Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক

খোলা ডাক

জ্ঞানের সিন্ধু
আমি কিশোরকণ্ঠের একজন পাঠক। এখন কিশোরকণ্ঠের ছায়াতলে আমার আগমন। প্রতিটি বিভাগের শিক্ষণীয় ও আনন্দদায়ক মজার সব জ্ঞান উপভোগ করে সত্যিই বিস্মিত আমি। এই জ্ঞানসিন্ধু শিক্ষার্থীকে আদর্শবান, প্রতিভাধারী ছাত্র হিসেবে গড়তে সক্ষম হবে বলে আমার বিশ্বাস। এখন থেকে নিয়মিত এই জ্ঞানমশাল পাঠ করব এবং এতে অংশগ্রহণ করবো।
এম এম সোলায়মান কবির
শ্রীবরদী, শেরপুর

সন্ধ্যার সঙ্গী
আষাঢ় মাসের কৃষ্ণ পক্ষের সন্ধ্যায় টাপুর টুপুর করে বৃষ্টির ধারা ঝরছে। যেন নেই কোনো ক্লান্তি, নেই কোনো বিশ্রামের অবকাশ। গোধূলিলগ্নে আবির রঙে রঙিন হয়ে যায় আকাশ। আলো-আঁধার খেলে লুকোচুরি খেলা। ধীরে ধীরে কালো চাদরে পৃথিবীর ঢেকে যায়। আর বৃষ্টি পতনের শব্দ হয়। বাইরে যেতে না পারায় আমার মন ভালো ছিল না। তাই ঘরে বসে ছিলাম। হঠাৎ কিশোরকণ্ঠে আমার চোখ পড়ল। মুখে মৃদু হাসির ঝলক নিয়ে খুললাম। পরক্ষণেই আমার মনটা ভালো হয়ে গেল। এক অপূর্ব সমারোহে আমার স্বপ্নের আকাশ বাতাস ব্যাপ্ত করে রাজ রাজেশ্বরের মতো কিশোরকণ্ঠ আমার হাতে আসে। কিশোরকণ্ঠ আমার বৃষ্টি¯œাত সন্ধ্যার সঙ্গী হয়েছিল। এখন কিশোরকণ্ঠ ছাড়া আমি কিছু কল্পনাই করতে পারি না। কেননা কিশোরকণ্ঠই দিয়েছে আমার লেখার প্রেরণা।
সাবিকুন্নাহর জেরিন
মিরপুর, সিলেট

কল্পনার বাস্তব রূপ
আমি কিশোরকণ্ঠের নিয়মিত পাঠক। কিশোরকণ্ঠ আমার সবচেয় প্রিয় পত্রিকা। পুরা মাস অপেক্ষায় থাকি কখন আমার প্রাণপ্রিয় কিশোরকণ্ঠ হাতে আসবে। সেপ্টেম্বর সংখ্যাটি একটু দেরিতেই পেলাম। যখন দেখলাম খোলা ডাক বিভাগে আমার লেখা ছাপা হয়েছে, আমি তো শেষ, যেন পাগল হয়ে গেছি, যা ছিল আমার কল্পনারও বাইরে। ছাপানোর চেয়ে এটা ভেবে আমি মুগ্ধ, হাজার লেখার মাঝে আমার লেখা কিভাবে মনোনীত হলো? সত্যি কল্পনার বাস্তব রূপ এটা।
হালিমা সাদিয়া সুমাইয়া
মুদাফরগঞ্জ, লাকসাম, কুমিল্লা

অসময়ের বন্ধু
কবির ভাষায়Ñ সুসময়ে অনেকেই বন্ধু বটে হয়, অসময়ে হায় হায় কেউ কারো নয়। পৃথিবীতে সুসময়ে বন্ধুর অভাব থাকে না। সত্যিকার অকৃত্রিম বন্ধু পাওয়া খুব ভাগ্যের বিষয়। মানুষের সময় যখন ভালো থাকে, তখন স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেকেই বন্ধুর বেশ ধরে চার পাশে ঘুর ঘুর করে। তোষামোদ করে আপন সাজবার ভান করে। অবস্থা যতদিন ভালো থাকে ততদিন তারা পাশে থাকে। অতঃপর একদিন যখন তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়, তখন আর সেই স্বার্থপর বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু নতুন কিশোরকণ্ঠ পত্রিকাটি আমাদের শুধু সুসময়ের বন্ধু নয়; অসময়ের বন্ধুও বটে। কারণ বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদে যখন শিশু-কিশোরেরা শয়তানের খপ্পরে পড়ে অন্যায় অপসংস্কৃতির মাঝে হাবুডুবু খাচ্ছিল; ঠিক তখনই তাদেরকে আলোর পথ দেখাতে এই নতুন কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার আবির্ভাব ঘটে।
মো: নওশেদ আলী
পঞ্চগড়

