Home ধারাবাহিক উপন্যাস গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে -মুহাম্মাদ দারিন

গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে -মুহাম্মাদ দারিন

নোভাই প্রথমে নামলো সসার থেকে। তাকালো আকাশের দিকে। সুন্দর বর্ণিল সাজে যেন আকাশটা সেজেছে। তাকালো চারিদিকে। অপরূপ সৌন্দর্যে যেন চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে।
ওরা যেখানে নেমেছে সেটা একটা খোলা মাঠ। দূরে ফুল বাগানের মতো একটা মাঠে এক দল ছেলেমেয়ে খেলছে। এগিয়ে গেল নোভা ঐ দিকে। আসিফ ওর পিছে পিছে।
মাঠের ছেলেমেয়েরা ওকে আমন্ত্রণ জানালো। নোভা ওদের সাথে খেলায় মেতে গেল। আসিফ পাশের গাছতলায় বসে দেখতে লাগলো ওদের। ছেলেমেয়েগুলো সব নোভার সমবয়সী। সবাই খেলা করছে। কেউ কারো সাথে ঝগড়াঝাঁটি বা মারামারি করছে না। সত্যি খুব ভালো এই গ্রহের ছেলেমেয়েগুলো। আসিফ গাছ হেলান দিয়ে চোখ দুটো বন্ধ করেছিলো। নোভা এসে বলল, ‘ভাইয়া খুব ক্ষুধা পেয়েছে।’
আসিফ কিছু বলতে যাচ্ছিল। হবকে দেখে থেমে গেল। হবের দু’হাতে বিভিন্ন ফলমূল। এনে রাখলো নোভার কোঁচড়ে।
ইচ্ছে মতো খেলো ও। খাওয়া শেষ করে বাকি ফলগুলো আসিফের দিকে এগিয়ে দিয়ে খেলায় ছুটলো আবার। আসিফও কিছু ফল খেল। হব ফিরে গেল সসারের দিকে।
আসিফ গাছে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। নোভা কখন এসে ওর কোলের ওপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছে তা জানে না। সময় গড়িয়েছে অনেক। সূর্যটা পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়েছে অনেক আগে। একটা মিষ্টি পাখির ডাকে আসিফের ঘুম ভাঙলো। পা দুটো দলা করতে যেয়ে ভারি মনে হলো। তাকালো ও দিকে। দেখে নোভা ঘুমিয়ে আছে।
পাখিটা ডেকে চলেছে তার স্বরে। আড়ামোড়া ভাঙলো নোভা। পিট পিট করে তাকালো ভাইয়ার দিকে। উঠে বসলো ও। দৃষ্টি দিলো মাঠের দিকে। কিছু শিশু এখনও খেলছে। বারণ করার নেই কেউ। বিরক্তির ভার নোভার চোখে মুখে। বলল, ‘আমার আর ভালো লাগছে না। যা ইচ্ছা তাই। নেই কোনো বারণ, নেই মায়ের বকুনি। ইচ্ছে মতো খেলো, খাও। ঘুরে বেড়াও। কোনো বাধা নিষেধ নেই। এই একটা জীবন হলো! ’ উঠে দাঁড়ালো ও। ভাইয়াকে লক্ষ করে বলল, ‘চল… চল এমন বাঁধাহীন স্বাধীন জীবন ভালো না। বড় একঘেয়েমি। চল.. চল আমরা ফিরে যাই।’
‘কেন কেউতো কিছু বলছে না। যা ইচ্ছে তাই করা যাচ্ছে। খাবাপ কিসে?’ জিজ্ঞাসা আসিফের।
‘আরে নাহ্! এতো স্বাধীন ভালো না। বড্ড একঘেয়েমি। আমার মোটেও ভালো লাগছে না। ফিরে চল ফিরে চল।’
কি আর করা নোভার হাত ধরে সসারের দিকে হাঁটা ধরে আসিফ। যেয়ে দেখে হব সসারে নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছে। ওকে জাগায়।
সসার চালু করে ওরা। আবারও হারিয়ে যায় মহাশূন্যে।

