Home খেলার চমক ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহ

ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহ

ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহবিশ্বক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ লড়াই বিশ্বকাপ ফাইনাল। এই ম্যাচে দেশকে সবচেয়ে সম্মানজনক ট্রফি এনে দিতে লড়াইয়ে নামেন দুই দেশের ২২ ক্রিকেটার। প্রত্যেকেরই লক্ষ্য থাকে সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে দেশকে সম্মান এনে দেয়ার, সেই সাথে নিজেকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার। যারা পারেন তারাই বীরের মর্যাদা পান ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে। বিশ্বকাপের আগের ১১টি আসরের ফাইনালের নায়কদের নিয়ে আমাদের এবারের লেখা।

ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহক্লাইভ লয়েড ১৯৭৫
প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে সেদিন শুরুটা ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা দলীয় ৫০ রানের মধ্যেই তুলে নেয় ৩ উইকেট। এরপর ক্রিজে আসেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। চতুর্থ উইকেটে রোহান কানহাইয়ের সাথে ১৪৯ রানের জুটি গড়ে যখন বিদায় নেন দলীয় রান তখন ১৯৯; কিন্তু লয়েডের নামের পাশে তখন জ্বলজ্বল করছে ১০২ রান। বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালের প্রথম সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্রিকেটের সেই যুগে ৮৫ বলে ওয়ানডে সেঞ্চুরির কথা কেউ চিন্তাও করতে পারতো না। ১২টি চার আর দুই ছক্কায় দলকে আবার লড়াইয়ে ফিরিয়ে বিদায় নেন লয়েড। শেষ পর্যন্ত ৬০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯১ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে বল হাতে ১২ ওভারে মাত্র ৩৮ রান দিয়ে নিয়েছেন এক উইকেট। তার এই পারফরম্যান্সে ভর করেই অস্ট্রেলিয়াকে ১৭ রানে হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঘরে তুলেছে বিশ্বকাপের প্রথম শিরোপা।

ভিভ রিচার্ডস, ১৯৭৯
পরের আসরেও ফাইনালে ওঠে তখনকার ক্রিকেট পরাশক্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। চার বছর আগের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে যিনি ছিলেন দলের তরুণ সদস্য এবার সেই ভিভ রিচার্ডস মাঠে নামেন অনেক পরিণত আর সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে। স্বাভাবিকভাবে তাই দায়িত্বটাও ছিলো বেশি। আগের ফাইনালে ব্যাট হাতে ভালো করতে না পারলেও তিনটি রান আউট করে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। এবার তার ব্যাট টেনে নিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করেছেন। তার নামের পাশে লেখা হয়েছে অপরাজিত ১৩৮ রানের ইনিংস। ১৫৭ বলের ইনিংসে ছিলো ১১ চার ও ৩টি ছক্কা। ৬০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৮৬ রান তোলে ক্যারিবীয়রা। আর জবাব দিতে নেমে স্বাগতিক ইংল্যান্ড অলআউট হয় ১৯৪ রানে। উইকেট না পেলেও ১০ ওভার বোলিং করে মাত্র ৩৫ রান দিয়েছিলেন ভিভ। যার ফলে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মহিন্দর অমরনাথ, ১৯৮৩
বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর। ফাইনালে আবারো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রতিপক্ষ ভারত। দুই বারের চ্যাম্পিয়ন গর্ডন গ্রিনিজ, ভিভ রিচার্ডস, ক্লাইভ লয়েডরা এবারো ছিলেন ফেবারিট। টস জিতে তারা ভারতকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ১৮৩ রানে অলআউট করে দেয়; কিন্তু ভারতীয় বোলাররা সেদিন ছিলো ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায়। দলীয় ৬৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে ৩ উইকেট তুলে নেন পেসার মদন লাল। তবে সপ্তম উইকেটে ডুজন ও মার্শালের জুটি যখন প্রতিরোধ গড়ে তখন এক ওভারে এই দুই ব্যাটসম্যানকে আউট করে ভারতকে স্বস্তি এনে দেন স্লো মিডিয়াম পেসার মহিন্দর অমরনাথ। এরপর দলীয় ১৪০ রানে শেষ ব্যাটসম্যান হোল্ডিংকে আউট করে ভারতেকে বিজয় উল্লাসে মাতিয়েছেন অমরনাথ। ৭ ওভারে ৩ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ২৬ রান করার কারণে তিনিই হন ম্যাচ সেরা। কপিল দেবের হাতে ওঠে বিশ্বকাপ শিরোপা।

