Home হাসির বাকসো হাসির বাকসো

হাসির বাকসো


গৃহশিক্ষক ও ছাত্রের মাঝে কথোপকথনÑ
শিক্ষক : এবার বলো, দ্বীপ কাকে বলে?
ছাত্র : দ্বীপ হলো কোনো ভূ-খণ্ড, যার একপাশ ছাড়া আর সব পাশেই পানি দিয়ে ঘেরা থাকে।
শিক্ষক : গুড! তা দ্বীপের কোন্ পাশটা পানি দিয়ে ঘেরা থাকে না শুনি?
ছাত্র : কেন স্যার, উপরের দিকটা!
সংগ্রহে : রেজওয়ানা পারভীন মীম
কুমিল্লা সেনানিবাস, কুমিল্লা।

বাবা : কী ব্যাপার, তোমার ক্লাসওয়ার্কের খাতা সাদা কেন? কিছু লেখনি?
ছেলে : লিখেছিলাম। কিন্তু টিচার তো যা লিখেছিলেন তা আবার বোর্ড থেকে মুছে ফেলেছেন, তাই আমিও ইরেজার দিয়ে আমার খাতার লেখাগুলো মুছে ফেলেছি।
সংগ্রহে : তৌফিজ আহ্মেদ
বড়গাছীহাট, জোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

ছেলের দু’দিন পর পরীক্ষা। অথচ পড়াশোনার নাম গন্ধ নেই। সারাদিন টইটই করে ঘুরে বেড়ায়।
মা ব্যাপারটা দেখে ওকে কাছে ডাকলেন।
মা : শিপলু, তোর না দু’দিন পর পরীক্ষা! পড়াশোনা করছিস না যে!
শিপলু : মা পরীক্ষার এতো চাপ- পড়ার সময়ই পাচ্ছি না!
সংগ্রহে : রাজিবুল ইসলাম
মধুগ্রাম আলিম মাদঝাসা, ডুমুরিয়া, খুলনা।

চিড়িয়াখানার হাতির খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে এক লোক মাথা ঠুকে ঠুকে কাঁদছে। দর্শকরা দেখল, খাঁচার ভেতরে হাতিটা মরে পড়ে আছে। তাই দেখে একজন বলল, আহারে! হাতিটার জন্য লোকটার কী মায়া! নিশ্চয়ই ওর দেখাশোনা করতো।
লোকটা তখন কাঁদতে কাঁদতে চেঁচায়Ñ আরে দুর… আমি এই চিড়িয়াখানায় কবর খোঁড়ার কাজ করি!
সংগ্রহে : মিরাজ আলম রামনগর, লক্ষ্মীপুর।

দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে বাঘ এসেছে বকের চেম্বারে।
বাঘ : একটা দাঁত তুলতে কত নিস্ রে?
বক : ২০০ টাকা।
বাঘ : সামান্য কয়েক সেকেন্ডের কাজ, তার জন্য ২০০ টাকা!
বক : ঠিক আছে, আমি না হয় অনেক সময় নিয়ে আপনার দাঁত তুলবো।
সংগ্রহে : মামুনুর রশীদ
মাদারগঞ্জ, জামালপুর।

স্বামী : বাচিয়েছি! বাচিয়েছি!
স্ত্রী : কী বাচিয়েছ?
স্বামী : ২ টাকা বাঁচিয়েছি!
স্ত্রী : কিভাবে?
স্বামী : আজকে অফিস থেকে বেরিয়ে বাস ধরার জন্য দেই দৌড়। বাসের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে দেখি বাসায় পৌঁছে গেছি।
স্ত্রী : কেন বাসের পেছনে দৌড়ালে? যদি রিকসার পেছনে দৌড়াতে তাহলে তো ৮ টাকা বাঁচানো যেত!
সংগ্রহে : আছিকুর রহমান
স্মরণপুর, মনিরামপুর, যশোর।

আতিক : বলতো ডাব না খেলে কী হয়?
মিজান : কী আর হবে, নষ্ট হয়!
আতিক : উঁহু, হলো না, নারকেল হয়
সংগ্রহে : কাজী সাকলাইন মুশতাক
পারুলিয়া দাখিল মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা।

SHARE

8 COMMENTS

Leave a Reply