Home সাক্ষাৎকার প্রতিভা বিকাশ করতে হলে প্রতিভা লালন করতে হবে -মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্

প্রতিভা বিকাশ করতে হলে প্রতিভা লালন করতে হবে -মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্

কিশোরকণ্ঠ : আপনার লেখালেখির প্রাথমিক পর্যায়টা বলুন।
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : বাল্যকাল ও কৈশোরে বিভিন্ন কবির লেখা শিশু-কিশোর কবিতা ছিল আমার অত্যন্ত প্রিয় পাঠ্যবিষয়। অন্যের মুখে শিশুতোষ ও কিশোর-উপযোগী কবিতা-ছড়া ইত্যাদির আবৃত্তি শুনে যেমন আকৃষ্ট এবং মুগ্ধ হতাম, তেমনি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত ছড়া-কবিতা ইত্যাদি পাঠ করে আকৃষ্ট ও মুগ্ধ হতাম। শিশুতোষ রচনারÑ বিশেষ করে কিশোর-উপযোগী কবিতার ছন্দ-ধ্বনি ও অন্ত্যমিল আমার মনোহরণ করতো। আমাদের স্কুল-জীবনের পাঠ্যবইয়েও অনেক বিখ্যাত কবিতা রচিত ছড়া-কবিতা পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল। সে-সব কবিতার বেশির ভাগই ছিল শিক্ষামূলক এবং উপদেশাত্মক। আমাদের প্রাইমারি স্কুল ও হাইস্কুলের ছাত্রজীবনে যেসব শিশুতোষ ও কিশোর-উপযোগী কবিতা পড়েছি, সে-সব রচনার অনেকগুলোই একালেও স্কুলের পাঠ্যবইয়ের অন্তর্গত। স্কুলের ছাত্র হিসেবে পাঠ্যবই পাঠের বাধ্যবাধকতা ছাড়াও, কবিতা পাঠের আকর্ষণ ও আনন্দেÑ বিশেষ করে ছন্দ-ধ্বনিই এবং অন্ত্যমিলের মোহনীয়তায় অনেক ছড়া-কবিতাই মুখস্থ করে ফেলতাম।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। বছর ঘুরে আবার আমাদের মাঝে হাজির হলো সেই শুভ সময়টি- ঈদুল ফিতর। সব মানুষেরই থাকে এই ঈদকে ঘিরে অসংখ্য স্মৃতি, শত ভাবনা। এবারের ঈদে এ দেশের বিশিষ্ট কবি মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ ও জনপ্রিয় ক্ষুদে মডেল তারকা মাহমুদুর রহমান অনিন্দ্য কী ভাবছেন? ঈদকে সর্বজনীন করার জন্য তাদের ভাবনাই বা কী? এসো, এসব প্রশ্নের উত্তর জেনে নিই তাদের দেয়া সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারগুলো থেকে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন কিশোরকণ্ঠের সম্পাদনা সহযোগী মাজহারুল ইসলাম

প্রাইমারি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালেই আমার জীবনেও ছবি আঁকার এবং কবিতা রচনার সূচনা। বাল্যে ও কৈশোরেই আমি নানা বিষয়ে ছন্দ-মিল দিয়ে বহু ছড়া ও কবিতা লিখেছি। যদিও সেসব শিশুতোষ ও কিশোর-উপযোগী রচনার একটিও কোনো পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। প্রকাশের জন্য পত্রপত্রিকায় পাঠানোর চেষ্টাও করিনি। সেকালে প্রায় সব পত্রপত্রিকা এবং সাহিত্য সাময়িকীই প্রকাশিত হতো অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতা মহানগরী থেকে। গ্রামের বাসিন্দা ছিলাম বলে পত্রপত্রিকা, সাহিত্য-সাময়িকী এবং শিশু-কিশোরদের উপযোগী পত্রপত্রিকা পাওয়ার ও পাঠের সুযোগ খুব কমই হতো। কবিতা, ছড়া, গল্প ইত্যাদি হোক, কিংবা অন্য যে ধরনের রচনাই হোক, লেখা ছাপাতে হলে যে পত্রপত্রিকায় পাঠাতে হয় তা আমার তেমন জানা ছিল না ফলে স্কুল-জীবনে আমার কোনো রচনা মুদ্রিতরূপে পত্রপত্রিকায় দেখার সুযোগ এবং সৌভাগ্য আমার হয়নি, যদিও অনেক ছড়া-কবিতা ও গল্প-উপন্যাস লিখে কৈশোরকালেই আমি খাতা ভর্তি করেছি।
