Home খেলার চমক ক্রিকেটারদের যত ডাকনাম

ক্রিকেটারদের যত ডাকনাম

হাসান শরীফ

রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস

‘আসল’ নামের পাশাপাশি আমাদের অনেকেরই এক বা একাধিক ডাকনাম বা ছদ্মনাম (নিকনেম) আছে। অনেক সময় মা-বাবাই রাখেন এসব ডাকনাম। আবার কখনো কিভাবে এসব নাম জুড়ে যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও জানে না। অনেক সময় আসল নামকে ছাপিয়ে যায় ডাকনাম। এই যেমন সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে পরিচিত পেলের কথা বলা যায়। তার আসল নাম এডসন আরানতেস ডো নাসিমেনটো। কিন্তু সবাই তাকে চেনে পেলে নামে। তিনি নিজেও জানেন না, কে রাখল তার এই নাম, বা কিভাবে এমনটা হলো। তাই বলে এ নিয়ে তার মধ্যে কোনো বিরাগ নেই।
যা-ই হোক, এসব নাম কখনো হয় অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ, কখনো বেশ রূঢ়, কখনো বা হাস্যকর। তাই ডাকনামও হেলাফেলার জিনিস নয়। ক্রিকেটারদেরও এ ধরনের অনেক নাম আছে। তবে ডাকনামের সাথে সাথে অনেকেই নানা কারণে বিভিন্ন নাম পেয়েছে। এ নামেও তারা বেশ পরিচিত। এসব নামেরও আছে নানা ইতিহাস, মজাদার ঘটনা। কারো কারো এসব ডাকনাম বেশ মজাদার, কারোটা বেশ অদ্ভুত, কারোটা বা কিম্ভূতকিমাকার। কেউ কেউ এই নাম পেয়ে খুশি হয়েছেন, কেউ কেউ আবার রাগে ফুঁসেছেন, হয়তো মুখে বলেননি।
ফাস্ট বোলাদের নামের সঙ্গে প্রায়ই ‘এক্সপ্রেস’ শব্দটি জুড়ে দেয়া হয়। পাকিস্তানের বুরেওয়ালায় জন্মেছিলেন বলে ওয়াকার ইউনুসের নাম ‘বুরেওয়ালা এক্সপ্রেস’। একই কারণে শোয়েব আখতারের নাম ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’। তবে চন্ডিগড়ে জন্মালেও কপিল দেব কিন্তু ‘চন্ডিগড় এক্সপ্রেস’ নামটি পাননি। তিনি পরিচিতি পেয়েছেন ‘হরিয়ানা হারিকেন’ নামে। আবার মদন লাল পেয়েছিলেন ‘পাঞ্জাব মেইল’ নামটি। সরু সরু পায়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বোলার গ্লেন ম্যাকগ্রার নাম ছিল ‘পিজিয়ন’। অবশ্য তিনি যেভাবে ব্যাটসম্যানদের প্রাণ সংহার করেন, তাতে কবুতর না হয়ে তার নাম বাজপাখি হলে মানানসই হতো। ক্যারিয়ারের প্রথমদিকে হালকা-পাতলা গড়নের জন্য তার নিউ সাউথ ওয়েলসের টিমমেট ম্যাকনামারা তাকে এই নামটি দিয়েছিলেন। তাকে মিলার্ড, রাইনো, নিগার, নাফনাফ নামেও ডাকা হতো। মাইকেল হোল্ডিং যখন বোলিং করতেন, তখন ব্যাটসম্যানদের অনেকেই ভয়ে কাঁপতেন। ভয়ের একটি শিরশিরে অনুভূতি তৈরি হতো তাদের মধ্যে। তাই তাকে বলা হতো ‘হুইসপারিং ডেথ’। মজার ব্যাপার হলো কোনো ব্যাটসম্যান তাকে এই নাম দেননি। দিয়েছিলেন আম্পায়ার ডিকি বার্ড, যাকে কোনো দিনই হোল্ডিংয়ের বল খেলতে হয়নি। হোল্ডিংয়ের বোলিংয়ের সময় ব্যাটসম্যানদের অনুভূতি কেমন হয়, তিনি কাছ থেকে দেখতে পেয়েছিলেন। তাই এই নামটি দিয়ে দেন। ব্যাটসম্যানদের দিকে নিঃশব্দে এবং দ্রুত ধেয়ে আসতেন বলে অনেকে তাকে ‘রোলস রয়েস’ও বলতেন। পাকিস্তানের কিংবদন্তি বোলার ওয়াসিম আকরামকে বলা হয় ‘কিং অব রিভার্স সুইং’। রিভার্স সুইং করার ক্ষেত্রে তার জুড়ি না থাকায় এই নাম হয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ফাস্ট বোলার ব্রুস রিড পরিচিত ছিলেন ‘থিনবল পেন্সিল’ হিসেবে। ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা রোগা-পাতলা শরীরের জন্যই তাকে এই নাম দেয়া হয়েছিল। শরীরের গড়নের জন্য মজাদার নামের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ সম্ভবত ‘মাসলস’। দক্ষিণ আফ্রিকান খেলোয়াড়েরা রোগা-পটকা শরীরের ভারতীয় ক্রিকেটার রাজুকে নামটি দিয়েছিল।
