Home সায়েন্স ফিকশন জুপিটারে একদিন – ইশরাত জাহান জাইফা

জুপিটারে একদিন – ইশরাত জাহান জাইফা

জুপিটারে একদিন - ইশরাত জাহান জাইফাসবুজ ঘাসের ওপর বসে ছিলাম। পড়ন্ত বিকেল। আমি আকাশপ্রেমী। আকাশে মেঘের উড়ে চলা দেখতে ভীষণ ভালোবাসি। তাকিয়ে ছিলাম মেঘেদের দিকে। হঠাৎ দেখি একখণ্ড সাদা মেঘ আমার দিকে ছুটে আসছে।
আসতে আসতে আমার সামনে এসে নামলো। অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, ওটা মেঘ নয়। একটি উন্নতমানের আকাশযান। ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো একজন হিজাব পরা তরুণী।
আরে এতো নিশি! জুপিটারের সেই এলিয়েনকন্যা! আমার বারোতম জন্মদিনে যার সাথে পরিচয় হয়েছিল। নিশি আমাকে নিয়ে গিয়েছিল পৃথিবী থেকে দূরে জুপিটার গ্রহে। সে দিনটির কথা আমার এখনো পরিষ্কার মনে আছে। নিশি আমাকে শুধু জুপিটারে নিয়ে যায়নি, পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল জো, হেম, রাশাসহ অনেক এলিয়েন বন্ধুর সাথে।
আজ সেই নিশি আবার আমার সামনে।
আমি তাকিয়ে আছি তার দিকে। সেও তাকিয়ে আছে আমার দিকে। তার হাতে একটি সাদা খরগোশ। সেটাও আমার দিকে পিটপিট করে তাকিয়ে আছে।
প্রথম কথা নিশিই শুরু করল। ঘাসের ওপর বসে দু’জনের অনেক কথাই হলো। জানলাম মঙ্গল ও জুপিটারের খবরাখবর। জুরির উপত্যকায় যাচ্ছে তারা। আমাকে ইনভাইট করতে এসেছে। আমার হাতে একটা সাদা কাগজ দিলো নিশি। দিন তারিখ ও সময় লেখা আছে। অর্থাৎ কখন আমি পৃথিবী ছেড়ে রওনা হবো।
কথার এক পর্যায়ে নিশি হঠাৎ হা হা করে হেসে উঠলো আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই আকাশযানটির দিকে দৌড় দিলো।
আমি উঠে দাঁড়ালাম। ততক্ষণে নিশিকে নিয়ে মহাকাশযানটি উড়ে গেলো। একসময় তারা মেঘের ভেতর অদৃশ্য হয়ে গেলো।
নিশির খরগোশটা রয়ে গেছে। ওটা হাতে নিয়ে মহাশূন্যের দিকে তাকিয়ে আছি অবাক হয়ে…

২.
আমি জানি আমাকে যেতে হবে। নিশির ডাক আমি উপেক্ষা করতে পারব না। বাড়িতে কিছু না বলে গেলে দুশ্চিন্তা করবে। মাকে বলা যাবে না। বললে মা কিছুতেই যেতে দেবে না। বাবাও যেতে দেবে বলে মনে হচ্ছে না। ভিনগ্রহ থেকে কেউ আমাকে ইনভাইট করেছে এটা তারা বিশ্বাসই করবে না!
চিঠি লেখাই একমাত্র সমাধান।
বাবাকে একটা চিঠি লিখে তার পড়ার ঘরের টেবিলে রেখে এলাম। সকাল বেলা বাবা যখন পড়ার ঘরে আসবে তখন চিঠিটা নিশ্চয়ই পাবে।
নিশির দেয়া দিন তারিখ অনুযায়ী আজই আমাকে রওনা দিতে হবে। রাত ১২টায় আমি নিশির খরগোশ হাতে নিয়ে ছাদে এলাম। একটা শীতল হাওয়া বইছে চারপাশে। আমি কেমন যেন একটু কেঁপে উঠলাম। রাত ঠিক ১২টা এক মিনিটে আকাশে একটি উজ্জ্বল আলো দেখা গেলো। তার মানে সেই আকাশযানটি আমাকে নিতে আসছে। ধীরে ধীরে সেই আলো নিচে নেমে এলো। আমাদের ছাদে এসে থামলো। নামার সাথে সাথেই খরগোশটি আমার হাত থেকে লাফিয়ে নিচে পড়ে গেলো। অথচ এতক্ষণ নিষ্ক্রিয় ছিলো সে।
খরগোশটি গিয়ে ওই মহাকাশযানে উঠল। তাকে অনুসরণ করে আমিও উঠলাম। একটা সিট দেখে বসলাম। মৃদু একটা বাজনা বেজে উঠলো। সেই সাথে একটা মিষ্টি আলো জ্বলে উঠলো। ছাদে থাকতে আমার ঠাণ্ডা লেগেছিল। কিন্তু এখানে না গরম না ঠাণ্ডা। পাশ ফিরে দেখি খরগোশটা আমার কাছে নিষ্ক্রিয়ভাবে বসে আছে। যাক! এই ভিনগ্রহ যাত্রায় একজন অন্তত সঙ্গী পাওয়া গেছে।
এক সময় আমার চোখ বুজে এলো। হয়ত ঘুমিয়েই পড়েছিলাম।