কিশোরকণ্ঠ : প্রথম প্রকাশিত লেখা কোন্টি? স্মৃতিটা মনে পড়ে?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : আমার গ্রামের সন্নিকটস্থ তালমাহর হাইস্কুল থেকে ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক পাস করার পর ঢাকা মহানগরীতে এসে ঢাকা কলেজে আইএ ক্লাসে ভর্তি হই। সে-সময় থেকেই আমার রচনা এবং শিশু-কিশোরদের উপযোগী রচনাও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে। পঞ্চাশের দশকের গোড়াতেই প্রখ্যাত শিশু-সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ সম্পাদিত ‘হুল্লোড়’ পত্রিকায় ‘হুল্লোড়’ নামেই আমার একটি শিশুতোষ কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয়। পঞ্চাশের দশকে এবং পরবর্তীকালেও, বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার শিশু-কিশোর বিভাগে এবং শিশুতোষ পত্রিকায় আমি যেসব ছড়া ও কবিতা লিখেছি তার কোনোটাই আমার সংগ্রহে নেই। আমার দীর্ঘ সাহিত্য-জীবনে বড়দের উপযোগী কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, স্মৃতিকথা অজস্র সংখ্যায় লিখলেও এবং কয়েকটি গল্প-উপন্যাস লেখা সত্ত্বেও আমি ছড়া-কবিতা ও অন্যান্য শিশু-কিশোর উপযোগী রচনা লিখেছি খুবই কম।
কিশোরকণ্ঠ : কোন্ মাধ্যমটিতে বেশি স্বাচ্ছন্যবোধ করেন?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : আমি ছন্দোবদ্ধ ও অন্ত্যমিলযুক্ত কবিতা পড়তে এবং লিখতে সবচেয় বেশি আনন্দ পাই, যদিও অজস্র ছন্দোবদ্ধ ও অন্ত্যমিলযুক্ত কবিতা লেখার পাশাপাশি কিছু গদ্য-ছন্দের অন্ত্যমিলহীন কবিতাও রচনা করেছি। আমার বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থে ও দু’টি কবিতা-সংগ্রহে সেগুলো অন্তর্ভুক্ত। ছড়ার ছন্দ স্বরবৃত্ত কবিতার এবং বাংলা কবিতারও আদি ছন্দ। ছড়া বলি, আর কিশোর-উপযোগী অন্যান্য ধরনের কবিতাই বলি, শিশু-কিশোর কবিতা লিখতে হয় স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত ইত্যাদি ছন্দে এবং পঙ্কক্তি শেষে অন্ত্যমিল দিয়ে রচনার বিষয় যা-ই হোক না কেন, শিশু-কিশোর কবিতা গদ্য-ছন্দে ও অন্ত্যমিল ছাড়া লেখা হয় না বললেই চলে। ছড়া এবং অন্যান্য ধরনের শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতার বিষয়বস্তু যা-ই হোক না কেন, তা আকর্ষণীয়, চিত্তাকর্ষক ও মনোহারী হওয়ার কারণ, এর ছন্দমিল ও ধ্বনি-মাহাত্ম্য। এ-সব কারণেই কবিতা-বিশেষ করে শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতা মুখস্থ ও স্মরণীয় হয় সহজে। আমার শিশু-কিশোর উপযোগী কিছু কবিতায় ছন্দ ও অন্ত্যমিল বিষয়ে কিছু আলোকপাত করা হয়েছে, বক্তব্যও রাখা হয়েছে।
কিশোরকণ্ঠ : আপনার লেখার উপজীব্য বিষয়কে আপনি কিভাবে মূল্যায়িত করবেন?