Home ক্যারিয়ার গাইড লাইন মোরা বড় হতে চাই

মোরা বড় হতে চাই

আহসান হাবিব ইমরোজ..

সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই খুবই ভালো আছো। হেমন্তের হিম হিম আগমনে শরতের শেষ প্রাতে তোমাদের জানাই শুভ্র কাশফুলের আলতো শুভেচ্ছা। আজ থেকে দু’শো বার বছর আগে সেই ১৮০০ সালের কথা। হয়তো তখন তোমার দাদার-দাদার-দাদা কেবল ওয়া-ওয়া পাঠ শেষ করে হামাগুড়ি শিখেছে। সে সময় পৃথিবীর মানুষ আর কতইবা হবে, ৯৮ কোটি প্রায়। তখন  মাত্র ৩% মানুষ শহরে থাকতো। এর দু’শো বছর পর অর্থাৎ ২০০০ সালে এ সংখ্যা ১৬ গুন বেড়ে এসে দাঁড়ায় ৪৭%। ১৯৫০ সালে পৃথিবীতে দশ লক্ষের অধিক লোক বাস করে এমন শহরের সংখ্যা ছিল ৮৩টি আর ২০০৭ সালে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৮টি। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে প্রতি ৩৮ বছর পর শহরের বসতির সংখ্যা ডাবল হতে থাকবে। এভাবে আগামী ২০৩০ সালেই পৃথিবীতে শহুরে মানুষের সংখ্যা হবে প্রায় ৫০০ কোটি। এ তথ্য উপাত্ত ঠোঁটস্থ করে তুমি মজা পেতে পারো! যাক, আমাদের রাজধানী ঢাকায় তোমরা অনেকেই থাকো আর বাকিরা আসা-যাওয়ার ভেতর আছো। আর যারা এখনও আসতে পারোনি তাদের খুব কষ্ট নেয়ার কারণ নেই। কেননা, মাওলানা ভাসানীর একটি কথা নিশ্চয়ই তোমাদের জানা আছে। তিনি বলেছিলেন, “আমি যেখানে থাকবো সেটাই হবে রাজধানী।” এবং টাঙ্গাইলের শহরতলী সন্তোষে থেকেও ভারতবর্ষ কাঁপিয়ে সেটি তিনি প্রমাণ করেছেন। সুতরাং ঢাকা নিয়ে আজকে কিছুটা ঢাক বাজানো যাক্, কেমন!

