Home দেশ-মহাদেশ জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
জর্দানের রাজধানী আম্মান

জর্দান মধাপ্রাচ্যের একটি একক রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এটি পশ্চিম এশিয়ায় জর্দান নদীর তীরে অবস্থিত একটি আরব দেশ। আরবি নাম আল-উর্দুন। সরকারি নাম হাশেমীয় জর্দান রাজ্য। আরবিতে পুরো নাম আল-মামলাকাহ আল-উরদুনিয়াহ আল-হাশিমিয়াহ। জর্দানের রাজবংশ নিজেদের হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর পিতামহ হাশেমের বংশধর বলে মনে করে।
জর্দানের সীমান্তে রয়েছে দক্ষিণ ও পূর্বে সৌদি আরব, উত্তর-পূর্বে ইরাক, উত্তরে সিরিয়া এবং পশ্চিমে ইসরাইল ও পশ্চিমতীর (ফিলিস্তিন)। এ দেশের পশ্চিম সীমান্তে রয়েছে মৃতসাগর এবং এর একেবারে দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগরের একটি ছোট্ট উপকূলরেখা; এ ছাড়া দেশটি ভূমিপরিবেষ্টিত। জর্দান কৌশলগতভাবে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের সন্ধিক্ষণে অবস্থিত। জর্দানের আয়তন ৮৯ হাজার ৫৫৬ বর্গকিলোমিটার (৩৪ হাজার ৪৯৫ বর্গমাইল)। জনসংখ্যা ১ কোটি ৪ লাখ ৭ হাজার ৭৯৩ জন। জনসংখ্যার দিক দিয়ে জর্দান ১১তম জনবহুল আরব দেশ। জাতিগত গ্রুপের মধ্যে রয়েছে ৯৮ শতাংশ আরব, ১ শতাংশ সারকাসীয় ও চেচেন এবং ১ শতাংশ আরমেনীয়। জনসংখ্যার শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলিম। অবশিষ্ট জনগোষ্ঠী আদি খ্রিষ্টান। আম্মান জর্দানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর এবং অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
জর্দানি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ

জর্দানকে প্রায়ই গোলযোগপূর্ণ উত্তাল অঞ্চলে ‘স্থিতিশীলতার মরূদ্যান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০১০ সালের আরব বসন্ত নামক গণজাগরণেও জর্দানে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ১৯৪৮ সাল থেকে জর্দান প্রতিবেশী দেশগুলোতে সংঘাতের ফলে সৃষ্টি হওয়া উদ্বাস্তুদের গ্রহণ করে আসছে। ২০১৫ সালের শুমারি অনুযায়ী, জর্দানে ২১ লাখ ফিলিস্তিনি এবং ১৪ লাখ সিরীয় উদ্বাস্তু রয়েছে। দেশটি ইরাক থেকে আসা হাজার হাজার খ্রিষ্টান উদ্বাস্তুদেরও আশ্রয় দিয়েছে।
জর্দানের ভূপ্রকৃতি ঊষর মরুভূমিময়। এখানে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমাণও কম। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে ব্রিটিশরা অঞ্চলটি দখলে নেয়। জর্দান নদীর পূর্বতীরের ট্রান্সজর্দান এবং পশ্চিমতীরের ফিলিস্তিন উভয়ই ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ১৯৪৬ সালে ট্রান্সজর্দান অংশটি একটি স্বাধীন রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৪৯ সালে এর নাম বদলে শুধু জর্দান রাখা হয়।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
আকাশ থেকে তোলা জাতারি উদ্বাস্তু শিবির। এখানে ৮০ হাজার সিরীয় উদ্বাস্তু বাস করে

বর্তমান জর্দান এলাকায় প্রস্তর যুগ থেকে মানববসতি ছিল। ব্রোঞ্জ যুগের শেষে এখানে তিনটি স্থিতিশীল রাজ্যের আবির্ভাব ঘটে: আম্মান, মোয়াব ও এদম। পরবর্তী শাসকদের মধ্যে ছিল নাতাবিয়ান রাজ্য, রোমান সাম্রাজ্য ও উসমানীয় সাম্রাজ্য। প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে ১৯১৬ সালে উসমানীয়দের বিরুদ্ধে বিশাল আরব বিপ্লবের পর ব্রিটেন ও ফ্রান্স উসমানীয় সাম্রাজ্যকে ভাগ করে ফেলে। তদানীন্তন আমির আবদুল্লাহ প্রথম এর নেতৃত্বে হাশেমীয়রা ১৯২১ সালে ট্রান্সজর্দান আমিরাত প্রতিষ্ঠা করে এবং আমিরাতটি ব্রিটিশ আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হয়। ১৯৪৬ সালে জর্দান সরকারিভাবে ট্রান্সজর্দান হাশেমীয় রাজ্য নামে স্বাধীন হয়, কিন্তু ১৯৪৯ সালে জর্দান হাশেমীয় রাজ্য নামে নতুন নামকরণ করা হয়। দেশটি ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধে পশ্চিমতীর দখল ও কুক্ষিগত করার পর ঐ নামকরণ করে। কিন্তু ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে জর্দান ইসরাইলের কাছে পশ্চিমতীর হারায়। জর্দান ১৯৮৮ সালে ঐ অঞ্চলটির ওপর থেকে দাবি ত্যাগ করে এবং আরেকটি আরব দেশের সাথে মিলে ১৯৯৪ সালে ইসরাইলের সাথে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। জর্দান আরব লিগ ও ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
আকাবায় মারসা জায়েদ মসজিদ