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : ‘ছড়ায় এবং শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতায় বিচিত্র বিষয়ই রচনার উপজীব্য হতে পারে। ‘ছড়াকে বলা হয়’ ‘আবোল-তাবোল’ বা ইংরেজিতে যাকে বলে ‘ননসেন্স রাইম’। কিন্তু এ কথা বলা হলেও, ছড়া কিংবা শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতা ইত্যাদি যা-ই বলি না কেন, তা একেবারে অর্থহীন বা ‘আবোল-তাবোল’ নয়। আপাতদৃষ্টিতে যা উদ্ভট, অস্বাভাবিক, আশ্চর্য কল্পনাপ্রসূত এবং কৃত্রিম রচনা বলে মনে হয়, তার মধ্যেও কিছু না কিছু বক্তব্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে লুকানো থাকে। কিশোর-উপযোগী কবিতায় তো শিক্ষামূলক এবং উপদেশাত্মক বক্তব্যও সংযুক্ত থাকে কিংবা প্রাধান্য পায়। আমার রচনায়ও তার পরিচয় আছে। যারা নিছক ‘শিল্পের জন্য শিল্পনীতিতে অর্থাৎ আর্টস ফর আর্টস-এর আদর্শে বিশ্বাসী নন, তারা ছড়ার এবং শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতার মাধ্যমে ছন্দ-ধ্বনির ও শিল্পরূপের অন্তরালে কিছু শিক্ষামূলক ও উপদেশাত্মক বক্তব্য ফুটিয়ে তোলে। আমিও এ ধরনের চেষ্টা করেছি, শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতার মাধ্যমে মাতৃভাষাপ্রীতি, স্বদেশপ্রেম, নৈসর্গিক সৌন্দর্যবোধ, মানবতা-প্রীতি জাগিয়ে তোলার প্রয়াস পেয়েছি। এতে কতটা সফল হয়েছি, সে বিচার করবেন সুধী পাঠক ও সমালোচক মহল।
কিশোরকণ্ঠ : শিশু-কিশোর ছড়া-কবিতা গ্রন্থাকারে প্রকাশের বিষয়টি বলুন।
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : আমার রচিত ছড়া এবং শিশু-কিশোর উপযোগী কবিতা গ্রন্থাকারে প্রকাশের কথা এতকাল তেমন একটা ভাবিনি, যদিও অনেকেই আমার এ ধরনের কবিতা সম্পর্কে উৎসাহব্যঞ্জক তাগিদ দিয়েছেন। কয়েকটি সঙ্কলনে এবং দুয়েকটি স্কুল-পাঠ্য বইয়ে আমার রচিত শিশুতোষ ও কিশোর-উপযোগী কবিতা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, এ গ্রন্থের অন্তর্গত কবিতাবলি প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন দৈনিক ও শিশু-কিশোর পত্রিকায়। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রচনা প্রকাশিত হয়েছে ‘দৈনিক বাংলার সাতভাই চম্পা’তে। রচনাগুলো এতকাল সংশ্লিষ্ট পত্রিকার পৃষ্ঠায় এবং আমার কবিতা-সংগ্রহে বন্দী ছিল। বাংলাবাজারের বিশিষ্ট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্সের স্বত্বাধিকারী এবং বিচিত্র বিষয়ে শিশু-কিশোর কবিতার দক্ষ রচয়িতা- কয়েকটি গ্রন্থ-প্রণেতা তরুণ কবি প্রীতিভাজন মালেক মাহমুদ উদ্যোগী না হলে এ গ্রন্থ হয়তো আত্মপ্রকাশ করতো না। আমি তাঁর কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
কিশোরকণ্ঠ : আপনি সাহিত্যাঙ্গনে এলেন কিভাবে? কারো কোনো বিশেষ অনুপ্রেরণার কথা মনে পড়ে কি?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : আপনাকে ধন্যবাদ এ প্রশ্ন করার জন্য। আপনি যে আমার সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য এসেছেন সেই জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং ধন্যবাদ জানাই কিশোরকণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা প্রকাশক এবং কিশোরকণ্ঠে যারা লেখেন, তাদের সবাইকে, আপনার মাধ্যমে। আপনি হয়তো জানেন যে, আমি ২০১০ সাল থেকে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। আমার আকস্মিকভাবে স্ট্রোক হওয়ার কারণে আমার শারীরিক চলাফেরা একেভারেই কমে গেছে এবং আমার দৃষ্টিশক্তি অনেকটা লোপ পেয়েছে। সে জন্য আমি এখন কোনো লেখা লিখতে পারি না, কোনো লেখা পড়তে পারি