Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক

খোলা ডাক

প্রিয় বন্ধু
কিশোরকণ্ঠ আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। আমার যখন মন খারাপ হয় তখন আমি আমার প্রিয় কিশোরকণ্ঠকে হাতে নিলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। একজন প্রিয় বন্ধু হিসেবে আমি চাই কিশোরকণ্ঠ এগিয়ে যাক আরো অনেক দূর।
সুমাইয়া তাবাসসুম, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদ্রাসা, ফেনী

কল্পনার জগৎটা বাস্তব
প্রাণের স্পন্দন জাগানো জীবনের একটি পত্রিকার নাম বলতে বললেই চোখে ভেসে উঠে কিশোরকণ্ঠের চাকচিক্যময় প্রচ্ছদ। বাইরে যেমন চাকচিক্য ভেতরে তার চেয়ে বহুগুণ রস, আনন্দ আর বৈচিত্র্যময় তথ্য নিয়ে আমাদের মতো লাখো কিশোরের অন্তরে কল্পনার জগৎ সৃষ্টি করে। তাই যদি এই পত্রিকাকে ধন্যবাদ না দেই তবে আর কাকে দিব? কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি লেখাই আমাকে শেখায় নতুন করে পথচলা। নতুন নতুন তথ্য নিয়ে প্রতি মাসেই হাজির হয় আমাদের দোরগোড়ায়। অবিশ^াস্য কাহিনি হলো জেএসসির এ+ এ কিশোরকণ্ঠের ভূমিকাতো ছিলই, এখানে ছোটো ছোটো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়ও বিরাট ভূমিকা রাখছে। আশা করি, ভবিষ্যতেও রাখবে। ভবিষ্যতে আমি ডাক্তার হবো ভাবছি। তো আমার মতো লাখো কিশোরের স্বপ্ন মেডিক্যালে ভর্তি হওয়া। তাই আমাদের দিকে দৃষ্টি রেখে স্বাস্থ্যকথা, সায়েন্স ফিকশন আর বিজ্ঞানজগতে নতুন নতুন আবিষ্কারের তথ্য দিলে ভীষণ উপকৃত হবো। আর এই উপকারের ঋণ হয়তো চিরজীবনেও পরিশোধ করতে পারবো না। সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
এম. আব্দুর রহিম, মনিকচর, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম

অন্তরের প্রশান্তি
তখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। প্রচুর পরিমাণে ঠাকুমার ঝুলি দেখতাম। ঠাকুমার ঝুলি দেখার জন‍্য আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় পনেরো কিলোমিটার দূরে আমার আপুর বাড়ি যেতাম। রূপকথার সেই গল্প অবাস্তব জিনিসগুলো দেখে আমার মাথায় শুধু বস্তুবাদী চিন্তা ঘুরপাক খেত। একদিন হুজুরের কাছে বসে কুরআন পড়ছিলাম। আব্বু একটা বই হাতে দিয়ে বললেন, ধর, তুই কিসব কার্টুন ফার্টুন দেখিস; এই বইটা পড়। বইটা পড়েছিলাম। খুব ভালো লেগেছিল। তারপর আব্বু প্রতি মাসে সেই বই এনে দিতেন। বইটা পড়ে ঠাকুমার ঝুলি এবং অন‍্যান‍্য কার্টুন দেখার নেশা একদম চলে গেল।
বইটা এখনো পড়ি। পারিবারিক এবং লেখাপড়ার শত ব‍্যস্ততার কারণে মাথায় চিন্তা-চেতনা অন্তরে অশান্তি অনুভূত হয়। কিন্তু এই শত ব‍্যস্ততার মাঝেও যখন এই বইটা নিয়ে বসি, বইয়ের ঐ সমস্ত সুখ-দুঃখ, জীবনের হারা-জেতার গল্পগুলো আমাকে ভাবায়।
ভাবায় যে, সফল ব‍্যক্তিরা জীবনে হোঁচট খেয়ে পড়ার পরও কীভাবে উঠে দাঁড়িয়েছে। সুখ-দুঃখের যে গল্পগুলো প্রিয় লেখকবৃন্দ লেখেন সেই লেখাগুলো অনুপ্রেরণা জোগায়। গল্পের কথাগুলোর সাথে আমার জীবনের কথাগুলো একদম মিলে যায়। তখন অন্তরে প্রশান্তি অনূভুত হয়। কোন সেই বই; যাকে নিয়ে এত কথা। হঁ‍‍্যা, তোমরা ঠিকই ধরেছো। সেটা আর কোনো বই নয়, আমার তোমার সবার প্রিয় কিশোর পত্রিকা ‘কিশোরকণ্ঠ’।
ওয়ালিদ মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, কমলাপুর, খোকসা, কুষ্টিয়া

মনের খেলনা
কিশোরকণ্ঠ আমার মনের এমন একটি অংশ যে আমি যদি একদিন কিশোরকণ্ঠ না পড়ি তাহলে আমার মনটা খারাপ থাকে। কিশোরকণ্ঠ আমার প্রিয়বন্ধু। সে আমার মনের সাথে খেলা করে জ্ঞানের খেলনা নিয়ে। কিশোরকণ্ঠ তার সাথে ব্যাগে করে অনেক খেলনা নিয়ে আসে যেমন : শিক্ষাপাতা, স্বপ্নমুখর জীবন, নিবন্ধ আরো কত কী? আমার মনের সবচেয়ে প্রিয় খেলনা স্বপ্নমুখর জীবন। আমার জন্মদিনে কিশোরকণ্ঠ আমাকে আমার মনের সবচেয়ে প্রিয় খেলনা স্বপ্নমুখর জীবন উপহার দেয়। শুধু জন্মদিনে না প্রতি মাসে কিশোরকণ্ঠ আমাকে নতুন নতুন খেলনা উপহার দেয়। এ জন্য কিশোরকণ্ঠকে অনেক ধন্যবাদ।
ইসমাঈল সাজিদ নিশান, ৫ নং ব্রিজসংলগ্ন, দক্ষিণ বাকলিয়া, চট্টগ্রাম

SHARE

Leave a Reply