সমগ্র বিশ্বে নিউইয়র্ক সিটি, সাংহাই এবং কোলকাতার পর ঢাকা বর্তমানে লোকসংখ্যা ও আয়তনের বিচারে ৯ম বৃহত্তম মেগাসিটি A megacity is usually defined as a metropolitan area with a total population in excess of 10 million people. Some definitions also set a minimum level for population density (at least 2,000 persons/square km)}.
একসময় ঢাকার  পরিচিতি ছিল ‘সিটি অব মস্ক’ বা মসজিদের শহর হিসেবে। বর্তমানে প্রায় ৪ লক্ষ রিকসার (যে দেশে মানুষের হিসাবেরই ঠিক নাই রিকসার হিসাব কে রাখে?) শহর হিসেবে ‘Rickshaw Capital of the World’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। সেই ছোট্টবেলায় আমরা যখন ৩য় বা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র তখন; ওফ! কী কঠিন খিটখিটে বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে পড়েছিলাম বিদেশী শব্দের কথা। তোমরাও পড়েছ নিশ্চয়ই? হ্যাঁ, একটি জাপানি শব্দের কথা বলছি। সেটি হচ্ছে- রিকসা। ১৮৬৮ সালে মিজি সাম্রাজ্যের সময় জাপানে সর্বপ্রথম রিকসার যাত্রা শুরু হয়। রিকসা শব্দটির উৎপত্তি জাপানি শব্দ জিনরিকসা হতে (The word rickshaw originates from the Japanese word jinrikisha (jin = human, riki = power or force, sha = vehicle), which literally means “human-powered vehicle”)
আজ থেকে ১৪০ বছর আগে ১৮৭২ সালে টোকিওতে ৪০,০০০ রিকসা চলতো (Powerhouse Museum, 2005; The Jinrikisha story, 1996)। কিন্তু ২০০৯ সালে জাপানে গিয়ে আর রিকসা খুঁজে পাইনি কারণ তার বহু পূর্বেই তারা চালকের জন্য কষ্টকর এই যানটি বাদ দিয়ে আধুনিক ও দ্রুতগামী বাহনের সভ্যতায় প্রবেশ করেছে; সাকুল্যে ১০/২০টা থাকলেও সব মিউজিয়ামে।
১৮৭৪ সালে জাপান থেকে হংকংয়ে রিকসা আসে। ১৯২০ সাল পর্যন্ত যার সংখ্যা ছিল ৩,০০০। ১৯৭৫ সালে সেখানে আর নতুন করে রিকসার লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। ২০০৯ সাল পর্যন্ত রিকসার সংখ্যা ছিল মাত্র ৪টি। বর্তমানে শুধু নিচে বর্ণিত এই ১টি রিকসাই চলছে শুধু পার্কের ভিতর ট্যুরিস্টদের মনোরঞ্জন করার জন্য। রিকসা যদি অনুন্নয়ন ও বেকারত্বের প্রতীক হয়; তবে তোমরা কি বলতে পারো, টোকিও এবং হংকং হতে আমাদের ঢাকা কত বছর পিছিয়ে আছে?
১৯৯৭ সালের ২৬ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা সফরে এসে ব্রিটেনের প্রিন্স চার্লস ঢাকাকে অভিহিত করেছিলেন ‘কংক্রীট বস্তি’ হিসেবে। পনের বছর পর আজকের চেহারা দেখলে তিনি কী বলতেন? বন্ধুরা, ভাবছো তার সেই পুরানো কথায় আমি এমন ভড়কে গেলাম! অবশ্যই নয়। তবে আমরা নিজেরা ভালো আছিতো? আজকাল দেশী টিভিগুলোতে কার্টুনের মতো করে নেসলের একটি অ্যাড দিচ্ছে, যাক সে কাহিনী বলার আগে নেসলের কিছু গল্প শেয়ার করি। এটি একটি সুইস মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি। যেটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ খাদ্য ও পানীয় উৎপাদন করে। ২০১১ ফরচুন গ্লোব ৫০০ Fortune Global 500) জরিপে এটি বিশ্বের ১ নম্বর লাভজনক কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর বার্ষিক শুধু লাভের পরিমাণ হচ্ছে $ millions 32,843.0 অর্থাৎ প্রায় ২,৬৯,৩১২ কোটি টাকা (ডলারের রেট @ ৮২/= অনুযায়ী)। একটু অঙ্ক কষে দেখোতো এ টাকাটি বাংলাদেশের চলতি ২০১২-১৩-এর ব্যয় বাজেট (১,৯১,৭৩৮ কোটি টাকা)-এর চাইতেও প্রায় ৭৭,০০০ কোটি টাকা বেশি। নেসলের ৪৪৯টি ফ্যাক্টরিতে ও বিপণনে নিয়োজিত কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৩,২৪,০০০। উৎপাদিত পণ্যের ব্র্যান্ডের পরিমাণ প্রায় ৮,০০০ প্রকার; যেমন বোতলজাত পানির  ব্র্যান্ড ৩৭টি, কফির ব্র্যান্ড ২১টি ইত্যাদি। যা বিশ্বের ৮৬টি দেশে বাজারজাত হয়। তাদের জনপ্রিয় প্রোডাক্টগুলি হচ্ছে Nespresso, Nescafé, KitKat, Smarties, Nesquik, Stouffer’s, Vittel Ges  Maggi.

