Home বিজ্ঞান জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর একটি অনন্য সংগ্রহশালা

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর একটি অনন্য সংগ্রহশালা

রফিকুল ইসলাম ফরাজী

Sciencsডাইনোসর! নামটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে বিশালাকার এক ভয়ঙ্কর প্রাণীর প্রতিচ্ছবি ভেসে ওঠে। যদিও অতিকায় এই প্রাণীটি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে আজ থেকে প্রায় ছয়শত কোটি বছর পূর্বে। তবুও ডাইনোসরকে নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনার কোনো কমতি নেই। কিন্তু হঠাৎ যদি আমরা আমাদের রাজধানী শহরে ডাইনোসরের মুখোমুখি হই কেমন হবে বলো তো? না, ভয় পাবার কিচ্ছু নেই বন্ধুরা। আসলে বিশাল এক ডাইনোসর রয়েছে রাজধানীর আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগরের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সামনে। সেখানে গেলে প্রথমেই চোখে পড়বে এটি। দর্শকদের মনে হবে তারা বুঝি চলে এসেছেন ৬০০ কোটি বছর আগের পৃথিবীতে। মনে হবে এই বুঝি এগিয়ে আসছে একটি জীবন্ত ডাইনোসর ভয়ঙ্কর হুঙ্কার দিয়ে। না ভয় নেই ওটি কখনোই এগিয়ে আসবে না তোমাকে আক্রমণ করার জন্য। ১৯৯০ সালে শিল্পী তপন কুমার দাস এই ডাইনোসরের ভাস্কর্যটি তৈরি করেন। এর একটু সামনে রয়েছে মো: শাহজাহান মৃধার তৈরি সূর্যঘড়ি। জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সর্বস্তরের প্রযুক্তিকে এদেশে জনপ্রিয় করার উদ্দেশ্যে রাজধানীর আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগরে প্রতিষ্ঠা করা হয় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর। ১৯৬৫ সালের ২৬ এপ্রিল তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি শুরু হয়েছিল খুব স্বল্প কিছু সংগ্রহ দিয়ে। বর্তমানে এই সংগ্রহশালা বেড়ে হয়ে উঠেছে অনেক বৈচিত্রপূর্ণ। মাত্র ১০ টাকার টিকিট কেটে ভেতরে ঢুকলে শুরুতেই দর্শকদের চোখে পড়বে নিচতলাতে ছয় কোনাকার কাচের ঘরে ছাদ থেকে ঝুলছে ৬১ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ২৭ কেজি ভরের ফুকোর দোলক। এর একপাশে অ্যাকুরিয়ামে রয়েছে হরেক রকম রঙিন মাছ। যা দেখে তোমাদের মনে হতে পারে যদি মাছের মতো সমুদ্রের তলদেশে সাঁতরে বেড়ানো যেত! এই জাদুঘর সব শ্রেণীর দর্শনার্থীর জন্য খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বৃহস্পতি ও শুক্রবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য এখানকার সংগ্রহশালাকে বিভিন্ন গ্যালারিতে ভাগ করা হয়েছে। এখানে মোট ছয়টি গ্যালারি রয়েছে।
প্রথমেই রয়েছে ভৌত বিজ্ঞান গ্যালারি : এই গ্যালারিতে বিজ্ঞানের নানা সূত্রের প্রমাণ দেখানো হয়েছে। রয়েছে নিউটনের প্রথম ও তৃতীয় গতি সূত্রের প্রদর্শনী। এ ছাড়া এই গ্যালারিতে বিভিন্ন সংরক্ষিত জিনিস প্রদর্শনের পাশাপাশি বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের নামে কয়েকটি কর্নার রয়েছে, যেমন- সত্যেন্দ্রনাথ বসু কর্নার, কুদরত-ই-খুদা কর্নার ও আনুশেহ আনসারী কর্নার। সত্যেন্দ্রনাথ বসু কর্নারে রয়েছে এই মহান বিজ্ঞানীর ব্যবহৃত এক্সরে টিউবের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। বিপরীত পাশেই কুদরত-ই-খুদা কর্নারে রয়েছে তাঁর ব্যবহৃত চশমা, ঘড়ি, কলম, সিল, সিলের প্যাড, পেপার ওয়েট