Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক

খোলা ডাক

জীবনের প্রেরণা
কিশোরকণ্ঠ হচ্ছে আমার জীবনের প্রেরণা। আমি কিশোরকণ্ঠ পড়া শুরু করার পর থেকে এটি আমাকে স্বপ্ন দেখায়। আমি জীবনে যদি বড় কোনো ব্যক্তিত্ব হই তা শুধু কিশোরকণ্ঠের প্রেরণায়। কর্তৃপক্ষকে শত কোটি ধন্যবাদ কিশোরকণ্ঠের মতো একটি মাসিক পত্রিকা বের করার জন্য।
মো: নাছির উদ্দিন (নাবিল)
শেরপুর, বগুড়া

মন খারাপের ওষুধ
শরীরে কোন অসুখ হলে যেমন ওষুধ খেলে সেরে যায়, তেমনি আমার যখন মন খুবই খারাপ থাকে তখন এই কিশোরকণ্ঠের জাদুতে আমার মনটা চট করে ভালো হয়ে যায়। কিশোরকণ্ঠের প্রত্যেকটি বিষয়ই যেন একেক ধরনের ওষুধ। প্রত্যেক মাসে আমি অপেক্ষায় থাকি কখন আসবে। মন খারাপের ওষুধ পত্রিকাটি পাওয়ার সাথে সাথে আমার মনটা যেন আনন্দে নেচে ওঠে।
মো: সফিকুল ইসলাম (শাকিল)
গঙ্গারামপুর, আতাইকুলা, পাবনা
শুকরিয়া আদায় করি
গত ২০১০ সালের কথা। তখন ইবতেদায়ি তৃতীয় শ্রেণীতে ছিলাম। আমি কিন্তু কিশোরকণ্ঠ কী এটা জানতাম না। একদিন দেখলাম মেজো ভাই এনামুল হকের হাতে একটি ছোট্ট বই। আমি এটা হাতে নিয়ে দেখলাম বড় করে লেখা আছে নতুন কিশোরকণ্ঠ। মজার ব্যাপার হলো, নতুন কিশোর পর্যন্ত পড়তে পারছি আর কণ্ঠ শব্দটা বানান ও উচ্চারণ করতে পারছি না। তবুও কষ্ট করে জেনে নিলাম। এরপর আস্তে আস্তে পৃষ্ঠা খোলা শুরু করলে দেখতে পাই সুন্দর সুন্দর কার্টুন এবং রঙতুলি যা দেখে আমি আনন্দিত। বাস্তব কথা, কিশোরকণ্ঠ যখন হামেদ হোছাইন এলাহী ভাই মেজো ভাইকে দিতেন তখন শুধু কার্টুনগুলো পড়তাম। এরপর একটা একটা করে বিভাগ পড়তে থাকি। তাই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি তৃতীয় শ্রেণী থেকে কিশোরকণ্ঠ পড়তে পারায়।
মুহাম্মদ ইসলামুল হক তুষার
জলদী, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম

হৃদয়কাড়া পত্রিকা
শীতের পড়ন্ত বেলায় কুহেলি ঢাকা ¯িœগ্ধ ক্ষণে মাসের প্রায় শেষ সময়ে তোমার সাথে আলাপচারিতায় মাতি। ওগো মনোহারী রূপ মাধুরী। তুমি শুধু আমার হিয়ায় নয়, সারা বাংলার লক্ষ কিশোর-কিশোরীর অবুঝ মনের মিষ্টি দোল। যে দোলে দোল খাই, হারিয়ে যাই কল্পলোকের অচিনপুরীর স্বপ্নরাজ্যে। বিনি সুতার মালা গেঁথে পরিয়ে দেই তোমার গলায়। প্রিয় কণ্ঠ, তুমি যদি কখনও জীবন থেকে হারিয়ে যাও, তখন হৃদয়ে দেখা দেবে বিষণœ মেঘের ঘনঘটা।
ইব্রাহীম বিন রশীদ
চরগাজীপুর, বোরহানউদ্দিন, ভোলা

ভালো লাগে
নতুন কিশোরকণ্ঠ আমার সবচেয়ে প্রিয় পত্রিকা। কিশোরকণ্ঠ থেকে আমি যে জ্ঞান অর্জন করেছি তা ভাষায় বোঝানো যাবে না। ২০১২ সাল থেকে আমি নিয়মিত কিশোরকণ্ঠ পড়ি। কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি বিভাগ আমার ভালো লাগে। কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি পাতায় যেন লুকিয়ে আছে জ্ঞানের সপ্তসিন্ধু। কিশোরকণ্ঠ যতই পড়ি ততই ভালো লাগে।
মো: মাহমুদুল হাছান
সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী

কিশোরকণ্ঠের আকর্ষণ
কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি বিভাগ আমার খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে কুরআন-হাদিসের আলো, কিশোর উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, খেলার চমক ইত্যাদি। আমাদের দেশে কিশোরদের জন্য অনেক ধরনের পত্রিকা আছে। আমি অনেক পত্রিকা পড়েছি। কিন্তু কিশোরকণ্ঠের মতো কোন পত্রিকা আমাকে এত বেশি আকর্ষণ করেনি।
মো: আব্দুল আলিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

প্রিয় সাথী
প্রতি মাসের ২০ তারিখের পরই পত্রিকাটি আমার হাতে পৌঁছে। তার আগে আমি শূন্যতা অনুভব করি। যখন কিশোরকণ্ঠ আমার হাতে পৌঁছে তখন মনে হয় আকাক্সিক্ষত বস্তুটি ফিরে পেলাম। আমার একাকী জীবনে কিশোরকণ্ঠকে কতটা স্থান দিয়েছি তা লিখে বোঝানো দুঃসাধ্য। কারণ কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি শব্দেই জ্ঞানের সন্ধান বিরাজমান। তাই একাকী জীবনে কিশোরকণ্ঠ আমার প্রিয় সাথী।
মো: মহিব্বুল্লাহ মেহেদী হাসান সরকার
তিস্তা, লালমনিরহাট

SHARE

Leave a Reply