Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা-ডাক

খোলা-ডাক

অতৃপ্ত প্রাপ্তি

নতুন কিশোরকণ্ঠের সাথে পরিচিত ২০১৫ সালের নভেম্বর সংখ্যা থেকে। তখন থেকে এটি নিয়মিত পড়ে থাকি। যেন একটা নেশা ধরে গেছে। আর নেশা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, পত্রিকাটি হাতে পেলেই বুঁদ হয়ে থাকি প্রতিটা পাতায় আর যতক্ষণ না শেষ হয়। এতদিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আমার মতো পাঠকের এমন আকর্ষণীয় আদর্শের কাণ্ডারি, আলোর মশাল, নতুন বন্ধুর মতো পত্রিকাটি প্রতি মাসে ২-৩টা প্রয়োজন। তবেই বুঝি তৃপ্তি পাবো।
সর্বোপরি, দয়াময়ের নিকট প্রার্থনা পত্রিকাটি যেন ছাত্রসমাজের আত্মোন্নয়নে সবার সেরা আলোকবর্তিকায় পরিণত হয়।
মোস্তফা কামাল মামুন
পায়রা ডাঙ্গা, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

সকল মানুষই বোবা কবি। যারা লিখে প্রকাশ করতে পারে তাদেরকেই আমরা কবি হিসেবে চিনি। তরুণদের মধ্য থেকে এই কবি-প্রতিভা বের করে নিয়ে আসতে কিশোরকণ্ঠ বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। যার বদৌলতে আমরা আজ একঝাঁক তরুণ কবি পেয়েছি। আমাদের মনের ভাব এবং প্রতিভা বিকশিত করার একটা মঞ্চ তৈরি করে দেয়ার জন্য কিশোরকণ্ঠকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
মু. তারিকুজ্জামান
পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়

চিরসঙ্গী

আমি যানবাহনে একাকী বসে থাকতে খুব বিরক্ত বোধ করি। কারো সাথে কথা বলতে পারলে একটু স্বস্তি খুঁজে পাই। আর সব সময় কথা বলার মতো মানুষ খুঁজে পাই না। কিন্তু আমার চলার পথে সব সময় বন্ধু হিসেবে থাকে চিরসঙ্গী কিশোরকণ্ঠ, যে কখনো আমাকে একা থাকতে দেয় না। আমার চলার পথে বিরক্তিকর সময়গুলো প্রাণবন্ত করে তোলে এই চিরসঙ্গী।
আল আমীন হোসেন তানভীর,
তেওয়ারীগঞ্জ, সদর, লক্ষ্মীপুর

জন্মদিনের উপহার কিশোরকণ্ঠ

যখন থেকে পড়তে শিখি, তখন থেকেই মায়ের মুখে কিশোরকণ্ঠের কথা শুনতাম। মামারা এবং মা ছোটো বেলা থেকেই কিশোরকণ্ঠ পত্রিকা পড়তেন। তখন থেকেই ভাবতাম আমিও যদি পড়তে পারতাম। অবশেষে আমার জন্মদিনে বাবা আমাকে সেপ্টেম্বর-২০১৯ সংখ্যাটি উপহার দিলেন। আমার অনেক দিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। কোরআনের আলো, হাদীসের আলো, সায়েন্স ফিকশন, ছড়া-কবিতা বেশি ভালো লেগেছে।
তাসনিম-উল-হক কাফি
কালিয়াকৈর, গাজীপুর

প্রাণের টান

টান মানে প্রাণের টান। কিছুক্ষণ পাশে না থাকলে যে রকম শূন্যতা অনুভব হয় আরকি। তাহলে ভাবেন আট দশ দিন যখন পাশে থাকে না তখন আবেগের কতো আকাঙ্ক্ষা জমা হয়ে যায়। সে মায়াবী টান প্রিয় কিশোরকণ্ঠের প্রতি। যে কিনা আমার মন কেড়েছে রূপময় ফন্দি আঁটিয়ে এক যাদুময় ছন্দ দিয়ে। এখন মনে হয় তার রসটা আঙুর ফলের চেয়ে কম নয়। তাই অপেক্ষায় থাকি কখন দেখা মিলবে প্রিয় কণ্ঠে। অনেক বেশি শুভ কামনা রইলো কিশোরকণ্ঠের প্রতি।                                                                                                                                  মুহাম্মদ আবদুল হামিদ আল জাবেদ
তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, টঙ্গী

SHARE

Leave a Reply