প্রভৃতি। এ ছাড়া এই গ্যালারিতে আছে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা, সিনেমাস্কোপ, হ্যালির ধূমকেতুর সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও বর্ণনা, ভাসমান বাগানসহ ভৌত বিজ্ঞানের বিচিত্র বিষয়। এর ভেতরে রয়েছে চন্দ্র মানচিত্র। তার পাশেই রয়েছে আনুশেহ আনসারির কর্নার। আনুশেহ প্রথম নারী, যিনি সম্পূর্ণ নিজ খরচে ২০০৬ সালের ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে ঘুরে এসেছেন। এই কর্নারে তার ২টি ব্যাজ, পিন ও স্বাক্ষরিত একটি ছবি রয়েছে।
শিল্প প্রযুক্তি গ্যালারি : আজকের পৃথিবী এবং আজকের সভ্যতা বলা চলে পুরোপুরিই প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তি ছাড়া বর্তমান সময়কে ভাবাই যায় না। বাংলাদেশ এই প্রযুক্তিতে কতটুকু এগিয়েছে তারই কিছুটা ধারাবাহিক ইতিহাস স্বচক্ষে দেখার সুযোগ মিলবে ভৌত গ্যালারির পাশেই থাকা শিল্প প্রযুক্তি গ্যালারিতে প্রবেশ করলে। এখানে সংরক্ষিত আছে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র, পুরাতন গ্রামোফোন, ১৯৬৫ সালে বিটিভির ব্যবহৃত প্রথম ক্যামেরা। আছে একটি ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপ যার মাধ্যমে বস্তুর দশ লক্ষ গুণ বড় প্রতিবিম্ব দেখা সম্ভব। আছে চট্টগ্রাম ইস্পাত কারখানা, চিনির কল, কর্ণফুলী কাগজ কল এবং হার্ডিঞ্জ ব্রিজের মডেল। আছে ৬০০ কেজি ওজনের বলাকা বিমানের একটি ইঞ্জিন যা সোভিয়েত ইউনিয়ন শেখ মুজিবুর রহমানকে উপহার দিয়েছিল।
তথ্যপ্রযুক্তি গ্যালারি : শিল্প প্রযুক্তি গ্যালারি থেকে একটু এগুলেই চোখে পড়বে তথ্যপ্রযুক্তি গ্যালারি। এই গ্যালারিতে আছে বিভিন্ন কম্পিউটার। যার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠবে কম্পিউটারের বিবর্তন। এখানে আছে ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশে আনা প্রথম কম্পিউটার আইবিএম ১৬২০। পরমাণু কমিশন একসময় এটি ব্যবহার করত। এ ছাড়াও রয়েছে আইবিএম ১৪০১, যা দেখতে অতিকায় আলমারির মতো। এই গ্যালারিতে সংযোজন করা হয়েছে আধুনিক টাচস্ক্রিন কম্পিউটার, যেখানে টাচ করলেই দর্শনার্থীরা দেখতে পাবেন জাদুঘরের সব তথ্য। আছে একটি পুরাতন মুদ্রণ যন্ত্রসহ তথ্যপ্রযুক্তির বিচিত্র সব নিদর্শন।
মজার বিজ্ঞান গ্যালারি : বিজ্ঞানকে যাদের কাছে মনে হয় নিরস বা কাঠখোট্টা তাদের কথা বিবেচনা করেই জাদুঘরের দ্বিতীয় তলায় রাখা হয়েছে মজার এই গ্যালারিটি। এখানে প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীরা মুখোমুখি হবেন বিচিত্রসব মজার বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ডের। এখানে রয়েছে মজার কয়েকটি আয়না, যার সামনে দাঁড়ালে নিজেকে কোনোটায় বামুন, কোনোটায় লম্বা আবার কোনোটায় সঙ্কুচিত দেখা যাবে। আয়নার এই সমস্ত কর্মকাণ্ড দেখে যে কারো প্রাণে হাসির উদ্রেক হয়ে য়ায়। এখানে এমন যন্ত্র রয়েছে যার মাধ্যমে ছায়াকে রঙিন দেখা সম্ভব। ক্যালিডোস্কপ নামে একটি যন্ত্রে তিনটি সমবাহু ত্রিভুজের তিনবাহুর আদলে বসিয়ে রঙিন তরলের মাধ্যমে সৃষ্টি করা করা হয়েছে মনোরম দৃশ্য। মজার বিজ্ঞান গ্যালারির অপর এক কক্ষে রয়েছে বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের ছবিসহ তাদের জন্ম-মৃত্যুর কথা এবং তাদের অবদানের তথ্য। গ্যালারিতে রোবট, লাভা ল্যাম্প, সৌরজগৎ এবং ভাসমান বলের মডেল রয়েছে। এখানে আছে শব্দ তরঙ্গের এমন এক যন্ত্র যাতে জাদুর কাঠির মতো লৌহ দণ্ড দিয়ে আঘাত করলে বিচিত্র সুরের শব্দ বাজতে থাকে। সর্বোপরি বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আপনাকে আনন্দ দেয়ার যাবতীয় আয়োজন এখানে রয়েছে।