ডেভিড বুন ১৯৮৭
দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। উভয়েরই লক্ষ্য প্রথম শিরোপা জয়। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে অজিরা। নভেম্বর মাসে ভারতে দিন ছোট হওয়ার কারণে বিশ্বকাপের ম্যাচ ৬০ ওভার থেকে কমিয়ে আনা হয় পঞ্চাশ ওভারে। ওপেনার ডেভিড বুনের ৭৫ রানের ধৈর্যশীল ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেটে ২৫৩ রান তোলে অ্যালান বোর্ডারের অস্ট্রেলিয়া। ১২৫ বলের ইনিংসে ছিলো ৭টি চার। ২৫৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৮ উইকেটে ২৪৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি ইংল্যান্ড। প্রথম বিশ্বকাপ জেতে অস্ট্রেলিয়া। আর ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ওঠে ডেভিড বুনের হাতে।

ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহওয়াসিম আকরাম, ১৯৯২
টানা দ্বিতীয় ফাইনালে ওঠা ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হয় ইমরান খানের পাকিস্তান। টস জিতে আগে ব্যাটিং করে ইমরান খানের ৭২ আর জাভেদ মিয়াঁদাদের ৫৮ রানের ভর করে দুইশো পার করলেও পাকিস্তানের রান তোলার গতি ছিলো ধীর। তবে শেষ দিকে ব্যাটে ঝড় তুলে সেটা পুষিয়ে দেন তরুণ ওয়াসিম আকরাম। মূলত বোলার হলেও ব্যাটিংও করতে পারতেন দলের প্রয়োজনে। তার ১৮ বলের ছোট্ট একটি ঝড়ে পাকিস্তান লড়াই করার মতো পুঁজি পায়। ৬ উইকেটে ২৪৯ রান। আকরামের ব্যক্তিগত সংগ্রহ হয় ৩৩ রান।
২৫০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই ওয়াসিম আকরামের বলে ওপেনার ইয়ান বোথামকে হারায় দলীয় ৬ রানে। এরপর ইনিংসের মাঝপথে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা অ্যালান ল্যাম্বকেও ফেরান ওয়াসিম। পরপর দুই বলে ল্যাম্ব ও লুইসের স্ট্যাম্প উপড়ে ফেলে পাকিস্তানের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করেন বামহাতি এই পেসার। ব্যাট হাতে ঝড়ো গতিতে ৩৩ রান আর বল হাতে ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেন সুইংয়ের রাজা ওয়াসিম আকরাম।

ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহঅরবিন্দ ডি সিলভা, ১৯৯৬
প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা শ্রীলঙ্কা টস জিতে ব্যাটিং করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়াকে। এদিন ব্যাটে বলে বলতে গেলে একাই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেন অলরাউন্ডার অরবিন্দ ডি সিলভা। বল হাতে ৩ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি নিয়েছেন দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ। যার ফলে ৭ উইকেটে ২৪১ রানে থামে অস্ট্রেলিয়া; কিন্তু রান তাড়া করতে নেমে ২৩ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে লঙ্কানরা। সেখান থেকে গুরুসিংহা ও অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গাকে নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন ডি সিলভা। শেষ পর্যন্ত ১০৭ রানে অপরাজিত থেকে শিরোপা নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন। শ্রীলঙ্কাকে এনে দেন বিশ্বকাপ শিরোপা। করেন বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে তৃতীয় সেঞ্চুরি। পুরো টুর্নামেন্টেই দারুণ খেলেছিলেন ডি সিলভা। হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ও।

শেন ওয়ার্ন, ১৯৯৯
ওয়াসিম আকরামের দুর্দান্ত পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় অস্ট্রেলিয়া। দাপটের সাথে পুরো টুর্নামেন্টে খেলেছে পাকিস্তান, অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে উঠেছে ভাগ্যের সহায়তায়। তাই পাকিস্তানই ছিলো ফাইনালের ফেবারিট; কিন্তু সেদিন আগে ব্যাট করতে নেমে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। ৫ অজি বোলারের সবাই উইকেট নিয়েছেন, তবে লেগস্পিনার শেন ওয়ার্ন একাই ফিরিয়েছেন ইজাজ আহমেদ, মইন খান, শহীদ আফ্রিদি আর ওয়াসিম আকরামকে। ৯ ওভারে খরচ করেছেন ৩৩ রান। কোন ব্যাটসম্যানই প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। যার ফলে ৩৯ ওভারে মাত্র ১৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এই রান তাড়া করতে মোটেই বেগ পেতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। উত্তাপহীন এক ফাইনাল জিতে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুললো স্টিভ ওয়াহর অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালের নায়ক শেন ওয়ার্ন।

