Home প্রচ্ছদ রচনা ঈদুল আজহা হজ ও কুরবানি -ইকবাল কবীর মোহন

ঈদুল আজহা হজ ও কুরবানি -ইকবাল কবীর মোহন

বছর ঘুরে ঘুরে আসে ঈদুল আজহা। মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম এই ঈদ উৎসব। ঈদ উৎসব দু’টি। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখ পালিত হয় ঈদুল আজহা। বিশ্বের প্রতিটি মুসলিম আনন্দঘন পরিবেশে ঈদুল আজহার উৎসব পালন করে। মহান আল্লাহর আদেশ পালনের মাধ্যমে তারা আনন্দ ও পরিতৃপ্তি লাভ করে। ঈদুল আজহার দিন মুসলমানরা একসাথে নামাজ আদায় করে। তারপর আর্থিক সঙ্গতি আছে এমন মুসলমানরা পশু কুরবানি করে। এভাবে ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কুরবানির মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রয়াস পান। জিলহজ মাস হজ পালনের মাস। আর্থিকভাবে সচ্ছল মুসলমানগণ এ সময় মক্কা মোয়াজ্জমায় গিয়ে হজ সম্পন্ন করেন। এই ঈদের বড় কাজ হলো কুরবানি করা।
কুরবানির ইতিহাস
ঈদুল আজহার দিনে পশু কুরবানি করা ওয়াজিব বা অবশ্য পালনীয়। এই কুরবানির পেছনে রয়েছে গৌরবময় এক ইতিহাস। এই বিশেষ দিনে হজরত ইবরাহিম (আ) আল্লাহর আদেশে অনেক ছাগল ও মেষ কুরবানি করেন। তবে এই কুরবানি আল্লাহ গ্রহণ করলেন না। তাঁকে আবার কুরবানি করতে বলা হলো। হজরত ইবরাহিম (আ) আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উট কুরবানি করলেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলা এতেও খুশি হলেন না। তিনি বললেন, ইবরাহিম! তোমার কুরবানি কবুল হয়নি। আল্লাহর নবী ভাবনায় পড়ে গেলেন। তাঁকে আবার বলা হলো, তোমার প্রিয় বস্তু কুরবানি করো। এই আদেশ পেয়ে আল্লাহর নবী মহাচিন্তায় পড়ে গেলেন। ইবরাহিম (আ) আল্লাহর ইচ্ছার কোনো কূলকিনারা খুঁজে পেলেন না। ইবরাহিম (আ) নিজের চাইতেও বেশি ভালোবাসেন তাঁর পুত্রকে। কলিজার ধন শিশুপুত্র হজরত ইসমাইল (আ)। তাই ইবরাহিম (আ) পুত্রকেই কুরবানি করার জন্য মনস্থির করলেন। তিনি পুত্র ইসমাইলকে তাঁর স্বপ্নের কথা খুলে বললেন। হজরত ইসমাইল (আ) তখন বেশ ছোট। তবে তিনি ছিলেন খোদাভীরু ও সমঝদার। হজরত ইসমাইল (আ) পিতার কথায় হাসিমুখে রাজি হয়ে গেলেন। পিতা ও পুত্রের এই কথোপকথন সূরা সাফফাত-এর ১০২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বর্ণনা করেছেন এভাবে : ‘অতঃপর সে (ইসমাইল) যখন পিতার (ইবরাহিম) সাথে কাজ করার মতো বয়সে উপনীত হলো, তখন ইবরাহিম বললেন, বৎস! আমি স্বপ্নে দেখি তোমাকে আমি জবাই করছি, এখন তোমার অভিমত কী? সে বলল, হে আমার পিতা! আপনি যা আদিষ্ট হয়েছেন, তাই করুন। আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন।’
হজরত ইবরাহিম (আ) কুরবানির প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেন। স্ত্রী হাজেরা ও পুত্র ইসমাইলকে নিয়ে একদিন তিনি মিনায় গিয়ে হাজির হলেন। মাতা-পিতা দু’জনের মনের গভীরে তখন নীরবে ঝরছে রক্তক্ষরণ। নিজ পুত্রকে আল্লাহর রাহে জবাই করতে হবে! তবে তাঁরা সবাই মহান আল্লাহর অনুগত। আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সবই সোপর্দ করতে তাঁরা প্রস্তুত। হজরত ইবরাহিম (আ) প্রাণাধিক ¯েœহের পুত্রের চোখ বেঁধে কুরবানি দিতে উদ্যত হলেন। আল্লাহর কী কুদরত! আকাশ থেকে এক আওয়াজ এলো : ‘হে ইবরাহিম থামো। তোমার আত্মত্যাগ ও স্বার্থত্যাগে আমি মুগ্ধ হয়েছি। তোমার পুত্রকে জবাই করতে হবে না। আমি তো কেবল তোমার ইচ্ছার ঐকান্তিকতা পরীক্ষা করে দেখলাম।’ গায়েবি আওয়াজ শুনে হজরত ইবরাহিম (আ) থতমত খেয়ে গেলেন। এই সময় কুদরতিভাবে আসা একটি দুম্বা কুরবানি হয়ে গেল। আর ইসমাইল (আ) মুক্তি পেলেন। ইবরাহিম (আ) আল্লাহর আদেশ পালনে শেষ পর্যন্ত অটল থাকায় তাঁর কাজে আল্লাহ খুশি হলেন। এ কথাই মহান আল্লাহ পাক সূরা আস-সাফফাতের ১০৪-১০৭ নম্বর আয়াতে বলেন এভাবে, ‘হে ইবরাহিম! আপনি আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। আমি এভাবেই সৎকর্মীদের প্রতিদান দিয়ে থাকি। নিঃসন্দেহে এটা ছিল বড় কঠিন পরীক্ষা। আমি তার পরিবর্তে দিলাম জবেহ করার জন্য এক মহান বস্তু দুম্বা।’
হজরত ইবরাহিম (আ) ও ইসমাইল (আ)-এর আত্মত্যাগ ও আল্লাহভীতির এ মহিমা স্মরণ করে ঈদুল আজহার উৎসব পালিত হয়। দুনিয়ার প্রতিটি সঙ্গতিপন্ন মুসলমান এ দিনটিতে আত্মত্যাগের উদাহরণস্বরূপ পশু কুরবানি করেন। আল্লাহ পাক উম্মতে মুহাম্মদির ওপর এ কুরবানিকে ওয়াজিব ঘোষণা করেছেন। সূরা আল-কাউসারের ২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন, ‘সুতরাং আপনি আপনার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবানি করুন।’