.
এবার নেসলের কথা থাক, তার অ্যাডের কথায় আসি। তোমরা দেখেছো নিশ্চয়ই, টিভিতে দেখাচ্ছে একজন লোক ঘুমিয়ে আছে, …হঠাৎ তার চোখ বিস্ফোরিত হয়ে গেল, লাফিয়ে উঠে সে মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগালো, … নাহ্, এতেও কাজ হচ্ছে না। দৌড়ে গাড়িতে উঠে ভীষণ গতিতে গাড়ি চালিয়ে রাস্তার ধারে পেট্রোল নেয়ার মতো একটি স্টেশনে লম্বা লাইনে অক্সিজেন নেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে গেল। শোনা গেল একটি অদৃশ্য কণ্ঠ ‘গাছ না থাকলে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিতে হবে কাঁধে’। অনুরূপ আরেকটি বিজ্ঞাপন যার শেষ কথা- ‘গাছ না থাকলে পাখি বাসা বাঁধবে চুলে।’ হ্যাঁ, বেশি দূরে নয়, সামনে সেই দিন আসছে। আষাঢ় মাসেও বৃষ্টির দেখা নেই। রাতের গরম স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৫ ডিগ্রি বেড়ে গেছে।
ধানমন্ডি, আগারগাঁও এলাকায় ২০ বছর আগে যেখানে ভূগর্ভের ২৫-৩০ ফুট নিচে পানি পাওয়া যেত আজকে সেই জায়গাসমূহে পানির খোঁজে ১৫০ থেকে ১৯০ ফুট পর্যন্ত খুঁড়তে হয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনগুলোতে ঢাকার ভূগর্ভের নিচে সাগরের লোনা পানি ঢুকে যাবে। তখন আমরা তীলে তীলে বুঝবো নদ-নদী, খাল-বিল সব হারিয়ে সেই দুঃখ ঢাকার জন্য সাগর জয়ের মর্মবাণী। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত তীলে যে তৈল হয় সেটা দিয়ে সাগর জয়ের অলীক কাহিনী নিয়ে তৈলচর্চা থাকবেই। দেশী টিভিগুলোতে বিরুলিয়ার প্লটের অ্যাড দিচ্ছে। তোমরা কিনবে কি না সে নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা বা কপাল ব্যথা কিচ্ছু নেই। একটা মজার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি- অ্যাডে দেখাচ্ছে উত্তরা ছিল একসময় ঘন জঙ্গল আর নালা-ডোবায় ভরা। দিনের বেলায় সেখানে শেয়াল ডাকতো। পাঠক আমার সাথে একমত হবে কি না জানি না, তবু বলছি, উত্তরাতে এখনও মাঝরাতে শেয়াল ডাকে রীতিমত ঝালর-চাদোয়া টানিয়ে ছাদের উপরে ব্যান্ডের সব যন্ত্রপাতি বাজিয়ে নেচে-কুঁদে।
আর গাছ? গত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে (৫ জুন) মাথায় কি ভূত চাপলো, হ্যাঁ মনে হয় গেছো ভূত হবে, উত্তরার একটি এলাকায় জরিপ চালালাম। আজ থেকে মাত্র ২২ বছর আগেও উত্তরা ছিল বালিজুড়ি গ্রাম। এখানে ছিল ঝোপঝাড়, উঁচু-নিচু টিলা আর ডোবা। ছিল বেলটেক, ছনটেক, কাঁঠালটেক ইত্যাদি। সেটি বর্ধিষ্ণু নতুন উত্তরার একটি সেক্টরের রাস্তার প্রায় অর্ধেকাংশ নিয়ে। রাস্তার উভয়পার্শ্বে ৭৮টি বাসা। কিছু প্লট ফাঁকা, কিছু ১,২,৩,৪ তলা পর্যন্ত তৈরি। এগুলি হিসেবে ধরলে ৬ তলা বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ বাসা ধরা যায় ৩৫টি। প্রতি বাসায় ১০টি করে ফ্ল্যাট ধরলে সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৫০টি। প্রতি বাসায় গড়ে ৫ জন করে বসতি ধরলে