Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো

দুই পাগলের মধ্যে কথোপকথন-
১ম পাগল : বলত রাতে সূর্য ওঠে না কেন?
২য় পাগল : দুর বোকা রাতে তো সূর্য ঠিকই ওঠে কিন্তু অন্ধকারে আমরা তা দেখতে পাই না।
সংগ্রহে : রুহুল আমিন খান
হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ

১ম বন্ধু : বন্ধু! তুই সাঁতার কাটতে পারিস?
২য় বন্ধু : না, পারি না।
১ম বন্ধু : ছি: ছি: ছি:, একটা গরুও তো সাঁতার কাটতে পারে। আর তুই?
২য় বন্ধু : আচ্ছা বন্ধু, তুই সাঁতার কাটতে পারিস?
১ম বন্ধু : হ্যাঁ, পারি।
২য় বন্ধু : তাহলে তো, তোর আর গরুর মধ্যে কোনো পার্থক্যই নাই!
সংগ্রহে : আহসানুল হক সুমন
আমতৈল, জুড়ী, মৌলভীবাজার

এক ভিক্ষুক রাস্তার পাশে বসে ভিক্ষা করছে। হঠাৎ একটি গাড়ি এসে থামলো সেখানে।
ভিক্ষুক এগিয়ে এসে বলল- স্যার কয়টা টাকা দেন, সকাল থেকে কিছু খাইনি।
লোক- এই নাও ১০০ টাকা
ভিক্ষুক- (খুশি হয়ে, না জেনে) আল্লাহ, স্যাররে লাখপতি বানাইয়া দেন।
লোক- বদমাশ ভিক্ষুক, আমার টাকা ফেরত দে?
ভিক্ষুক- ক্যান সার?
লোক- আমার জন্য বদ দোয়া করছিস, আমি তো এখনই কোটিপতি। আর ত্ইু লাখপতি হওয়ার দোয়া করছিস!

এক রোগী ডাক্তারের কাছে গেল-
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমি কানে কম শুনি।
ডাক্তার : ছয়, বলুনতো আমি কত বলেছি?
রোগী : নয়।
ডাক্তার : আপনি কানে কম নয় বেশি শুনেন।

দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন-
১ম বন্ধু : কী হয়েছে দোস্ত। মন খারাপ নাকি?
২য় বন্ধু : সারাদিন পুলিশ আমাকে ধরছে, আর মারছে।
১ম বন্ধু : সে কি রে ! পুলিশ?
২য় বন্ধু: আরে দোস্ত আমার বাবাই পুলিশ।
সংগ্রহে : নাইমুজ্জামান
শাহজাহানপুর, বগুড়া

এক বধির লোক কানের চিকিৎসা করাতে ডাক্তার-চেম্বারে গেছে।
বধির লোক : স্যার, আমার কানের চিকিৎসা করতে হবে। কত টাকার প্রয়োজন?
ডাক্তার : মাত্র তিনশত টাকা।
বধির : অ্যাঁ! কী বললেন? টাকা লাগবে না। ধন্যবাদ।
সংগ্রহে : জাহেদ বিন কাশেম (রবিন)
পূর্ব সাতবাড়িয়া, বাগিচাহাট, চট্টগ্রাম

দুই বোকার মধ্যে আলাপচারিতা-
মিন্টু- দোস্ত জানিস, আমি আগামী মাসে ভারত থেকে ইন্ডিয়া যাবো।
জন্টু : আরে এত অনেক দেরি, আমিতো আগামীকালই চট্টগ্রাম থেকে চিটাগাং যাবো।
সংগ্রহে : জোবাইর বিন জিহাদী
সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম

কারারক্ষী: তোমাকে কী অপরাধে জেলে আনা হয়?
আসামি : দুই-তিন হাত দড়ি চুরি করার অপরাধে।
কারারক্ষী : অসম্ভব ব্যাপার! তা কি করে হয়?
আসামি : (কান চুলকাতে চুলকাতে) ইয়ে মানে দড়ির সাথে একটা গরু বাঁধা ছিল স্যার!
সংগ্রহে : আব্দুল্লাহ আল নোমান
বাঁশখালী চট্টগ্রাম

এক লোক কলা বিক্রি করছে, তিনটি এক হালি হিসেবে।
হঠাৎ এক ক্রেতা এসে বললেন-
এই যে ভাই, এক হালি তো চারটি কিন্তু আপনি তিনটি দিচ্ছেন কেন?
বিক্রেতা : ভাই, আমি অন্ধ।
ক্রেতা : তো, আপনি অন্ধ তাই তিনটি দিচ্ছেন, পাঁচটি দিতে পারেন না?
বিক্রেতা : কী বলেন ভাই, এতটা অন্ধ না।
সংগ্রহে : মোহাম্মদ আল জোবায়ের
চান্দিনা, কুমিল্লা

পথিক : তোমার নাম কী?
আগুন্তুক : আমার নাম শিরিশ
পথিক : তোমার পিতার নাম কী?
আগুন্তুক : আমার পিতার নাম গিরিশ।
পথিক : তুমি কী কর?
আগুন্তুক : পুলিশ।
পথিক : তোমার হাতে কী?
আগুন্তুক : ইলিশ।
পথিক : দাম কত?
আগুন্তুক : তিরিশ।
পথিক : হাসতে হাসতে বলল, তুমি আস্তা একটা জিনিস।
সংগ্রহে : সুরাইয়া আক্তার
সোনাপুর, সদর, নোয়াখালী

এক ব্যক্তি পান বিক্রেতাকে বলছেন-
ব্যক্তি : একটা পান দেন তো খাবো?
পান বিক্রেতা : কী দিয়ে খাবেন?
ব্যক্তি : মুখ দিয়ে।
পান বিক্রেতা : আরে না, বলছি সঙ্গে কী খান?
ব্যক্তি : আমার সঙ্গে হাসিব খান।
পান বিক্রেতা : না মানে আপনি কি জর্দা খান?
ব্যক্তি : না, আমি আকরাম খান।
সংগ্রহে : দিদারুল ইসলাম
বড়কান্দা নিকলী, কিশোরগঞ্জ

ঔষধ বিক্রেতা : এই ঔষধটা এক শিশি নিয়ে যান, সব রোগ সেরে যাবে।
ক্রেতা : আপনি কি করে জানলেন?
বিক্রেতা : কারণ, যে এক শিশি নিয়ে যায় সে আর দ্বিতীয় বার আসে না।
সংগ্রহে : আব্দুল্লাহ আল মামুন
সদর, নোয়াখালী

শিক্ষক : হাবলু, পানিতে বাস করে এমন পাঁচটি প্রাণীর নাম বলো?
হাবলু : মাছ।
শিক্ষক : আর বাকি চারটা?
হাবলু : মাছের মা, বাবা, ভাই, বোন।
সংগ্রহে : এইচ এম মাহমুদুল হাসান জয়াগ
সোনাইমুড়ি, নোয়াখালী

SHARE

Leave a Reply