জর্দান একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, কিন্তু বাদশাহ ব্যাপক নির্বাহী ও আইন প্রণয়ন ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন। জর্দানের বর্তমান বাদশাহ আবদুল্লাহ দ্বিতীয় এবং প্রধানমন্ত্রী উমর রাজ্জাজ। এ দেশের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট : উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ। জর্দানের প্রশাসনিক এলাকা তিনটি অঞ্চল, ১২টি মুহাফাজাহ বা গভর্নরেট এবং ৫২টি আইওয়া বা জেলায় বিভক্ত। প্রত্যেক আইওয়া আবার কদা বা উপজেলায় বিভক্ত। জর্দানের ১২টি গভর্নরেট হলো উত্তরাঞ্চলে ইরবিদ, আজলাউন, জেরাশ ও মাফরাক; মধ্যাঞ্চলে বালকা, মাদাবা, আম্মান ও জারকা এবং দক্ষিণাঞ্চলে কারাক, তাফিলা, মা’ন ও আকাবা।
জর্দানের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট : ৬৫ আসনের সিনেট এবং ১৩০ আসনের প্রতিনিধি পরিষদ। উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্যদের বাদশাহ সরাসরি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সংবিধান অনুযায়ী তারা হবেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বিচারক ও জেনারেল যারা ইতঃপূর্বে সরকার ও প্রতিনিধি পরিষদে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ১৩০ সদস্য পার্টি-তালিকার আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে ২৩টি আসন থেকে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন। নিম্নকক্ষে মহিলাদের জন্য ১৫টি আসন, খ্রিষ্টানদের জন্য ৯টি আসন এবং সারকাসিয়ান ও চেচেনদের জন্য ৩টি আসন সংরক্ষিত আছে।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
জর্দানের ঐতিহ্যবাহী খাবার মানসাফ

জর্দান উচ্চ মধ্যম আয়ের অর্থনীতির দেশ। এ দেশের অর্থনীতি এই অঞ্চলের ছোট অর্থনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। দক্ষ কর্মীবাহিনীর কারণে এ দেশের অর্থনীতি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয়। দেশটি পর্যটকদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। এ দেশের মুদ্রার নাম জর্দানিয়ান দিনার।
বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম জলপাই উৎপাদনকারী দেশ হওয়ায় জর্দানে জলপাই তেল হচ্ছে প্রধান রান্নার তেল। জর্দানিদের একটি সাধারণ রুচিকর খাবার হলো হুম্মুস, যা মূলত ছোলার ডালের পুরি। তাহিনি, লেবু ও রসুন সমন্বয়ে এটি তৈরি করা হয়। ফুল মেডামেস আরেকটি রুচিকর খাবার। এটি শ্রমিকদের একটি আদর্শ খাবার কিন্তু এক সময় এটি উচ্চ শ্রেণীর মানুষের টেবিলে পৌঁছে যায়। জর্দানিদের সবচেয়ে স্বাতন্ত্র্য খাবার হলো মানসাফ, জর্দানের জাতীয় খাবার। এই খাবার জর্দানি আতিথেয়তার প্রতীক। বেদুইন সংস্কৃতি থেকে এই খাবারের উদ্ভব ঘটেছে। মানসাফ বিবাহ অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় ছুটির দিনসহ বিশেষ বিশেষ সময়ে খাওয়া হয়। মানসাফ এক থালা ভাত ও দই মিশিয়ে সিদ্ধ করা গোশত দিয়ে তৈরি করা হয়, এতে পাইন বাদাম ছিটিয়ে দেয়া হয় এবং কখনও কখনও ভেষজ পাতা দিয়ে পরিবেশন করা হয়। জর্দানি খাবারের শেষের দিকে টাটকা ফল পরিবেশন করা হয়।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
জর্দানের ওয়াদি রুম। চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং পর্যটন আকর্ষণের জন্য এটি খুবই জনপ্রিয়

