Home নিয়মিত খোলা-ডাক খো লা ডা ক

খো লা ডা ক

জ্ঞান-সমুদ্র
বর্তমান সময়ে ইসলামের আলোকে সাজানো পত্রিকা পাওয়া দুর্লভ। তার চেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, যা প্রচলিত পত্রিকা আছে তা শিশু-কিশোরদের অনুপযোগী। শিক্ষার্থীরা সেগুলো দিয়ে মনের তৃষ্ণা মিটাতে পারছে না। আজকের সময়ে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোতে ইসলাম বিষয়ে গল্প-প্রবন্ধ নেই বললেও চলে। সেগুলোতে কিশোরদের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং তাদের লেখা প্রকাশ করার সুযোগ নেই। কিন্তু এই অসংখ্য পত্রিকাগুলোর মধ্য একটি পত্রিকা কেবল ব্যতিক্রম। যার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে অপেক্ষার প্রহর গুনে। সেটা হলো সবার প্রিয় ‘কিশোরকণ্ঠ’। তাইতো সেটা হাতে পাওয়ার পর সকলের মন আনন্দে নেচে উঠে কেবল একটি গান জপে-
‘কিশোরকণ্ঠ পড়বো, জীবনটাকে গড়বো।’
সাইফুল ইসলাম, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম

খুঁজে বেড়াই
নতুন কিশোরকণ্ঠ আমার সবচেয়ে প্রিয় পত্রিকা। আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি। অনেক কিছু জেনেছি। কখন আমার হাতে নতুন কিশোরকণ্ঠ আসবে, সেই অপেক্ষায় থাকি। নতুন কিশোরকণ্ঠ থেকে নতুন অনেক তথ্য পাওয়া যায়। কুরআনের আলো, হাদিসের আলো পড়ে কুরআন-হাদিসের অনেক কিছু জানার সুযোগ হয়। গল্প পড়ে নানা বিষয়ে শিক্ষা নিয়ে থাকি। স্বপ্নমুখর জীবন পড়ে ক্যারিয়ারের উন্নতি সাধনে প্রয়াস চালাতে অনুপ্রাণিত হই। দেশ-মহাদেশ পড়ে প্রতি মাসে একটি দেশ সম্পর্কে অবগত হতে পারি। খেলার চমক পড়ে অনেক খেলা এবং খেলোয়াড় চিনতে পারি। বিজ্ঞান ও বিশ্ব পড়ে বিজ্ঞানের আবিষ্কার জানার সুযোগ হয়। স্বাস্থ্যপাতা পড়ে স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতন হতে অনুপ্রাণিত হই। চলো প্রোগ্রামিং শিখি ও শিক্ষাপাতা পড়ে শিক্ষার জগৎ আরো সম্প্রসারিত করতে পারি। ছড়া-কবিতা নিয়ে আর কী বলব! অনেক আনন্দ ও শিক্ষা গ্রহণ করি। সেজন্য নতুন কিশোরকণ্ঠের জন্য অপেক্ষা করে থাকি। সবসময় খুঁজে বেড়াই। নতুন কিশোরকণ্ঠের সাফল্য কামনা করছি।
সাদিকুর রাহমান কামরান , বানীগ্রাম, গাছবাড়ী, কানাইঘাট, সিলেট

অনন্ত কাল ধরে
কেন জানি না কিশোরকণ্ঠ শব্দটি কানে বাজতেই ফিরে চলে যাই সেই চাঞ্চল্য আনন্দমুখর দুরন্ত শৈশবের দিনগুলোতে। মনে পড়ে কিশোরকণ্ঠের সাথে পরিচিত হয়ে ছিলাম সেই ২০০৭ এর দিকে। তারপর থেকে প্রতি মাসের শুরুতে কিশোরকণ্ঠ হাতে না পেলে মনটা কেমন যেন উদাস উদাস হয়ে যেত। অপেক্ষার পর যখন হাতে পেতাম মহা আনন্দে একে একে মন দিয়ে পড়ে ফেলতাম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। কিশোর উপন্যাস গল্প কবিতা আর প্রতিটি বিভাগই ছিল আমার মন কাড়ার মতো। কিশোরকণ্ঠ কিশোরকণ্ঠই! যার কোনো তুলনা হয় না। কর্মব্যস্ততার কারণে ২০১৪ থেকে আর দেখা হয়নি আমার প্রাণপ্রিয় পত্রিকা কিশোরকণ্ঠের সাথে। আর আজ আটটি বছর পর আবার হাতে পেলাম জুন ২০২২ সংখ্যাটি। সেই ছেলেবেলার মতো মন দিয়ে পড়ে ফেললাম প্রতিটি বিভাগ। জীবনের প্রয়োজনে আমরা বদলে গেলেও বদলে যায়নি স্মতিময় সেই কিশোরকণ্ঠ। এখনো ভালোবাসায় পরিপূর্ণ আছে সেই শৈশবের মতো। কিশোরকণ্ঠ তুমি আছো আমার অন্তরের গভীরে মনের সমস্ত আঙিনা জুড়ে। আর থাকবে প্রতিটি পাঠকের মনের মাঝে অনন্ত কাল ধরে।
আল আমিন ইসলাম রিপন, বিশ্বাস বাজার, গড়িয়ালা, ঝিনাইদহ