গ্রহের সাথে সসারের সংঘর্ষ

‘এসো আসিফ ও নোভা, আমরা নাস্তা করি। অনেকক্ষণ তো হলো আমরা চলছি। এসো দেরি করো না।’ বলে হব চেয়ার থেকে উঠলো। দাঁড়ালো পাশের দেয়ালের সামনে। হাতের রিমোটে একটা চাপ দিলো। অমনি দেয়াল থেকে একটা দরজা নিঃশব্দে সরে গেল। হব তাতে প্রবেশ করলো। আসিফ ও নোভা অনুসরণ করলো ওকে। ঘরটা তেমন বড় না। ঘরের মাঝে একটা বড় টেবিল। টেবিল ঘিরে তিনটা চেয়ার।
টেবিলে বিভিন্ন প্রকার ফল সাজানো। তবে এই ফলগুলো পৃথিবীর কোনো ফল নয়। ওরা তিনজন তিনটা চেয়ারে বসলো। আসিফ ও নোভা ফলগুলোর দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে রয়েছে। তাই দেখে হব লাল রঙের একটা ফল তুলে নিয়ে তাতে কামড় বসালো। ওদের ইঙ্গিত করলো খেতে। আসিফ ও নোভা দু’জন দু’টি ফল তুলে নিলো। দু’জন দু’জনের দিকে তাকাচ্ছে। দ্বিধা করছে খাবে কি না। অবশেষে নোভাই আগে কামড় বসালো। ‘ওহ্ দারুণ!’ বলে আর দুই কামড়ে হাতের ফলটা শেষ করে আরও একটা তুলে নিলো। আসিফের দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর হয়ে গেল। খেতে শুরু করলো ও।
হব হাতেরটা শেষ করে যখন আর একটা হাতে নেবে তখন ছাদের লাল বাতিটা পিক পিক করে জ্বলতে লাগলো। হব ফল না ধরে হাত গুটিয়ে নিলো। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘পরে খাওয়া যাবে। এখন চলে এসো।’ বলেই কন্ট্রোল রুমের দিকে দৌড় দিল ও।
আসিফ ও নোভাও ওর কথা মতো খাওয়া বাদ দিয়ে চলে এলো কন্ট্রোল রুমে। বসলো যার যার সিটে। বাঁধলো সিটবেল্ট। তাকালো মনিটরের দিকে। চোখ হয়ে গেল ছানাবড়া। বিশাল এক গোলক পিন্ড ওদের সসারের দিকে ধেয়ে আসছে। তবে তার গতি কম। কিন্তু সসার ঊর্ধ্বগতিতে চলছে। আর সসার এমন এক  জায়গায় পৌঁছেছে যেখান থেকে তার পথ পরিবর্তন করা বেশ কিছুটা কষ্টকর।
কারো মুখে কোনো কথা নেই। চেহারায় যেন নেমে এসেছে আষাঢ়ের কালো মেঘ। গোলক পিন্ডটা মাত্র কয়েক গজের মধ্যে এসে পৌঁছেছে। ওটার সাথে সসারের সংঘর্ষ হলে তিনটা প্রাণ এখনই চলে যাবে। ওরা যেন তারই প্রতীক্ষায় রয়েছে।
আর মাত্র দু’গজ দূরে এখন ওটা। তখন নোভা চিৎকার করে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে বলল, ‘ভাইয়া, পৃথিবীর মুখ আর বোধ হয় দেখবো না।’
আসিফ কোনো উত্তর দিলো না। ও দেখছে মৃত্যু আর মাত্র দুই গজ দূরে। দু’চোখ বন্ধ করে আল্লাহর নাম স্মরণ করলো ও।
