Home প্রবন্ধ আল মাহমুদের কিশোর গল্প শিক্ষা ও বাস্তবতা । মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন

আল মাহমুদের কিশোর গল্প শিক্ষা ও বাস্তবতা । মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন

আল মাহমুদের কিশোর গল্প শিক্ষা ও বাস্তবতা । মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনস্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও বহুমাত্রিক সাহিত্যিক আল মাহমুদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের এক প্রাচীন মুসলিম পরিবারে ১১ জুলাই ১৯৩৬ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলজীবনেই সাহিত্যে হাতেখড়ি। স্কুলের গণ্ডি পার না হতেই দেশ-মাতৃকার জন্য মাঠে ময়দানে কাজ শুরু করেন। পাকিস্তানিরা এ সাহসী স্কুল বালককে ভয় পেয়ে গ্রেপ্তারের জন্য তাঁর বাড়ি ঘেরাও করলেও তিনি সে যাত্রায় রক্ষা পান। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের ইতি টানেন। পালিয়ে বেড়ান এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে।
লেখালেখি যাঁর অস্থিমজ্জায় মিশে ছিল। তাই তিনি লেখালেখি শুরু করেন জীবনের সর্বস্ব দিয়ে। ফলে ১৯৫৬ সালের মধ্যে কলকাতার সব বিখ্যাত পত্রিকায় তাঁর কবিতা ছাপা হয়েছিল। ততদিনে পূর্বপাকিস্তান ছাড়িয়ে পশ্চিম বঙ্গেও তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিক কবিখ্যাতির প্রলোভনে তিনি সবকিছু ছেড়ে কবিতা রচনার দিকেই মনোযোগ দেন। এতকিছুর পরও তাঁর গদ্য লেখার স্বতঃস্ফূর্ততা সবাইকে চমকিয়ে দেয়।
তাঁর লোক লোকান্তর (১৯৬৬), কালের কলস (১৯৬৬) ও সোনালী কাবিন (১৯৭৩) প্রকাশিত হবার পর বাংলা সাহিত্যে আল মাহমুদের আসন স্থায়ী হয়ে যায়। এরপর অনেক কাব্যগ্রন্থ তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয় এবং প্রতিটি কাব্যগ্রন্থের স্বকীয়তার জন্য পাঠক হৃদয়ে নাড়া দেয়। কাব্যের পাশাপাশি অনেক উপন্যাস বিশেষ করে বখতিয়ারের ঘোড়ার পর তাঁর ঔপন্যাসিক খ্যাতিও মানুষকে চমকে দেয়। পানকৌড়ির রক্ত বাংলা কথা সাহিত্যিক তকমা লাভে সহায়তা করে। এরপর আত্মজীবনীমূলক ও ভ্রমণকাহিনী লিখে সবার মাঝে বহুমাত্রিক আল মাহমুদ এমন আসন লাভ করেন যা যতদিন বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশ থাকবে ততদিন অমর হয়ে থাকবে।
এর মধ্যে তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। শিশু-কিশোরদের নিয়েও তিনি রচনা করেছেন শিশু-কিশোর উপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস ও নাটিকা। এসব রচনার মাধ্যমে তিনি সাহিত্যের সব শাখায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস হলো- মরু মুষিকের উপত্যকা, ময়নামতির নেকলেস এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। পাখির কাছে ফুলের কাছে ও একটি পাখি লেজ ঝোলা তাঁর বিখ্যাত কিশোর কাব্যগ্রন্থ। এ কাব্যগ্রন্থ দু’টির উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো- ‘ভরদুপুরে’, ‘আকাশ নিয়ে’, ‘একুশের কবিতা’, ‘নোলক’, ‘পাখির মত’, ‘ঊনসত্তরের ছড়া’, ‘মনপবনের নাও’, ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’, ‘হাসির বাক্স’, বোশেখ’, ‘রাতদুপুরে’, ‘তারিকের অভিলাস’, ‘ঝালের পিঠা’, ‘রসায়নের রান্না’, ‘বোশেখ এসো’, ‘হালাল’, ‘বাঁচার জন্য’, ‘একলা মিতু’, ‘হায়রে মানুষ’, ‘সবুজের আশ্রয়’, ‘আমি রাতের পক্ষে’, ‘ভয়ের চোটে’, ‘বন্ধ ঘরে আমি’ ইত্যাদি।