প্রিয় বন্ধু
আমি যখন ক্লাস টুতে পড়তাম তখন থেকে দেখতাম আমার প্রিয় বন্ধু সাকিব কিশোরকণ্ঠ নামে একটি বই পড়ছে। আমি তাকে বললাম বন্ধু এটা কী পড়ছ? সে বলল কিশোরকণ্ঠ। আমি তখন তার থেকে বইটি নিলাম এবং পড়লাম। বইয়ের গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ এত সুন্দর যে কিশোরকণ্ঠ আমার আস্তে আস্তে মন কেড়ে নিয়েছে। কিশোরকণ্ঠের মাধ্যমে অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায়। কিশোরকণ্ঠ আমার আরেক প্রিয় বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। আমার প্রিয় বন্ধু সাকিবের জন্য জানতে পেরেছি কিশোরকণ্ঠ নামে এমন যে সুন্দর একটা বই আছে। সাকিব না থাকলে মনে হয় আমি জানতে পারতাম না। কিশোরকণ্ঠ অনেক দূরে এগিয়ে যাক এবং সবার প্রিয় বন্ধুতে পরিণত হোক এই দোয়া করছি।
আব্দুল্লাহ আল মাশরুফ, মাতুয়াইল, ডেমরা ঢাকা

ভালোবাসার নাম
কিশোরকণ্ঠ আমার একটি স্বপ্ন ও ভালোবাসার নাম। প্রিয় পত্রিকার সব কয়টি বিভাগই আমার কাছে ভালো লাগার। যেমন কোরআন হাদিসের আলো, ইসলামিক গল্পগুলো, হাসির বাকসো, অনুশীলনসহ সব বিভাগই। আর প্রতি মাসে নিত্যনতুন সাজে ঝকঝকে নতুন প্রচ্ছদের তো তুলনাই হয় না। একটি মাস অপেক্ষার পর নতুন প্রচ্ছদ দেখলেই মনটা ভরে যায়। ভুলে যায় এক মাস অপেক্ষার কষ্টগুলো। এভাবেই ভালেবাসার প্রিয় পত্রিকা হিসেবে কিশোরকণ্ঠ আমাদের মাঝে অনন্তকাল বেঁচে থাকুক। এই প্রত্যাশাই রইলো।
ফারুক আল ফাহাদ, সাগরিয়া, হাতিয়া, নোয়াখালী

মনের মণিকোঠায় কিশোরকণ্ঠ
কিশোরকণ্ঠ কিশোরদের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে। কিশোরকণ্ঠের পাঠকদের অধিকাংশই শিশু-কিশোর। তাদের সবারই প্রিয় পত্রিকা কিশোরকণ্ঠ। একটি সংখ্যা পড়ার পর, পরের সংখ্যা পড়ার জন্য মুখিয়ে থাকে তারা। কুরআনের আলো, হাদিসের আলো, সায়েন্স ফিকশন, তোমাদের ছড়া-গল্পসহ সবগুলো বিভাগই শিশু-কিশোরদের জ্ঞানের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। আমিও কিশোরকণ্ঠের একজন মোহাবিষ্ট পাঠক। কিশোরকণ্ঠ পড়ে বরাবরই চমকিত হই। আমার মনের মণিকোঠায়ও জায়গা করে নিয়েছে কিশোরকণ্ঠ। কিশোরকণ্ঠ পৌঁছে যাক প্রতিটি শিশু-কিশোরের হাতে। নিত্য বাড়ুক কিশোরকণ্ঠের পাঠক এই কামনা করি।
জোবাইদুল ইসলাম, মিরসরাই, চট্টগ্রাম

SHARE

Leave a Reply