Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক

খোলা ডাক

ফেলে আসা দিনগুলো

ছোটবেলা থেকেই কিশোরকণ্ঠের প্রতি আমার ভীষণ আকর্ষণ। একটু সময় পেলেই হাতে নিয়ে পড়তে বসি। কোনো মাসে পেতে দেরি হলে অস্থির হয়ে উঠি। কিশোরকণ্ঠ যত পড়ি তত যেন নতুন লাগে। কিশোরকণ্ঠ সাথে নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এলাকার মানুষ এখন আমাকে কিশোরকণ্ঠ বলে ডাকে। যখন নতুন কিশোরকণ্ঠ আসতে দেরি হতো তখন পুরনোগুলো নিয়ে বসে পড়তাম। মাঝে মাঝে কিশোরকণ্ঠ পড়ার কারণে বাসায় বকুনি খেতাম। আমার কারণে মাকেও কথা শুনতে হয়েছিল অনেক দিন। আমি যখন দশম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষা দেবো, তখন বাবার নিষেধ অমান্য করে কিশোরকণ্ঠ পড়ছিলাম। সেদিন আব্বু খুব মেরেছিলেন। সেদিন ভাবছিলাম যে আমার যদি রেজাল্ট খারাপ হয় তাহলে বাবা ভাববেন কিশোরকণ্ঠ পড়ার জন্য এমন হয়েছে। তাই খুব মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করেছিলাম। পরীক্ষার পর কিশোরকণ্ঠের পক্ষ থেকে শিক্ষা সফরে গিয়ে খুব মজা করেছিলাম। আজ যেতে ইচ্ছা করে এমন শিক্ষা সফরে। আর যেদিন রেজাল্ট বের হলো, সেদিন আমার খুব ভয় লাগছিল। হঠাৎ বাবা এসে কাছে ডেকে নিয়ে একটি কিশোরকণ্ঠ হাতে দিলেন। আমি তো অবাক দৃষ্টিতে বাবার দিকে তাকাতে লাগলাম, বাবা বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, কিশোরকণ্ঠ তোমাকে আজ প্রতিষ্ঠান সেরা বানিয়ে দিয়েছে। আনন্দে আমি আত্মহারা হয়ে গেলাম। তারপর থেকে বাবা অনেক কিশোরকণ্ঠ আমার জন্য এনে দিয়েছেন। এ মধুর দিনগুলো আজ কেবল স্মৃতি হয়ে আছে। ব্যস্ততার কারণে আগের মতো আর পড়া হয় না। তবে খুব মিস করি কিশোরকণ্ঠ তোমায়। আমার বড় হওয়া যেন ছিনিয়ে নিয়েছে ফেলে আসা দিনগুলোকে।
হাসিব মোশাররফ
কারমাইকেল কলেজ, রংপুর

প্রিয় বন্ধু

প্রথমে কিশোরকণ্ঠ পরিবারকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার প্রিয় বন্ধু কিশোরকণ্ঠ, যখন আমার মন খারাপ হয় তখন এই সেরা বন্ধু কিশোরকণ্ঠ মন ভালো করে তুলে। এই কিশোরকণ্ঠ আমার কাছে একজন মনের ডাক্তার, কোন রোগ হলে মানুষের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেলে যেমন কমে যায় তেমনি আমার মন খারাপ হলে এই কিশোরকণ্ঠ নামের ডাক্তার আমার মন ভালো করে দেয়। তাই কিশোরকণ্ঠ পরিবারের প্রতি আমার আহবান- যেন মাসের শুরুতে পৌঁছিয়ে দেয়া হয়।
আজহারুল ইসলাম
জুড়ী, মৌলভীবাজার

আলোয় উদ্ভাসিত

কিশোরকণ্ঠ এক অমিয় সুধার নাম। কিশোরকণ্ঠের এ সুধা পান করে তৃষ্ণা মিটায় হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী।
যে সুধা জ্ঞানের তপ্ত বালুচরকে করে আলোয় আলোকিত। যে আলোকধারায় জীবনকে গড়ে তোলে উজ্জ্বল আলোকময়। আর তাদের পরিণত করে তোলে আগামী দিনের সত্যিকার ভবিষ্যতের কান্ডারি হিসেবে। কিশোরকণ্ঠের জ্ঞানের আলোয় আমরা হয়ে উঠি অনন্য সাধারণ। কিশোরকণ্ঠের আলোতে আমরা আজ উদ্ভাসিত। দোয়া করি কিশোরকণ্ঠ এভাবেই আলো ছড়িয়ে যাক কোটি শিশু-কিশোরের প্রাণে।
ওবায়দুল্লাহ মাহমুদ
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ

প্রতীক্ষার প্রহর

দীর্ঘ এক মাস প্রতীক্ষার পর যখন কিশোরকণ্ঠ হাতে পাই তখন মনের মধ্যে এক অন্যরকম অনুভূতির সৃষ্টি হয়। কিশোরকণ্ঠ আমার কাছে আলোর দিশারি, সুপথ প্রদর্শক, সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। কুরআন ও হাদিসের ভান্ডার। কিশোরকণ্ঠ বেঁচে থাকুক সবার মনে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হয়ে- এটাই প্রত্যাশা।
তানভীর আহমদ
নাভারণ, যশোর

SHARE

Leave a Reply