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কিশোর গল্প হলো- ‘ক্ষুদে পাখির প্রেরণা’, ‘ফড়িং ধরার গল্প’, ‘একটি ছবি’, ‘একটি পাহাড়ি গল্প’ ও ‘বেপরোয়া’। প্রতিটি গল্পের ভাষা ও বিষয়বস্তু বেশ আকর্ষণীয় এবং সরল। কিশোর মনের কৌতূহল এবং ভবিষ্যতের গতিপথের দিকে নজর রেখে নৈতিকতা শিক্ষাসম্পন্ন বিষয়বস্তু নির্ধারণ করেছেন আল মাহমুদ। তাঁর গল্পগুলোতে ফুটে উঠেছে একজন পথহারা কিভাবে আলোর পথে এসে নিজেকে সংশোধন করতে পারে এবং অন্য কিশোরদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠতে পারে। ফলে প্রতিটি গল্পেই দেখা যায় আল মাহমুদের সৃষ্টি তরুণ চরিত্রগুলো অন্যায় অবিচারে লিপ্ত হতে হতে নানা কর্মের মাধ্যমে নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা মানবিক গুণাবলীর মাধ্যমে সঠিক ও ন্যায়ের পথে ফিরে আসে। পাশাপাশি লক্ষ্যহীন জীবন থেকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য লড়াই করে।
তাঁর গল্পগুলো প্রকৃতির বর্ণনা এবং সে প্রকৃতি কিভাবে মানব জীবনকে পরিবর্তন করে তার একটি সুস্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়। এক সাহিত্যিকের ভাষায়, ‘ফুল ও পাখির কাছে মনের কথা বলতে বলতে হারিয়ে যাই শৈশবে। তখন পড়ার টেবিলে লুটোলুটি খায় কাঁঠালচাঁপার গন্ধ, নদীর কুলকুল গান। কবি আমাদের নিয়ে যান পাড়াগাঁর মেঠোপথে, ক্ষেতের আলে, নানা রকম লতাপাতায় ঘেরা বনে। হতে শেখায় পাখির মতো বন্য। মাছের মতো চঞ্চল। যেন একে একে মখমলের থলি থেকে ঢেলে দেন সোনার মোহর। অঢেল শৈশব। এমন জাদুকর … আল মাহমুদ।’ অর্থাৎ প্রকৃতির কাছে শিক্ষার যে বিশাল সুযোগ রয়েছে তা তিনি নতুন করে দেখিয়ে দিয়েছেন।
তাঁর ‘ক্ষুদে পাখির প্রেরণা’ গল্পটি শুরু হয় বেশ স্বাভাবিকভাবে। অর্থাৎ শিশু-কিশোরদের নিয়ে যে প্রক্রিয়ায় গল্প শুরু হয় ঠিক সেভাবেই। কিন্তু গল্পের শুরুটা ধারাবাহিক বা গতানুগতিক হলেও ক্রমেই এর ভিন্নতা চোখে পড়ে। এ গল্পের শুরুটা হলো- ‘অনেকদিন আগের কথা। আমি তখন সপ্তম অথবা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। আমার পড়ার ঘরের পাশেই ছিল একটা বেগুন ক্ষেত। আমি জানালার পাশে বসে পাঠ্যবইয়ের কবিতা পড়তে হঠাৎ একটা অতিশয় ক্ষুদ্র পাখি টুনটুন চিকচিক শব্দে বেগুন ক্ষেতের দিকে তাকালাম। দেখলাম একটা ক্ষুদ্র পাখি বেগুন পাতায় এসে বসেছে। চিকচিক শব্দে ইতিউতি দেখছে। এ সময় অন্য একটা টুনটুনিও ঐ বেগুন গাছটার ওপর দিয়ে কয়েকবার এদিক সেদিক ওড়াউড়ি করে চলে গেল। আমি ভালো করে লক্ষ করলাম। বেগুন পাতার ওপর বসে থাকা টুনটুনিটা যে পাতার ওপর বসেছিল, ঠিক এর মাথার ওপর অন্য একটা পাতায় ক্ষুদে চঞ্চু ঢুকিয়ে টেনে, মুচড়ে বসে থাকা পাতার সাথে মাথার ওপরের পাতাটিকে মিলিয়ে কী যেন পরখ করল। তারপর চিকচিক শব্দে আবার বাতাসে মিলিয়ে গেল। আমি পাখিটার এই কাণ্ড দেখে কিছুই বুঝতে পারলাম না। আমার তখনও জানা ছিল না, টুনটুনিরা কোনো গাছের দুটি পাতা সেলাই করে এসে বাসা বাঁধে।’
