Home খেলার চমক স্বপ্ন ছুঁয়েছে ভারত

স্বপ্ন ছুঁয়েছে ভারত

বার বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। গত চারটি আসর ধরে তারা অন্যতম ফেভারিট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছিল। কিন্তু কিভাবে যেন শিরোপা ফসকে যাচ্ছিল। এবার আর ভুল হয়নি। বিশ্বকাপ শিরোপা তারা হাতে নিয়েছে। ২৮ বছর পর আবার তারা ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সম্মানজনক স্থানে উঠলো। প্রথমবারের মতো স্বাগতিক দেশ হিসেবেও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
গত ২ এপ্রিল মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তারা শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করেছিল শ্রীলঙ্কা। মাহেলা জয়াবর্ধনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে তারা এই স্কোর করেছিল। তার পর ভারতীয় ইনিংসের সূচনাতে লাসিথ মালিঙ্গা বীরেন্দ্র সেহবাগ আর শচিন টেন্ডুলকারকে ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন। কিন্তু গৌতম গম্ভীর, বিরাট কোহলি এবং সবশেষে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও যুবরাজ সিং অটল হিমালয়ের মতো প্রতিরোধ গড়েন। বিশ্বকাপ জয় করতে উদ্দীপ্ত ভারতের রক্ষণভাগে আর ফাটল ধরাতে পারেননি শ্রীলঙ্কার কোনো বোলারই। গম্ভীরের ৯৭ আর ধোনির অপরাজিত ৯১ রানের কাছে ম্লান হয়ে পড়ে জয়াবর্ধনের ১০৩ রান। শিরোপা ওঠে ধোনির হাতে। ধোনিই হন ম্যান অব দ্য ফাইনাল।
১৯ ফেব্র“য়ারি ঢাকায় উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে যে উৎসবের শুরু হয়েছিল তার শেষ হলো মুম্বাইয়ের ফাইনাল দিয়ে। মাঝে অসংখ্য ঘটনা, দুর্ঘটনা, হাসি-কান্নার স্মৃতি রেখে যায়।

অবশেষে টেন্ডুলকারের স্বপ্নপূরণ
অবশেষে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো ক্রিকেটের বিস্ময়-বালক শচিন টেন্ডুলকারের। ফাইনালে না পারলেও পুরো টুর্নামেন্টেই ভালো খেলেছেন এই মাস্টার ব্যাটসম্যান। খেলা দেখে মনেই হয়নি তার বয়স ৩৭ হয়ে গেছে। একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে দুই হাজার রান করা টেন্ডুলকার এই বিশ্বকাপেও করেছেন ২টি সেঞ্চুরি। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০১১ বিশ্বকাপে ভারতের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ৮টি ছক্কা মেরেছেন টেন্ডুলকারই। ৫৩.৫৫ গড়ে রান করেছেন ৪৮২। এখনো অবসর গ্রহণের কথা বলেননি। তবে আগামী বিশ্বকাপে তাকে না দেখা যাওয়ার আশঙ্কাই বেশি। তাই এবার বিশ্বকাপ জয় করতে না পারলে তার জীবনের একটা বড় অতৃপ্তি থাকতে পারতো। কিন্তু তিনি তার সবচেয়ে বড় স্বপ্নটিই পূরণ করতে পেরেছেন। বিশ্বকাপের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভারতের সব খেলোয়াড় বলে আসছিল, তারা টেন্ডুলকারের জন্যই বিশ্বকাপ জয় করতে চায়। তারা শেষ পর্যন্ত তাদের সেরা খেলোয়াড়কে ওই সম্মানটিতে ভূষিত করতে পেরেছেন।