ফাইনালের নায়কেরা । আবু আবদুল্লাহরিকি পন্টিং, ২০০৩
আবারো ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া। এবার তাদের প্রতিপক্ষ সৌরভ গাঙ্গুলির ভারত। গাঙ্গুলি টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে বুঝতে পারেন কত বড় ভুল করেছেন। ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটির পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক রিকি পন্টিং। ব্যাস! একাই গুঁড়িয়ে দেন ভারতের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন। ৮ বোলার ব্যবহার করেও সেদিন পন্টিংকে থামাতে পারেননি গাঙ্গুলি। ১২১ বলে অপরাজিত ১৪০ রানের ইনিংস খেলে রানের পাহাড়ে তুলেছেন অস্ট্রেলিয়াকে। পন্টিংয়ের ইনিংসে ছিলো ৪টি চার ও ৮টি ছক্কা। ডেমিয়েন মার্টিন করেছিলেন ৮৮ রান। ওই সময় স্কোর বোর্ডে তিন শ’ রান মানেই বিগ স্কোর। সেখানে অস্ট্রেলিয়া তোলে ২ উইকেটে ৩৫৯ রান।
এই রান টপকে তখনকার দিনে জেতা ছিলো অসম্ভব। হয়েছেও তাই। ভারত ২৩৪ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচ হেরেছে ১২৫ রানে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে তৃতীয় বিশ্বকাপ জেতান পন্টিং। ক্লাইভ লয়েডের পর দ্বিতীয় অধিনায়ক হিসেবে আর সব মিলে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে সেঞ্চুরি করেন। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড হয়।

অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ২০০৭
আগের বার যেটা রিকি পন্টিং করেছিলেন, এবার সেই কাজটিই করেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। টানা তৃতীয় ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া, প্রতিপক্ষ মাহেলা জয়াবর্ধনের শ্রীলঙ্কা। আগে ব্যাট করে লঙ্কান বোলারদের ওপর রীতিমতো টর্নেডো বইয়ে দেন গিলি। ১০৪ বলে ১৪৯ রানের ইনিংসে ছিলো ১৩টি চার ও ৮টি বিশাল ছক্কা। আর এই ইনিংসে ভর করেই বৃষ্টি বিঘিœত ম্যাচে ৩৮ ওভারেই ২৮১ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। অজিদের ওপেনিং জুটি ছিলো ১৭২ রানের যার মধ্যে ম্যাথু হেইডেনের সংগ্রহ ছিলো ৩৮ রান, বাকি সব গিলক্রিস্টের। কতটা বিধ্বংসী ছিলেন গিলক্রিস্ট তা এ থেকেই বোঝা যায়। রান তাড়া করতে নেমে ২১৫ রানে থামে শ্রীলঙ্কা, আর হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতার গৌরব অর্জন করে অস্ট্রেলিয়া।

মহেন্দ্র সিং ধোনি, ২০১১
অল এশিয়ান ফাইনালে মুখোমুখি ভারত ও শ্রীলঙ্কা। আগে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ২৭৪ রান তোলে কুমার সাঙ্গাকারার দল। পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে সেঞ্চুরি করেন মাহেলা জয়াবর্ধনে (১০৩); কিন্তু আগের চারজনের মতো শিরোপা জেতা হয়নি তার। ধোনির ইনিংসের কাছে হার মেনেছে তার সেঞ্চুরি। রান তাড়া করতে নেমে ভারতের ওপেনিং জুটি ব্যর্থ হলেও গৌতম গম্ভীর আর এমএস ধোনির ব্যাটিংয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। গম্ভীর ৯৭ রান করলেও চাপের মুখে ধোনির ৭৯ বলে ৯১ রানের ইনিংসটি সেরার মর্যাদা পায়। ৮টি চার ও ২ ছক্কায় অধিনায়ক ধোনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এনে দেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা।

জেমস ফকনার, ২০১৫
মাঝখানে এক আসর বাদ দিয়ে আবার ফাইনালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক নিউজিল্যান্ড। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বড় স্কোর পায়নি নিউজিল্যান্ড। দলীয় ৩৯ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে মিডল অর্ডারে প্রতিরোধ গড়েন রস টেলর ও গ্র্যান্ট ইলিয়ট; কিন্তু এক ওভারে জোড়া আঘাত হেনে সেই জুটি ভাঙেন অজি পেসার জেমস ফকনার। এক বলের ব্যবধানে তুলে নেন সেট হওয়া রস টেইলর ও নতুন ব্যাটসম্যান কোরি অ্যান্ডারসনকে। পরের স্পেলে বোলিং করতে এসে আবার আউট করেন টপ স্কোরার গ্র্যান্ট ইলিয়টকে (৮৩)। অন্য কোন ব্যাটসম্যান উল্লেখযোগ্য রান করতে না পারায় ১৮৩ রানে অলআউট হয় প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা নিউজিল্যান্ড। এই রান তাড়া করতে বেগ পেতে হয়নি অজিদের। ৩ উইকেট হারিয়ে তারা ছুঁয়ে ফেলে পঞ্চম বিশ্বকাপ শিরোপা। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হন জেমস ফকনার।

SHARE

Leave a Reply