এ অংশে কিশোর মনের কৌতূহলকে প্রকাশ করলেও ব্যতিক্রমটা শুরু হয় যখন দেখি এ বালকটি অন্য দশটি বালকের মত পাখির বাসাকে ভেঙে না দিয়ে বরং ধীরে ধীরে একে রক্ষা করবার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বালকটি প্রতিদিন লক্ষ রাখলো এ ক্ষুদে পাখিদের কর্মকাণ্ড। একদিন বুঝতে পারলো মা পাখিটি ডিম পাড়বে এবং সেখানে বাচ্চা ফুটাবে। আর তখনই বালকটি আশঙ্কাগ্রস্ত হয়ে পড়লো তাদের পোষা বিড়ালের কথা ভেবে। পোষা বিড়ালটি ডিমগুলো নষ্ট করে দিতে পারে। আর আশঙ্কা থেকে ‘ঐ বিড়ালের হাত থেকে টুনটুনির পরিবারকে আমি বাঁচাবার প্রতিজ্ঞা করলাম। কারণ আমি জানতাম, আমাদের ঘরের মেউটা অত্যন্ত হিংস্র প্রাণী। প্রজাপতি, ফড়িং এসব সুন্দর পাখ-পতঙ্গের ওপর ও ঝাঁপিয়ে পড়তে ওস্তাদ।’
অবাকচিত্তে ছোট্ট টুনটুনির বড় বড় ডিম দেখে অবাক হয়। আর অবাক ও আশঙ্কার কারণে ‘আমি কয়েকদিন পড়াশোনায় মন দিতে পারছি না। শুধু জানালায় বসে সারাদিন ঐ ডিমশুদ্ধ বেগুন গাছটার দিকে তাকিয়ে থাকি। স্কুলে যাওয়ার সময় আম্মাকে টুনটুনিদের এই বাসা ও ডিমের কথা বলে যাই। আমি এরই মধ্যে আমার বাপ-মাকে টুনটুনিদের এই বেগুন পাতার বাসা সম্পর্কে সব কথা খুলে বলেছি এবং টুনটুনিরা যে কয়দিন এখানে বাচ্চা ফুটানো এবং বাচ্চাসহ উড়ে যাওয়ার আয়োজন না করবে, ততদিন এর দায়িত্ব আমি ও আমার বাবা-মার ওপর থাকবে বলে আম্মাকে জানিয়ে দিয়েছি। আম্মা মুচকি হাসলেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিলেন, বিল্লিটা যাতে ঐ বেগুনতলায় না যায় তিনি তা দেখবেন। ’
এখানে বেশ কয়েকটি শিক্ষা আমরা পেলাম। এক, প্রকৃতির প্রতিটি সৃষ্টি মহান আল্লাহর বলে সব কয়টিকে সমানভাবে সম্মান করা এবং তার প্রতি যত্নশীল হওয়া আমাদের কর্তব্য। দুই, প্রতিটি শিশু-কিশোর পরিবারের কাছেই মূল নীতি-নৈতিকতা শিখতে পারে। তিন, বাবা-মায়ের সাথে শিশু-কিশোরদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত, যাতে তারা মনের সব কথা খুলে বলতে পারে।
আল মাহমুদের কিশোর গল্প শিক্ষা ও বাস্তবতা । মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনএ গল্পটির চেয়ে ‘ফড়িং ধরার গল্প’টি আরো বেশি শিক্ষণীয়। চঞ্চল তৈমুর কেবল শিশু থেকে কৈশোরে পা রেখেছে। একদিন জঙ্গলে নানা রঙের ফড়িং দেখে এদের ধরার চেষ্টা করছিল। কোনোভাবেই তাদের পরাস্ত করতে পারছিল না। অবশেষে বড় একটি ফড়িংকে পিছন থেকে ধরার চেষ্টা করল এবং ধরে ফেলল, ‘কিন্তু ফড়িংটাও কি কম যায়। মাথা ও মুখ ঘুরিয়ে নিচের দিকে নামিয়ে কুটটুস করে কামড়ে ধরে তৈমুরের তর্জনীতে।’ অবশেষে কামড় খেয়ে ফড়িংটিকে ছেড়ে দেয়।
