Home তোমাদের গল্প রিপনের প্রতিজ্ঞা -হৃদয় চন্দ্র দাস

রিপনের প্রতিজ্ঞা -হৃদয় চন্দ্র দাস

ছোট্ট একটি গাঁ। গাঁয়ের নাম অলিপুর। সবুজ শ্যামল, পাখপাখালি এবং অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর। ফুল ফসলের শোভায় অটুট। গাঁয়ের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে মেঠোপথ।
এই গাঁয়ের আলো বাতাস প্রকৃতি ছায়া এবং অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যে বেড়ে ওঠে দরিদ্র পিতা-মাতার এক সন্তান। নাম তার রিপন।
শৈশব থেকেই কৈশোরে পদার্পণ করেছে। বয়স মাত্র বারো। পিতা-মাতার ¯েœহ ভালোবাসা কোন দিকেই কমতি ছিল না রিপনের প্রতি।
ছোটবেলা থেকেই যতো আবদার করতো প্রায় তার সব আবদার রাখার চেষ্টা করতেন তার বাবা-মা।
রিপনের বাবা অন্যের জমিতে ফসল ফলান। আয় রোজগার যা হয় তা দিয়ে কোন মতে সংসার চালান। অনেক অভাব-অনটন, দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে তাদের জীবন অতিবাহিত হয়। পিতা-মাতার স্বপ্ন লেখাপড়া করে রিপন একদিন অনেক বড় হবে। বড় হয়ে সে সমাজের একজন শিক্ষিত মানুষ হবে, দেশের কল্যাণে, গরিব-দুঃখীর সাহায্যে এগিয়ে আসবে। রিপন হবে একজন আদর্শ মানুষ। তাকে দেখে মানুষ আলোকের সন্ধান পাবে। বাবা-মার মুখ উজ্জ্বল করবে।
বাবা-মার স্বপ্নে রিপন নিজেও ভাসে। এক সময় মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে সে, ভালো করে লেখাপড়া করে বাবা-মার দুঃখ দুর্দশা মোচন করবে। দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসবে এবং গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করবে।

SHARE

1 COMMENT

  1. পড়ার পর ‘হা’ হয়ে থাকা ছাড়া কিছু করার ছিল না। এটা কোনো একটা গল্পের শেষ অংশ হতে পারে,কোনওভাবে একটি ছোটগল্পের তালিকায় ফেলতে পারছি না..লেখক হয়তো নিজের চিন্তাটাকে কাগজে লিখেই পাঠিয়ে দিয়েছেন। গল্প লিখতে গেলে কত ভাবতে হয়,প্রচলিত সারা থেকে ভিন্ন চিন্তা করতে হয়-লেখক তেমন কিছুই করেছেন বলে মনে হয় না। কিশোরকণ্ঠের প্রায় গল্পের সমাপ্তি বা প্লট এমন হয়। লেখকের জন্য শুভকামনা রইলো…মোটামুটি ভালো লেগেছে কথাগুলো,গল্প হিসেবে নয়..

Leave a Reply