দুঃসময়ের কান্ডারি
কিশোর প্রতিভা নিয়ে গঠিত কিশোরকণ্ঠ আজ জনপ্রিয়তার সীমা পেরিয়ে গেছে। এই কিশোর পত্রিকাটির নানা দিক কিশোর মনের দুঃসময়ের অভিনব বন্ধুরূপে আবির্ভূত হয়। চারিদিকের অন্ধকার যখন কিশোর মনকে ধ্বংস করেছে তখন এই কিশোরকণ্ঠ একমাত্র সেই কিশোরদের দুঃসময়ের বন্ধুরূপে কান্ডারির ভূমিকা পালন করে থাকে।
মো: কামরুল হাসান
কাশিনাথপুর, সাঁথিয়া, পাবনা
নতুন পাঠক ও আমার কামনা

আমি কিশোরকণ্ঠের একজন নুতন পাঠক। সবারই একজন প্রিয় বন্ধু থাকে, নতুন বন্ধু থাকে আর আমার নতুন বন্ধু হচ্ছে কিশোরকণ্ঠ। এই পত্রিকা শুধু একজন ন্যায় ও আদর্শবান বন্ধুর মতোই পাশে থাকে। এই পত্রিকা আমাদের সত্যের পথ দেখায়, সত্য বলতে শেখায়। তা ছাড়া এই পত্রিকা আমাদের পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার কুরআন ও হাদিস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। কিশোরকণ্ঠ এমন একটি পত্রিকা যা অধ্যয়ন করলে একজন ছাত্র অনেক কিছু জানতে পারবে এবং একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে বলে আমি মনে করি। সবশেষে আমি এই কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার কর্তৃপক্ষকে আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

মো: ফাইম রহমান, জগন্নাথপুর, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর

এক উজ্জ্বল নক্ষত্র
মানুষের জীবনে অনেক রকমের বন্ধু আসে আবার চলেও যায়। কিন্তু কিশোরকণ্ঠ মানুষ বন্ধুদের মতো স্বার্থপর ও ছলনাময়ী নয়। ২০০৬ সালে যখন আমি ক্লাস থ্রিতে তখন কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়, যা আজও অটুট রয়েছে, আমরণ থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমি আমার এই প্রিয় বন্ধুটির সর্বাঙ্গীণ উন্নতি কামনা করছি।
ফাতেমা আকতার রিমি
কাজল দিঘি, পঞ্চগড়

সত্যের দিশারি
কিশোরকণ্ঠ এক অতুলনীয় পত্রিকা। কিশোরকণ্ঠ এ দেশের তরুণদের সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখায় এবং পরিচিত করিয়ে দেয় বিশ্বের সাথে। কিশোরকণ্ঠ সংখ্যা পড়ে আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই। বিশেষ করে কুরআনের আলো, হাদিসের আলো ও ধারাবাহিক উপন্যাস পড়ে। এ জন্য কিশোরকণ্ঠের সব লেখক ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে মুবারকবাদ জানাই।
মাসুদ রানা, খোকসা, কুষ্টিয়া

পিপাসা
কিশোরকণ্ঠকে সত্যিই আমি ভালোবেসে ফেলেছি। এক মুহূর্ত কাটানোও যেন দুঃসাধ্য হয়ে যায় কিশোরকণ্ঠ ছাড়া। মাসের যখনই আমি পত্রিকাটি হাতে পাবো ঠিক তার পরদিনই সকল বিভাগের লেখা পড়ে শেষ করে ফেলি। নিজেকে গ্রীষ্মের দুপুরের পিপাসার্ত ক্লান্ত পথিক মনে হয়। আর সেই পিপাসা মেটানোর জন্য প্রতিটি বিভাগের লেখা বারবার পড়ি। মহান প্রভুর কাছে প্রার্থনা করি কিশোরকণ্ঠ বয়ে আনুক প্রতিটি কিশোরের জীবনে নব উষার রশ্মি।
হেলাল উদ্দীন, কেশবপুর যশোর

SHARE

Leave a Reply