যেহেতু সময়টা বর্ষা ছিল বনে নানা প্রজাতির ও রঙের ফুল ফুটে। কেয়া তেমনি একটি ফুল। কাঁটাযুক্ত এ ফুল বেশ আকর্ষণীয় বলে তৈমুর এবার তার দিকে নজর দিল। আর এ ফুল থেকেই শিক্ষা নিলো তৈমুর। তার ভাষায়, ‘বর্ষাকাল কেয়াফুল কাঁটায় ভরে ওঠে। তৈমুরের আঙুলে-গায়ে কাঁটার আঁচড় লাগে। ব্যথায় অস্থির হয়ে তৈমুর দেখল কাঁটার ভেতর অপূর্ব সাদা কেয়াফুল। যেখানে ফুল, সেখানে সৌরভ সুগন্ধ, সেখানে কাঁটা কেন। সুন্দরকে বাঁচাতে, প্রকৃতিকে আল্লাহ এই কণ্টকের দেয়াল তৈরি করেছেন। ফুলের যারা উপকার করে সেই মৌমাছিরাই সেখানে পৌঁছাতে পারে না। এ ভাবনা থেকে মনে হলো কেন ঐ গঙ্গা ফড়িংটা ধরতে গেলাম। কী সুন্দরই না ছিল ফড়িংটা। আমি দুমড়ে মুচড়ে নষ্ট করে দিলাম আর উপহার পেলাম একটা মরিয়া দংশন।’
এখানে বেশ চমৎকার একটি শিক্ষার কথা প্রকাশ পেয়েছে। প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা প্রতিটি সুন্দরকে রক্ষা করার দায়িত্বও সৃষ্টিকর্তা নিজের হাতে যেমন রেখেছেন তেমনি অন্যায়ভাবে কাউকে ধ্বংস করতে চাইলে প্রকৃতিপ্রদত্ত বিচার সাথে সাথেই হয়ে যায়।
আল মাহমুদের আরেকটি অনন্য সৃষ্টি হলো ‘একটি ছবি’। এ গল্পটি মানুষের পৈশাচিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। একজন কিশোরকে আলোর পথে কিভাবে আনতে হয়, তা আল মাহমুদ দক্ষ হাতেই নির্মাণ করেছেন। ‘একটি ছবি’ গল্পে নাজমা মনের অজান্তেই রঙ-তুলিতে ছবি আঁকতেন। একদিন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ভিক্ষা করা এক ভিক্ষুকের নিরাশ হওয়ার চেহারায় যে বেদনা ফুটে উঠেছে, তা ধারণ করে যে কালো ছবি আঁকলেন তাই এক প্রদর্শনীতে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করে। পুরস্কার নিয়ে ফিরে আসার সময় রাস্তায় সে ভিক্ষুকের ভিক্ষা করার দৃশ্য তাকে নাড়িয়েছে এমনভাবে সে কাল বিলম্ব না করে অর্জিত পুরস্কারের পুরো টাকাটা দিয়ে মানবিকতার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। শেষ অংশ বেশ হৃদয়বিদারক, কেননা, ‘আমাকে সাহায্য করো মা। আমি বড় অসহায়। কথা বলল না নাজমা। কী বলতে গিয়ে তার মুখ থেকে শব্দ বেরুলো না। শুধু তার সুন্দর ঠোঁট জোড়া কাঁপতে লাগল। কিছু না বলে নাজমা তার পুরস্কারের টাকা বাঁধা রুমালখানা বুড়োর হাতে চেপে দিল। তারপর মাথা নুইয়ে অপরাধীর মতো রাস্তা পার হতে লাগল। বুড়ো রক্তহীন চোখ দুটো মেলে দিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল এই অদ্ভুত মেয়েটির দিকে।’
এমনিভাবে তাঁর প্রতিটি গল্পে একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা রয়েছে যা একজন কিশোরকে প্রকৃত মানুষ করতে সহায়তা করবে। একজন লেখক কেবল বিনোদন দিয়ে ক্ষান্ত হয় না। লেখকের দায়িত্ব হলো সমাজকে পরিবর্তন করা। এমন দায়িত্ব নিয়েই আল মাহমুদ রচনা করেছেন তাঁর সব কিশোর গল্প। বিষয়বস্তুর কারণে এবং এসব বিষয়বস্তুর সাথে বাস্তবতার যে মিল রয়েছে তার জন্যই তিনি অমর হয়ে থাকবেন। এ গল্পের যে শিক্ষা তা ধারণের মাধ্যমেই কিশোর সমাজ আগামী দিন ইনসাফের সমাজ নির্মাণ করতে পারবে।

SHARE

Leave a Reply