Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক মে ২০১৫

খোলা ডাক মে ২০১৫

ইচ্ছা পূরণের সাথী
নতুন কিশোরকণ্ঠ আমার খুব ভালো লাগে। যখনই সময় পাই তখনই এটি নিয়ে বসে যাই। টানা অপেক্ষায় থাকি কখন যে মাসিক পত্রিকাটি পাবো। অধীর আগ্রহের পর নিত্যনতুন উপহার নিয়ে এটি হাজির হয়। গল্প, উপন্যাস, কবিতা সকল বিষয়ই আমাকে খুব টানে। বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক বিষয়ে খুবই আগ্রহী হয়ে পড়ি। এটি আমার সকল ইচ্ছাই পূরণ করে।
নাফিজ ফুয়াজ খান
রাজবাড়ী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, রাজবাড়ী

প্রাণের খোরাক
প্রাণপ্রিয় কিশোরকণ্ঠ আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম পত্রিকা। এই পত্রিকার সংস্পর্শের এসে পথহারা থেকে পথ চিনেছি। চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় থাকি কখন প্রাণের খোরাক কিশোরকণ্ঠ হাতে আসবে। আর আমি জ্ঞানের সাগরে ডুবে যাবো। ফেব্রুয়ারি সংখ্যাটি অনেক দেরিতে পেয়েছি। ঝাঁপিতে আমার নাম দেখে আমি তো শেষে পাগল হয়ে গেছি। আর আমি সত্যি মুগ্ধ হই প্রতিটি বিভাগের শিক্ষণীয় ও আনন্দদায়ক জ্ঞান উপভোগ করে।
মোতালেব হোসেন হৃদয়
কুলাঘাট, লালমনিরহাট

আদর্শের পথে
সাহিত্য-জ্ঞান অর্জন করতে হলে সাধনার প্রয়োজন হয় এটা সর্বজনস্বীকৃত সত্য। এই সাধনা কিভাবে করতে হবে তা গুরুজনদের মাধ্যমেই জানতে হয়। গুরুর দ্বারস্থ হয়েই একজন মানুষ পায় সঠিক সাধনার পথ-সন্ধান। সাহিত্য অর্জনের ক্ষেত্রে গুরু পথ সন্ধানদাতা। আমি সাহিত্যসাধনার পথ ও জীবনকে আদর্শের পথে চালানোর সন্ধানে নতুন কিশোরকণ্ঠকে গুরু হিসেবে বেছে নিয়েছি।
ইশতিয়াক আহমদ শামীম
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ

নতুন সম্পদ
কোন এক কবি বলেছেন, জীবনের তিনটি জিনিস প্রয়োজনÑ বই বই এবং বই।
কথাটা একেবারে সত্যি না হলেও এই ক্ষেত্রে সত্য। কারণ অন্য সব বই থেকে কিশোরকণ্ঠ একবারেই আলাদা। আমার মনে হয় প্রত্যেক মাসে এটা নতুন নতুন জ্ঞানের সন্ধান দেয়। আমি যখন এটি হাতে পাই তখনি মনে হয় আমি নতুন সম্পদ পেয়েছি। জীবন গড়ার জন্য একটা নির্দেশিকা। কারণ মানুষ মানুষকে ঠকাতে পারে কিন্তু কিশোরকণ্ঠের মতো বই কোন মানুষকে ঠকায় না। নুতন জ্ঞানের সন্ধান পেতে হলে কিশোরকণ্ঠ প্রয়োজন।
জুয়েল রানা
দামোদরপুর, কালিগঞ্জ, ঝিনাইদহ

ভালো লাগে
দীর্ঘদিন ধরে কিশোরকণ্ঠ পড়ার মাধ্যমে কিশোরকণ্ঠ আমার উত্তম বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। এই বন্ধু ছাড়া আমার এক মুহূর্তও ভালো লাগে না। কিশোরকণ্ঠের থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি। কিশোরকণ্ঠ আমার খুব ভালো লাগে।
তারানা তাবাসসুম নিশাত
মিরপুর, বাহুবল, হবিগঞ্জ