না। এবং হাঁটা-চলাও ঠিক মতো করতে পারি না। না হলে হয়তো আমি লিখিতভাবেই আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতাম। তো আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আপনি হয়তো জানেন শৈশব থেকেই আমার সাহিত্য চর্চা করা শুরু। কৈশোরকালেই আমার ছোট্ট ব্যক্তিগত পাঠাগার ছিল। আমার চাচা আবদুর রহিম সাবেব এসব পত্রপত্রিকা যেমন প্রবাসী, মাসিক মহাম্মদী, সওগাত এসব পাঠাতেন আমাদের বাড়িতে এবং সেগুলো আলমারিতে থাকতো। আমি সেই আলমারি খুঁজে খুঁজে পত্রিকাগুলো পড়তাম এবং আপনি জানেন যে রমানান্দ দাসের সেই বিখ্যাত প্রবাসী, মুহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের সওগাত, মাসিক মুহাম্মদী। আরো অনেক পত্রিকা ছিল আমি কয়েকটার নাম বললাম এবং পরবর্তীকালে ঢাকা থেকে যেগুলো বের হতো সেগুলোও ছিল। আমি পঞ্চাশের দশকে ঢাকা এসেছি তার আগেতো গ্রামেই ছিলাম।
কিশোরকণ্ঠ : বর্তমান শিশু-কিশোররা তাদের সুপ্ত প্রতিভা কিভাবে বিকাশ করতে পারে?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : প্রতিভা বিকাশ করতে অনেক কথা বলতে হয়। তবে আমি একটি কথা বলবো প্রতিভা বিকাশ করতে হলে প্রতিভা লালন করতে হবে। প্রতিভার চর্চা করতে হবে।
কিশোরকণ্ঠ : সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের ঈদ আনন্দে শরিক করার জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করে? এ ক্ষেত্রে সরকার ও সমাজের দায়িত্ব-কর্তব্য কী?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ্ : আমি শুধু ঈদ আনন্দের কথা বলবো না। আমি সব আনন্দে শিশু-কিশোরদের শরিক করার জন্য বলবো। আনন্দ একটি জীবনের অংশ। সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা নিয়েই মানুষের জীবন। আনন্দই যদি জীবন থেকে উঠে যায় তাহলে জীবনই অর্থহীন হয়ে ওঠে। আমাদের দরিদ্র কিশোর যারা গ্রাম-শহরে অসংখ্য শিশু-কিশোর রয়েছেÑ তাদের যদি আনন্দ উপভোগ করতে হয় তাহলে তাদের অর্থনৈতিক সঙ্গতি বাড়াতে হবে। অর্থ ছাড়া আনন্দ হয় না। অর্থনৈতিক সঙ্গতি ছাড়া ঈদের আনন্দ করা সম্ভব নয়, কারণ আপনি খাবার, জামা-কাপড় কিছুই কিনতে পারবেন না। সেই ক্ষেত্রে আমাদের যারা অর্থনৈতিকভাবে ভালো আছি তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তাদের সমাজের আশপাশে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। যাদের ওপর জাকাত ফরজ হয়েছে তারা যদি ঠিক মতো জাকাত দেন তাহলে দারিদ্র্যের সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে। আসুন আমরা যাদের ওপর জাকাত ফরজ হয়েছে সবাই জাকাত দিই। আমি বলবো আমরা শুধু দু’টি ঈদ নয়, বছরের প্রতিটি দিনই যেন আমাদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে এই কামনা করি।
কিশোরকণ্ঠ : কিশোরকণ্ঠের পাঠকদের উদ্দেশে আপনার উপদেশ কী?
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ : কিশোরকণ্ঠের পাঠকের প্রতি আমার উপদেশ- তাদেরকে শ্রম এবং সাধনা করতে হবে। প্রতিভার লালন করতে হবে। আল্লাহ আমাদের দেশকে প্রতিভাবঞ্চিত করেননি, আমাদের প্রতিভা লালন করলে আমাদের দেশ একদিন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।

SHARE

Leave a Reply