জর্দান কৌশলগতভাবে সভ্যতার সূতিকাগার উর্বর ক্রিসেন্টের লেভান্ট এলাকায় এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত। জর্দানের পূর্বাঞ্চল একটি উষর উপত্যকা। এখানে মরূদ্যান ও মৌসুমি পানি প্রবাহ থেকে সেচ দেয়া হয়। জর্দানের প্রধান নগরীগুলো দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। কেননা এই অঞ্চলের মাটি উর্বর এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এসব নগরীর মধ্যে রয়েছে উত্তর-পশ্চিমে ইরবিদ, জেরাশ ও জারকা, মধ্য পশ্চিমে রাজধানী আম্মান ও আল-সালত এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে মাদাবা, আল-কারাক ও আকাবা। দেশের পূর্ব অংশে প্রধান নগরীগুলোর মধ্যে রয়েছে মরূদ্যান শহর আজরাক ও রুওয়াইশেদ।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
পেত্রার আলখাজনেহ, আরব নাবাতিয়ান রাজা আরেতাস চতুর্থ এর সৌধ বলে ধারণা করা হয়

পশ্চিমে, আবাদি ভূমির উচ্চভূমি এলাকা এবং ভূমধ্যসাগরীয় চিরহরিৎ বনভূমি আকস্মিকভাবে জর্দান রিফ্ট ভ্যালির দিকে নেমে গেছে। ভূমি ডেবে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট এই উপত্যকায় রয়েছে জর্দান নদী ও মৃতসাগর যা জর্দান ও ইসরাইলকে পৃথক করে রেখেছে। লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের সাথে জর্দানের ২৬ কিলোমিটার (১৬ মাইল) দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে, এ ছাড়া দেশটি ভূমি পরিবেষ্টিত। জর্দান নদীর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা ইয়ারমুক নদী উত্তরে জর্দান ও সিরিয়ার (অধিকৃত গোলানহাইটসহ) মধ্যে সীমান্তের একাংশ গঠন করেছে। অন্যান্য সীমান্তগুলো বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং সুসংজ্ঞায়িত প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করা হয়নি। জর্দানের সর্বোচ্চ স্থান জাবাল উম্ম আল দামি, যার উচ্চতা সমুদ্রস্তর থেকে ১,৮৫৪ মিটার (৬,০৮৩ ফুট) ওপরে এবং সর্বনিম্ন স্থান হচ্ছে মৃত সাগর, যা সমুদ্রস্তর থেকে ৪২০ মিটার (১,৩৭৮ ফুট) নিচে, এটা পৃথিবীরও সর্বনিম্ন স্থান। মৃত সাগর পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থান এবং সবচেয়ে লোনা পানির জলাশয়।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
আম্মানে একটি অর্থডক্স চার্চ

বিচিত্র ভূদৃশ্য ও পরিবেশের কারণে জর্দানে বিচিত্র ধরনের জীবজন্তু ও উদ্ভিদের আবাসস্থল, প্রতিবেশব্যবস্থা এবং জীবজন্তু ও উদ্ভিদ রয়েছে। জর্দানের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ১৯৬৬ সালে রাজকীয় প্রকৃতি সংরক্ষণ সমিতি প্রতিষ্ঠা করা হয়। জর্দানের প্রকৃতি সংরক্ষণাগারের মধ্যে রয়েছে দানা বায়োস্ফেয়ার রিজার্ভ, আজরাক জলাভূমি সংরক্ষণাগার, শাওমারি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণাগার এবং মুজিব নেচার রিজার্ভ।
জর্দানের আবহাওয়া খুবই বৈচিত্র্যময়। সাধারণভাবে, ভূমধ্যসাগর থেকে দূরবর্তী দেশের মধ্যভাগে তাপমাত্রায় বৈপরীত্য রয়েছে এবং সেখানে কম বৃষ্টিপাত হয়। এ দেশের গড় উচ্চতা ৮১২ মিটার (২,৬৬৪ ফুট)। জর্দান উপত্যকার ওপরের উচ্চভূমি, মৃত সাগরের পর্বতসমূহ এবং ওয়াদি আরাবা ও একেবারে দক্ষিণে রাস আল-নাবায় ভূমধ্যসাগরীয় আবহাওয়ার প্রাধান্য রয়েছে। অপর দিকে দেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা ঊষর মরুভূমি। দেশের মরুভূমি অংশে তাপমাত্রা বেশি হলেও নিম্ন আর্দ্রতা এবং দিবাকালীন বাতাসের কারণে তাপ সাধারণত সহনীয় থাকে। তবে রাত থাকে ঠাণ্ডা।

জর্দান স্থিতিশীলতার মরূদ্যান । মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
মৃত সাগরে ভেসে ভেসে বই পড়া

মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রীষ্মকালে গড় তাপমাত্রা থাকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং জুলাই ও আগস্ট মাসের মধ্যে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত শীতকালে আবহাওয়া ঠাণ্ডা থাকে এবং গড় তাপমাত্রা থাকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতকালে পশ্চিমাঞ্চলে কতিপয় উঁচু এলাকায় ঘন ঘন বৃষ্টিপাত হয় এবং কখনও কখনও তুষারপাত হয়।

SHARE

Leave a Reply