Home স্মরণ নির্ভীক ও নিবেদিত মুজাহিদ হাজী শরীয়তুল্লাহ

নির্ভীক ও নিবেদিত মুজাহিদ হাজী শরীয়তুল্লাহ

ডা: সুলতান আহমেদ

১২০৩ সাল থেকে সাড়ে পাঁচশত বছর পর্যন্ত মুসলমানরা বাংলার শাসন পরিচালনা করেন। অবশেষে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাহ্। বাংলার স্বাধীনতা কেড়ে নিল ইংরেজরা। স্বাভাবিকভাবেই বাংলার হিন্দুগণ ইংরেজদের স্বাগত জানায়। আর মুসলমানগণ হয়ে ওঠে বিদ্রোহী।
ইংরেজ রোষানলে ক্রমান্বয়ে মুসলমানগণ হয়ে ওঠে নিঃস্ব এবং অবহেলিত। অন্যদিকে হিন্দুগণ ইংরেজদের সহযোগী হিসেবে ক্রমশ হয়ে ওঠে স্বাবলম্বী ও সুবিধাভোগী। ইংরেজ এবং হিন্দু জমিদারগণ মিলে মুসলমানদের ওপর চালাতে লাগল অত্যাচারের স্টিমরোলার ও অকথ্য জুলুম নির্যাতন।
শুরু হলো ইংরেজবিরোধী আন্দোলন। নেতৃত্বে মুসলমানগণ। স্বাধীনতা হারানোর মাত্র কয়েক বছর পর মীর কাসিম বাংলার স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রত্যক্ষ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। বক্সারের যুদ্ধে হলেন পরাজিত।
কিন্তু বিদ্রোহ থেমে থাকে না। মজনু শাহের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে ফকির বিদ্রোহ। ফকির বিদ্রোহ একটু ঝিমিয়ে পড়তেই গর্জে উঠলেন আর এক সাহসী সৈনিক সৈয়দ আহমদ শহীদ। তাঁর আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানদের আল কুরআন ও আল হাদিসের পথে ফিরিয়ে এনে খোলাফায়ে রাশেদীনের মতো ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করা। সারা ভারতব্যাপী এ আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। অবশেষে ১৮৩১ সালে সম্মুখ সমরে শহীদ হন  সৈয়দ আহমদ ও তাঁর অনেক অনুসারী। বালাকোটের শহীদদের মধ্যে কমপক্ষে ৯ জন এবং আহতদের মধ্যে চল্লিশজন ছিলেন বাংলাদেশী।
এই আন্দোলনেরই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হলেন আর এক সাহসী সংগ্রামী বীর পুরুষ। তিনি হলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ। ১৭৮১ সালে মাদারীপুর জেলার বাহাদুরপুরে তাঁর জন্ম। স্থানীয় জমিদার আবদুল হাজী তালুকদার তাঁর পিতা। শিশু অবস্থায় শরীয়তুল্লাহকে রেখে পিতা ইন্তেকাল করেন।
পিতার মৃত্যুর পর চাচা তাঁর লালন পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শিক্ষা লাভের জন্য বালক শরীয়তুল্লাহকে পাঠানো হলো কলকাতায়। কলকাতার মস্তবড় আলেম মাওলানা বাশারত আলীর তত্ত্বাবধানে চলতে থাকে শরীয়তুল্লাহর বিদ্যার্জন। পরে তাঁকে হুগলী মাদরাসায় ভর্তি করা হয়।
মাঝে একবার নিজ গ্রামে ফেরার পথে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে নৌকাডুবিতে হারান চাচা-চাচীকে। মাতৃভূমিতে ফিরতে না পেরে আবার চলে যান মাওলানা বাশারত আলীর গৃহে। কিছুদিন পর ওস্তাদের সাথে চলে গেলেন পবিত্র মক্কা-মুর্কারমাতে।
মক্কার বড় বড় আলেমের কাছে চলে তাঁর এলেম অর্জন। বহু ভাষা আয়ত্ত করেন। মক্কাতে শেষ পর্যন্ত শিক্ষকতার পেশা গ্রহণ করেন। প্রসিদ্ধি লাভ করেন এখানেও।
