতে হবে সমুদ্র কিংবা মহাসাগর। কোনো নদী বা হ্রদের পাশের স্থলভাগকে সৈকত বলা যায় না। এটি সাধারণত আলগা জড় পদার্থ যেমন শিলা, বালু, নুড়ি কাঁকর প্রভৃতি বস্তু দিয়ে গঠিত। কিছু ক্ষেত্রে মৃত জীবজন্তু দিয়েও সৈকত গঠিত হতে পারে। যেমন আমাদের সেন্টমার্টিনের সৈকত মৃত কোরাল দিয়ে গঠিত। সাধারণত দেখা যায় যে, যেসব স্থানে বাতাসের প্রবাহ ও মহাসাগরীয় স্রোত কার্যকর হয়, সেসব স্থানে ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সমুদ্র সৈকতের সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। কক্সবাজার সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। এখন পৃথিবীর আরো কিছু বিখ্যাত সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে জানাচ্ছেন মাহমুদ হাসান

সিয়েস দ্বীপপুঞ্জ সৈকত
বিশ্ববিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘দ্য গার্ডিয়ান’ পৃথিবীর সেরা দশটি সমুদ্রসৈকতের তালিকায় প্রথমে রেখেছে স্পেনের সিয়েস দ্বীপপুঞ্জের সৈকতের নাম। স্থানীয় ভাষায় এ দ্বীপপুঞ্জকে ‘লাস আইসল্যান্ড সিয়েস’ বলা হয়। স্পেনের উত্তর-পশ্চিমে গ্যালিসিয়ায় এ দ্বীপপুঞ্জে তিনটি দ্বীপ আছে- মন্টেগিউদো, দো ফারো ও সান মার্টিনো।
মন্টেগিউদোকে শার্প মাউন্ট কিংবা উত্তর দ্বীপও বলা হয়ে থাকে। অন্যদিকে দো ফারোকে লাইটহাউজ দ্বীপ ও দক্ষিণ দ্বীপ নামেও ডাকা হয়। মন্টেগিউদো সৈকতকে ‘মোস্ট বিউটিফুল বিচ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নাম দেয়া হয়েছিল। একসময় এসব দ্বীপে মানুষ বসবাস করতো। কিন্তু কোনো একসময় দ্বীপগুলো জলদস্যুর আক্রমণে মানবশূন্য হয়ে যায়। এরপর ১৯৮০ সালে এ দ্বীপপুঞ্জ বসতিবিহীন আদিম ন্যাশনাল পার্ক নামে সংরক্ষিত প্রকৃতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু গ্রীষ্মকালে পর্যটকদের জন্য এটি খুলে দেয়া হয়।
ফিরোজা রঙের স্ফটিক স্বচ্ছ পানি আর ধবধবে সাদা বালুকারাশি যে কাউকে টেনে আনে এ সৈকতে। তবে ১৯৯২ সাল থেকে এ সৈকতে মাছ এবং ১৯৮৮ সাল থেকে পাখি শিকার নিষিদ্ধ। প্রাকৃতিক এ সৈকতে প্রকৃতিগতভাবেই বেড়ে উঠেছে ঝোপঝাড়। কাঁটাওয়ালা চিরহরিৎ গুল্ম, খাড়া ডালওয়ালা গুল্মসহ বিভিন্ন লতা-পাতায় ঢাকা ঝোপঝাড় এ সৈকতের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। আছে ওক, ডুমুর, পাইন ও ইউক্যালিপটাস।
ট্যারোনা ন্যাশনাল ন্যাচারাল পার্ক
কলম্বিয়ার সেইন্ট মারটা শহর থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরে উত্তর ক্যারিবিয়ার অঞ্চলে অবস্থিত সংরক্ষিত সমুদ্রসৈকত এটি। সেইন্ট মারটার তুষারময় পাহাড়ি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। নানা ধরনের জীববৈচিত্র্যে ভরপুর এ পার্কের আবহাওয়াও বেশ বৈচিত্র্যময়। ক্যারিবিয়ান সাগরের সমুদ্র সীমার মধ্যে ৩০ বর্গকিলোমিটার জল এবং এর সঙ্গে ১শ ৫০ বর্গকিলোমিটার স্থলভূমি নিয়ে এ প্রাকৃতিক পার্ক।
এ পার্কে বেশকিছু পাহাড় আছে যেমন, সেইন্ট রোজ, টোভার, হুমো, আগুয়াস মুরটাস। আছে ছোট ছোট দৃষ্টিনন্দন খাল যেমন, পিয়াদ্রাস নদী, ক্যানাভেরাল, সেইন্ট রোজ, লা বুকুইটো, সিনটো। এসব খাল থেকে কুলুকুলু শব্দ তুলে সমুদ্রে পানি নেমে আসা পর্যটকদের বেশ মুগ্ধ করে। জীববৈচিত্র্যের মধ্যে আছে ১০৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, সাদা ঈগলসহ প্রায় ৩০০ প্রজাতির পাখি, ৭০ প্রজাতির বাদুড়। আছে চিতাবাঘ, কালো বানর, হরিণসহ নানা প্রজাতির বন্য প্রাণী। এছাড়া প্রায় ৩১ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৫ প্রজাতির উভচর, ২০২ প্রজাতির স্পঞ্জ, ৭০০ প্রজাতির শামুক, ১১০ প্রজাতির কোরাল ও ৪০১ প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে এখানে।