পাকিস্তানের এক সময়ের তারকা খেলোয়াড়-অধিনায়ক-কোচ জাভেদ মিয়াঁদাদকে ডাকা হতো ‘বড়ে মিয়াঁ’ নামে। আবার ম্যাচ ফেরানোর ধুরন্ধর বুদ্ধি এবং কৌশলের কারণে তাকে কেউ কেউ ডাকতো ‘ধূর্ত শেয়াল’ বলে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহকে ডাকা হতো ‘টুগগা’ নামে। টুগগা মানে ‘দড়ি টানা’র খেলা। হয়তো যেকোনো পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিতেন বলেই তার এই নাম হয়েছে। তিনি ‘আইসম্যান’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তার উত্তরসূরি রিকি পন্টিংকে ‘পান্টার’ নামে ডাকা হতো। উইকেটরক্ষক গিলক্রিস্টের আরেক পরিচিতি ‘চার্চি’ হিসেবে। এর পেছনেও মজার ইতিহাস আছে। তার ভাষায়, ‘একদিন এক তরুণ অটোগ্রাফ শিকারি আমার কাছে এসে বললো, মাফ করবেন এরিক গিলচার্চ, আমি কি আপনার অটোগ্রাফ পেতে পারি?’
ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী উইকেটরক্ষক সৈয়দ কিরমানি অনেকের কাছেই ‘কিরি’ নামে পরিচিত। কিরমানির সংক্ষিপ্ত রূপই কিরি। তবে তিনি ‘কসাক’ নামেও পরিচিত। মাথাজোড়া টাক থাকায় কিরমানির চেহারার সাথে রাশিয়ার কসাক উপজাতির লোকদের মিল থাকার জন্য তার এই নাম। তিনি কিন্তু একবার চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন। ভারতের আরেক ক্রিকেটার অফস্পিনার হরভজন সিংকে ডাকা হয় ‘ভাজ্জি’ বলে, অনেকটা একই কায়দায়। কাছাকাটি নাম আছে অস্ট্রেলিয়ার ফাস্ট বোলার জ্যাসন গিলেস্পির ‘ডিজি’। ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কারকেরও একইভাবে ডাকা হয় ‘সানি’ নামে। গাভাস্কার ‘লিটল মাস্টার’ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তবে একটু খাটো অথচ ব্যাটিংয়ে দক্ষ এমন অনেক ব্যাটসম্যানকেই এই নামে ডাকা হয় বা হতো। এ কারণেই পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রায়ান লারা, ভারতের শচিন টেন্ডুলকার এই নাম পেয়েছেন। গাভাস্কারকে অনেকে ডাকে ‘ডেলাইট’ বলেও।
ইংল্যান্ডের এক সময়ের নামি ফাস্ট বোলার ফিলিপ ডেফ্রিটাসের গায়ের রঙ অনেকটা চকোলেটের মতো হওয়ায় সতীর্থরা তাকে ডাকতো ‘হাফ চকোলেট’। হলিউডের তারকা আর্নল্ড সোয়ার্জনেগারের শক্তপোক্ত গড়নের সাথে মিল থাকায় ইংল্যান্ডের গ্রেম হিক পরিচিত হয়েছেন ‘আর্নি’ নামে। মোটাসোটা হওয়ায় পাকিস্তানের ইনজামাম উল হকের নাম হয়েছে ‘বিগম্যান’। তবে ‘পটেটো বা আলু’ বললে তিনি সত্যিই রেগে যেতেন। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক মাইকেল ভনকে ‘ভারজিল’ এবং মারকাস ট্রেসকোথিক ‘ব্যাঙ্গার’ নামে পরিচিত ছিলেন। অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের ডাকনাম বারবার পাল্টিয়েছে। সুপারফ্রেড, মি. ইনফ্রেডেবলের পর পানশালায় অধিক রাত পর্যন্ত কাটানোর জন্য ‘ফেডালো’ পর্যন্ত ছিল তার নাম।