৩.
চোখ মেলতেই দেখি আমি বড়সড় এবং সাজানো গুছানো একটি ঘরে। মনে পড়লো, আমি তো জুপিটারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলাম! তখন দেখি নিশিসহ অন্যান্য এলিয়েনরা আমার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে অভ্যর্থনা জানাল তারা। নিশি বলল,
‘এটা আমাদের রাজার বাড়ি।’ এলিয়েনদেরও রাজা আছে! মনে মনে ভাবলাম। নিশি আবার বললো-
‘তোমাকে পৃথিবী থেকে এখানে ডেকে আনার কারণ নিশ্চয় জানো?’
– ‘হ্যাঁ.. তুমি বলেছিলে জুরির উপত্যকায় যাবে। কিন্তু সেখানে আমার কী প্রয়োজন বুঝতে পারছি না এখনো।’
– সব জানতে পারবে। আগে চলো আমাদের রাজার কাছে। তিনি তোমার জন্য অপেক্ষা করছেন। তারপর আমরা রাজার কাছে গেলাম। পৃথিবীর রাজাদের মতো মাথায় মুকুট, পরনে রাজ পোশাক অভিজাত ভাব-এমন কিছুই নেই। বরং নিশিরা যাকে রাজা বলছে তাকে দেখে আমার ওই ভিনগ্রহেও হাসি পেয়ে যাচ্ছিল। ভদ্রতার খাতিরে হাসি চেপে রেখেছি। কারণ আমি এখানে পুরো পৃথিবীর প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার কোন আচরণে যেন পৃথিবীর বদনাম না হয়।
অদ্ভুত দেখতে হলেও এলিয়েন রাজা আমার সাথে খুবই আন্তরিক ব্যবহার করলেন। অনেকে ভাবে এলিয়েনরা বুঝি রোবটের মতো, কোন অনুভূতি নেই। মোটেও তা নয়। এরা খুবই সেনসেটিভ। তাদেরও সুখ দুঃখের গল্প আছে। কিন্তু তাদের হাসি কান্নার ধরন আমাদের থেকে কিছুটা আলাদা, এই যা। রাজা আমায় বললেন, ‘জুপিটার ও পৃথিবীর মধ্যে একটা মিল আছে, তুমি সেটা বুঝতে পারো না?’
– হ্যাঁ প্রথমবার যখন এসেছিলাম তখনই মনে হয়েছিল। পৃথিবীর মতোই প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর জুপিটার গ্রহ। তাই তো নিশির ডাকে ছুটে এসেছি।
– আমি খুব খুশি হয়েছি তুমি এসেছো।
– আমারও খুব ভালো লাগছে আসতে পেরে। প্রথমবার সবকিছু স্বপ্ন মনে হয়েছিল। কিন্তু এবার বিশ্বাস হচ্ছে যে আমি সত্যিই জুপিটারে এসেছি!
– আমরা তোমাকে ডেকেছি একটা বিশেষ কারণে।
– বিশেষ কারণ? আপনারা তো অনেক উন্নত! আমাদের মানে পৃথিবীর মানুষদের নিয়ে ভাবছেন কেন?
– কারণ আমরা তোমাদের মধ্যে সম্ভাবনা দেখি। আমরা হয়ত কোন কিছু আগে আবিষ্কার করি, তোমরা একটু পরে করতে পারো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তোমরা আমাদের প্রতিবেশী চাঁদ ও মঙ্গলে পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছো। তবে জুপিটারে আগমন শুধু তোমার। এর আগে কোন মানুষ আসেনি এ গ্রহে। কিন্তু আমরা গিয়েছি তোমাদের গ্রহে। পৃথিবীর ১০০ ভাগ মানুষের মধ্যে দুই ভাগ এলিয়েন। তোমরা সেটা বুঝতে পারো না।
– আচ্ছা, তো পৃথিবীর এত মানুষের মধ্য থেকে আমাকেই কেন বেছে নিয়েছেন এখানে আসার জন্য?
– সেটা নিশিই ভালো বলতে পারবে। এই বলে রাজা নিশির দিকে ফিরলেন।
নিশি বলল, পৃথিবীর ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় তোমাকে দেখি। দেখেই আমার ভালো লেগেছিল। তোমার মতো একজন পৃথিবীর বন্ধু থাকলে ভালো হয়, এই ভেবে আমার টি টি (মহাকাশযান) নিয়ে তোমার কাছে চলে যাই। তারপর এখানে নিয়ে আসা সেই তোমার বারোতম জন্মদিনের দিন।
– আচ্ছা অনেক তো কথা হলো। এবার জুরির উপত্যকায় যাওয়া যাক। বাকি কথা সেখানেই হবে।
রাজার কথামতো সবাই যে যার টিটিতে উঠলো। আমি ও নিশি একটা টিটিতে উঠলাম।