পোরতো দা বারা সৈকত
বাহিয়া প্রদেশের স্যালভেদর শহর ব্রাজিলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। সৈকতটি এ শহরকে প্রাণ দিয়েছে। স্যালভেদরের চারপাশে আরো কয়েকটি সৈকত থাকলেও পৃথিবীর পর্যটকদের আকর্ষণ মূলত এ সৈকতকে ঘিরেই। কারণ এ সৈকতের পানি আর দশটা সৈকতের মতো অশান্ত নয়, যা সাঁতার কাটার জন্য ভালো।
পোরতো দা বারা ছাড়াও স্যালভেদরের চারপাশে আরো যেসব সৈকত আছে সেগুলো হচ্ছে ফারোল দা বারা, পিয়াটা, স্টেলা ম্যারিস ও ফ্লামেঙ্গো। ফ্লামেঙ্গোও চমৎকার এক সৈকত। সারি সারি পামগাছ সৈকতটির প্রধান সৌন্দর্য।

নাংভি সৈকত
তানজানিয়ার জানজিবার রাজ্যের এক ছোট্ট গ্রাম নাংভি। জেলেদের এ গ্রামটিই বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। এক সময় এ দ্বীপটি নৌকা বানানোর স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৬০ পর্যন্ত এখানকার স্থানীয়রা পর্যটকদের একদম সহ্য করতে পারতো না। বলতে গেলে ভ্রমণের জন্য এ গ্রামটি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে নানা পরিবর্তনের ফলে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন সারা বছর এই দ্বীপে পর্যটকদের ভীড় লেগে থাকে।
ইন্দ্রনীল জলরাশি, সাদা বালুকারাশি এবং কোরাল দিয়ে মোড়ানো এ দ্বীপ সবার খুব প্রিয়। এখানকার সমুদ্র একেবারে শান্ত। এখানে বসবাস করে হাজার হাজার সামুদ্রিক প্রাণী। আর আকর্ষণীয় বিষয়গুলোর অন্যতম হচ্ছে এখানকার লাইটহাউজের কাছে একটি অ্যাকুরিয়াম আছে। অ্যাকুরিয়ামটা ঠিক আমাদের ঘরে রাখা অ্যাকুরিয়ামের মতো না। এটা বৃহৎ আকৃতির একটা পুকুর। এখানে নানা প্রজাতির কচ্ছপ লালন করা হয়। একটু বড় হলে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় সমুদ্রে। আর এ অ্যাকুরিয়াম দেখতে হলে খরচ করতে হবে প্রত্যেককে পাঁচ ডলার করে। এখানে পর্যটকরা স্থানীয় আদিবাসী মাসাইদের হাতে বানানো বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে থাকে।