যুবরাজের শ্রেষ্ঠত্ব


এবারের বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের যুবরাজ সিং। ব্যাট ও বল হাতে নজিরবিহীন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন তিনি। তাকে ছাড়া অন্য কাউকে এই পুরস্কারটির জন্য ভাবাও যায় না। ব্যাট হাতে ৩০০ রান, বল হাতে ১৫ উইকেট! বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন পারফরম্যান্স এই প্রথম। সেটি মূলত উইকেট পাওয়ার দিক থেকে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের নিল জনসন ৩৬৭ রান ও ১২ উইকেট পেয়েছিলেন। ২০০৩ বিশ্বকাপে সনাৎ জয়াসুরিয়ার নামের পাশে ছিল ৩২১ রান ও ১০ উইকেট। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে কপিল দেবও কম যাননি। ৩০৩ রান ও ১২ উইকেট। ওয়ানডের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, অলরাউন্ড নৈপুণ্যে অনেক এগিয়ে আছেন অস্ট্রেলিয়ার গ্রেগ চ্যাপেল – ১৯৮০-৮১ বিশ্ব সিরিজ কাপে ৬৮৬ রান এবং ২২ উইকেট! ওই বিশ্ব সিরিজ কাপের পরের মৌসুমে ভিভ রিচার্ডস জ্বলে ওঠেন। ৫৩৬ রান ও ১১ উইকেট। বছর দুয়েক পর একই টুর্নামেন্টে আবার ভিভ রিচার্ডস। এবার ৬৫১ রান, ১৩ উইকেট। বাংলাদেশের পক্ষে অলরাউন্ড নৈপুণ্যের রেকর্ডটি অধিনায়ক সাকিব আল হাসানেরÑ গত বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৩ রান ও ১১ উইকেট।

আইসিসি’র দলে নেই ধোনি
মহেন্দ্র ধোনির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বকাপ জয় করেছে। ফাইনালে তার অপরাজিত ৯১ রান তাকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের সম্মান এনে দিয়েছে। অথচ বিশ্বকাপের সেরা পারফর্মারদের নিয়ে গড়া আইসিসি’র দলে ধোনি নেই। আইসিসি’র পাঁচ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের গড়া দলটিতে সবচেয়ে বেশি চারজন শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড় স্থান পেয়েছেন। তিনজন নিয়ে তারপরেই ভারতীয়দের অবস্থান। দক্ষিণ আফ্রিকার আছেন দু’জন। অস্ট্রেলিয়া আর পাকিস্তানের একজন করে। দলটির দ্বাদশ ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডের। অধিনায়ক করা হয়েছে শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারাকে।


