Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা-ডাক

খোলা-ডাক

অপেক্ষার প্রহর
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যা থেকে নতুন কিশোরকণ্ঠের সাথে যুক্ত আছি। আমার বড় ভাই একদিন আমাকে একটা বই এনে দেয়। আমি ভাবলাম এটা কী না কী। আমি তারপর সূচিটা একপলকে পড়ে ফেললাম। আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। এটা খুব সুন্দর একটা বই। কিশোরকণ্ঠ পড়তে আমার ভালো লাগে। এটা একটা অফুরন্ত জ্ঞানভাণ্ডার। আমি তখন থেকে কিশোরকণ্ঠ পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকি। যখন কিশোরকণ্ঠ এসে হাতে পৌঁছায় তখন অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়।
মেহেদি হাসান
রাখালিয়া, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর

অসাধারণ পত্রিকা
বই ও পত্র-পত্রিকা আমাদের জ্ঞানকে প্রসারিত করে। জ্ঞানকে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে কিশোরকণ্ঠের গুরুত্ব অপরিসীম। কর্মক্লান্ত দিনে শত ব্যস্ততার মাঝে কিশোরকণ্ঠ আমার হৃদয়ে প্রশান্তির বন্যা বয়ে আনে। ছোট একটা বইয়ে যে এতো কিছু থাকতে পারে তা কিশোরকণ্ঠ না পড়ে বোঝা সম্ভব নয়। কিশোরকণ্ঠ মানুষকে জ্ঞানসাগরের সন্ধান দেয়। জ্ঞানসাগর থেকে মণিমুক্তা আহরণ করে অন্ধকারকে আলোকিত করা সম্ভব। এক কথায় কিশোরকণ্ঠ একটি অসাধারণ পত্রিকা। পূর্ণ মানুষরূপে গড়ে তুলতে কিশোরকণ্ঠ অব্যর্থ ভূমিকা পালন করে।
রবিউল ইসলাম মিশন
নড়াইল সদর, নড়াইল

আলোর পথ দেখায়
আমাদের সকলের প্রিয় মাসিক নতুন কিশোরকণ্ঠ সবার মন জয় করে সফলতার স্বর্ণশিখরে এসে পৌঁছেছে। কিশোরকণ্ঠ সবার মন জয় করার কারণ, এর মধ্যে আছে আমাদের পছন্দের সকল লেখা। আছে কুরআনের আলো, হাদিসের আলো, একগুচ্ছ মজাদার ছড়া-কবিতা, সায়েন্স ফিকশন, আইটি কর্নার, দেশ-মহাদেশ, মজাদার হাসির বাকসো, নাটক এবং খেলার খবরসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল বিষয়। কিশোরকণ্ঠ জন্ম থেকেই জ্ঞানের মশাল জ্বেলে আসছে। তাই আমি মনে করি এটি আমাদের আলোর পথ দেখায়।
আবদুল্লাহ মো: জুবাইর
তোরাবগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর

কিশোরকণ্ঠ অনুপ্রেরণা
যেদিন থেকে আমি কিশোরকণ্ঠ পাঠে মনোনিবেশ করি, সেদিন থেকেই আমি সংকল্প করেছি কিশোরকণ্ঠের অন্যান্য লেখকদের মতো আমিও লেখক হবো। সময়ের ব্যবধানে এবং দৃঢ়সঙ্কল্প থাকায় ইতোমধ্যে আমি লেখালেখিতে অভ্যস্ত হয়েছি। আর আমি লেখালেখিতে অভ্যস্ত হওয়াটা কিশোরকণ্ঠের অনুপ্রেরণারই ফসল। কিশোরকণ্ঠ পরিবারের কাছে আবেদন রাখছি, যেন কিশোরকণ্ঠের কেবল পাঠকই নয়; লেখক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারি এই দোয়া করার জন্য।
মাহমুদুল হাসান
রাজাবাড়িয়া, নলছিটি, ঝালকাঠি

ভুলতে পারি না তোমায়
দিন গুনতে গুনতে কল্পনায় চলে যাই, কখন যে শেষ হবে মাস, হাতের নাগালে কখন আসবে প্রিয় কিশোরকণ্ঠ। হাতে পেলেই আমি চলে যাই গভীর জ্ঞানের সমুদ্রে। খুঁজে পাই, কিভাবে মনুষ্যত্ব লাভ করতে হয়। তাই আমরা বলি ‘কিশোরকণ্ঠ পড়বো মোরা, মনুষ্যত্ব লাভ করবো মোরা।’
কে এম এ আবদুল্লাহ, ঈদগাঁও, কক্সবাজার

অনেক ভালোবাসি
কিশোরকণ্ঠকে আমি অনেক ভালোবাসি। আমি সারাটি মাস শুধু অপেক্ষায় থাকি কখন আমার কাঙ্ক্ষিত পত্রিকাটি হাতে পাবো। কিশোরকণ্ঠ আমাকে সাহিত্য পড়তে উৎসাহ জুগিয়েছে আজীবন। ভালোবাসা থাকবে এই কিশোরকণ্ঠের জন্য।
ইবনে মাহবুব, মান্দারী, লক্ষ্মীপুর

SHARE

Leave a Reply