জীববিজ্ঞান গ্যালারি : পৃথিবীর বাইরে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি নেই এই নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে রয়েছে অনেক নানা জল্পনা কল্পনা। এছাড়া পৃথিবীতে জীবের উদ্ভবই বা কিভাবে হলো তা নিয়েও বিজ্ঞানীদের গবেষণার অন্ত নেই। এই জাদুঘরে জীববিজ্ঞানের জন্য রয়েছে আলাদা একটি গ্যালারি। এই গ্যালারিতে ঢুকলে দর্শনার্থীদের চোখে পড়বে ৪০ ফুট দীর্ঘ এক নীল তিমির কঙ্কাল। এটি ১৯৮৮ সালে সংগ্রহ করা হয়েছে। যারা এতদিন যাবৎ বইপুস্তকে তিমির বিশালত্ব সম্পর্কে জেনেছেন বা লোকমুখে শুনে এসেছেন তাদের নিজ চোখে দেখার সুযোগ মিলবে একটি মাঝারি আকুতির তিমি কতখানি বিশালাকৃতির হতে পারে। রয়েছে ১৯৯৬ সালের প্যানজেটিক ডলফিন।এখানে প্রদর্শিত আছে মাতৃগর্ভের ভ্রƒণ থেকে ৯ মাস বয়স পর্যন্ত মানুষের বিকাশের চিত্র। পাশেই রয়েছে ডিএনএ এবং আরএনএর মডেল। এ ছাড়া করাত মাছের সাদা দাঁতযুক্ত করাতটি দুর্লভ সংগ্রহ। স্টফিং এবং অ্যালকোহলের দ্রবনে সংরক্ষিত আছে নানা ধরনের পশু, পাখি, সাপ ও ব্যাঙ। অক্টোপাস, সামুদ্রিক শামুক, বাজপাখি, বাদুর, হনুমান, ঘড়িয়াল আর বনরুইয়ের সংগ্রহগুলো দৃষ্টিনন্দন। পৃথিবীতে বহু জায়গা রয়েছে যেখানে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে লোকালয়ের পর লোকালয় ধ্বংস হয়ে যায়। আমরা এই দৃশ্য হয়ত টেলিভিশনে দেখেছি। কিন্তু কখনই আগ্নেয়গিরির লাভা সরাসরি দেখিনি। এখানে সংরক্ষিত আছে ১৯৯৮ সালে ২৭ নভেম্বর জাপানের আসিমা দ্বীপপুঞ্জ থেকে সংগৃহীত লাভার অংশবিশেষ। গ্যালারির একদিকের দেয়ালে রয়েছে ডাইনোসরের বিবর্তন এবং বিলুপ্তির সচিত্র বর্ণনা।
তরুণ বিজ্ঞান গ্যালারি : তরুণ বিজ্ঞানীদের উৎসাহিত করার জন্য এখানে একটি গ্যালারি রয়েছে। তরুণ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত যেসব প্রকল্প জাতীয় বিজ্ঞান ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সপ্তাহে প্রদর্শিত হয়েছে তাই এই গ্যালারিতে স্থান পেয়েছে। এখানে প্রদর্শিত উল্লেখযোগ্য বস্তুর মধ্যে রয়েছে কাঠ সমতলকরণ মেশিন, রোড ব্যারিয়ার, ম্যাগনিফাইং গ্লাস, গ্রাইন্ডিং মেশিন, এয়ারকুলার,এয়ার ক্লিনারসহ আরো নানা কিছু।
গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সমূহ : জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে মাঝারি আকারের একটি বিশেষ ধরনের গ্রন্থাগার রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রায় ৫০০০ বই এর সংগ্রহে রয়েছে। এসবের মধ্যে আছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক বেশ কিছু এনসাইক্লোপিডিয়া। তা ছাড়া রয়েছে পদার্থ বিজ্ঞান, গণিত, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্যোতির্বিজ্ঞান, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, লাইফ সায়েন্স ইত্যাদিবিষয়ক বই। এখানে রয়েছে চলতি ঘটনাপ্রবাহের ওপর জার্নাল ও পিরিয়ডিক্যালস। গ্রন্থাগারে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দৈনিক ও মাসিক পত্রিকা এবং আন্তর্জাতিক