পালওয়ান সৈকত
ফিলিপাইনের একটি চমৎকার দৃষ্টিনন্দন দ্বীপরাজ্যের নাম পালওয়ান। এ দ্বীপের চারপাশে যে সৈকত আছে ‘দ্য গার্ডিয়ান’ ম্যাগাজিনের সেরা সৈকতের তালিকায় তার অবস্থান চতুর্থ। একদিকে দক্ষিণ চীন সাগর অন্যদিকে সুলু সাগর। মাঝখানে ফিলিপাইনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ। এ দ্বীপের উত্তরে মিনডোরো দ্বীপ আর দক্ষিণে বর্নিও। ৪৫০ কিলোমিটার লম্বা ও ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত দ্বীপটির চারপাশে আরো বেশকিছু ছোট ছোট দ্বীপ আছে। প্রস্তর শিলায় মোড়া এ দ্বীপ আর চিনির মতো ঝকঝকে বালুকারাশির সৈকত পর্যটকদের ডেকে আনে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এ অঞ্চলে। এছাড়া এখানে আছে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল যা পাহাড়ের গায়ে গালিচার মতো লেগে আছে। এ দ্বীপের পাহাড়ের গড় উচ্চতা ৩৫০০ ফুট। আর সবচেয়ে উঁচু পর্বত ‘মাউন্ট ম্যান্টালিঙ্গাহান’-এর উচ্চতা ৬৮৪৩ ফুট। সৈকতে সময় কাটানোর পাশাপাশি পর্যটকরা এখানে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ঘুরে দেখা, উপত্যকা আর পাহাড়ের গা বেয়ে ওঠার স্বাদ নিতে পারেন। আর এ কারণেই পালওয়ান সৈকত পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সৈকতগুলোর মধ্যে একটি।

আরামবল সৈকত
পশ্চিম ভারতে আরব সাগরের তীরে ভারতের সবচেয়ে ছোট প্রদেশ গোয়ায় অবস্থিত এ সৈকতে যেতে ডারবোলিম বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে ২ ঘণ্টা ভ্রমণ করতে হবে। প্রতিবছর নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত শীতকালে এ সৈকতে প্রচুর দেশী-বিদেশী পর্যটক ভীড় করেন।
মূল সৈকত থেকে উত্তর দিকে একটু হেঁটে গেলে একটা ছোট সৈকত এবং সমুদ্রের সঙ্গে একটি মিষ্টি পানির লেক আছে। এ লেকের পানি ঠিক পুরোপুরি মিষ্টি না, লোনা পানি ও মিষ্টি পানির মিশ্রণ বলা যেতে পারে। দীর্ঘ সৈকতে বালু ও কঠিন শিলা উভয়ের দেখা মেলে। এছাড়া এখানে চমৎকার একটি অন্তরীপ আছে যেখানে উঠে পর্যটকরা নজরকাড়া দৃশ্য অবলোকন করতে পারেন। আরামবল সৈকত ছাড়াও এখানে আরো দু’টি ছোট সৈকত আছে-ভ্যাগাটর ও পালোলেম।

স্টুডল্যান্ড সৈকত
স্টুডল্যান্ড এক ছোট্ট গ্রামের নাম। অবস্থান ইংলিশ কাউন্টি ডরেস্টের পুরবেক দ্বীপে। গ্রামটি ছোট হলেও বিশ্বের মানুষ এর নাম জানে এখানকার চমৎকার তিনটি সৈকত আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য। তিনটি সৈকতের নাম- দক্ষিণ সৈকত, মধ্য সৈকত ও কেনল সৈকত। ডরেস্টের সোয়ানেইজ শহর থেকে আট কিলোমিটার দক্ষিণে এ গ্রামের অবস্থান। ২০০১ সালের হিসাব অনুযায়ী এ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ৪৮০ জন। বর্তমানে এ সংখ্যা পরতির দিকে। গত পঞ্চাশ বছরের তুলনায় এ সংখ্যা সবচেয়ে কম। স্থানীয় বাসিন্দার সংখ্যা এভাবে কমার কারণ, এখানকার জায়গা-জমি সব কিনে নিয়ে গড়ে উঠেছে হোটেল, রেস্তোরাঁ অথবা অবকাশ যাপন কেন্দ্র।
সোয়ানেইজ উপসাগরের কূলভাঙ্গা ঢেউ আর ঝড় থেকে এ গ্রামকে সুরক্ষা দেয় বেশকিছু শিলাখণ্ড। এসব শিলাখণ্ডকে একত্রে বলা হয় ‘ওল্ড হ্যারি রক্স।
স্টুডল্যান্ড গ্রামটি পাখি দর্শনের জন্য বেশ জনপ্রিয়। স্টুডল্যান্ড উপসাগর বিরল একধরনের ডুবুরি পাখির জন্য বিখ্যাত। এছাড়া এখানে দেখা মেলে র্ডাটর্ফোড নামক এক গায়ক পাখির। ব্রিটিশ দ্বীপগুলোর মধ্যে এ গ্রামই একমাত্র জায়গা যেখানে প্রাচীন ছয় প্রজাতির সরীসৃপের সবগুলোর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এছাড়া স্টুডল্যান্ড উপসাগর সারা বিশ্বে সি-হর্স মাছের জন্য বিখ্যাত।

