Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক নভেম্বর’ ১৪

খোলা ডাক নভেম্বর’ ১৪

সাহসী প্রাণ
পুবের হাওয়া গাছের পাতায় পাতায় যেমন করে ঝড় তোলে ঠিক তেমনি একটা ঝড় বয়েছিল কিশোরকণ্ঠের ওপর দিয়ে। কিন্তু কিশোরকণ্ঠ একটা সাহসী প্রাণ। রুখবে তাকে সাধ্য কার? তাকে কাবু করা এতোই সহজ? সাদা জাগ্রত এ সাহসী প্রাণের স্পন্দন। আর এ সাহসী প্রাণের মনের পাড়ায় ছিল আরেক সাহসী আয়োজন। যার জন্য অধীর আগ্রহে ‘থাকতাম যবে পথ চাহিয়া’ আর সে আয়োজন হলো সাহসী মানুষের গল্প। আমার ভালো লাগার এক অতুল প্রয়াস। কিছু দিন ধরে সে নেই আমার বুকের ভিটায়। তার জন্য আজও খালি আমার মন পবনের নাও। আশায় বসে প্রহর গুনি আসবে ফিরে সে আবার। তখন তাকে সঙ্গী করে ভেসে বেড়াব হৃদয় ভূমের নীল দরিয়ায়।
এস আই সানী
রমজান নগর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা

আমার প্রিয় সংখ্যা
সত্যিই কিশোরকণ্ঠের তুলনা হয় না। এর প্রত্যেকটি সংখ্যাই আমার ভালো লাগে। তবে এবারের ঈদসংখ্যার তুলনা হয় না। এর প্রত্যেকটি গল্প, উপন্যাস, ফিচার, ছড়া কবিতা আমার মন কেড়ে নিয়েছে। এটাই আমার ভালো লাগার সংখ্যা। এত সুন্দর একটি ঈদসংখ্যা উপহার দেয়ার জন্য কিশোরকণ্ঠের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মনোয়ারুল ইসলাম মুন্না
মনিগ্রাম, বাঘা, রাজশাহী

পরম বন্ধু
মানবজীবন মানবসমাজের মতোই পরিবর্তনশীল। যখন আমি নতুন কিশোরকণ্ঠ পড়তাম না কিংবা লেখালেখি করতাম না, তখন বুঝতাম না কিশোরকণ্ঠ আসলেই কী?
নতুন কিশোরকণ্ঠের হাত ধরেই আমি মানবসমাজের মতো আমার জীবনটাকে পরিবর্তন করতে পেরেছি। বুঝতে পেরেছি সততা ও আদর্শ কাকে বলে। ব্যস্ততার কারণে যদিও নিয়মিত লেখা পাঠাতে পারি না কিন্তু প্রত্যেক মাসেই খুব মনোযোগ ও যতœ সহকারে পড়ি আমার এই পরম বন্ধুকে। সত্যিই তো নতুন কিশোরকণ্ঠ আমাকে পরম বন্ধুর মতো কাছে টেনে নেয় প্রতিটি মুহূর্তে, যার ছোঁয়া পেতে চাই আমি আজীবন।
তরিকুল ইসলাম শান্ত
নিঝুমদ্বীপ, হাতিয়া, নোয়াখালী

বিভাগটি চাই
যে সময়ে অসুস্থ সংস্কৃতি বাংলাদেশে করাল থাবা বাড়িয়ে দিয়েছে আমাদের তরুণ সমাজের দিকে, ঠিক তখনি আমাদের মাঝে ইসলামী বিপ্লবের চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য আমাদের মাঝ থেকে একজন উমর, খালিদ, তারেক বিন জিয়াদ আর সালাহ উদ্দিন আইউবী তৈরি করে দেয়ার জন্য যে পত্রিকাটি কাজ করে যাচ্ছে সেটি কিশোরকণ্ঠ।
বিগত কয়েক মাসে কিশোরকণ্ঠের রহস্যভেদ বিভাগটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা অনেক অ্যাডভেঞ্চার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তাই বিভাগটি আবার চালু করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
আহমদ আলী
কলারোয়া, সাতক্ষীরা

সুন্দর সংখ্যা
কিশোরকণ্ঠ আগস্ট সংখ্যাটি ছিল আমার স্বপ্নের সংখ্যা। কারণ এ সংখ্যায় আমার জীবনের প্রথম লেখা ছাপা হয়। আগস্ট সংখ্যাটি পেয়েই আমি পড়তে শুরু করি আর আমি দেখতে পাই আমার লেখা। আমি আমার নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আগস্ট সংখ্যাটি পেয়ে আমি যেন হাতে চাঁদ পেলাম।
আসিফুর রশিদ (তন্ময়)
ধুঞ্চি, রাজবাড়ী

তথ্যের ভাণ্ডার
কিশোরকণ্ঠ পড়া শুরু করেছি আমি ২০০২ সাল থেকে। সত্যি যে দিন থেকে আমি প্রথম কিশোরকণ্ঠ পড়ছি সেদিন থেকে আমার কাছে এটি অন্যরকম লাগে। একজন ভালো ছাত্রের সঠিক জ্ঞান লাভ করার অন্যতম মাধ্যম কিশোরকণ্ঠ। কেননা কিশোরকণ্ঠ পড়লে অনেক জ্ঞান অর্জিত হয়। কিশোরকণ্ঠ সত্যিই এক অসাধারণ তথ্যভাণ্ডার। আমি আশা করব কিশোরকণ্ঠ ভবিষ্যতে আমাদের আরো অনেক অনেক জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করবেÑ এই প্রত্যাশায় রইলাম।
মু. জিয়াউল হক জিয়াদ, ফেনী

নতুনের হাতছানি
আমার জীবনকে আলোকিত করতে অন্যতম একটি মাধ্যম খুঁজছিলাম, যা আমাকে চলার পথে অনুপ্রেরণা দেবে, শিক্ষাজীবনকে আরো আলোকিত করবে, অন্ধকার পথ থেকে আলোর পথে নিয়ে আসবেÑ আমি পেয়েছি তা হলো আমার প্রিয় কিশোরকণ্ঠ। এ থেকে আমরা কুরআন ও হাদিস সম্পর্কে জানতে পারছি। এ ছাড়া ছড়া কবিতা, উপন্যাস, গল্প, নাটিকা, সায়েন্স ফিকশন, খেলাধুলা, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য কথা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারছি। আমার সব আশাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করেছে প্রিয় কিশোরকণ্ঠ। কিশোরকণ্ঠ আমার জীবন গড়ার কারিগর। তাই আমি কিশোরকণ্ঠকে খুব ভালোবাসি। কিশোরকণ্ঠের জন্য শুভ কামনা রইল। ইনশাআল্লাহ যুগ যুগ ধরে কিশোরকণ্ঠ বেঁচে থাকবে লাখো পাঠকের অন্তরে।
মো: সেলিম রেজা
কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ

সাহিত্যের মেলা
সত্যিই কিশোরকণ্ঠ সাহিত্যের মেলা। যদিও আমাদের নিকটস্থ লাইব্রেরিতে এর প্রচলন কম, তবুও অনেক কষ্টে আমি সংগ্রহ করি। এটা পড়ে সত্যিই আমি মুগ্ধ। বর্তমানে আমাদের দেশে এ রকম ম্যাগাজিন বিরল।
মো: তরিকুল ইসলাম
শশীদল, ব্রাহ্মণ পাড়া, কুমিল্লা

SHARE

Leave a Reply