কুরবানির গুরুত্ব ও ফজিলত
মুসলমানের জন্য অনেক নেক আমল রয়েছে। এসব আমলের মধ্যে কুরবানি একটি বিশেষ আমল। কুরবানির সাথে জড়িত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অনুভূতি। আল্লাহর ভয়ে মুসলমানরা তাঁর এই আদেশ পালন করে। উল্লেখ্য যে, পশু কুরবানি করা আল্লাহর উদ্দেশ্য নয়, বরং আল্লাহভীতিই এখানে মুখ্য বিষয়। এ প্রসঙ্গে সূরা হজের ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন, ‘আল্লাহর নিকট পৌঁছায় না এর গোশত ও রক্ত, পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।’ যে কুরবানির সাথে তাকওয়া এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আবেগ জড়িত নেই, আল্লাহর দৃষ্টিতে সেই কুরবানির কোনো মূল্য নেই। সূরা মায়েদার ২৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘অবশ্যই আল্লাহ মুত্তাকিদের কুরবানি কবুল করেন।’
কুরবানি করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা কুরবানি করে না, তাদের পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহর নবী মুহাম্মদ (সা) সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। হজরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত মহানবী (সা) বলেন, যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (ইবনে মাজাহ) কুরবানির ফজিলত সম্পর্কে হজরত যায়িদ ইবন আকরাম (রা) বর্ণিত এক হাদিসে আল্লাহর রাসূল (সা) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ কুরবানি কী? তিনি বললেন, এটা তোমাদের পিতা ইবরাহিম (আ)-এর সুন্নাত। তাঁরা (আবার) বললেন, এতে আমাদের কী কল্যাণ নিহিত আছে? তিনি বললেন : এর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে। তাঁরা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, বকরির পশমেও কি তাই? জবাবে তিনি বললেন, বকরির প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি করে নেকি আছে।’
ইবনে মাজায় বর্ণিত অন্য এক হাদিসে আল্লাহর রাসূল (সা) বলেন, ‘যে মুমিন ব্যক্তি প্রশস্ত হৃদয়ে হাসিখুশি মনে সওয়াবের আশায় কুরবানি করবে, আল্লাহ তাআলা তার এ কুরবানিকে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষার জন্য ঢালস্বরূপ বানিয়ে দেবেন।’ তিরমিজি শরিফে উল্লিখিত এক হাদিসে মহানবী মুহাম্মদ (সা) বলেন, ‘কুরবানির দিন আল্লাহর কাছে বনি আদমের পশুজবেহ অপেক্ষা অন্য কোনো আমল বেশি পছন্দনীয় নয়। কিয়ামতের দিন কুরবানিকৃত পশু লোম, খুর ও শিংসহ উপস্থিত হবে।’
কুরবানি যাদের ওপর ওয়াজিব
বালিগ, মুকিম (মুসাফির নয় এমন ব্যক্তি) ব্যক্তি ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়, তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য জাকাতের মতো নিসাব পরিমাণ সম্পদ পুরো এক বছর নিজ আয়ত্তে থাকা শর্ত নয়। বরং যে অবস্থায় সাদাকায়ে ফিতর ওয়াজিব হয়, ঐ অবস্থায় কুরবানি করাও ওয়াজিব হয়। তবে মুসাফির ব্যক্তির ওপর কুরবানি ওয়াজিব নয়। কোন মহিলা নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। নিজের পক্ষ থেকে কুরবানি করা ওয়াজিব। সন্তানের পক্ষ থেকে পিতার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব নয়। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক ব্যক্তির ওপর শুধুমাত্র একটি কুরবানি করা ওয়াজিব, যদিও তিনি অঢেল সম্পদের মালিক হোন। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির কুরবানি না করাই উত্তম।