হোয়াইটহ্যাভেন সৈকত
অস্ট্রেলিয়ায় কয়েক ডজন সৈকত থাকলেও সেদেশের পোস্টকার্ড, পোস্টার, লিফলেট, ভিউকার্ডসহ সব জায়গায় একক দখলদারিত্ব হোয়াইটহ্যাভেন সৈকতের ছবির। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের হোয়াইটসানডে দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত সাত কিলোমিটার লম্বা এ সৈকত ২০০৮ সালে সে দেশের সবচেয়ে পরিষ্কার ও সুন্দর সৈকত হিসাবে পুরস্কৃত হয়। ২০১০ সালে সিএনএন এর নাম দেয় ‘ইকো ফ্রেন্ডলি বিচ’। এ সৈকতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর বালু একেবারেই সাদা ঝকঝকে। কারণ এ বালুতে খাঁটি সিলিকার পরিমাণ ৯৮ ভাগ। মজার বিষয় হলো এখানকার স্থানীয় শিলায় সিলিকার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। এখন  মনে প্রশ্ন জাগে, তাহলে বালুতে এতো সিলিকা এলো কোথা থেকে? ধারণা করা হয়, লাখ লাখ বছর ধরে সমুদ্র স্রোত এ বালু বয়ে নিয়ে এসেছে অন্য কোথাও থেকে।
কোপাকাবানা সৈকত
ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর কোপাকাবানা সৈকতটি ইংরেজি নববর্ষ বরণের জন্য বিখ্যাত। এ সৈকতে ১ জানুয়ারি লাখ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। চার কিলোমিটার বিস্তীর্ণ এ সৈকত লাইফগার্ডের ২ নম্বর ওয়াচ টাওয়ার থেকে শুরু হয়ে শেষ হয়েছে এক নম্বর টাওয়ারে। এখানে কয়েকটি ঐতিহাসিক দুর্গ আছে। এর মধ্যে সৈকতের দক্ষিণ প্রান্তের ফোর্ট কোপাকাবানা নামের দুর্গটি তৈরি হয়েছিল ১৯১৪ সালে। আর উত্তর প্রান্তের ফোর্ট ডুগিউ ডি ক্যাসিয়াস তৈরি হয়েছিল ১৭৭৯ সালে।
এ সৈকত তথা এ এলাকার নাম কিন্তু আগে কোপাকাবানা ছিল না। ১৮শ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর নাম ছিল সাকোপিনাপা।
বলিভিয়ার দেবী কোপাকাবানার আকৃতিতে ১৮৯২ সালে মূর্তি ও গির্জা নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে এই শহরের নাম হয়ে যায় কোপাকাবানা।
রিও ডি জেনিরোর পর্যটন দপ্তর সূত্রমতে, বর্তমানে ৬৩টি হোটেল এবং ১০টি হোস্টেল আছে।
এ ছাড়া এ সৈকত ফিফা বিচ ফুটবল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ভেন্যু হিসাবে নির্ধারিত।
ওয়াকিকি সৈকত
এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকা মহাদেশের মাঝামাঝি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের নীল জলরাশির মাঝখানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ। এ দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম দ্বীপ হলো হুয়াই। দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে হনুলুলু শহরের কাছে অবস্থিত বিশ্বের জনপ্রিয় সৈকতগুলো। এর মধ্যে অন্যতম হলো ওয়াকিকি সৈকত। এর উত্তর ও পশ্চিম পাশে আলা ওয়াই ক্যানেল। পূর্ব পাশে হারবার। সৈকত থেকে মহাসাগরের বেশকিছু দূর পর্যন্ত পানি একেবারে অগভীর। এ অগভীর পানির নিচে আছে প্রচুর শিলা। এজন্য এর পানি অনেক ঝকঝকে পরিষ্কার। পানির ঢেউ আর ফেনাও আসে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে। বর্তমানে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পর্যটন শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু এ সৈকত।

SHARE

Leave a Reply