Home নিয়মিত খোলা-ডাক খোলা ডাক

খোলা ডাক

মানুষের হৃদয়ে
আমি কিশোরকণ্ঠের একজন নিয়মিত পাঠক। কেননা, কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি লেখায় জ্ঞানের সন্ধান বিরাজমান। কিশোরকণ্ঠের ঈদ সংখ্যাটিতে নতুন নতুন লেখায় রয়েছে আকর্ষণ। আমি মাস শেষ হতে না হতেই জ্ঞানের সন্ধানে কিশোরকণ্ঠ খোঁজ করে থাকি। কিশোরকণ্ঠ দীর্ঘজীবী হোক। বেঁচে থাকুক মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায়।
আবদুল হাই
গাজীর দরগাহ, যশোর

প্রতীক্ষার পর
অনেক প্রতীক্ষার পর আমার প্রিয় বন্ধুর দেখা পেলাম। পাওয়া মাত্র আমি যেন আকাশের চাঁদটাকে হাতে পেলাম। সে তো এসেছিলো রূপসী রূপের পরী শরৎ হতে আমার মাঝে। এক মুহূর্তে আমি হারিয়ে গেলাম তার রূপের মাঝে, ভাবছো সে আবার কে? সে হলো আমার তোমার বাংলার হাজার কিশোরপ্রাণের দিশারি নতুন কিশোরকণ্ঠ।
মো: ইসমাইল হোসেন আদর
সেনবাগ, নোয়াখালী
মহান আদর্শ
২০০৮ সালে এক সহপাঠীর হাতে কিশোরকণ্ঠ দেখি। তখন থেকেই ভালো লাগা, যার ধারবাহিকতা আজ অবধি। যার কোনো বন্ধু নেই, তার চাইতে হতভাগ্য আর কেউ নেই। বন্ধুহীন জীবন নরকের চাইতেও ভয়াবহ। আর সেই নারকীয় যন্ত্রণা আমার নিত্যসঙ্গী। আমার বন্ধুহীন একাকী জীবনে কিশোরকণ্ঠকে কতটা আপন করে নিয়েছি তা লিখে বোঝানো দুঃসাধ্য। শুধু এটুকু বলতে পারি যতদিন এ ধরায় বাঁচবো দৃষ্টিশক্তি থাকবে ততদিনই কিশোরকণ্ঠের এই মহান আদর্শকে বুকে ধরে রাখবো ইনশাআল্লাহ।
রফিকুল ইসলাম রিপন
ভবানীগঞ্জ ডিগ্রি মাদরাসা, লক্ষ্মীপুর

পূর্ণিমার চাঁদ
অমাবস্যার রাত, চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। আশপাশে তাকালে দেখা যাবে অন্ধকার আর অন্ধকার। এই অন্ধকারে কিন্তু করো ভালো লাগে না। সবাই চায় আলোর মাঝে থাকতে। যখন অমাবস্যাকে বিদায় জানিয়ে আকাশের ঈশান কোণে উঁকি দেয় পূর্ণিমার চাঁদ তখন সবার মনের মাঝে বয়ে চলে আনন্দের বন্যা। চারদিক তখন অন্ধকারের পরিবর্তে আলোয় আলোয় ভরে ওঠে। যেদিকে চোখ যায় চোখে পড়ে আলোর নাচন। রাত তখন মনে হয় আলো ভরা দিন যেন। পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় সবাই মুগ্ধ হয়। পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় যেমন আশপাশ আলোকিত হয় তদ্রƒপ বর্তমান যুগে পূর্ণিমার চাঁদস্বরূপ নতুন কিশোরকণ্ঠ এই অন্ধকার যুগে হাজির হয় আলো নিয়ে। আর আলোয় আলোকিত হয় লাখো কোটি মানুষ বর্তমান যুগে এমন আলোকিত পত্রিকা দ্বিতীয়টি নেই। কিশোরকণ্ঠ যেন পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে আজীবন বেঁচে থাকতে পারে সে কামনাই করি।
পারভেজ মোশাররফ, ইলশা, ভোলা

আকাশ ছোঁয় ভালোবাসা
গত আগস্ট সংখ্যাটি আমার কাছে পৌঁছে একটু  দেরিতে। পাওয়া মাত্রই খুঁজেতে গেলাম আমার পাঠানো লেখাগুলোÑ প্রথমে শব্দধাঁধায় গিয়ে দেখি আমি যে সমাধান পাঠিয়েছি সেটি সঠিক। নাম দেখতে গেলে দেখি আমার নাম পঞ্চগড় কলামে না থেকে আছে তার পাশের কলাম  কুড়িগ্রামে। দেখে আমি সত্যিই একটু দুঃখ পেলাম। যা হোক মুদ্রণজনিত ভুল থাকতেই পারে। তারপর দেখলাম খোলা ডাকে আমার পাঠানো  লেখা ঠিকই ছাপা হয়েছে। দেখে আমি খুশিতে আত্মহারা। মনে হয় আকাশের চাঁদটা হাতের নাগালে। আমার লেখাটির জন্যই মনে হয় কিশোরকণ্ঠের প্রতি আমার আকাশছোঁয়া ভালোবাসা জন্মেছে।
মো: নওশেদ আলী
পঞ্চগড় নুরুন আলা নুর কামিল মাদরাসা

নতুন আলো
নতুন কিশোরকণ্ঠ পত্রিকাটি অন্য সব মাসিক পত্রিকার মধ্যে সেরা পত্রিকা। এতে এ টু জেড রয়েছে, যা সবার জন্য জ্ঞানের আলো অবিরত ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে যারা নবীন তারা এ পত্রিকাটি পড়ে খুব উপকৃত হচ্ছে এবং জীবনের সঠিক পথ খুঁজে নিচ্ছে। আমি এ পত্রিকাটির সাথেই থাকতে চাই সারা জীবন ধরে।
মো: ইমরান হোসেন
সরকারি আযিযুল হক কলেজ, বগুড়া

SHARE

Leave a Reply