ওই দলে ওপেনার হিসেবে আছেন শচিন টেন্ডুলকার আর তিলকরত্নে দিলশান। ফাইনালে ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে না পারলেও দুটো করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ৪৮২ রান নিয়ে টেন্ডুলকার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ঠিক ৫০০ রান নিয়ে দিলশান (তারও দু’টি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটি) আছেন সবার ওপরে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দুই ব্যাটসম্যান এই দলটির ওপেনারের দায়িত্বে। ব্যাটিং অর্ডার অনুযায়ী তিন নম্বরে কুমার সাঙ্গাকারা। শ্রীলঙ্কার অধিনায়কের কাঁধে শুধু উইকেটরক্ষণই নয়, দলটির নেতৃত্বেরও গুরুভার। সাঙ্গাকারার পর চার নম্বরে ব্যাট করতে নামবেন টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান (একটি সেঞ্চুরি ও তিন ফিফটিতে ৪৬৫) করা আরেক শ্রীলঙ্কান মাহেলা জয়াবর্ধনে। ফাইনালের আগে তেমন জ্বলে উঠতে না পারলেও টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে ৮৮ বলে অপরাজিত ১০৩ রানের কারণে জয়াবর্ধনেকে উপেক্ষা করা সম্ভব হয়নি প্যানেলের। এরপর এবি ডি ভিলিয়ার্স। তার দল দক্ষিণ আফ্রিকা যথারীতি ফেভারিটের মর্যাদা নিয়ে আবারও ব্যর্থ। তবে এই বিশ্বকাপে ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটিং অবশ্যই প্রোটিয়াদের বড় প্রাপ্তি। ইনজুরির জন্য দুই ম্যাচ খেলতে পারেননি। দলের বাকি ৫ ম্যাচে দু’টি সেঞ্চুরিসহ তার রান ৩৫৩। ছয় নম্বরে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত যুবরাজ সিং। একটি সেঞ্চুরি ও চারটি ফিফটিতে ৩৬২ রান করা এবং বাঁহাতি স্পিনে ১৫ উইকেট নেয়া ‘যুবি’ নিঃসন্দেহে টুর্নামেন্টের সেরা অলরাউন্ডার। শেন ওয়াটসন অবশ্য বল হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি। তবে ব্যাটসম্যান হিসেবে সাফল্য পাওয়ায় (২৯০ রান) এই অস্ট্রেলীয় অলরাউন্ডার জায়গা করে নিয়েছেন আইসিসি’র বিশ্বকাপ দলে, তবে ওপেনারের ভূমিকায় নয়- সাতে।
পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান শহীদ আফ্রিদিরও ভালো কাটেনি। কিন্তু বোলার হিসেবে দারুণ সফল পাকিস্তান অধিনায়ক। মাত্র ১২.৮৫ গড়ে টুর্নামেন্ট- সর্বোচ্চ ২১ উইকেট নেয়া আফ্রিদিও আছেন এই দলে। ১৮.৭৬ গড়ে জহির খানেরও ২১ উইকেট। ভারতের অভিজ্ঞতম পেসারও এই বিশ্বকাপের সেরা দলে জায়গা করে নিয়েছেন। নতুন বলে জহিরের সঙ্গী ডেল স্টেইন। ৬ ম্যাচে মাত্র ১২ উইকেট; কিন্তু গড় (১৬), ইকোনমি রেট (৪.১৫) এবং তীব্রগতির কারণে অনেকের মতেই বিশ্বের দ্রুততম বোলারকে দলে রাখতে দ্বিধা করেনি বিশেষজ্ঞ প্যানেল। সবশেষে মুত্তিয়া মুরালিধরন। জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও সর্বকালের সেরা অফস্পিনারের দারুণ পারফরম্যান্স। ১৫টির বেশি উইকেট না পেলেও মুরালির গড় (১৯.৪) ও ইকোনমি রেট (৪.০৯) দুটোই বেশ ভালো। দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন টিম সাউদি। আফ্রিদি-জহিরের পর সবচেয়ে বেশি (১৮টি) উইকেট তারই। জীবনের প্রথম বিশ্বকাপেই এমন সম্মান পেয়ে নিউজিল্যান্ডের তরুণ পেসার নিশ্চয়ই গর্বিত। দল – শচিন টেন্ডুলকার (ভারত), তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা), কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা, উইকেটরক্ষক ও অধিনায়ক), মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা), এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা), যুবরাজ সিং (ভারত), শেন ওয়াটসন (অস্ট্রেলিয়া), শহীদ আফ্রিদি (পাকিস্তান), ডেল স্টেইন (দক্ষিণ আফ্রিকা), জহির খান (ভারত), মুত্তিয়া মুরালিধরন (শ্রীলঙ্কা), দ্বাদশ খেলোয়াড় : টিম সাউদি (নিউজিল্যান্ড)।

বিদায়টা সুখকর হলো না মুরালিধরনের
আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন বিশ্বকাপই তার শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। সেই হিসেবে ২ এপ্রিলই শেষ হয়ে গেল টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক উইকেট (টেস্টে ৮০০ ও ওয়ানডেতে ৫৩৪) শিকারি মুত্তিয়া মুরালিধরনের ক্যারিয়ার। আশা করেছিলেন দলকে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা পাইয়ে দিয়ে স্বপ্নিল বিদায় নেবেন। কিন্তু তা হলো না। ‘সব ভালো যার শেষ ভালো’ প্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে জ্বলে উঠতে পারেননি তিনি। ফাইনালে ৮ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে একটিও উইকেট পাননি। তার মতো বিশ্বসেরা অফ-স্পিনারের জন্য এটা অবিশ্বাস্য। অবশ্য ম্যাচের আগে তিনি পুরো সুস্থও ছিলেন না। হ্যামস্ট্রিং, হাঁটু, কুঁচকির ইনজুরিতে ছিলেন। তবে বাজে পারফরম্যান্সের জন্য ইনজুরিকে দায়ী করেননি। অসংখ্য ম্যাচের মহানায়কের এমন বিদায় কেউ আশা করেনি।

