Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো

Baksho-300x225একদিন একটি ছেলে এক ভিক্ষুককে ৫ টাকা দিয়ে বলল, আমার জন্য দোয়া করবেন।
ভিক্ষক : তা আচ্ছা বাবা, তুমি কী করো?
ছেলে : টোটো কোম্পানির ম্যানেজার।
ভিক্ষুক : তাহলে বাবা আমি দোয়া করি, তুমি টোটো কোম্পানির চেয়ারম্যান হও।
সংগ্রহে : আবদুল কাদের, নগরকান্দা, ফরিদপুর।

ছোট মেয়েকে কাঁদতে দেখে বাবা জিজ্ঞেস করলেন-
বাবা : তুমি কাঁদছ কেন?
মেয়ে : আপু মেরেছে।
বাবা : কখন মেরেছে?
মেয়ে : দুপুরে।
বাবা : তাহলে এই সন্ধ্যার সময় কাঁদছ কেন?
মেয়ে : তখন তো তুমি বাসায় ছিলে না…!
সংগ্রহে : মো: আব্দুল্লাহ
নড়িয়া, শরীয়তপুর

ক্যাপ্টেন : সৈনিক, আপনি কি সাঁতার জানেন?
সৈনিক : জানি, স্যার।
ক্যাপ্টেন : কোথায় সাঁতার শিখলেন?
সৈনিক : পানিতে স্যার।
সংগ্রহে : মাহবুব আলম, নড়িয়া, শরীয়তপুর।

পল্টু ও বল্টু মিসরে ঘুরতে গেছে। একটা মিসরীয় মমি দেখে-
পল্টু : এত্তো ব্যান্ডেজ! নিশ্চয়ই কোনো ট্রাক অ্যাক্সিডেন্টের কারণে এই অবস্থা!
বল্টু : আসলেই! ট্রাক নম্বরও লেখা দেখো, ইঈ-১৭৬০।
সংগ্রহে : শান্তনু বিশ্বাস, হাতিয়া, নোয়াখালী।

রাফি : জানিস, আমাদের কম্পিউটারের স্পিকারটা না নষ্ট হয়ে গেছে। গান শুনতে পারছি না। তাই আজ তোদের কম্পিউটারে গান শুনবো।
আরমান : গান শুনবি কী করে?
রাফি : কেন, তোদের স্পিকার নেই?
আরমান : আমাদের কী করে স্পিকার থাকবে? স্পিকার তো থাকে সংসদ ভবনে!
সংগ্রহে : ইনতেসিয়া মীম
নারায়ণগঞ্জ
দুই বন্ধু গল্প করছে-
১ম বন্ধু : আচ্ছা বলতো, একটি হাতির সামনে এক ডজন কলা রাখা হলো। কিন্তু হাতি ১২টি থেকে ১১টি কলা খেলো। আর  একটি কলা কেন খেল না?
২য় বন্ধু : একটি কলা পচা ছিলো।
১ম বন্ধু: না একটি কলা প্লাস্টিকের ছিলো। আচ্ছা বলতো হাতির সামনে আবার ১ ডজন কলা রাখা হলো। কিন্তু হাতি এবার একটি কলাও খেলো না।
২য় বন্ধু :  ১২টি কলা প্লাস্টিকের ছিলো।
১ম বন্ধু : না, হাতি-ই প্লাস্টিকের ছিলো।
সংগ্রহে : মো: আবু রায়হান
মিরপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকা

মামুন ও মাহবুবের মধ্যে কথা হচ্ছে-
মাহবুব : কিরে, তোর পায়ে দুই রঙের জুতা কেন? যা, বাসায় গিয়ে পাল্টে আয়।
মামুন : পাল্টাতে তো বাসায় গিয়েছিলাম। গিয়ে  দেখি সেখানেও একই রকম ১ জোড়া জুতা পড়ে রয়েছে।
সংগ্রহে: মুহিবুর রহমান মাসুম
লামা. জগন্নাথপুর, মৌলভীবাজার

SHARE

2 COMMENTS

Leave a Reply