কুরবানির শিক্ষা ও করণীয়
পবিত্র ঈদুল আজহা প্রতি বছর আমাদের কাছে ঘুরে ফিরে আসে। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পশু কুরবানির মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রত্যাশা করে। এ কুরবানির শিক্ষা কী তা আমাদের জানা দরকার। মনে রাখতে হবে, কুরবানি কেবলমাত্র পশু জবেহ করা নয়, কুরবানি হলো নিজের ভেতরের পশুসত্তাকে জবেহ করা। তার মানে মনের সকল কুপ্রবৃত্তিকে খতম করা। কুরবানির গোশত পেয়ে গরিব-দুঃখী খুশি হয়। কুরবানি করার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর আনুগত্য ও নির্দেশ মানার শিক্ষা গ্রহণ করে। কুরবানির দিনে মুসলমানরা একে অপরের সাথে মিলিত হয়। এদিন ধনী-গরিব কোনো ভেদাভেদ থাকে না। সবাই সাম্য, ঐক্য, সম্প্রীতি ও সহানুভূতির মনোভাব নিয়ে হাতে হাত মিলায়। বুকে বুক মিলিয়ে কোলাকুলি করে। এতে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সহমর্মিতার পরিবেশ তৈরি হয়। তাই সবার দরকার কুরবানির যাবতীয় আহকাম মেনে খোদাভীতির মানসিকতা নিয়ে কুরবানি করা। এতে আশা করা যায়, আল্লাহর দরবারে আমাদের কুরবানি কবুল হবে। ফলে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে সমর্থ্য হবো।