মানুষের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭৫০ জন; এর সাথে যোগ হবে খালি জায়গায় ঝুপড়ি করে থাকা এবং নিচতলা ও ছাদের উপরে খুপরি করে থাকা মানুষগুলো অর্থাৎ সর্বমোট প্রায় ২০০০ মানুষ। এখন এইটুকু এলাকার গাছের কী অবস্থা! সর্বমোট বড় গাছ ২ (দুই)টি মাত্র, একটি আম আরেকটি কদম। হ্যাঁ, ব্যাংকের চেকে টাকার অঙ্ক বসানোর মতো করে অঙ্ক এবং কথায় উভয় পদ্ধতিতেই সংখ্যাটি লিখলাম। কারণ লক্ষ-কোটি টাকার চাইতেও বিষয়টি যে দামি! আর মাঝারি গাছ, ছোট গাছ যার ভিতর আছে আম, কাঁঠাল, নিম, কলা আর কিছু ফুল গাছ। যার সংখ্যা সাকুল্যে ৩০-এর বেশি হবে না। অর্থাৎ সবে মিলে ৩২টি। আর মানুষ সংখ্যা ২০০০। তার মানে একটি গাছ অনুপাতে মানুষের সংখ্যা ৬২.৫ জন। এই সব মানুষের নিঃসৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সাপ্লাই দেবে কে? নগরায়নবাদিরা বলবেন, ‘আরে ছো! আধুনিক তত্ত্বকথা কিচ্ছু বুঝেন না দেখছি! আমরা টবে করে ছাদে কত্তো গাছ লাগিয়েছি না!’ চলো তাহলে সরেজমিনে দেখতে ছাদে যাই। কী দেখবে- ৫/৭ বাসার ছাদে টবে, কাটা ড্রামে এমনকি ভাঙা পটে করে বেশ কিছু ফুল ও ফল-ফলাদির গাছ আছে বনসাই করে রাখা। দু’টি বাসাতো রীতিমত গাছ-গাছরায় ঢেকে একেবারে গাছ-বাড়ি হয়ে গেছে। কিন্তু বাকি সব বাসাগুলোর ধূসর-কালো ছাদ মনে হয় আরব্যোপন্যাসের ভয়ঙ্কর দৈত্যের মতো দাঁত বের করে হাসছে। সেখানে একচিলতে সবুজেরও কোনো ছোঁয়া নেই। এই ক’টি শোকেসের বনসাইরা আবার ঘরে পোষা কুকুর, বিড়াল, ময়না, টিয়ে জাতীয় পেটদের অক্সিজেন সাপ্লাই দিতেই গলদঘর্ম। সুতরাং তোমার-আমার ভবিষ্যৎ অক্সিজেন সাপ্লাই দেবে কে? আবার সেই ৩৫০টি ফ্ল্যাটে কমপক্ষে সবমিলে ৫০টি গাড়ি আছে; এদের নিঃসৃত কালো কার্বনসমূহ আমরা কোথায় লুকাবো?
এই ক’মাস আগেও আমি নিজেদের ড্রয়িং কাম লেখার রুমে দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় লিখতে পারতাম, আজ লাইট জ্বালিয়ে লিখছি ও কষ্ট লাঘব না বাড়াতে শুনছি পশ্চিমবঙ্গের নচিকেতার গান- “ভীড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনা রোদ… প্রতিদিন চুরি যায় মূল্যবোধের সোনা…” ইত্যাদি।
প্রিয় বন্ধুরা, তোমাদের বলছি, আবার জাতির অভিভাবকদেরও বলছি, ঢাকাকে আর অবহেলার ডেকচিতে ঢেকে না রেখে এটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা ও প্রচেষ্টার দরকার। এর ১৮ শত বছরের বর্ণাঢ্য ইতিহাস এবং তারও আগের নিদর্শনাবলি জানতে হবে। প্রায় ৫৫০ বছর আগে নারিন্দায় প্রতিষ্ঠিত বিনতি বিবির মসজিদের আগে কী আর কোনো ইটের স্থাপনা হয়েছিল? এ জন্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা তথ্যাবলি সংগ্রহ করতে হবে। আনতে হবে প্যারিস মিউজিয়াম থেকে মির্জা নাথানের সেই দুর্লভ বই বাহারিস্থান ই গায়িবিয়্যা। সেই সাথে দরকার ঢাকাকে সত্যিকার বাহারিস্থান হিসেবে গড়ার কার্যকরী উদ্যোগ। নচেত আগামী ৫ শত বছর পর ঢাকা হবে মহেনজোদারো