দেখা হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে
পরবর্তী বিশ্বকাপ হবে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালের দিনেই শেষ হতে না হতেই আগামী আসরের লোগো উন্মোচিত হয়েছে। যৌথ আয়োজক অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতি ও আদিবাসীদের জীবনাচরণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই লোগোতে। নির্মাতা ফিউচার ব্র্যান্ড নামের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অস্ট্রেলিয়ান শাখা। পরের বিশ্বকাপ অবশ্য কিছুটা ছোট হবে। এবারের ১৪ দলের পরিবর্তে পরবর্তী দু’টি বিশ্বকাপে ১০ দলের মধ্যে লড়াই হবে। ২০১৫ সালের আসর অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। আর ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজন করবে ইংল্যান্ড।

বাংলাদেশের জন্যও স্মরণীয়
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৫৮ ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৮ রানে অল আউট হওয়া বাংলাদেশকে লজ্জায় ফেলেছে। কিন্তু তারপরও এবারের আসরে বাংলাদেশের ভালো কিছু অর্জন রয়েছে। বিশেষ করে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করা বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয় সাফল্য। এবারের আসরের সবচেয়ে চমক সৃষ্টিকারী আয়ারল্যান্ডকেও হারিয়েছে বাংলাদেশ। হারিয়েছে নেদারল্যান্ডসকে। এক আসরে এবারই সর্বাধিক তিনটি জয় পেয়েছে বাংলাদেশে। সবচেয়ে বড় কথা আগামীর জন্য সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে টাইগাররা। বাংলাদেশ যেকোনো দিন এগিয়ে যেতে পারে আবার যে কাউকে গুঁড়িয়ে দিতেও পারে।

একনজরে বিশ্বকাপ ২০১১

  • মোট ম্যাচ : ৪৯
  • ভারতে : ২৯
  • শ্রীলঙ্কায় : ৮
  • বাংলাদেশে : ৮
  • মোট বাউন্ডারি : ১৯০৩
  • মোট ওভার বাউন্ডারি : ২৫৮
  • সেঞ্চুরি : ২৪
  • ইনিংসে ৪ উইকেট বা তার চেয়ে বেশি : ৩৪
  • সেঞ্চুরি জুটি : ৩৮
  • সর্বাধিক সেঞ্চুরি : দু’টি করে শচিন টেন্ডুলকার, তিলকরত্নে দিলশান, এ বি ডি ভিলিয়ার্স, রেন টেন ডেশাটে, মাহেলা জয়াবর্ধনে ও উপুল থারাঙ্গা।