সাফল্যের রাজমুকুট
তরুণ কিশোর-কিশোরীরা আগামী দিনের জাতির পরিচালক, কেমালমতি তরুণরা যদি তাদের জীবনের ভিত্তি রচনা করতে না পারে তাহলে তাকে আগামী দিনে জাতির নেতৃত্বে এসে কোন মুক্ত পথের সন্ধান দিতে পারবে না। কারণ, বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মোটেও চরিত্র গঠনমূলক নয়। তাই সমুদ্রের নীলাভ পরশে ঝিনুকের গায়ে আল্পনার আঁচড় দিয়ে কিশোরকণ্ঠকে ছুটে যেতে হবে অভীষ্ট লক্ষ্যে দূরে বহুদূরে। তবেই তার মস্তকে শোভা পাবে সাফল্যের রাজমুকুট।
সাইফুদ্দীন আহমেদ
আমিনবাজার, ঢাকা

তোমায় দেখি
প্রতিদিনের মত সেদিনও ভোর হলো পাখি আর মুয়াজ্জিনের মধুর ধ্বনিতে। আদিত্যটা পুবাকাশে লালে লাল হয়ে সেদিন জানিয়ে দিলো সুখের বার্তাটা। সেদিন সময় যেন কাটছিল না। কখন পাবো প্রিয়জনের দেখা, বাহুডোরে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরবো কখন, এই চিন্তায় মনটা সর্বক্ষণই ছটফট করছিল। ছটফট করছিল এই ভেবে অশান্ত ধরায় হিং¯্র দানবের থাবায় নাকি হারিয়ে ফেলি তাকে। অবশেষে সব চিন্তার অবসান হলো ১৯ তারিখ বিকেল বেলা। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বুকে টেনে নিয়ে চুমু খেয়ে বললাম ওগো কিশোরকণ্ঠ বন্ধু, মুদিলে আঁখি শুধু তোমায় দেখি।
ইব্রাহিম বিন রশীদ
চরগাজীপুর, বোরহানউদ্দিন, ভোলা

আদর্শ পত্রিকা

আমি কিশোরকণ্ঠের একজন নিয়মিত পাঠক। কিশোরকণ্ঠ মেধাবীদের পত্রিকা। আদর্শ মানুষ গড়ার লক্ষ্যে কিশোরকণ্ঠ বিরামহীনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাস্তব ও বিজ্ঞানসম্মত এই পত্রিকাটি দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ার কারিগর। কুরআন হাদিসের আলো, গল্প, কবিতা হাসির বাকসো, ইত্যদি সব মিলিয়ে একটি অতুলনীয় পত্রিকা। সত্যিই কিশোরকণ্ঠ একটি আদর্শ পত্রিকা।
জান্নাতুল হাবীবা, মুরাদনগর, কুমিল্লা

সেরা শিক্ষক

কিশোরকণ্ঠ জানুয়ারি সংখ্যাটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংখ্যা। ডিসেম্বর ২০১৪ সংখ্যার জন্য একটি গল্প পাঠিয়েছিলাম এক সাহসী মায়ের গল্প, যখন শুনলাম কিশোরকণ্ঠ এসেছে তখনতো খুশিতে আটখানা হয়ে গেলাম। আমার গল্প সত্যিই আসবে। কিন্তু না কিশোরকণ্ঠ পুরোটা দেখলাম। কোথাও পেলাম না, ভাবলাম খামাখা লেখালেখি করি আমার গল্প বোধ হয় গল্পের শেষ কাতারেও পড়ে না তাই কিশোরকণ্ঠে ছাপায়নি। সেদিন মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম অযথা সময় নষ্ট করবো না। আমার দ্বারা এসব লেখালেখি হবে না। আল্লাহ বোধ হয় আমার মনের কথাটি কিশোরকণ্ঠকে জানিয়ে দিয়েছেন তাইতো জানুয়ারি ২০১৫ সংখ্যায় আমার গল্পটি নিয়েই আমার কাছে হাজির হয়েছে। আমি যখন কিশোরকণ্ঠ সামনে মেলে ধরলাম। তখন ইশারায় যেন কিছু বোঝাচ্ছে। অবশেষে তার ইশারা বুঝলাম। সে আমাকে বলছে, সেই পঞ্চম শ্রেণী থেকেই তুমি আমার কাছে গল্প লেখার কৌশল আয়ত্ত করছো। এটাতো তোমার সেই দীর্ঘ দিনের সাধনার ফল। শোন তুমি ছাড়বে না। আমাকে তুমি ছাড়বে না। তুমি হারবে না। কখনো তুমি হারবে না।
কিশোরকণ্ঠ আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক।
মতিউর রহমান
সোনাপুর, নোয়াখালী

SHARE

Leave a Reply