Home জানার আছে অনেক কিছু হাঁচি আসে কেন?

হাঁচি আসে কেন?

তার আগে তুমি বলো তো, হাঁচি দেয়ার সময় আমাদের শরীরের কতোগুলো প্রত্যঙ্গে কাঁপুনি ধরে? তুমি চিন্তা করতে থাকো, এই ফাঁকে আমি বলে দিই, হাঁচি আসে কেন?
তোমার নাকের ভেতরে ঢুকে কোনো কিছু যদি খুব বিরক্ত করতে শুরু করে, তখন উপায় কী? উপায় হলো হাচ্চি! হাঁচি দিয়ে সেসব বিরক্তিকর জিনিসকে বের করে দেয়া হয়। এখন প্রশ্ন হলো, বিরক্তিকর জিনিসগুলো কী কী? এই যেমন ধরো- ধুলো, ঠাণ্ডা বাতাস, ঝাঁঝালো গন্ধ, ঠাণ্ডার ভাইরাস বা জীবাণু। অনেকের আবার নানা কিছুতে অ্যালার্জি থাকে, এই অ্যালার্জির জন্যও হাঁচি আসতে পারে। আরেকটা মজার কারণেও হাঁচি আসে- অনেকের উজ্জ্বল আলোতে হাঁচি আসে! প্রায় প্রতি ৩ জনের মধ্যে ১ জনের এই সমস্যা থাকে। হঠাৎ উজ্জ্বল আলোতে এলেই তাদের হাঁচি আসে। তোমাদের অনেকেরই মাঝে মাঝে হাঁচি-মতোন পায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর হাঁচি দেয়া হয় না। সে সময় উজ্জ্বল আলোর দিকে তাকিয়ে দেখো তো, হাঁচি আসে কি না। তাই বলে আবার একেবারে সূর্যের দিকে তাকিয়ো না, সেটা কিন্তু তোমার চোখের জন্য মোটেও ভালো নয়!
কী, বের করতে পারলে, হাঁচি দেয়ার সময় তোমাদের শরীরের কতোগুলো প্রত্যঙ্গে কাঁপুনি ধরে? বলছি, শোনো। পেটের এবডোমিনাল পেশী কাঁপে, বুকের পেশী কাঁপে, ফুসফুসের নিচে অবস্থিত ডায়াফ্রাম কাঁপে, ভোকাল কর্ডের পেশী কাঁপে (তুমি তো কথাই বলো এই ভোকাল কর্ডের সাহায্যে), গলার পেছনের পেশী কাঁপে, চোখের পেশীও কাঁপে। এখন, এই এতোগুলো পেশীর কাঁপুনি ঠিকঠাকমতো হচ্ছে কি না, সেটাও কিন্তু মস্তিষ্ককে দেখভাল করতে হয়। এই কাঁপুনির একটা ক্রম বা সিরিয়ালও আছে, মস্তিষ্ককে সেই ক্রমও ঠিকমতো বজায় রাখতে হয়। মস্তিষ্ক যখন খবর পায়, তখন সে এসব মাসলগুলোতে খবর পাঠায়- রেডি হও। তারপর সবাই একসাথে যখন নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করে, তখনই আমরা হাঁচি দেই। তাহলে, এই সাধারণ হাঁচি জিনিসটাও কী পরিমাণ জটিল, বুঝতে পারলে তো?
– জে হুসাইন

SHARE

1 COMMENT

Leave a Reply