Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক- মার্চ ২০১৯

খোলা ডাক- মার্চ ২০১৯

আলোর প্রতীক
কিশোরদের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম হিসেবে কিশোরকণ্ঠ আলোর প্রতীক হয়ে কাজ করে। কারণ একজন ছাত্র এটি পাঠের ফলে তার মেধা আরো বেশি বিকশিত হয়। এতে যেসব বিষয় অধিক জ্ঞান প্রদান করে তা হলো : সায়েন্স ফিকশন, মনীষীদের জীবনী, স্বাস্থ্যকথা, শব্দধাঁধা, বলতে পারো, কুরআন ও হাদিসের বাণী, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, খেলাধুলা। সত্যিই গভীরভাবে জ্ঞান প্রদান করে। তাই এটি আলোর প্রতীক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে যাচ্ছে।

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মাবেদ
নয়াটোলা, রমনা

আলোকবর্তিকা
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন- ‘আমি তোমাদের মাঝে এমন সুস্পষ্ট দু’টি বিধান রেখে গেলাম, যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না; যা আল্লাহর কিতাব এবং তার নবী (সা)- এর হাদিস।’ মহানবী (সা)-এর এ বাণী অনুযায়ী সাদৃশ্যপূর্ণ বই হলো কিশোরকণ্ঠ। কারণ এ বইয়ে ঢোকা মাত্রই দেখি ‘কুরআনের আলো’ আর ‘হাদিসের আলো’। এ দু’টি বিষয় প্রতিটি পাঠককে জান্নাতের দিকে আহবান করে। তারপর ভেতরে ঢুকতেই যেন জ্ঞানের সমুদ্র। সব মিলেই এটি পাঠককে আলোকময় জীবন উপহার দিতে পারে। তাই কিশোরকণ্ঠ পাঠকদের জন্য আমি মনে করি এটি একটি আলোকবর্তিকা।

আবু উবাইদা আদীল
দক্ষিণ হরিণা, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম

স্বপ্নের কিশোরকণ্ঠ
‘নতুন কিশোরকণ্ঠ’ মানে আমার কাছ ভিন্ন কিছু। সেই ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে নিয়মিত পড়ে আসছি। প্রতিবারের ন্যায় এবারও নতুন কিশোরকণ্ঠ ২০১৯ সালের জানুয়ারি সংখ্যা হাতে পেয়েছি। এবারের সংখ্যায় আমার একটি ছড়া দেখে আনন্দ বহুগুণে বেড়ে গেলো। প্রিয় কিশোরকণ্ঠ এভাবে চলুক। শত নবীনের জীবনে অনুপ্রেরণার পাথেয় হিসেবে। প্রিয় কিশোরকণ্ঠ পরিবারের প্রতি ভালোবাসা নিরন্তর। বেঁচে থাকুক প্রতিটি হৃদয়ের গহিনে।

নুরুল আজিম ইমতিয়াজ
বাঁশখালী, চট্টগ্রাম

উদ্যমী হওয়ার মন্ত্র
কিশোরকণ্ঠ আসলেই একটি রোমাঞ্চকর নাম। কিশোরকণ্ঠ এমনই এক পত্রিকা, যে পত্রিকা হাতে পেলে শেষ না করে অন্য কিছু করতে মন চায় না। এক সংখ্যার পত্রিকা শেষ করে পরবর্তী সংখ্যার জন্য উদগ্রীব হয়ে বসে থাকে অসংখ্য পাঠক।
আমি যখন প্রথম কিশোরকণ্ঠ পত্রিকা পাই তখন আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতা পড়ে বেশ আনন্দ পেতাম। তখন ভাবতাম, ইস্ যদি আমি কবি হতাম আর আমার কবিতা প্রকাশ হতো, কী রোমাঞ্চিতই না হতাম! আসলে কিশোরকণ্ঠই আমাকে কবিতা লিখতে আগ্রহী করেছে। তারপর থেকে আমি নিয়মিত কবিতা পাঠাই। সবশেষে কিশোরকণ্ঠ পরিবারের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই আর কিশোরকণ্ঠের উন্নতি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

মোহাম্মদ আকবর আলী
বানিয়াচং, হবিগঞ্জ

জ্ঞান অর্জনের পাথেয়
জ্ঞান এমন একটি বিষয় যা একজন মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে। আর সেই জ্ঞান অর্জন যদি হয় বিনোদন তথা হাসি-কান্নার সমন্বয়ে তাহলে তো কথাই নেই। কিশোরকণ্ঠ ঠিক এমনি একটি আদর্শ মাসিক পত্রিকা। এতে একজন ছাত্রের মেধা, চরিত্র আর নৈতিকতার সকল দিক অত্যন্ত মনোরমভাবে তুলে ধরা হয়, যা আমার এই ছোট্ট হৃদয়ে জ্ঞান অর্জনের অনুপম পাথেয় বলে মনে হয়। প্রিয় এই পত্রিকাটির জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।

জাকারিয়া আল হোসাইন
ডালিয়া, ডিমলা, নীলফামারী

প্রিয় পত্রিকা
কিশোরকণ্ঠ আমার খুব প্রিয় পত্রিকা। কোনো মাসে পত্রিকাটি পেতে অনেক দেরি হয়। আবার কোনো মাসের শুরুতেই পাওয়া যায়। মাসের শুরুতে প্রিয় পত্রিকা হাতে পাওয়ার আনন্দই অন্যরকম। অনেক অভিনন্দন জানাচ্ছি কিশোরকণ্ঠ পরিবারকে এবার মাসের প্রথমেই কিশোরকণ্ঠ হাতে পেয়েছি। তাই কিশোরকণ্ঠ আরো ভালো হয়ে উঠছে তার পাঠকদের কাছে এবং প্রিয় পত্রিকায় পরিণত হচ্ছে।

হাসিব মোশাররফ
কারমাইকেল, রংপুর

শুভ কামনা
আমি কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার একজন নিয়মিত পাঠক। আমি আগে যখন গ্রামে ছিলাম তখন কিশোরকণ্ঠ পত্রিকা পড়া হতো না। অতঃপর গ্রাম থেকে জুলাই মাসে শহরে আসি। তখন থেকে আমি নিয়মিত কিশোরকণ্ঠ পাঠ করি। এই পত্রিকা এখন আমার অবসর সময়ের সাথি। এই কিশোরকণ্ঠ পাঠ করায় আমি অজানাকে জানতে শিখি এবং নিজেকে গড়তে শিখি।

মাহমুদুর রহমান
খুলনা

আলোর পথে
সত্যিই আমার প্রেরণার পত্রিকা এই কিশোরকণ্ঠ। এটিই আমাকে দেখিয়েছে আদর্শ মানুষ হয়ে চলার পথ। এই পত্রিকা আমাদের শেখায় কিভাবে প্রত্যেকটা ছাত্র জীবনে আলোর পথ পেতে পারে। এই পত্রিকা আমাদের জাতির পথপ্রদর্শক। বাংলাদেশে এতো সুন্দর একটা পত্রিকা পেয়ে সত্যিই আমি গর্বিত।

আমিনুল ইসলাম নোমান
খুলনা

SHARE

Leave a Reply