হব কিন্তু হাল ছাড়েনি। সে জানে জীবন-মৃত্যু আল্লাহর হাতে। তবে মানুষের চেষ্টা করতে কোনো দোষ নেই। তাই সে মস্তিষ্ক সুস্থ রেখে সসারকে গতিপথ পরিবর্তন করালো। মুহূর্তের মধ্যে সসার ডিগবাজি দিয়ে গোলক পিন্ডকে ছাড়িয়ে ওপরে উঠে গেল।
‘আলহামদুলিল্লাহ।’ বলে হব দু’চোখ বন্ধ করলো। ডাকলো ‘আসিফ নোভা, চল এবার মজা করে ফল খাওয়া যাবে।’
‘আমরা বেঁচে আছি তো?’ জানতে চাইলো নোভা।
‘হ্যাঁরে, সত্যিই আমরা বেঁচে আছি।’ উত্তর আসিফের।
ওরা আবার গেল নাস্তার রুমে।
আসিফ ফলে কামড় দিয়ে চিবিয়ে গেলে বলল, ‘আচ্ছা হব, ঐ গোলক জিনিসটা কী ছিলো?’
‘দুঃখিত। আমি ব্যাপারটা তোমাদের এখনও বলিনি। শোন।’ একটু দম নিলো হব। তারপর বলা শুরু করলো, ‘আমরা যে পথে চলছিলাম ওটা ছিলো অন্য একটা গ্রহের কক্ষপথ। তাই যে সময় ওই গ্রহটা আমাদের সসারের সামনে পড়লো তখন সসারের বাইরের অনুসন্ধান রিমোট সঙ্কেত পাঠালো যে সামনে বিপদ। অর্থাৎ ঐ গ্রহের সাথে সংঘর্ষ হলে আমাদের সসার  চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। তাই লাল বাতি জ্বলে ওঠে। যাই হোক, শেষ মুহূর্তে আমরা রক্ষা পেয়েছি।’
‘সত্যি হব খেল তুমি একটা দেখালে বটে। তোমার তুলনা হয় না। তুমি না থাকলে আমরা হয়তো মরেই যেতাম। অবশ্য মরলেই ভালো হতো। পৃথিবীর ওতো দুঃখ যন্ত্রণা আর সইতে হতো না।’ বলল আসিফ।
‘ভুল বললে বন্ধু। জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ। তিনিই আমাদের বাঁচিয়েছেন। সত্যি তিনি রহমান।’ উত্তর হবের।
নোভা বলল, ‘ভাইয়ার হয়ে আমি বলছি। আর কখনও এসব বলব না। না কি বল ভাইয়া?’ তাকালো ভাইয়ার দিকে।
‘ঠিক বলেছিস।’
‘আহাহা ভাইয়া। তুমি সব খেয়ে ফেলো না। ঐ কমলা ফলটা আমাকে দাও। প্লিজ।’ মহা খাদকের মতো ভাইয়ার কাছ থেকে ফল চাই নোভা।
ওরা খাওয়া-দাওয়া সেরে আবার কন্ট্রোল রুমে ফিরে এলো।
নোভা জানতে চাইলো, ‘আচ্ছা হব ভাইয়া, আমরা এখন কোথায়?’
ও কোনো কথা না বলে মনিটরের টাচে খানিক হাত বুলালো। মনিটরে ভেসে উঠলো অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের ছবি। তার মধ্যে পৃথিবীকে নির্দিষ্ট করে দেখালো হব।
পৃথিবীবাসী হয়তো খেয়াল করে দেখলে দেখবে আকাশে লক্ষ-কোটি তারার মাঝে একটা সসার এগিয়ে যাচ্ছে অজানার দিকে।

