Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক

খোলা ডাক

সুসিজ্জত পত্রিকা
আমি কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার নিয়মিত একজন পাঠক। এই পত্রিকা আমার জানার পরিধি বাড়াতে শেখায়। এই পত্রিকা এক ঘণ্টা পড়ার মাধ্যমে ভ্রমণ করিয়ে আনতে পারে পৃথিবী। এই পত্রিকা পড়ে আমি মাছির মতো চারদিকে অজস্র চোখ ফুটিয়ে তুলতে পারি। আমি মনে করি এই সুসিজ্জত বই আমাকে পরিবর্তন করে দিবে।
মো: মুজাহিদুল ইসলাম আযম
গোয়াইনঘাট, সিলেট

রেজাল্টের সাথী
একদিন আমার এক বড় ভাই আমাকে ডেকে নিয়ে একটি মজার বই উপহার দিল। আর আমাকে বলল, শোন এই বইটি আজ বাসায় নিয়ে গিয়ে পড়বে। আমি বসায় গিয়ে আর পড়লাম না, ভাবলাম বইটিতে কিছু নেই। কিন্তু একদিন স্কুল বন্ধের সময় মনে করলাম বইটি একটু পড়ে দেখি, এখানে কী লেখা আছে। যখন বইটি খুললাম তখন দেখি এটির শুরুতেই কুরআন ও হাদিসের আলো। এর মধ্যে তো হাসির বাকসো, অনুশীলন, ছড়া-কবিতা আরও কত ধরনের বিভাগ তা দেখে আমি মুগ্ধ। এরপর থেকে আমি বইটি নিয়মিত পড়ি এবং একটি খুশির খবর হচ্ছে আমি এবার জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে অনেক ভালো রেজাল্ট করেছি। এটি শুধু এই বইটির জন্যই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এই বইটির নাম তো বলা হলো না, এটির নাম সর্বাধিক প্রচারিত শিশু-কিশোর মাসিক নতুন কিশোরকণ্ঠ।
জাবির আহম্মেদ জিহাদ
দেওয়ানপাড়া, ইসলামপুর, জামালপুর

সাফল্যের দিশারি
লেখার শুরুতে নতুন কিশোরকণ্ঠ পরিবারকে আমার সালাম ও শুভেচ্ছো। প্রথম যেদিন আমি কিশোরকণ্ঠ পাই, সে দিনই এটি আমার পছন্দ হয়। কিশোরকণ্ঠ পত্রিকা পড়ে আমি জীবনে অনেক সাফল্য আনতে পেরেছি। আমার মনে হয় কিশোরকণ্ঠই আমার জীবনে সাফল্যের দিশারি।
উমর আলী
চাপানীহাট, ডিমলা, নীলফামারী

আমার বন্ধু
আমার প্রিয় বন্ধুর নাম জাবির আহম্মেদ জিহাদ। চিনাডুলী উচ্চবিদ্যালয়ে পড়ে। খুব ভালো ছাত্র, আমি মাঝে মাঝে ওর বাড়িতে যাই। যে দিনই যাই দেখি জিহাদের পড়ার টেবিলের ওপর কিশোরকণ্ঠ নামে একটি পত্রিকা। একদিন আমি জিহাদকে বললাম, তুমি কি কিশোরকণ্ঠ পড়ো? জবাবে বলল, নিয়মিত পড়ি। তুমিও আমার কাছ থেকে কিশোরকণ্ঠ নিয়ে পড়তে পারো? তখন আমি একটি পত্রিকা হাতে নিলাম আর বইটি খোলার পর দেখি হাসির বাকসো, ছড়া কবিতা, কার্টুম, রঙতুলি ইত্যাদি বিভাগ। আর সেদিন থেকে আমার কিশোরকণ্ঠ নামে আরেকটি বন্ধু বেড়ে গেলো।
জিহাদ বিন উসমান
বৌশের গড়, ইসলামপুর, জামালপুর

ঝলমলে সোনালি রোদ
কিশোরকণ্ঠ এমন এক পত্রিকা যার ঝলমলে সোনালি রোদে আলোকিত হয় আমাদের হৃদয় আঙিনা। আমাদের প্রাণের পত্রিকা কিশোরকণ্ঠ। সারাদিন পড়াশোনার মাঝে একটা ক্লান্তি নেমে আসে। কিন্তু সকল কিছু সেরে যখন কিশোরকণ্ঠ হাতে তুলে নিই তখন যেন সকল ক্লান্তি চলে যায়। তবে কিশোরকণ্ঠ মাসের প্রথমে হাতে পেলে খুব ভালো হতো। পরিশেষে কিশোরকণ্ঠের জন্য শুভ কামনা রইলো।
মুঈনুল ইসলাম তালহা
লালমোহন, ভোলা

তোমার অপেক্ষায় থাকি
আমার বয়স যখন ১১ বছর। আমি যখন ৫ম শ্রেণীর ছাত্র তখন থেকে আমি কিশোরকণ্ঠের একজন নিয়মিত পাঠক। আমার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে কিশোরকণ্ঠ পড়ার যাত্রা শুরু। তিনি প্রথম আমাকে কিশোরকণ্ঠ এনে দিয়ে বলেন, নে এটা পড় দেখবি ভালো লাগবে। প্রথমে ভাইয়ার কথা বিশ্বাস হয়নি। বললাম এটাতে আবার এমনকি আছে! তবে পড়ার পর মন জুড়িয়ে গেল। তখন থেকে আমি নতুন কিশোরকণ্ঠের আশায় বসে থাকি। কখন আমার বন্ধু কিশোরকণ্ঠ আমার হাতে আসবে। আই লাভ ইউ কিশোরকণ্ঠ।
মেহেদি হাসান
মমতাজেন্নেছা মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর

প্রতিটি মাসই জানুয়ারি
শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না। এক শ্রেণী থেকে অন্য শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনই বই পেয়ে যায় শিক্ষার্থীরা। এই নতুন বইগুলো পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জল্পনা কল্পনার শেষ থাকে না। নতুন বইয়ের সুগন্ধ আর নতুন নতুন বিষয়বস্তু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তেমনি প্রতি মাসের নতুন কিশোরকণ্ঠ ছড়িয়ে দেয় নতুন বইয়ের সুগন্ধ আর নতুন বিষয়বস্তু। তাই কিশোরকণ্ঠের পাঠকদের জন্য প্রতি মাসই যেন জানুয়ারি মাস হয়ে ওঠে।
মীর আবু জাফর
রুস্তমপুর, চারঘাট, রাজশাহী

SHARE

Leave a Reply