ভারতের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান রাহুল দ্রাবিড়ের নামই হয়ে গিয়েছিল ‘জ্যামি’ (তার পিতা এক জ্যাম প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন)। আবার শচিন টেন্ডুলকার জীবনের শুরুতে পরিচিত ছিলেন ‘ডিয়াগো’ নামে। কেউ কেউ সে সময় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা ডিয়াগো ম্যারাডোনার সঙ্গে চুল এবং মুখের কিছুটা মিল পেয়ে সেই নামটি দিয়েছিলেন। আবার শচিনের বন্ধু এবং একসময় ভারতের অপরিহার্য ব্যাটসম্যান বিনোদ কাম্বলির চেহারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেসমন্ড হেইন্সের সাথে মিল থাকায় নাম পেয়েছিলেন ‘ডেইজি’।
ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটভক্তরা ব্রায়ান লারাকে ডাকেন ‘প্রিন্স’ বলে। সৌরভ গাঙ্গুলিকেও বলা হয় ‘প্রিন্স অব ক্যালকাটা’। তবে তার পারিবারিক ডাকনাম ‘মহারাজা’। অন্য দিকে পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের ভারতের অন্যতম লেগস্পিনার গোলাম আহমদকে ডাকা হতো ‘নিজাম অব হায়দ্রাবাদ’। আবার ইমরান খানকে ডাকা হয় ‘কিং খান’ নামে। নেতৃত্বদানের সহজাত নৈপুণ্য এবং তার আচার আচরণে সম্রাটের ভাবভঙ্গি দেখা যাওয়াই এর কারণ। তবে তার খেলার সময়ে তাকে আড়ালে আবডালে দলের কেউ কেউ ডাকতো ‘মিটার’ বলে। ক্যারিয়ারের শেষদিকে তিনি মায়ের নামে একটি ক্যান্সার হাসপাতালের তহবিল সংগ্রহ করতেন। আর এ কাজে তিনি ক্রিকেটকে ব্যবহার করায় তাকে এই নামে অভিহিত করতো কেউ কেউ। পাকিস্তানের মাজিদ খানের নাম হয়েছিল ‘মি. ম্যাজিসটিক’। মাত্র ৩৭ বলে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ডধারী শহিদ আফ্রিদি পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘ওয়ান্ডার বয়’ হিসেবে। তাকে ‘বুম বুম’ আফ্রিদি নামেও ডাকা হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকা নামক দেশটি কৃষ্ণাঙ্গ প্রধান হলেও সেখানকার ক্রিকেটারদের প্রায় সবাই শ্বেতাঙ্গ। তাদের ভাষা ইংরেজি। তবে অল-রাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনার একটু ব্যতিক্রম। শৈশবে তিনি জুলু উপজাতীয় এক নারীর তত্ত্বাবধানে ছিলেন। তখন তিনি জুলু ভাষাও শিখে নিয়েছিলেন। সেই থেকে তার নাম ‘জুলু’।
ইংল্যান্ডের এক সময়ের অন্যতম ব্যাটসম্যান রবিন স্মিথ তার ঢেউখেলানো চুলের জন্য পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘দ্য জাজ’ হিসেবে। আসলে বিচারপতি না হয়েও বিচারপতিদের পরচুলার মতো চুলের কারণে তার এই নাম হয়। আবার সোনালি চুলের জন্য অস্ট্রেলিয়ার তারকা লেগ-স্পিনার শেন ওয়ার্নকে ডাকা হতো ‘হলিউড’ বলে। নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলার শেন বন্ডকে ডাকা হয় ‘পুলিশ’ হিসেবে। এক সময় তিনি পুলিশ ছিলেন বলেই তার এই নাম। সেনাবাহিনীতে কোনো সময় চাকরি না করলেও এক সময় একজনের ডাকনাম ছিল কর্নেল। তার ভালো নাম অবশ্য আহমেদ কামাল। উইকেটরক্ষক খালেদ মাসুদের ডাক নাম ছিল পাইলট, ওপেনিং ব্যাটসম্যান জাভেদ ওমরের নাম ছিল গুল্লু। তবে এসব নাম পারিবারিকভাবেই দেয়া। আত্মীয়তা সম্পর্কেও একে অন্যকে ডাকার রেওয়াজ দেখা যায়। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও অল-রাউন্ডার খালেদ মাহমুদ সুজনকে ডাকা হতো ‘চাচা’ বলে।
বিখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা জো ফ্রেজিয়ারের মুখের সাথে মিল ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডসের। তাই তিনি হয়ে যান ‘স্মোকিং জো’। শ্রীলঙ্কার অরবিন্দ ডি সিলভা দৃষ্টি আকর্ষণীয় ব্যাটিংশৈলীর জন্য পেয়েছিলেন ‘ম্যাড ম্যাক্স’ নামটি।
জন্তু-জানোয়ার কিংবা পশুপাখির নামে ডাকনাম দেয়ার উদাহরণও কিন্তু কম নয়। একাধিক ক্রিকেটারকে একই ডাকনামে ডাকার নজিরও কম নেই। ভারতের সাবেক অধিনায়ক মনসুর আলী খান পাতৌদি ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার মাইক প্রক্টর, অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার বিল ও’রাইলির নামও ছিল ‘টাইগার’। ইংল্যান্ডের বব উইলিসকে বলা হতো ‘সোর্ড ফিশ’, অস্ট্রেলিয়ার এক ধরনের মাছির নামে মার্ভ হিউজকে ‘ফ্রুটফ্লাই’ নামে, বিষাক্ত পোকা ‘হহা’র নামে দক্ষিণ আফ্রিকান স্পিনার পল অ্যাডামস পরিচিত। জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেল ছিলেন ‘টাবি’ (গাধা)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি বোলার জোয়েল গারনারকে বলা হতো ‘বিগ বার্ড’। অথচ তার স্বদেশী পেসবোলার কার্টলি অ্যাম্ব্রোসকে বলা হতো ‘লিটল বার্ড’। মোটামুটি বিশালদেহী হলেও ক্লাইভ লয়েড ছিলেন ‘সুপারক্যাট’। আর অস্ট্রেলিয়ার মোটাসোটা চেহারার ব্যাটসম্যান গ্রেগ রিচি ছিলেন ‘ফ্যাটক্যাট’। ঘুম-কাতুরে স্বভাবের জন্য ইংল্যান্ডের সাবেক স্পিনার ফিল টাফনেলকে ডাকা হতো ‘দি ক্যাট’ বলে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মার্ক টেলরকেও ডাকা হতো ‘টাবি’ (বিড়াল) বলে।
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ার ক্রিকেটার ডেভিড বুনকে বলা হয় দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী তথা নেকড়ের মতো ‘তাসমানিয়ান ডেভিল’ নামে। বর্তমানে ধারাভাষ্য হিসেবে সুনাম অর্জনকারী ইংল্যান্ডের ওপেনার জিওফ বয়কট সতীর্থ অল রাউন্ডার ইয়ান বোথামকে নাম দিয়েছিলেন ‘গাই দি গরিলা’। বিশাল চেহারা এবং ব্যাট করার সময় বিপক্ষ দলের বোলারদের ওপর চড়াও হওয়ার জন্যই সম্ভবত এই নামটি বেছে নিয়েছিলেন বয়কট। ঈগলপাখির ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তুলনা করে দক্ষিণ আফ্রিকান অন্যতম ফিল্ডার কলিন ব্ল্যান্ডকে বলা হতো ‘গোল্ডেন ঈগল’। একইভাবে ক্ষিপ্রতম সাপ ব্ল্যাক মাম্বার নামে বিশ্বখ্যাত ফিল্ডার জন্টি রোডস হয়েছেন ‘মারিটসবার্গ মাম্বা’। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান ক্রিকেটার শন পোলকের বাবা ও চাচা দু’জনেই ভালো ক্রিকেটার ছিলেন। গ্রেগ পোলক এবং পিটার পোলক নামের উক্ত দুই ভাইকে ডাকা হতো যথাক্রমে ‘লিটল ডগ’ ও ‘বিগ ডগ’। নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার নাথান অ্যাস্টলকে বলা হয় ‘স্কুইরেল’।
নামের মধ্যে মিল যেমন আছে, তেমনি আছে বৈপরীত্যও। সব নামের পেছনেই যে যুক্তি বা কার্যকারণ আছে, তা কিন্তু নয়। আমরা তো অনেক কিছুই অহেতুক করি বা হয়ে যায়। ডাকনামের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এটাই হয়ে গেছে অনেকের প্রধান নাম।

SHARE

Leave a Reply