সর্বোচ্চ রান
ব্যাটসম্যান    দেশ    ম্যাচ    রান    সর্বোচ্চ    গড়    ১০০/৫০
দিলশান        শ্রীলঙ্কা    ৯      ৫০০    ১৪৪     ৬২.৫০    ২/২
টেন্ডুলকার    ভারত    ৯    ৪৮২       ১২০    ৫৩.৫৬    ২/২
সাঙ্গাকারা     শ্রীলঙ্কা    ৯    ৪৬৫       ১১১     ৯৩.০০    ১/৩
ট্রট             ইংল্যান্ড    ৭    ৪২২       ৯২        ৬০.২৮    ০/৫
থারাঙ্গা          শ্রীলঙ্কা    ৯    ৩৯৫      ১৩৩    ৫৬.৪২    ২/১
সর্বোচ্চ উইকেট
বোলার                 দেশ           ম্যাচ    উইকেট    সেরা         গড়           ইকো.
আফ্রিদি           পাকিস্তান           ৮           ২১       ৫/১৬      ১২.৮৫       ৩.৬২
জহির                  ভারত             ৯           ২১        ৩/২০     ১৮.৭৬      ৪.৮৩
সাউদি            নিউজিল্যান্ড        ৮           ১৮       ৩/১৩      ১৭.৩৩     ৪.৩১
পিটারসন        দ. আফ্রিকা        ৭           ১৫       ৪/১২       ১৫.৮৬      ৪.২৫
মুরালিধরন           শ্রীলঙ্কা           ৯           ১৫       ৪/২৫       ১৯.৪০       ৪.০৯
সর্বাধিক বাউন্ডারি
তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা) ৬১ (৯ ম্যাচ)
শচিন টেন্ডুলকার (ভারত) ৫২ (৯ ম্যাচ)
উপুল থারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা) ৫২ (৯ ম্যাচ)
কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা) ৪৪ (৯ ম্যাচ)
ব্র্যাড হ্যাডিন (অস্ট্রেলিয়া) ৪০ (৭ ম্যাচ)
সর্বাধিক ছক্কা
রস টেলর (নিউজিল্যান্ড) ১৪ (৮ ম্যাচ)
কিয়েরন পোলার্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ১১ (৭ ম্যাচ)
কেভিন ও’ব্রায়েন (আয়ারল্যান্ড) ৯ (৬ ম্যাচ)
শচিন টেন্ডুলকার (ভারত) ৮ (৯ ম্যাচ)
এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) ৭ (৫ ম্যাচ)
সেরা ইনিংস
১৭৫ (১৪০ বলে) বীরেন্দর সেহবাগ, বিপক্ষ বাংলাদেশ
১৫৮ (১৪৫ বলে) অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, বিপক্ষ ভারত
১৪৪ (১৩১ বল) তিলকরত্নে দিলশান, বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে
১৩৪ (৯৮ বলে) এবি ডি ভিলিয়ার্স, বিপক্ষ নেদারল্যান্ডস
১৩৩ (১৪১ বলে) উপুল থারাঙ্গা, বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে
সেরা বোলিং
৮.৩-০-২৭-৬ কেমার রোচ, বিপক্ষ নেদারল্যান্ডস
৭.৪-০-৩৮-৬ লাসিথ মালিঙ্গা, বিপক্ষ কেনিয়া
৮-৩-১৬-৫ শহীদ আফ্রিদি, বিপক্ষ কেনিয়া
১০-০-২৩-৫ শহীদ আফ্রিদি, বিপক্ষ কানাডা
১০-০-৩১-৫ যুবরাজ সিং, বিপক্ষ আয়ারল্যান্ড
হ্যাটট্রিক
কেমার রোচ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), বিপক্ষ নেদারল্যান্ডস
লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), বিপক্ষ কেনিয়া
সর্বাধিক ডিসমিসাল (উইকেটকিপার)
কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা) : ১৪ (৯ ম্যাচ)
ব্র্যাড হ্যাডিন (অস্ট্রেলিয়া) : ১৩ (৭ ম্যাচ)
কামরান আকমল (পাকিস্তান) : ১২ (৮ ম্যাচ)
ম্যাট প্রায়র (ইংল্যান্ড) : ১০ (৬ ম্যাচ)
মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত) : ১০ (৯ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস
৩৭০/৪ ভারত বিপক্ষ বাংলাদেশ ঢাকা ১৯ ফেব্রুয়ারী
৩৫৮/৬ নিউজিল্যান্ড বিপক্ষ কানাডা মুম্বাই ১২ মার্চ
৩৫১/৫ দ. আফ্রিকা বিপক্ষ নেদারল্যান্ডস মোহালি ৩ মার্চ
৩৩৮/১০ ভারত বিপক্ষ ইংল্যান্ড ব্যাঙ্গালোর ২৭ ফেব্র“য়ারি
৩৩৮/৮ ইংল্যান্ড বিপক্ষ ভারত ব্যাঙ্গালোর ২৭ ফেব্রুয়ারী
সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংস
৫৮/১০ বাংলাদেশ বিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঢাকা ৪ মার্চ
৬৯/১০ কেনিয়া বিপক্ষ নিউজিল্যান্ড চেন্নাই ২০ ফেব্রুয়ারী
৭৮/১০ বাংলাদেশ বিপক্ষ দ. আফ্রিকা ঢাকা ১৯ মার্চ
১১২/১০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিপক্ষ পাকিস্তান ঢাকা ২৩ মার্চ
১১২/১০ কেনিয়া বিপক্ষ পাকিস্তান হাম্বানটোটা ২৩ ফেব্রুয়ারী

SHARE

Leave a Reply