৪.
অপূর্ব সুন্দর একটি গ্রহ জুপিটার। টিটিতে যেতে যেতে দেখছি- পরিষ্কার রাস্তাঘাট, সাজানো বাড়িঘর। পার্ক। বাগান। বাগানে জুপিটারের শিশুরা খেলছে।
যাওয়ার আগে অবশ্যই এদের সাথে দেখা করে যাবো। মনে মনে এটা ভাবছি তখন দেখি নিশি টিটি থামিয়ে দিয়েছে। আমাকে বললো, চলো, ওদের সাথে তোমার পরিচয় করিয়ে দিই।
টিটি থেকে নেমে ওদের কাছে গেলাম। নিশি জুপিটারের ভাষায় ওদের কী যেন বললো, অমনি ওরা সমস্বরে গেয়ে উঠলো –
‘তোমাকে স্বাগতম হে মানুষ, আমাদের জুপিটারে।’
ওদের সাথে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে আবার টিটিতে ফিরে এলাম।
আমাদের নিয়ে টিটি আবার যাত্রা করলো জুরির উপত্যকার দিকে। এক সময় আমরা উপত্যকায় এসে পৌঁছলাম। উপত্যকায় নেমে আমি খুশিতে ঝলমলিয়ে উঠলাম।
ওয়াও! এত সুন্দর! এ তো পুরো আমাদের পৃথিবীর মতো। আমাদের বাংলাদেশের মতো। আমি ভুলেই গেলাম যে ভিনগ্রহে আছি। চারদিকে ছুটে বেড়ালাম। ঝরনার পানিতে মুখ ধুয়ে নিলাম। এই প্রথম অনুভব করলাম আমার ক্ষিধে পেয়েছে। এতক্ষণ খেয়ালই ছিলো না। নিশি বলেছিল জুপিটারে ক্ষিধে পায় না। কিন্তু এই উপত্যকায় এলে ক্ষিধে পিপাসাসহ অন্যান্য অনুভূতিগুলো সক্রিয় হয়। কারণ এটা মানুষদের পৃথিবীর মতো করেই তৈরি করা। তাহলে তো খাবারের ব্যবস্থাও থাকার কথা। এই ভেবে পাশ ফিরতেই দেখি নিশি ফলের থালা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
– ‘তোমরা মানুষের মনের কথা বুঝতে পারো নাকি?’
-‘তা পারি কিছুটা।’ নিশি হেসে বললো।
– তাহলে তো ভবিষ্যতে আমরাও মানুষের মনের কথা বুঝতে পারব, যেহেতু তোমাদের রাজা বললেন,
তোমরা যা আগে পারো আমরা সেটা পরে পারি?
– হয়ত! কিন্তু মনের কথা বুঝতে পারা তোমাদের জন্য উপকারী হবে বলে মনে হচ্ছে না। এ ক্ষমতা পেলে তোমরা অর্থাৎ পৃথিবীর মানুষেরা সেটার অপব্যবহার করবে। যেটা আমরা করি না।
আমি চুপ করে থাকলাম। নিশি আবার বললো,
– আমি দুঃখিত বন্ধু। এভাবে বলায় তোমার হয়ত খারাপ লেগেছে। কিন্তু এটাই হিউম্যান ন্যাচার।
তাছাড়া…
নিশির কথা শেষ হওয়ার আগে রাজা এসে পড়লেন। নিশিকে আমাকে নিয়ে আসতে বলল। আমি নিশির সাথে রাজার পিছু পিছু গেলাম।
একটা খোলামেলা জায়গায় এসে রাজা থামলেন। এখানে অনেক ধরনের এলিয়েন দেখা যাচ্ছে। রাজা আমাকে পরিচয় করে দিলেন। এরা চাঁদ, মঙ্গল, নেপচুনসহ বিভিন্ন গ্রহের নেতা। তারা সবাই পৃথিবীর সাথে তাদের সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী। সবার সাথে অনেকক্ষণ আলাপ হলো। আমি তাদের কথা দিলাম আমি অবশ্যই পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করবো। কিন্তু এখনই আমি পৃথিবীবাসীকে জানাব না যে আমি জুপিটারে এসেছি। প্রথমত এ কথা কেউ বিশ্বাস করবে না। যদি করেও তাহলে মিডিয়ায় আমাকে নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়ে যাবে, এটার প্রভাব পড়বে আমার দৈনন্দিন জীবনে। আমার পড়াশোনার ক্ষতি হবে। উপস্থিত সবাই আমার কথায় সায় দিলো। পড়াশোনার কথায় মনে পড়ল আমার তো সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এবার বাড়ি যেতে হবে। ওদিকে বাবা-মাও চিন্তা করবে। জানি না চিঠিটা পেয়েছে কি না। পেলেও চিন্তা করবে। হঠাৎ বাড়ির জন্য মন কেমন করে উঠল। রাজাকে বললাম, আমি বাড়ি যাবো। আমার সামনে পরীক্ষা। বাবা মা চিন্তা করবেন।
রাজা বললেন,
হ্যাঁ তাই তো! তুমি জুপিটারে এসেছো সেই সকালে। এখন সন্ধ্যা হতে চলল। এবার তোমাকে বিদায় দেয়ার পালা। পরীক্ষার পর আবার বেড়াতে এসো।
– জুপিটারে এসে, সবার সাথে দেখা করে আমার খুব ভালো লেগেছে। এটা আমার জন্য অসাধারণ অভিজ্ঞতা। কিন্তু আমি তো নিজ ইচ্ছায় এখানে আসতে পারি না।
– আগে পারো নি। এখন পারবে। আমরা তোমাকে আমাদের সাথে যোগাযোগের লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি। এর সাহায্যে তুমি আমাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারবে। যখন আসতে চাইবে আমাদের জানালেই আমরা টিটি পাঠিয়ে দেবো। এই বলে রাজা নিশির দিকে ফিরলো। নিশি মাথা নেড়ে আমাকে একটা কার্ড দিলো। কার্ডে লিঙ্ক লেখা আছে। অনেকটা আমাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতোই। নিশি বললো ওদের দু’টি যোগাযোগ মাধ্যম। একটা আন্তঃযোগাযোগের জন্য। আরেকটি অন্যান্য গ্রহের সাথে যোগাযোগের জন্য। আমি কার্ডটা হাতব্যাগে রেখে দিলাম। এবার আমার যাওয়ার পালা। টিটি প্রস্তুত। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে টিটিতে গিয়ে উঠলাম। সবাই হাত নেড়ে বিদায় জানাল আমাকে। ধীরে ধীরে টিটি চলতে শুরু করল। আমাকে নিয়ে রওনা দিলো পৃথিবীর দিকে। আমার গ্রহের দিকে। আমার দেশের দিকে। আমার বাড়ির দিকে…