হজ পালনের আদেশ
ঈদুল আজহার মাস হজ পালনেরও মাস। ইসলামের পাঁচটি ভিত্তির অন্যতম হলো এই হজ। ‘হজ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ইচ্ছা করা, উপস্থিত হওয়া, মনোনিবেশ করা ইত্যাদি। আল্লাহর উদ্দেশে নির্দিষ্ট সময়ে, নির্ধারিত তারিখে ও যথাযথ নিয়মে কাবা শরিফ ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ জিয়ারত করাকে হজ বলে। আল্লাহ পাক সূরা আলে-ইমরানের ৯৭ নম্বর আয়াতে বলেন, মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাবার সামর্থ্য রয়েছে আল্লাহর উদ্দেশে ঐ গৃহে হজ করা তার অবশ্য কর্তব্য।’ এই আদেশের মানে হলো যাদের সংসারের যাবতীয় খরচ চালিয়ে আর্থিক ও দৈহিক দিক থেকে মক্কায় যাতায়াতের ক্ষমতা থাকে তাদের জন্য হজ একটি অবশ্য পালনীয় ইবাদাত। হজ পালনের বিষয়ে আল্লাহর নবী মুহাম্মদ (সা) মুসলিম শরিফের এক হাদিসে বলেন, হে লোকেরা! তোমাদের ওপর হজ ফরজ করা হয়েছে। অতএব, হজ আদায় কর।’
এখানে উল্লেখ্য যে, কুরবানির সাথেই সংশ্লিষ্ট আরেকটি ইবাদাত হলো হজ। মূলত হজের নয়টি ওয়াজিব কাজের মধ্যে কুরবানি অন্যতম। হজের সময় মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইহরাম বেঁধে কাবাঘর তাওয়াফ করেন, সাফা ও মারওয়ায় ছোটাছুটি করেন, আরাফাতের ময়দান ও মুজদালিফায় অবস্থান করে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করেন, শয়তানকে পাথর মারেন এবং কুরবানি করেন। এভাবে ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ পালনের মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করেন।

হজের উদ্দেশ্য ও শিক্ষা
হজ পালনকারী ব্যক্তি যতই সম্পদশালী হোন না কেন তাকে দুই টুকরো সাদা কাপড়ে ইহরাম বাঁধতে হয়। সাদা-কালো, উঁচু-নিচু ভেদাভেদ পায়ে ঠেলে একই কায়দায় তাকে তাওয়াফ, সাঈ, রমি ও মাথা মুন্ডন করতে হয়। আরাফাত, মুজদালিফায় একই সমতলে তাকে দিন ও রাত কাটাতে হয়। এতে তাকে অহংবোধ বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য চেষ্টা চালাতে হয়। হজব্রত পালনকারী ব্যক্তি সবাই পাপ মোচন ও আত্মিক শক্তি অর্জনের একই উদ্দেশ্যে হজের কার্যাদি সম্পন্ন করেন। হজের সময় বিভিন্ন দেশ ও নানা জাতি এবং বর্ণের লোকেরা একই আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকেন। এতে বিভিন্ন দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজ ও অর্থনীতি সম্পর্কে পরিচয় ঘটার এক মহা সুযোগ তৈরি হয়। এর ফলে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ মজবুত হয়। পারস্পরিক মমতা, সৌহার্দ্য ও সাম্যের অনন্য সুযোগ এনে দেয় হজ। পশুবৃত্তির অবসান ঘটিয়ে হাজিরা আত্মত্যাগের সুমহান আদর্শ জাগ্রত করার পরিবেশ পান হজের মাধ্যমে। ঈদুল আজহার এই দিনগুলোতে নামাজ, কুরবানি ও সামর্থ্যবানদের জন্য হজ পালনের যে সুযোগ আসে তা মুসলিম জীবনকে করে সমৃদ্ধ, পবিত্র ও পাপমুক্ত। প্রিয় বন্ধুরা, এসো আল্লাহপাকের বিধানকে মেনে আন্তরিকতা ও পবিত্রতার সাথে আমরা ঈদুল আজহার মহিমা উপলব্ধি করি এবং সেভাবে জীবনকে পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা করি।

SHARE

Leave a Reply