১৮১৮ সালে দীর্ঘ প্রবাসজীবনের সমাপ্তি টেনে ফিরে আসেন নিজ জন্মভূমিতে। দুঃখে ভরে গেল তাঁর মন মুসলমাদের অধঃপতন দেখে। কুসংস্কার, অশিক্ষা, কুশিক্ষা, অভাব, দারিদ্র্য আর শোষণ নির্যাতনে মুষড়ে পড়া মুসলমানদের দুরবস্থা তাঁকে দারুণভাবে ব্যথিত করে।
শরীয়তুল্লাহ দেখলেন ইসলামের মৌলনীতি বিসর্জন দিয়ে মুসলমানরা শিরক ও বিদআতে লিপ্ত। শুরু করলেন দাওয়াতি তৎপরতা। বেগবান করলেন তাঁর সংস্কার আন্দোলন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় মুসলমানগণ তাঁর আহবানে তেমন সাড়া দেয়নি। ব্যর্থ মনোরথ হয়ে আবার ধরলেন মক্কার পথ। এবার চললেন সারা পথ পায়ে হেঁটে। পথে পথে সফর করলেন বিভিন্ন মুসলিম জনপদ। জিয়ারত করলেন প্রসিদ্ধ ব্যক্তিগণের কবরসমূহ। দেখা করলেন জীবিত আলেম-ওলামাদের সাথে। বাগদাদ, বাইতুল মুকাদ্দাস, মিসর সফর শেষে পৌঁছলেন পবিত্র মক্কা নগরীতে। মক্কার পূর্ব পরিচিতজনদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পবিত্র হজ করেন।
এ যাত্রায় তিনি মক্কা-মদিনায় দুই বছর কাটান। সাক্ষাৎ করেন দ্বীনের বড় বড় আলেম-ওলামার সাথে। এবারের মক্কা-মদিনায় অবস্থানকালে তিনি রাসূল (সা) কে স্বপ্নে দেখেন। স্বপ্নে রাসূল (সা) তাঁকে নিজদেশে গিয়ে ইসলামের দাওয়াত দানের নির্দেশ দান করেন। ১৮২০ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দেশের পরিবর্তিত অবস্থা দেখে উৎসাহিত হন। এসময় মজলুম জনতা সংগ্রামমুখর হয়ে ওঠে হিন্দু জমিদার ও ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে।
যাবতীয় কুসংস্কার পরিত্যাগ করে ইসলামের খাঁটি অনুসারী হওয়ার জন্য তিনি তাঁর সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন। সাধারণ মুসলমানদের তিনি নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করেন। দীর্ঘকাল মক্কায় অবস্থান করে হাজী শরীয়তুল্লাহ কেবল কুরআন, হাদিস, ফিকাহ, তাসাউসই শিখেননি। তিনি বিশেষ জ্ঞান অর্জন করেছিলেন পরিপূর্র্ণ ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান ও রাজনীতি সম্পর্কে। তিনি দাওয়াতি কাজ শুরু করলেন জোরেশোরে। আপন-পর-সকল মানুষের মাঝে। দাওয়াতি আন্দোলন যত বেগবান হতে থাকল বিরোধিতাও শুরু হলো তত তীব্র বেগে।
হাজী শরীয়তুল্লাহর এই সংগ্রাম ফরায়েজি আন্দোলন নামে অভিহিত হলো। ফরজ শব্দের বহু বচন ফরায়েজ। আর তা থেকেই ফরায়েজি। যারা আল্লাহনির্ধারিত অবশ্য পালনীয় কর্তব্যসমূহ (ফরজ) পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তাদেরকেই ফরায়েজি বলা হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বিপুলসংখ্যক মুসলমানকে এই আন্দোলনের সদস্য করে তুলেন। হাজী শরীয়তুল্লাহ তাঁর আন্দোলনের সদস্য এবং সাধারণ মুসলমানদেরকে ধর্মের সাথে কর্মের মিল রাখার জন্য কঠোর নির্দেশ দিতেন।
হাজী শরীয়তুল্লাহর আন্দোলন সম্পর্কে জেমস টেইলর বলেন, ‘কুরআনকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের উদ্দেশ্য।’ একটি চমক দিয়েই ক্ষান্ত হওয়ার লোক ছিলেন না হাজী শরীয়তুল্লাহ। তিনি ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ার দিকে মনোনিবেশ করলেন। বিখ্যাত ঐতিহাসিক জেমস ওয়াইজের মতে, ‘শিরক ও বিদআত থেকে স্থানীয় মুসলমানদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে হাজী শরীয়তুল্লাহই পূর্ববঙ্গের ইসলামের প্রথম সংস্কারক ও প্রচারক।’
