Home চিত্র-বিচিত্র পান্ডা পিঁপড়া -নুসাইবা মুমতাহিন

পান্ডা পিঁপড়া -নুসাইবা মুমতাহিন

মহান আল্লাহর এই সৃষ্টি জগতে রয়েছে নানান প্রাণীর বসবাস। এদের মধ্যে অনেক প্রাণীকে আমরা চিনি আবার অনেক প্রাণীকে মোটেও চিনি না। এসব চেনা-অচেনা প্রাণীদের মধ্যে অনেক প্রাণী আছে যারা দেখতে যেমন অদ্ভুত তেমনি বিস্ময়কর। এমনই একটা প্রাণী হলো The panda ant বা পান্ডা পিঁপড়া।
পান্ডা পিঁপড়া দেখতে কিছুটা পান্ডার মতো হওয়ায় এর নাম পান্ডা পিঁপড়া।
আমরা লাল পিঁপড়া কালো পিঁপড়া অনেক দেখেছি। কিন্তু পান্ডা পিঁপড়ার সাথে আমাদের পরিচয় তেমন নেই।
যদিও পান্ডা পিঁপড়াকে পিঁপড়া বলে অভিহিত করা হয় কিন্তু এরা মোটেও পিঁপড়াদের গোত্রের নয়, বরং ভিমরুল গোত্রের প্রাণী।
পাখা ছাড়া স্ত্রী পান্ডার গা লোমশ থাকে আর এই কারণেই এর নাম দেওয়া হয়েছে পান্ডা পিঁপড়া।
এই পিঁপড়াটি মূলত এর ভয়ঙ্কর বিষাক্ত হুলের জন্য পরিচিত। এই পিঁপড়ার কামড় মারাত্মক। পান্ডা পিঁপড়া প্রথম আবিষ্কৃত হয় মধ্য চিলির উপকূলীয় অঞ্চলে। ১৯৩৮ সালে। তারপর থেকেই কিছু সংখ্যক বিজ্ঞানী এই পিঁপড়া তে মনোযোগ স্থাপন করেন।
বর্তমানে শুষ্ক অঞ্চল, মরুভূমি এবং বালুময় স্থান বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল এবং মেক্সিকোর কিছু অঞ্চলে এই পান্ডা পিঁপড়া দেখা যায়।
অন্যদিকে বিজ্ঞানীরা পান্ডা পিঁপড়ার আকার নির্ণয়ে সমর্থন হয়েছেন। এই ভয়ানক হুলবিশিষ্ট পিঁপড়াটি দৈর্ঘ্য ৮ মিলিমিটার এবং উচ্চতায় ২-৩ মিলিমিটার লম্বা হয়। এটি প্রাপ্তবয়স্ক পান্ডা পিঁপড়ার গড় দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতা।
আগেই বলেছি এরা দেখতে পান্ডার মতো। পান্ডা পিঁপড়ার গায়ের রঙ সাদা আর কালো মিশ্রিত। স্ত্রী প্রজাতির পান্ডা পিঁপড়াগুলো পাখাহীন এবং প্রচুর পশমযুক্ত। এটি দেখতে সুন্দর আকার বিশিষ্ট কিন্তু এতে রয়েছে বিপজ্জনক হুল। যা চামড়ায় ভয়ঙ্কর ব্যথার সৃষ্টি করে। এজন্য একে ‘পড়-িশরষষবৎ’ও বলা হয়। এই পিঁপড়া এদের চেয়ে কয়েকগুণ আকারে বড় প্রাণীকেও আক্রমণ করে কাবু করে দিতে পারে। পান্ডা পিঁপড়ার দেহে রয়েছে শক্ত বহিঃকঙ্কাল। যা তাদের হুল দ্বারা আক্রমণ করার সময় কামড় দিতে সাহায্য করে এবং প্রচুর শুষ্ক অঞ্চলে এদের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
পান্ডা পিঁপড়া স্ত্রী এবং পুরুষ একই প্রজাতির হলেও এদের সহজেই আলাদাভাবে সনাক্ত করা হয়। পুরুষ পিঁপড়া স্ত্রী পিঁপড়ার আকারে দ্বিগুণ হয়।
পান্ডা পিঁপড়ার প্রধান খাদ্য ফুলের মধু। দিনে স্ত্রী পান্ডা পিঁপড়া সক্রিয় থাকে এবং কাজে সক্রিয় থাকে। পান্ডা পিঁপড়ারা সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ের তাপমাত্রায় বেশি সক্রিয় থাকে।
যদিও এর বিষাক্ত হুল রয়েছে। তবুও বাহ্যিক সৌন্দর্যের কারণে পান্ডা পিঁপড়া বেশ আকর্ষণীয়। হ

SHARE

Leave a Reply