Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো

এক অর্ধশিক্ষিত আরেক অর্ধশিক্ষিতের কাছে নিজের পাণ্ডিত্য সম্পর্কে খুব গর্ব করে বলছেÑ পৃথিবীর কোন দেশ ঘোরার বাকি নেই আমার যেমন জয়দেবপুর, ফরিদপুর, নাটোর, কালিগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, সাভার, বিক্রমপুর, ময়মনসিংহÑ আর কত বলব?
উত্তরে অপর অর্ধশিক্ষিত লোকটি বলল- মানচিত্র সম্বন্ধে দেখছি আপনার ভালই ধারণা রয়েছে।
তখন প্রথম অর্ধশিক্ষিত লোকটি আবার বলে উঠল, হ্যাঁ হ্যাঁ, সেই দেশেও ছিলাম তিন দিন।

১ম রাত্রেÑ
অসুস্থ রাজা : শিয়ালগুলো ডাকছে কেন?
মন্ত্রী : শীতের রাত তো তাই।
রাজা : তাহলে ওদেরকে রাজকোষ থেকে কম্বল দেয়া হোক।
মন্ত্রী : জি হুজুর, আগামীকালই দেব।
২য় রাত্রেÑ
রাজা : মন্ত্রী! শিয়ালগুলোর ডাক থামেনি কেন?
মন্ত্রী : কম্বল পেয়ে ওরা হুজুরের শোকর গুজার করছে।
৩য় রাত্রেÑ
রাজা : মন্ত্রী, ওরা কতদিন শোকর গুজারি ডাক ডাকবে?
মন্ত্রী : যতদিন ওরা আপনার দেয়া কম্বল ব্যবহার করবে।
সংগ্রহে : আমিনুল ইসলাম
দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা

মশার সাক্ষাৎকার
সাংবাদিক : আপনারা ময়লা পানিতে ডিম পাড়েন কেন?
মশা : ভালো পানিতে ডিম পাড়লে মানুষ সেদ্ধ করে খেয়ে ফেলতে পারে, তাই।
সাংবাদিক : মশার কয়েলে মশা মরে না কেন?
মশা : মশা মরে গেলে কয়েল কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে, তাই।
সাংবাদিক : আপনারা মানুষের কানের কাছে বসে ঘ্যান ঘ্যান করেন কেন?
মশা : পায়ের কাছে বা অন্য কোথাও তা করলে মানুষ শুনতে পায় না তাই।
সাংবাদিক : শুনেছি, পুরুষ মশারা রক্ত খায় না। তাহলে কী খায়?
মশা : স্ত্রীর বকা খায়।
সাংবাদিক : মশারা কামড়ালে দেহে ডেঙ্গু জীবাণু প্রবেশ করে কেন?
মশা : মশারা শুধু কি নিয়েই যাবে কিছু দেবে না? মশারা এমন অকৃতজ্ঞ নয়। সে জন্যই তো ডেঙ্গু উপহার। আরো আছেÑ ম্যালেরিয়া, ব্যাকটেরিয়া আরো কত কি…!
সংগ্রহে : আতিকুর রহমান
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী

শিক্ষক ছাত্রকে বিজ্ঞান পড়াছে হঠাৎ করে এক ছাত্র শিক্ষককে বলল স্যার, শুনেছি মানুষ নাকি চাঁদের দেশে গিয়েছে।
স্যার : হ্যাঁ, কিন্তু হঠাৎ এই প্রশ্ন কেন?
ছাত্র : আমি এর চেয়ে বড় বিজ্ঞানী হব।
স্যার : কিন্তু কিভাবে?
ছাত্র : আমি সূর্যের কাছে যাব।
স্যার : সূর্যের তাপ অনেক বেশি। তুমি গলে যাবে।
ছাত্র : তাহলে আমি রাত্রে যাব স্যার।
সংগ্রহে : মোহাম্মদ ইয়াসিন
ফুলগাজী, ফেনী
এক শহরে লোক গ্রামে বেড়াতে এসে নদীতে গোসল করতে গেল। সে গ্রাম্য আত্মীয়কে জিজ্ঞেস করল-
শহরে লোক : ভাই নদীতে কুমির নেই তো?
গ্রাম্য লোক : আরে না ভাই, আপনে নির্ভয়ে নামতে পারেন। কারণ নদীতে কোন কুমির নাই। সব হাঙ্গরে খাইয়া ফালাইছে।

শিক্ষক : (ক্লাশে) এই হাবু তুই এবার কেমন পরীক্ষা দিয়েছিস।
ছাত্র : কেন স্যার, কি হয়েছে?
শিক্ষক : তুই গোল্লা পেয়েছিস।
ছাত্র : শিক্ষকের পিছে পিছে ঘুরছে আর আনন্দের সহিত বলছে স্যার গোল্লাটা কখন দিবেন?
সংগ্রহে : সামিয়া আক্তার
তেজগাঁও, ঢাকা

এক পুলিশ ছুটিতে বাড়ি গেল। রাতে তার ঘরে চোর ঢুকলে তার স্ত্রীর বললোÑ
স্ত্রী : ওগো আমাদের সব মালপত্র চোরে নিয়ে গেল। তুমি চোরকে ধর!
স্বামী : আমি এখন ছুটিতে আছি, চোর ধরতে পারবো না।
সংগ্রহে : মুহাম্মাদ ওবায়দুল্লাহ
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী

এক কৃপণ লোক একবার বৃৃষ্টির কারণে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিল। এরই মধ্যে খাওয়ার সময় হলো। প্রতিবেশী কৃপণ লোকটিকে বললÑ
প্রতিবেশী : আজতো এই বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমার বাসায় চারটি ডালভাত খাবেন।
কৃপণ : আচ্ছা ঠিক আছে, এর মধ্যে প্রতিবেশী লোকটি খাবার আনতে বাড়ির ভেতরে গেল, ফিরে এসে কৃপণকে আর দেখতে পেলো না। তাই সে চিন্তিত হয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল কৃপণ লোকটি ভিজে ভিজে প্রতিবেশীর বাড়ির দিকে আসছে। কাছে আসতেইÑ
প্রতিবেশী : কি ব্যাপার? এই বৃষ্টির মধ্যে ভিজে ভিজে কোথায় গিয়েছিলেন?
কৃপণ : আর বলো না ভাই, গিয়েছিলাম বাড়িতে, তোমার বাড়িতে যে ভাত খাব, তা গিন্নীকে বলতে।
সংগ্রহে : আবদুর রহমান
কাপাসিয়া, গাজীপুর

SHARE

1 COMMENT

Leave a Reply