তাঁর সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন চরিত্র, সাদামাটা জীবন, অমায়িক ব্যবহার, আন্তরিক চেষ্টা, সবাইকে সমান মর্যাদা দানের অঙ্গীকারÑ যে কাউকে মোহিত ও মুগ্ধ করার জন্য ছিল যথেষ্ট। এমন একজন অনুকরণ ও অনুসরণযোগ্য নেতাই তখনকার পরিবেশে প্রয়োজন ছিল বেশি। ফলে তিনি সহজেই একটি গতিশীল আন্দোলন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
হাজী শরীয়তুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে লিপ্ত হন। সেই সাথে বেগবান রাখেন মুসলমানদের মধ্যে শিরক, বিদআত ও কুসংস্কার দূর করার জন্য সংস্কারের এক মহা বিপ্লবের ধারা। তিনি অবহেলিত ও বঞ্চিত মুসলিম জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তুলেন। সারা পূর্ব বাংলা ও আসামে তাঁর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর এই সংগ্রামে যুক্ত হয়েছিল সাধারণত সমাজের দরিদ্র কৃষকশ্রেণী। তিনি তাদেরকে সঙ্ঘবদ্ধ শক্তিতে পরিণত করলেন। ১৮৩৭ সালে হাজী শরীয়তুল্লাহর নেতৃত্বে ছিল সাড়ে ১২ হাজার সক্রিয় কর্মী।
হাজী শরীয়তুল্লাহর সমসাময়িক কালে বাংলায় আরও কিছু আন্দোলন চলছিল। তিনি অত্যন্ত সতর্কভাবে তাদের সাথে বিরোধ এড়িয়ে চলতেন। মাওলানা কেরামত আলী জৈনপুরীর আন্দোলন এবং আহলে হাদিস আন্দোলন এ সময় চালু ছিল। মাওলানা কেরামত আলী সমাজে প্রচলিত অনেক ব্যাপারে নমনীয় হয়ে কিছুটা ছাড় দেয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। আহলে হাদিস আন্দোলনও ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিক রূপ নেয়। কিন্তু কোনো নেতা অন্যের আন্দোলনকে অবজ্ঞা করেননি। লিপ্ত হননি সরাসরি কোনো বিরোধিতায়। হাজী শরীয়তুল্লাহ এ সময় অত্যন্ত কৌশলী কর্মপন্থা গ্রহণ করেন।
মক্কায় অবস্থানকালে শরীয়তুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুুল ওয়াহাব নজদির ইসলামী সংস্কার আন্দোলনের সংস্পর্শে আসেন। যদিও উক্ত আন্দোলন দ্বারা তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন, তথাপি কিছু কিছু দ্বিমত সাপেক্ষে তিনি ঐ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেননি। কিন্তু বিরোধী পক্ষ তাঁকে ওয়াহাবী বলে গালমন্দ করতো। কোনো ভালো কাজ করতে গেলেই বাধা আসে। স্বার্থান্বেষী মহল বাধার সৃষ্টি করে। শরীয়তুল্লাহর ক্ষেত্রেও এর অন্যথা হয়নি। বাধা এসেছে হিন্দু জমিদার ও ইংরেজদের পক্ষ থেকে।
তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হন। তাঁর কর্মীদের পুলিশ ও জমিদার বাহিনী নানাভাবে অত্যাচার করেছিল। হাজী শরীয়তুল্লাহর কর্মক্ষেত্র ছিল ঢাকা  জেলার নয়াবাড়ীতে। হিন্দু জমিদারদের চরম বিরোধিতার কারণে তাকে নয়াবাড়ী ছাড়তে হয়। চলে যান নিজ গ্রাম মাদারীপুরের শামাইলে। সেখান থেকে পূর্ণগতিতে চলতে থাকে সংস্কার আন্দোলন। এ সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচারও চলতে থাকে।
