Home কুরআন ও হাদিসের আলো কুরআনের আলো বিজয় হলো আনন্দ ও ক্ষমার

বিজয় হলো আনন্দ ও ক্ষমার

বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম
“যখন আল্লাহর সাহায্য এসে যায় তখন বিজয় লাভ হয়। আর (হে নবী!) তুমি যদি দেখ যে লোকেরা দলে দলে আল্লাহর দ্বীন গ্রহণ করছে, তখন তুমি তোমার রবের হামদ সহকারে তাঁর তাসবিহ পড়ো এবং তাঁর কাছে মাগফিরাত চাও। অবশ্য তিনি বড়ই তওবা কবুলকারী।” (সূরা আন-নসর)

প্রিয় বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ অসংখ্য ত্যাগের বিনিময়ে দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীনতা লাভ করেছে। তাই ১৬ ডিসেম্বর হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের বিজয়ের দিন এবং ডিসেম্বর হচ্ছে বিজয়ের মাস। আর এ কারণে ডিসেম্বর মাসটি আমাদের বিজয় ও উৎসবের মাস হিসেবে বিবেচিত। আসলে বিষয়টি হলো বাংলাদেশের মানুষ যখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দ্বারা নিষ্পেষিত ও অধিকার বঞ্চিত হচ্ছিল, তখন বাংলাদেশের মানুষ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলাদেশকে তাদের শোষণ থেকে মুক্ত করে। কেননা, মানুষ বেশিদিন অন্যায়-অত্যাচার সহ্য করে বেঁচে থাকতে চায় না। শোষণের বিরুদ্ধে মানুষ বরাবরই আন্দোলন-সংগ্রাম করে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে থাকে।
মহাগ্রন্থ আল কুরআন আমাদেরকে এই শিক্ষা-ই দেয় যে, কোনো পরীক্ষায় বা যুদ্ধে বা যে কোনো কাজের মিশনে বিজয় লাভ করলে, বিজয়ীদের উচিত হলো- আল্লাহ যে বিজয় দান করেছেন সে জন্য আল্লাহর তাসবিহ এবং প্রশংসা করা। সাথে সাথে আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করা। কেননা উক্ত কাজের মধ্যে যে সকল ভুল-ত্রুটি বা অন্যায় ও বাড়াবাড়ি হয়ে যায় তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়া হচ্ছে পরকালীন জীবনে মুক্তি লাভের উত্তম উপায়।
প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের দেশকে স্বাধীন করার পেছনে যে সকল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল তা এখনও পূর্ণতা লাভ করেনি। এটাকে পূর্ণতা দিতে হলে, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত একটি বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা আজকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই যে, আমরা আমাদের চরিত্র গঠন করে জ্ঞান-বিজ্ঞানে উচ্চ শিখরে আরোহণ করবো এবং বাংলাদেশকে একটি উন্নত অবস্থানে নিয়ে যাবো। আল্লাহ আমাদেরকে তাওফিক দিন। আমিন।
গ্রন্থনা : মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী

SHARE

Leave a Reply