প্রজাপতির গ্রহে ওরা

তিন জোড়া চোখ এখন দেয়ালের মনিটরের দিকে নিবদ্ধ। ওরা যেন চোখের পলক ফেলতেও ভুলে গেছে। মনিটরে একটা গ্রহের ছবি ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে। গ্রহটার রঙ বেগুনি। আর এক মিনিটের মধ্যে ওরা ওই গ্রহে ল্যান্ড করবে। হব ঐ গ্রহ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিচ্ছে বিভিন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে।
সব তথ্য সংগ্রহের পর সসারটা ল্যান্ড করলো ভিন গ্রহের পৃষ্ঠে। খুলে গেল দরজা। কিন্তু কেউ নামলো না ওরা। কারণ হব যে তথ্য পেয়েছে তাতে এই গ্রহে মানুষই বাস করে তবে তারা পৃথিবীর মানুষের তুলনায় কতটা বুদ্ধিমান, না হিং¯্র, না শান্তিপ্রিয় এবং আধুনিক বিজ্ঞানে তারা কেমন উন্নত সেটা জানা যায়নি।
আর সেটাই পরীক্ষার জন্য এই বিড়ম্বনা।
হ্যাঁ, গ্রহবাসী ওদের আগমনের সংবাদ পেয়েছে এবং অভ্যর্থনা জানানোর জন্য কয়েকজনকে তাদের সসারের দিকে এগিয়ে আসতে দেখলো।
হ্যাঁ, ওরা মানুষই বটে। তবে পৃথিবীর মানুষের তুলনায় কয়েকগুণ বড়। গায়ের রঙ কমলা। পৃথিবীবাসীদের মতো সভ্য। অর্থৎ পোশাকে-পরিচ্ছদে। কিন্তু ওদের স্বভাব-চরিত্র এখনও অজানা। পোশাকের ধরনটা একটু অদ্ভুত ধরনের। খুব ঢিলা-ঢালা আলখাল্লা ধরনের।
ওরা তিনজন সসারে বসেই এসব প্রত্যক্ষ করছিলো। গ্রহবাসীরা সসারের সামনে এসে সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে গেল।
ওদের মধ্যে নেতা গোছের মতো লোকটি গুরুগম্ভীর কণ্ঠে কথা বলে উঠলো। যার এক বর্ণও ওরা তিনজনের কেউ বুঝতে পারলো না। তবে তার কথা বলার ধরন দেখে বোঝা যায় যে তাদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।
তবুও হব সতর্কতার জন্য নিজে একটা এবং আসিফ ও নোভাকে একটা করে লেসার গান দিল। বেশি বাড়াবাড়ি করলে ভ্যানিশ করে দেয় যাবে।
প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পকেটে ভরলো। তারপর নিজে আর একটা চারকোনা যন্ত্র নিয়ে সসার থেকে নামলো।
নেতা গোছের লোকটি আবারও আগের ভঙ্গিতে কথা বলে উঠলো।
এবার হবের হাতের যন্ত্রটা তা অনুবাদ করে দিলো, ‘এন্ড্রোডিং গ্রহে তোমাদের অভিনন্দন।’
হব তার উত্তরে বলল, ‘তোমাদের গ্রহে আমাদের নামতে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ।’
যন্ত্রটি ওদের ভাষায় তা অনুবাদ করে শোনালো।
যন্ত্রের কথা শুনে ওরা একটু অবাক হয়ে গেল। তাকালো একে অন্যের দিকে। চোখে সবার একই জিজ্ঞাসা, ‘ব্যাপারটা কী?’
নেতার পেছন থেকে একটা লোক বলে উঠলো, ‘ তোমরা কোন গ্রহ থেকে এসেছো?’
আসিফ ও নোভা ঢোক গিলল। না জানি কি হয়। পৃথিবীর নাম শুনেছে তো এরা!
‘ওদের গ্রহের নাম পৃথিবী।’ আসিফ ও নোভাকে দেখিয়ে বলল হব। ‘আর আমার গ্রহের নাম ট্রপিম। তোমাদের গ্রহটা আমরা একটু ঘুরে দেখতে চাই।’ যন্ত্রের মাধ্যমে এখন ভাষার অনুবাদ হচ্ছে।
‘নিশ্চয়, নিশ্চয়।’ সোৎসাহে বলে উঠলো নেতা। ‘স্বাগতম বন্ধুরা। বিজ্ঞানের অনেক কিছুই তোমাদের কাছ থেকে আমাদের জানার রয়েছে। এসো বন্ধুরা আমাদের লোকালয়ে তাশরিফ আনো।’
হব যেখান সসার নামিয়েছে সে স্থানটা একটা বিস্তীর্ণ মাঠ। সমস্ত মাঠে শোভা পাচ্ছে গুচ্ছ গুচ্ছ ফুলগাছ। তাতে রঙবেরঙের ফুল ফুটেছে। পৃথিবীর যে কোনো ফুলের তুলনায় বড় এই ফুল। ফুলে ফুলে উড়ছে হরেক রকমের প্রজাপতি। সেগুলোও বড় পৃথিবীর প্রজাপতির থেকে। অর্থাৎ পৃথিবীর আদি রূপ যেন এই এন্ড্রোডিং। প্রজাপতি দেখে আর স্থির থাকতে পারলো না নোভা। দৌড় দিল প্রজাপতি ধরার জন্য ও। আসিফ ডাকলো ওকে। কিন্তু কে শোনে কার কথা?
এন্ড্রোডিংবাসীর একজন বলল, ‘যাক না ছোট্ট খুকি। কোনো অসুবিধা নেই।’
আসিফের মনে পড়লো নানা বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা। নানা বাড়ি গেলে ও নোভাকে নিয়ে প্রজাপতি ধরে বেড়াতো। কত আনন্দে কাটতো তখন দিনগুলি। নানা বাড়ির প্রতিটা দিনই ওর কাছে উৎসব বলে মনে হয়। ওদের বাড়ির পাশে অবশ্য মাঠ আছে কিন্তু অতো প্রজাপতি নেই। কত দিন নানা বাড়ি যাওয়া হয় না। দেখা হয় না প্রজাপতি! ওর ও ইচ্ছে করছে প্রজাপতি ধরতে।
হব যেন ওর মনের কথা বুঝতে পেরেই বলল, ‘আসিফ, ওসব পরে হবে। এখন চল।’
ওদিকে নোভা প্রজাপতির পিঠে ছুঁইছে। মনে হচ্ছে সেও যেন এন্ড্রোডিংয়ের একটা প্রজাপতি। রঙিন পাখা দিয়ে ফুলকে বাতাস দিচ্ছে। ফুল যেন বলছে, ‘হে পৃথিবীর প্রজাপতি, তোমার পরশে আমরা আজ ধন্য। কিন্তু ঐ ফুলগুলো জানে না এমন শত শত প্রজাপতি আজ পৃথিবীতে ফুলের গন্ধ নেয়ার আগেই উত্তপ্ত সীসার আঘাতে ডানা মুড়ে ঝিমিয়ে পড়ছে। পৃথিবীর ফুলগুলো আজ বিমর্ষ হচ্ছে প্রজাপতির অভাবে।
(চলবে)

SHARE

Leave a Reply