Home নিয়মিত আমাদের কথা আ মা দে র ক থা

আ মা দে র ক থা

প্রাণপ্রিয় বন্ধুরা,
আস্সালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছো।
জ্যৈষ্ঠের দাবদাহ ছাড়িয়ে এখন আষাঢ়ের গুরুগম্ভীর আওয়াজ কানে ভেসে আসছে। আর এ সময় বুঝি মুখে উচ্চারিত হচ্ছে : ‘আষাঢ় এলো বৃষ্টি নিয়ে/ ঝর ঝর ঝর ঝরে,/ এমন দিনে বসে থাকতে/ চায় কি মন ঘরে?’
সত্যিই তাই। আষাঢ়ের বাদল দিনে কারই বা ঘরে বসে থাকতে ইচ্ছা করে! মনটা ছুটে যেতে চায় কদম-কেয়া ফোটা দূর-দিগন্তে, ভেজা ঘাসফুল আর ফসলের গন্ধ শুঁকতে।
আষাঢ় তো এমনি। আমাদের মনকে উদাস করে তোলে।
আষাঢ় এলেই আষাঢ়ে গল্পের পেছনে কখনো বা ছুটতে ইচ্ছে হয়। আবার কখনো বা রিমঝিম বৃষ্টির গন্ধে মন টেনে নিয়ে যেতে চায় শাপলা ফোটা বিল কিংবা খালের ধারে। কিন্তু সাবধান! মন চাইলেও অসতর্ক হওয়া যাবে না। একটু অসতর্ক হলেই নেমে আসতে পারে যে কোনো ধরনের বিপদ। তাই সর্বদা সতর্কভাবে পা ফেলতে হবে।
এই জুন মাসের ১০ তারিখ আমাদের প্রাণপ্রিয় কবি ফররুখ আহমদের জন্মবার্ষিকী। দিনটির কথা তোমাদের আরও বেশি করে মনে পড়বে যখন কবির লেখা বৃষ্টির ছড়া-কবিতাগুলো পড়বে। কী যে চমৎকার! সেসব ছড়া কবিতায় আছে যেমন মিল, তেমনি মজাদার উপমা। একটু পড়েই দেখো না!
২৩ শে জুন, পলাশী দিবস। এই স্মরণীয় ঐতিহাসিক দিনটির কথা মনে আছে নিশ্চয়ই! এই দিনে পলাশীর আম্রকাননে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। ষড়যন্ত্রে ছিলো মীর জাফররা। পরে নবাবকে নির্মমভাবে শহীদ করা হয়। নবাবের পরাজয়ের পর বাংলার স্বাধীনতার সূর্যও অস্তমিত হয়। সে এক শোকাবহ ট্র্যাজেডি! সেই ইতিহাস আমাদের জানতে হবে। আর শপথ নিতে হবে যে, আমাদের আজকের এই স্বাধীনতার পতাকা চির উড্ডীন রাখবো। সমুন্নত রাখবো বাংলাদেশের সার্বিক মর্যাদা।
আজকের মতো এখানেই ইতি টানছি।
আল্লাহ হাফিজ।

SHARE

Leave a Reply