হাজী শরীয়তুল্লাহ শিরক, বিদআত, পীর ফকিরের মাজারে সিজদা, মানত ও হিন্দুদের পূজার মতো নানা রকম খারাবি ও বাড়াবাড়ি ইসলামের মৌলনীতি কুরআন ও হাদিসের বিপরীত বলে ঘোষণা করেন। তিনি সকল মুসলমানকে এসব কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য জোর আহবান জানান। পীর মুরীদের নামে সমাজে প্রচলিত অনেক কুসংস্কারের তিনি বিরোধিতা করেন। অবশ্য শরীয়ত নির্ধারিত পন্থায় তিনি পীরদের শিক্ষক বা উস্তাদের মর্যাদা দিতে চান। পরকালে পীরগণ সুপারিশের মাধ্যমে মুরিদকে জান্নাতে নিয়ে যাবেন- এ ধারণার তিনি চরম বিরোধিতা করেন।
হাজী শরীয়তুল্লাহর ছিল উন্নত চরিত্র। ছিল অতুলনীয় মানবীয় গুণ ও বৈশিষ্ট্য। তিনি মানুষকে সহজেই মুগ্ধ করতে পারতেন। আদর্শ ও চরিত্রের গুণেই তিনিই জয় করেছিলেন ভাগ্যাহত মানুষের মন। প্রকৃত অর্থেই হাজী শরীয়তুল্লাহ ছিলেন একজন নির্ভীক ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজ সংস্কারক। এদেশের মুসলমানদের চরম দুর্দিনে তিনি যোগ্য অবিভাবকের মতো তাদের কাছে টেনে নিয়েছিলেন। ইংরেজদের শত বাধা এবং হিন্দুদের হাজার চেষ্টাতেও এ উপমহাদেশের সংগ্রামরত বীর মুজাহিদদের আন্দোলন কখনো থেমে থাকেনি। তাদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সর্বদা এগিয়ে গেছেন সকল সাহসী মুজাহিদ। এই সাহসী মুজাহিদদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ। আমৃত্যু তিনি লড়ে গেছেন একজন প্রকৃত  সৈনিকের মতো। লড়ে গেছেন সত্যের পক্ষে এবং মিথ্যার বিপক্ষে।
হাজী শরীয়তুল্লাহ তাঁর সূচিত আন্দোলনের পূর্ণ সাফল্য দেখে যেতে পারেননি। ১৮৪০ সালের ২৮ জানুয়ারি মাত্র ৫৯ বছর বয়সে এই মর্দে মুজাহিদ, কৃষকবন্ধু, স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রসাধক এবং দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ইন্তেকাল করেন। পরবর্তীকালে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দান করেন তাঁর সুযোগ্য পুত্র মোহসীন উদ্দিন দুদুু মিয়া। সিপাহি বিদ্রোহ পর্যন্ত এ আন্দোলন প্রবলভাবে অব্যাহত থাকে। আজও ক্ষীণভাবে হলেও এ আন্দোলনের ধারা চালু আছে।
হাজী শরীয়তুল্লাহ এবং তাঁর সংগ্রামী জীবন যে কত বিশাল-ব্যাপক ছিল তার তুলনা তিনি নিজেই। সারা জীবন তিনি মানুষের মুক্তির সংগ্রাম করে গেছেন। আমাদের সংগ্রামে, আমাদের জাগরণে, আমাদের অনুভবে এবং আমাদের চলার পথে তিনি আছেন সাহসের মশাল হাতে নিয়ে। আমাদের সকল সংগ্রাম ও আন্দোলনের প্রেরণার উৎস হিসেবে জেগে আছেন হাজী শরীয়তুল্লাহ। তাঁর আদর্শ ও আন্দোলন আজ আমাদের পথহারা জাতিকে পথ দেখাতে পারে। ইসলাম যে যেকোনো ধরনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এবং শোষিত জনগণের পাশে থাকে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তই রেখে গেছেন হাজী শরীয়তুল্লাহ।
হাজী শরীয়তুল্লাহর নামে আজ শরীয়তপুর জেলার নামকরণ হয়েছে। আসলে তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হওয়া উচিত। মানুষের সামনে তাঁর আদর্শ বিকশিত হওয়ার দরকার। যাতে দিশেহারা জাতি তাঁরই অনুপ্রেরণায় ইসলামের আলোকে আলোকিত হতে পারে।

SHARE

Leave a Reply