পত্রিকা রিডার্স ডাইজেস্ট নিয়মিতভাবে রাখা হয়। সর্বসাধারণের জন্য এই গ্রন্থাগার অফিস চলাকালীন সময়ে খোলা থাকে। সাধারণত ছাত্রছাত্রী ও গবেষকবৃন্দ এই গ্রন্থাগারের পাঠক। গ্রন্থাগার সমৃদ্ধকরার জন্য প্রায় প্রতি বছরেই কিছু বই ক্রয় করা হয়ে থাকে। এখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রচুর বই রয়েছে। গ্রন্থাগারটি অফিস চলাকালীন সময়ে খোলা থাকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে আগ্রহী পাঠকগণ এবং জাদুঘরের দর্শনার্থীদের জ্ঞান পিপাসা পূরণ করবে গ্রন্থাগারটি।
জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘর নিয়মিত ত্রৈমাসিক ‘নবীন বিজ্ঞানী’ পত্রিকা, তরুণ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন নিয়ে ‘উদ্ভাবন’, জনপ্রিয় বিজ্ঞানবিষয়ক বক্তৃতা নিয়ে বিভিন্ন বই প্রকাশ করে থাকে। এখান থেকে জাতীয় বিজ্ঞান ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সপ্তাহের বার্ষিক প্রতিবেদন, তরুণ ও অপেশাদার বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রকল্প এবং বার্ষিক বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর প্রকাশিত পোস্টার, ফোল্ডার, লিফলেটও প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
টেলিস্কোপের সাহায্যে আকাশ পর্যবেক্ষণ : মেঘমুক্ত রাতের আকাশ মানেই লক্ষ লক্ষ গ্রহ নক্ষত্রের মিলনমেলা। তারাভরা ওই আকাশ প্রতিনিয়তই আমাদের মনে সৃষ্টি করে নানা বিস্ময়ের। বিজ্ঞানপ্রেমী মানুষমাত্রই ইচ্ছে হয় ওইগুলো সম্পর্কে জানতে, সম্ভব হলে আরেকটু কাছ থেকে ভালোভাবে দেখা। সেই ইচ্ছেটাই পূরণ করার তাগাদা থেকে প্রতি শনি ও রবিবার সন্ধ্যা থেকে দুই ঘণ্টা জাদুঘরের ছাদে চাঁদ, শুক্রগ্রহ, মঙ্গলগ্রহ, শনিগ্রহ, এন্ড্রোমিডা, গ্যালাক্সি, রিংনেবুলা, সেভেন সিস্টারস, জোড়াতারা আর তারার ঝাঁক দেখানো হয় টেলিস্কোপের সাহায্যে। এই আকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য আপনাকে মাত্র ১০ টাকা খরচ করতে হবে। এ ছাড়াও জাদুঘরে রয়েছে একটা সায়েন্স পার্ক। এই পার্কটি কেবল শিশু-কিশোরদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এখানে আছে মিউজিক্যাল টিউব, আর্কিমিডিয়ামের স্কু, সিমপ্যাথেঠিক সুইং, সুইং পেন্ডুলামসহ মজার মজার খেলার ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরটি একটি অনন্য সংগ্রহশালা। প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে ঘুরে আসতে পারো যেকোনো সময়।
মিউজু বাস : জাদুঘরের ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে ২০১১ সাল থেকে সংযোজিত হয়েছে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান গ্যালারি ‘মিউজু-বাস’। মিউজুবাসে রয়েছে ভৌত বিজ্ঞানের ২৪টি আকর্ষণীয় প্রদর্শনী বস্তু যা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের উপযোগী।
ওয়েবসাইট : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের রয়েছে একটি সমৃদ্ধ ওয়েবসাইট। চাইলেই এখান থেকে পেতে পারেন জাদুঘর সম্পর্কিত সব ধরনের তথ্য। ওয়েব ঠিকানা-www.nmst.gov.bd

ঠিকানা : জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা। ফোন : ৯১১২০৮৪ [email protected] (পঙ্গু হাসপাতাল থেকে বিপরীত দিকে সোজা কিছু দূর গেলেই মিলবে বিজ্ঞান জাদুঘর)

SHARE

Leave a Reply