৫.
টিটি আমাদের ছাদে এসে থামলো। আমাকে রেখেই টিটি নিঃশব্দে চলে গেলো। আমার একটু ভয় ভয় লাগল। কোথা থেকে কোথায় ঘুরে এলাম? এখন ছাদে অন্ধকার। এক পাশে একটা লাইট জ্বলছিল বলে একটু আলো আসছে। আমি সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এলাম। ঘড়িতে তখন ৪টা বাজে। তার মানে এখনো সকালই হয়নি। অথচ আমি জুপিটারে একদিন কাটিয়ে এলাম!
দ্রুত বাবার পড়ার ঘরে গেলাম। দেখি চিঠিটা একই ভাবে রাখা আছে। তার মানে সত্যিই সকাল হয়নি, বাবাও এ ঘরে আসেনি। আমি চিঠিটা সরিয়ে নিলাম, কারণ ওটার আর প্রয়োজন নেই।

পুনশ্চ : আমি নিশিদের দেয়া লিঙ্কের সাহায্যে জুপিটারের সাথে যোগাযোগ রাখি। নিশি আমাকে বিভিন্ন ছবি, ভিডিও পাঠায়। ক’দিন পর আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হবে। তারপর লম্বা একটা ছুটি। ওই ছুটিতে আবার ঘুরে আসব জুপিটার থেকে। ঘুরে দেখব জুপিটারের বিভিন্ন জায়গা।

SHARE

Leave a Reply