বা হরোপ্পার মতই এক ধ্বংসস্তুপ। তখন উত্তরা-ধানমন্ডিতে ভূতের আড্ডা নাম নিয়ে এর চার্ম নিয়ে কেবল কয়েকটি রেস্টুরেন্টই থাকবে না কিংবা ধানমন্ডির ভূতেরগলির মতো একটি গলিই কেবল থাকবে না সারাটি শহরই হবে এক ভয়ঙ্কর ভূতের নগরী। অভিভাবকদেরও বলছি ঢাকাকে আর অবহেলার ডেকচিতে ঢেকে না রেখে এটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা ও প্রচেষ্ঠার দরকার। এর ১৮ শত বছরের বর্ণাঢ্য ইতিহাস এবং তারও আগের নিদর্শনাবলি জানতে হবে। ঢাকার নাম কেন ঢাকা এর ৬ কারণের কোনটি কতটুকু ঠিক। প্রায় ৫৫০ বছর আগে  নারিন্দায় প্রতিষ্ঠিত বিনতি বিবির মসজিদের আগে কী আর কোন ইটের স্থাপনা হয়েছিল? এজন্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা তথ্যাবলী সংগ্রহ করতে হবে। আনতে হবে প্যারিস মিউজিয়াম থেকে মির্জা নাথানের সেই দূর্লভ বই বাহারিস্থান ই গায়িবিয়্যা। সেই সাথে দরকার ঢাকাকে সত্যিকার বাহারিস্থান হিসেবে গড়ার কার্যকরী উদ্যোগ। নচেৎ আগামী ৫ শত বছর পর ঢাকা হবে মহেন্জো দারো বা হরোপ্পার মতই এক ধ্বংসস্তুপ। তখন উত্তরা-ধানমন্ডিতে ভূতের আড্ডা নাম নিয়ে এর চার্ম নিয়ে কেবল কয়েকটি রেস্টুরেন্টই থাকবে না কিংবা ধানমন্ডির ভূতেরগলির মতো একটি গলিই কেবল থাকবে না সারাটি শহরই হবে এক ভয়ঙ্কর ভূতের নগরী।

SHARE

3 COMMENTS

  1. Hello Web Admin, I noticed that your On-Page SEO is is missing a few factors, for one you do not use all three H tags in your post, also I notice that you are not using bold or italics properly in your SEO optimization. On-Page SEO means more now than ever since the new Google update: Panda. No longer are backlinks and simply pinging or sending out a RSS feed the key to getting Google PageRank or Alexa Rankings, You now NEED On-Page SEO. So what is good On-Page SEO?First your keyword must appear in the title.Then it must appear in the URL.You have to optimize your keyword and make sure that it has a nice keyword density of 3-5% in your article with relevant LSI (Latent Semantic Indexing). Then you should spread all H1,H2,H3 tags in your article.Your Keyword should appear in your first paragraph and in the last sentence of the page. You should have relevant usage of Bold and italics of your keyword.There should be one internal link to a page on your blog and you should have one image with an alt tag that has your keyword….wait there’s even more Now what if i told you there was a simple WordPress plugin that does all the On-Page SEO, and automatically for you? That’s right AUTOMATICALLY, just watch this 4minute video for more information at. Seo Plugin

Leave a Reply